প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে খুশি হতাম: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মূল্যস্ফীতি আরও কমলে আমি খুশি হতাম। তিনি বলেন, ‘এখন মূল্যস্ফীতি কমানো গেলে মানুষ স্বস্তি পেত। উৎপাদন যথেষ্ট। কোন অভাব নেই।’
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, মুদ্রাস্ফীতি এখন একটি সমস্যা। ‘এটা শুধু বাংলাদেশ নয়, আমি আমেরিকার অর্থনৈতিক প্রতিবেদন দেখেছি এবং সেখানেও মুদ্রাস্ফীতি একটি বড় সমস্যা।’
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশসহ অনেক দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মহামারিতে ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ, আমদানি-রপ্তানি সবই বন্ধ ছিল।
আরও পড়ুন: কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
তিনি বলেন, ‘বাহির থেকে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো যেত না, তাই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা আসত, তাই সে সময় আমাদের রিজার্ভ বেড়ে গিয়েছিল।’
তিনি উল্লেখ করেছেন যে মহামারির পরে সবকিছু আবার শুরু হলে ব্যয় বাড়তে শুরু করে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘জরুরি সময়ের জন্য খাদ্য মজুদ থাকলে মজুদ নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই।’
তিনি স্বীকার করেছেন, তিনি এটি নিয়ে কথা বলে রিজার্ভ সম্পর্কে মানুষকে এত সচেতন করেছেন।
বৈঠকে তিনি বলেন, ‘সবাই রিজার্ভের কথা বলে, জিডিপি নিয়ে কথা বলে, এটা একটা ভালো দিক।’
পণ্যের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর পেছনে অনেক খেলা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আজ আমি দেখলাম যে কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণ করা হত সেখানে ডিম সংরক্ষণ করা হচ্ছে। আলু কোল্ড স্টোরেজে ডিম রাখা উচিত নয়। বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনাও ঘটছে।’
আরও পড়ুন: উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়নে ব্যর্থ: প্রধানমন্ত্রী
দেশের অর্জনকে ধরে রেখে এগিয়ে যেতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা না করি তবে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল তারা একটুও বদলায়নি।
তিনি বলেন,‘এটিই বাস্তবতা এবং আমাদের এটির মুখোমুখি হতে হবে এবং এগিয়ে যেতে হবে।’
আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে সহজে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক শ্বেতাঙ্গ: প্রধানমন্ত্রী
৬৫২ দিন আগে
বঙ্গোপসাগরে বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে সহজে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক শ্বেতাঙ্গ: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের ভূখণ্ডে বিদেশি একটি দেশকে একটি বিমান ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতির বিনিময়ে ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে তাকে(শেখ হাসিনা) ঝামেলামুক্ত পুনর্নির্বাচনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) তার সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত ১৪ দলের বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি প্রস্তাবটির বিষয়টি প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন সাদা চামড়ার লোকের কাছ থেকে প্রস্তাব এসেছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে নির্বাচন যাতে না হয় সেজন্য বিএনপি ষড়যন্ত্র করেছে।
আরও পড়ুন: শ্রমনির্ভর শিল্পের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির পক্ষে প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন,‘তবে তারা (বিএনপি) সেটি করত। আমি যদি কোনো দেশকে বাংলাদেশে বিমান ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দিই, তাহলে আমার কোনো সমস্যা হবে না।’
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, তিনি ২০০১ সালে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের কাছে বাংলাদেশের গ্যাস বিক্রি করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তখন তিনি একই প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট বলেছি আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। আমরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জয়ী হয়েছি এবং আমি দেশের অংশ ভাড়া দিয়ে বা অন্য কোনো দেশের হাতে তুলে দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চাই না। আমার ক্ষমতার দরকার নেই।’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণ যদি তাকে ক্ষমতায় চায়, তাহলে তিনি ক্ষমতায় আসবেন। আর যদি না চায়, তাহলে আসবেন না।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এটা বলছি কারণ সবার জানা উচিত।’
আরও পড়ুন: কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি দেশে ও বিদেশে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। ষড়যন্ত্র এখনো চলছে বলে জানান তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশকে আরেকটি পূর্ব তিমুরে পরিণত করার ষড়যন্ত্র চলছে।
তিনি বলেন, ‘পূর্ব তিমুরের মতো... তারা বঙ্গোপসাগরে ঘাঁটি সহ বাংলাদেশ (চট্টগ্রাম) এবং মিয়ানমারের একটি অংশ নিয়ে একটি খ্রিস্টান দেশ তৈরি করবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, প্রাচীনকাল থেকেই বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্য দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য চলে আসছে।
তিনি বলেন, ‘অনেকের চোখ এই জায়গাটার দিকে। এখানে কোনো বিরোধ নেই, কোনো বিরোধ নেই। আমি এটা হতে দেব না। এটাও আমার একটা অপরাধ (তাদের চোখে)।’
