প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
কৃষকদের সরাসরি সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
প্রকৃত কৃষকদের শনাক্তকরণ এবং সরাসরি সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি। তাই কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত এক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষকরা যাতে ন্যায্য পাওনা ও সরকারি ভর্তুকি সহজে পান, তা নিশ্চিত করতেই এই স্মার্ট কার্ড ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।
সভায় দেশের প্রান্তিক কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং কৃষি প্রণোদনা বিতরণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে কৃষক কার্ড চালুর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় কৃষক কার্ডের কারিগরি দিক, বিতরণ পদ্ধতি এবং ডাটাবেজ তৈরির অগ্রগতি অবহিত করা হলে প্রধানমন্ত্রী দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের দিক-নির্দেশনা দেন।
সভায় মন্ত্রিসভার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১১ দিন আগে
প্রথমবার সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন তারেক রহমান।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় তিনি ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকালে প্রধানমন্ত্রী তার অফিসে পৌঁছালে তিন বাহিনীর প্রধানরা তাকে স্বাগত জানান। এ সময় সরকারপ্রধান সশস্ত্র বাহিনী প্রধানদের সঙ্গে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
তিনি জানান, এরপর প্রধানমন্ত্রী দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান এবং মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরীকে ‘র্যাঙ্ক ব্যাজ’ পরিয়ে দেন।
১১ দিন আগে
শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তৃতীয় দিনের মতো সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে অফিস করছেন। সেখানে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের সময়ানুবর্তিতার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী আজ রবিবার সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছান।
তিনি আরও বলেন, এত সকালে প্রধানমন্ত্রীকে অফিসে দেখে অনেকেই অভিভূত হয়েছেন।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘সচিবালয়ে অফিসে এসে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টারা কারা কারা অফিসে এসেছেন তার খোঁজ-খবর নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন যাতে নির্দিষ্ট সময়ে সকলে অফিসে উপস্থিত হন।’
উল্লেখ্য, তারেক রহমান গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। পরের দিন তিনি সচিবালয়ে তার দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন এবং সেখানে টানা দুই দিন কাজ করেন। এর মাঝে, গত শনিবার সরকারি ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও তিনি তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেছেন।
১২ দিন আগে
ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় মন্ত্রিপরিষদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সভা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করার লক্ষ্যে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ক্যাবিনেট কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এ সভায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ শনিবার প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেন তারেক রহমান। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে তিনি কার্যালয়ে পৌঁছান।
এ সময় কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন তাকে স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী নিজের কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের সময় দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
এদিকে কার্যালয় চত্বরে প্রধানমন্ত্রী একটি স্বর্ণচাঁপা ফুলের চারা রোপণ করেন এবং আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
এরপর তিনি মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ডাকটিকিট উন্মোচন করেন।
১৩ দিন আগে
প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করছেন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে তিনি তার কার্যালয়ে পৌঁছান।
এ সময় কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন তাকে স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী নিজের কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের সময় দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
তারেক রহমান কার্যালয়ের পুরনো অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নাম ধরে কাছে ডেকে কথা বলেন। এ সময় সংশ্লিষ্টরা কিছুক্ষণের জন্য ভুলে যান যে তারা দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এতো কাছাকাছি পেয়েছেন।
এদিকে কার্যালয় চত্বরে প্রধানমন্ত্রী একটি স্বর্ণচাঁপা ফুলের চারা রোপণ করেন এবং আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
এরপর তিনি মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ডাকটিকিট উন্মোচন করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, ১৮ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দুই দিন তিনি সচিবালয়ে অফিস করেন।
১৩ দিন আগে
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে এটিএম আবু আসাদকে পুনর্বহাল