প্রস্তাবিত বিমান ঘাঁটি থেকে কোন দেশকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘এটি মনে হতে পারে, তাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র একটি দেশ, কিন্তু তা নয়। আমি জানি তারা আর কোথায় যেতে চায়।’
তিনি বলেন, এ কারণে আওয়ামী লীগ সরকার সব সময় সমস্যায় থাকে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আরও ঝামেলা হবে। কিন্তু এটা নিয়ে চিন্তা করবেন না। দেশের মানুষই আমাদের শক্তি। জনগণ আমাদের সঙ্গে থাকলে আমরা ক্ষমতায় থাকব।’
আরও পড়ুন: উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়নে ব্যর্থ: প্রধানমন্ত্রী
৬৫২ দিন আগে
উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়নে ব্যর্থ: প্রধানমন্ত্রী
জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে উন্নত দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করায় হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (২১ মে) সফররত অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খোলামেলা কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এম নজরুল ইসলাম এই তথ্য জানান।
নজরুল ইসলাম বলেন, 'জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ার কারণে তিনি কিছুটা হতাশা ব্যক্ত করেন।’
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়ার মন্ত্রীকে বলেন, বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছে।
তিনি বলেন, 'আমরা অলস বসে থাকিনি (উন্নত দেশের অপেক্ষায়), আমরা আমাদের জনগণকে বাঁচানোর জন্য আমাদের নিজস্ব ক্লাইমেট ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছি, আমরা আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা করছি।’
আরও পড়ুন: ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বিকালে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে রয়েছে, কারণ এখানে প্রায়ই ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা আঘাত হানে।
বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা এবং ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যে কোনো ধরনের যুদ্ধ বা সংঘাতের বিরুদ্ধে।
তিনি বলেন, 'আমরা প্রতিটি সংঘাত নিরসনে আলোচনা ও সংলাপ চাই।’
তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে বাংলাদেশ।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য অনুরোধ করলেও প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টায় উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি।
বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে কক্সবাজার জেলায় প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। যাদের বেশিরভাগই মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দ্বারা পরিচালিত হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে। মিয়ানমার এখনো তাদের নাগরিকদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছোট আয়তনের বাংলাদেশ একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। তিনি বলেন, 'এজন্য আমরা কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেছি।’
তিনি বলেন, সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য শিল্প-কারখানা স্থাপনের জন্য সারাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে।
তিনি বলেন, 'অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোক্তারা সেখানে বিনিয়োগ করতে পারে এবং দেশের বিনিয়োগবান্ধব সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে মুনাফা অর্জন করতে পারে।’
কৃষি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ গত ১৫ বছরে খাদ্যশস্য উৎপাদনে সফল হয়েছে।
তিনি বলেন, 'আমরা আমাদের উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছি, তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জমি হ্রাস পাওয়ায় আমাদের উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে।’
তিনি এর উন্নত কৃষি প্রযুক্তি বিনিময়ে অস্ট্রেলিয়ার সহায়তা কামনা করেন।
তিনি বলেন, সরকারের সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশ দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশ থেকে ১৭ দশমিক ৭ শতাংশে এবং চরম দারিদ্র্যের মাত্রা ২৫ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ৭ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।
নজরুল বলেন, তারা কৃষি, শিক্ষা, বাণিজ্যসহ দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
তিনি এসব বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে প্রায় ৯০ হাজার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষ অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছে এবং তারা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।
তিনি অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাদের দেশে আরও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর প্রবেশাধিকারের জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দু'দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার ও গভীর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ এম জিয়াউদ্দিন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে এবং আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার জন্য সহযোগিতা জোরদারের উপায় খুঁজে বের করতে মঙ্গলবার দুই দিনের সরকারি সফরে ঢাকায় আসেন পেনি ওং।
আরও পড়ুন: কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
৬৫৪ দিন আগে
কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং শুরু করতে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (২০ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় এ নির্দেশ দেন তিনি।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
তিনি বলেন, ‘বাজারে সরবরাহের সমস্যা না থাকলেও কোনো কোনো পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা গেছে। তাই প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে বাজার কঠোরভাবে মনিটরিং শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।’
আরও পড়ুন: শ্রমনির্ভর শিল্পের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির পক্ষে প্রধানমন্ত্রী
৬৫৫ দিন আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক
হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ান ও তাদের সফরসঙ্গীদের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার(২০ মে) এক বার্তায় শেখ হাসিনা লিখেছেন, ‘হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ড. সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হোসেন আমির আবদুল্লাহিয়ান এবং তাদের সফরসঙ্গীদের দুঃখজনক মৃত্যুর খবর শুনে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও দুঃখিত।’
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট রাইসি ছিলেন একজন বিজ্ঞ ও নিঃস্বার্থ নেতা, যিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি নিয়ে তার দেশের সেবা করেছেন এবং ইরানি জনগণের কল্যাণে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।
আরও পড়ুন: হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত: ইরানের প্রেসিডেন্ট-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর লাশ উদ্ধার
তিনি এতে আরও বলেন,‘তিনি আন্তর্জাতিক মর্যাদার একজন মহান নেতা ছিলেন এবং তার দৃষ্টান্তমূলক নেতৃত্ব ও অর্জন আমাদের জন্য দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
নিহতদের আত্মার মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য ও ইরানের জনগণের এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সাহস ও ধৈর্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ইরানে হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় এ পর্যন্ত যা জানা গেল
৬৫৫ দিন আগে
শ্রমনির্ভর শিল্পের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির পক্ষে প্রধানমন্ত্রী
সরকার শিল্প খাতে আধুনিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি শ্রমনির্ভর শিল্প প্রতিষ্ঠান দেখতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা শিল্প খাতে আধুনিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করতে চাই। আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই, পেছনে নয়। কিন্তু কর্মসংস্থানের সুযোগ যেন নষ্ট না হয়।’
রবিবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) সপ্তাহব্যাপী ১১তম জাতীয় এসএমই পণ্য মেলার উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শিল্প মন্ত্রণালয় ও এসএমই ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করে।
তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ডিজিটাল পদ্ধতিতে অর্জন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘তবে এর জন্য আমাদের উদ্যোক্তা ও কর্মশক্তির প্রয়োজন হবে।’
আরও পড়ুন: বর্তমানে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে শক্তিশালী দল: স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদক্ষেপ নেওয়ার সময় সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, দেশে শ্রমনির্ভর শিল্প স্থাপন করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয় ও এসএমই ফাউন্ডেশনকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, 'যেহেতু আমাদের জনগণের জন্য কাজের ব্যবস্থা করতে হবে, সেজন্য শ্রমনির্ভর শিল্প স্থাপনে আমাদের আরও মনোযোগ দিতে হবে।’
নতুন উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তরুণরা কোনো কোর্স শেষ করেই শুধু চাকরির পেছনে ছুটবেন না।
তিনি বলেন, 'অন্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য উদ্যোক্তা হন, সেই সক্ষমতা আপনাদের কাজে লাগাতে হবে।’
স্টার্টআপ কর্মসূচি এবং তাদের জন্য পৃথক বাজেটসহ সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
সব এসএমই প্রতিষ্ঠানকে শতভাগ রপ্তানিমুখী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতি আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি জানান, এরইমধ্যে তিনি বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোকে তাদের অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে তাদের স্বাগতিক দেশগুলোতে রপ্তানি পণ্য ও বাজার সম্প্রসারণে চাহিদা খুঁজে বের করা যায়।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা উৎপাদন করতে পারি, আমাদের দক্ষ জনশক্তি আছে, যে কেউ এখানে বিনিয়োগ করতে পারে এবং পণ্য রপ্তানি করতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আরও মনোযোগী হওয়া উচিত কেন না সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।
আরও পড়ুন: সিঙ্গাপুরকে ‘নিজেদের মতো করে’ চালাতে চান নতুন প্রধানমন্ত্রী লরেন্স
৬৫৬ দিন আগে
দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করুন: স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী
দেশের ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি বিনিয়োগ করতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘আমরা সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি। আমরা সেখানে বিনিয়োগের আহ্বান জানাচ্ছি। তবে আমরা শুধু বিদেশি বিনিয়োগ চাই না, চাই দেশীয় বিনিয়োগও।’
আজ রবিবার (১৯) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শিল্প মন্ত্রণালয় ও এসএমই ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী ১১তম জাতীয় এসএমই পণ্য মেলার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকার এ পর্যন্ত মোট ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে ৮০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য জমি বরাদ্দ দিয়েছে।
আরও পড়ুন: এসএমই মেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, এসএমই ফাউন্ডেশন বা যারা উদ্যোক্তা তারা এককভাবে বা অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প স্থাপনের জন্য জমি নিতে পারেন।’
শেখ হাসিনা বলেন, কৃষি যান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি সরকার খাদ্য উৎপাদন, কৃষিপণ্য উৎপাদন যা অর্থনীতিতে অবদান রাখবে এবং তার উপর ভিত্তি করে শিল্পায়নের উপর জোর দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘শিল্পায়ন না হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে না এবং আমরা আরও এগিয়ে যেতে পারব না। তাই আমাদের শিল্পায়নের দিকে নজর দিতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার যে কৃষির জন্য নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে সেই কৃষির যান্ত্রিকীকরণের জন্য বড় পরিসরে ছোট যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হবে।
আরও পড়ুন: দেশের মাটি ও মানুষের কথা বিবেচনা করে পরিকল্পনা করুন: অর্থনীতিবিদদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান করা গেলে ওইসব যন্ত্রাংশ উৎপাদন করা সম্ভব হবে যা অনেক দেশেও রপ্তানি করা যাবে। এতে আমাদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমাদের দেশেই বাজার তৈরি হবে।’
শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান।
অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয় ও এসএমই ফাউন্ডেশনের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় এসএমই উদ্যোক্তা পুরস্কার ২০২৩ প্রাপ্ত ৭ ছোট, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও স্টার্টআপ উদ্যোক্তার হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।
স্বপ্না রানী সেন পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে থেকে তার অনুভূতি প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী মেলায় বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
আরও পড়ুন: জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরে নীতিমালা যুগোপযোগী করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
৬৫৬ দিন আগে
এসএমই মেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্য প্রদর্শনের জন্য আজ রবিবার (১৯ মে) সপ্তাহব্যাপী ১১তম জাতীয় এসএমই পণ্য মেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শিল্প মন্ত্রণালয় ও এসএমই ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিক্রয় ও বাজার সম্প্রসারণই এ মেলার উদ্দেশ্য।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে মানোন্নয়ন কর্মসূচি, বড় কোম্পানি ও এসএমইর মধ্যে সহযোগিতাকে উৎসাহিত করার নীতি এবং অর্থায়নে উন্নত প্রবেশাধিকার। রপ্তানি বাড়াতে মেলায় বৈদেশিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর প্রচেষ্টার কথাও তুলে ধরে মন্ত্রণালয়।
আরও পড়ুন: বর্তমানে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে শক্তিশালী দল: স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
আয়োজকরা জানান, মেলায় তৈরি পোশাক, পাট, হস্তশিল্প, চামড়াজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হালকা প্রকৌশল, আইটি সেবা, জুয়েলারি ও আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন খাতের পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।
সারা বাংলাদেশ থেকে উদ্যোক্তারা তাদের ঐতিহ্যবাহী পণ্য প্রদর্শন করছেন।
এতে ৩৫০টির বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি এন্টারপ্রাইজ অংশ নেবে। মেলার প্রায় ৬০ শতাংশ উদ্যোগের নেতৃত্বে রয়েছেন নারী উদ্যোক্তারা।
এতে ৩০টি ব্যাংক এবং ১৫টি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় ৫০টি উদ্যোক্তা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, তৈরি পোশাক খাত থেকে আরও ৭৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।
আরও পড়ুন: দেশের মাটি ও মানুষের কথা বিবেচনা করে পরিকল্পনা করুন: অর্থনীতিবিদদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী
শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান।
অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয় ও এসএমই ফাউন্ডেশনের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় এসএমই উদ্যোক্তা পুরস্কার ২০২৩ প্রাপ্ত ৭ ছোট, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও স্টার্টআপ উদ্যোক্তার হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।
স্বপ্না রানী সেন পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে থেকে তার অনুভূতি প্রকাশ করেন।
মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
আরও পড়ুন: জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরে নীতিমালা যুগোপযোগী করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
৬৫৬ দিন আগে
বর্তমানে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে শক্তিশালী দল: স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী, বৃহত্তম ও সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য রাজনৈতিক দল।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ও বৃহৎ সংগঠন। এটাই বাস্তবতা। জনগণের কাছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য দল আওয়ামী লীগ।’
ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে দলীয় নেতাকর্মীরা গণভবনে শুভেচ্ছা জানাতে এলে এ কথা বলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরার আগে তার অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় আওয়ামী লীগের মতো একটি বড় দলের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা তার ছিল না। আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দেওয়া নিঃসন্দেহে তার জন্য বড় দায়িত্ব ছিল।
আরও পড়ুন: দেশের মাটি ও মানুষের কথা বিবেচনা করে পরিকল্পনা করুন: অর্থনীতিবিদদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী
দল অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রতিবারই ষড়যন্ত্র হয় এবং আমরা তা অতিক্রম করি। এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে।’
ছয় বছরের বাধ্যতামূলক নির্বাসন শেষে দেশে ফেরার দিনের কথা স্মরণ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, সেদিন ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ তাকে স্বাগত জানিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, ১৯৮১ সালে তিনি যখন দেশে ফিরে আসেন, তখন দেশ পরিচালনা করছিল যুদ্ধাপরাধী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের হত্যাকারীরা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশবাসী ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর তার আস্থা ছিল। সেকারণেই তাকে হত্যা করা হতে পারে জেনেও দেশে ফিরে এসেছেন।
তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছেন, সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি। বরং জনগণের অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। তাই সে আকাঙ্ক্ষা পূরণের প্রত্যয় নিয়ে দেশে ফিরেছিলাম।’
বঙ্গবন্ধু যে ইচ্ছা ও চেতনা নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন, তার সরকার এখন কিছুটা হলেও বাস্তবায়ন করতে পেরেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরে নীতিমালা যুগোপযোগী করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, 'আমার সব শক্তি ও সাহস আমি পেয়েছি আমার বাবা-মায়ের কাছ থেকে।’
কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের ভূমিকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল এবং এর সহযোগী সংগঠন থাকায় আমরা কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি।’
তিনি বলেন, করোনাকালে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো রাজনৈতিক দল জনগণের পাশে দাঁড়ায়নি এবং আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-কর্মী এ কাজে জীবন উৎসর্গ করেছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, 'আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো সংগঠন বাংলাদেশের মানুষের জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করেনি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার দেশকে বদলে দিতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘তবে ভবিষ্যতে আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সকালে গণভবনে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা।
এ সময় আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরাও ছিলেন।
আরও পড়ুন: মেয়েদের কেবল ভুক্তভোগী নয়, পরিবর্তনের চালিকা শক্তি হিসেবে বিবেচনা করুন: প্রধানমন্ত্রী
৬৫৮ দিন আগে
দেশের মাটি ও মানুষের কথা বিবেচনা করে পরিকল্পনা করুন: অর্থনীতিবিদদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনীতিবিদদের দেশের মাটি ও মানুষের কথা বিবেচনা করে তাদের নীতি, পরিকল্পনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন করতে বলেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি অর্থনীতিবিদদের কাছে চাই- আপনারা দেশের মাটি ও মানুষের কথা বিবেচনা করে আপনাদের নীতি, পরিকল্পনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন করবেন।’
আজ শুক্রবার (১৭ মে) রাজধানীর রমনা এলাকায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির (বিইএ) ২২তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলন-২০২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরে নীতিমালা যুগোপযোগী করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, স্থানীয় বাস্তবতা ও জনকল্যাণকে কেন্দ্র করে কোনো পরিকল্পনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন করা হলে তা কার্যকর হবে। কেউ (বিদেশি) যদি দু-একদিনের জন্য এখানে এসে আমাদের পরামর্শ দিয়ে চলে যায়, তাহলে আমাদের জন্য সেই পরামর্শ দিয়ে কোনো লাভ হবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা অবশ্যই বিদেশি উৎস থেকে যে কোনো কিছু শিখতে পারেন, কিন্তু দেশ, জনগণ এবং সম্পদ বিবেচনা করে এখানে তা বাস্তবায়ন করতে পারেন।
জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনই বাংলাদেশকে উন্নত করাই তার লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে তার উন্নয়ন যাত্রায় অনেক অগ্রগতি অর্জন করেছে।
আরও পড়ুন: মা ও নবজাতকদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে আরও ১০ হাজার ধাত্রী নিয়োগ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
করতালির মধ্যে হাসিনা বলেন, ‘ইনশাল্লাহ আমরা এখন যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি সেভাবেই এগিয়ে যাব। যত বাধাই আসুক না কেন আমরা সব বাধা অতিক্রম করতে সক্ষম হবো।’
দুই দিনব্যাপী দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আবুল বারকাত।
সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ড. জামালউদ্দিন আহমেদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম।
৬৫৮ দিন আগে