অবসরে যাওয়া বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এটিএম আবু আসাদকে চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মশিউর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এটিএম আবু আসাদকে ২০২১ সালের ৩১ মে অবসরে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ওই অবসরের আদেশ বাতিল করে তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করা হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অবসরের তারিখ থেকে পুনর্বহালের আগ পর্যন্ত সময়ে তিনি কর্মরত ছিলেন হিসেবে গণ্য হবে।
এ ছাড়াও, তিনি বিধি মোতাবেক বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি পাবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেবে ইউনূস-বাইডেনের বৈঠক: প্রেস সচিব
৫২৮ দিন আগে
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কলেজ অধ্যক্ষদের সঙ্গে গণভবনে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী
পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক ও কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে মত বিনিময় করছেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করলেন শিক্ষার্থীরা
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্র জানায়, রাত সোয়া ৮টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়।
এর আগে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলনের সমন্বয়ক এক দফা দাবি ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল শিক্ষার্থীদের জন্য খুলে দিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন।
আরও পড়ুন: সংলাপের জন্য গণভবনের দরজা খোলা আছে: কোটা আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী
৫৮০ দিন আগে
সংলাপের জন্য গণভবনের দরজা খোলা আছে: কোটা আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গণভবনের দরজা খোলা। তাদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না।’
শনিবার (৩ আগস্ট) গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
এসময় তিনি বলেন, ‘আমি আবারও বলছি, আন্দোলনকারীরা চাইলে আমি এখনো আলোচনায় রাজি। তারা যেকোনো সময় (গণভবনে) আসতে পারে। দরকার হলে তারা তাদের অভিভাবকদের নিয়েও আসতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাই। আমি তাদের কথা শুনতে চাই; শুনতে চাই- তাদের কী কী দাবি অপূর্ণ রয়ে গেছে।’
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হওয়ার প্রায় এক মাস পর এই প্রথম তিনি এ ধরনের ইঙ্গিত দিলেন।
বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি কারো দাবির অপেক্ষায় থাকিনি।’
আরও পড়ুন: কোটা সহিংসতার প্রতিটি ঘটনা তদন্তে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি চাই এর সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন, পুলিশ হোক বা অন্য কেউ, তার বিচার হোক। যাদের কাছে অস্ত্র ছিল এবং যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের সবার বিচার ও তদন্ত হওয়া উচিত।’
শুধু ঢাকায় নয়, দেশের অন্যত্রও যেসব ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড ঘটেছে, তার তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।
হাসিনা বলেন, ‘এজন্য আমি বিচার বিভাগীয় কমিশনে আরও দুজন বিচারক এবং তিনজন সদস্য নিয়োগ দিয়েছি।’
তদন্ত যাতে সুষ্ঠু হয়, সে কারণে তিনি কমিশনের কাজের পরিধি ও সময়ও বাড়িয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
যারা ‘হত্যাকাণ্ড’ ঘটিয়েছে তাদের সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনতে চান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সেটাই চাই। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন, তাকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে; তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত করা হবে।’
রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যে পুলিশ সদস্য এ ঘটনার জন্য অভিযুক্ত হয়েছেন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার ব্যাপারে অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকেও বিচারের আওতায় আনা হবে।’
সহিংসতা ঘিরে গ্রেপ্তারদের মধ্যে থেকে শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘একইসঙ্গে আটক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে যারা একেবারেই জড়িত নন, তাদের মুক্তি দেওয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছি; এটি শুরু হচ্ছে।’
যারা দোষী সাব্যস্ত হবে, তারাই কেবল কারাগারে থাকবে এবং বাকিরা মুক্তি পাবে উল্লেখ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে জামায়াত, শিবির ও বিএনপি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী এসময় বিশ্ববিদ্যালয়, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রস্তাবিত সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয় স্কিম’ বাতিল করার ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা এটি পুরোপুরি বাতিল করছি।’
এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ‘২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে এটি আওয়ামী লীগের অঙ্গীকার ছিল। এরপর সার্বিক বিষয়গুলো মাথায় রেখেই আমরা এই প্রকল্প চালু করি। আমরা সেখানে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা রেখেছিলাম।’
প্রসঙ্গত, প্রত্যয় স্কিমকে ‘বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে এটি বাতিল করতে গত ১ জুলাই থেকে আন্দোলন করে আসছেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা।
৫৮০ দিন আগে
কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে জামায়াত, শিবির ও বিএনপি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জামায়াত-শিবির ও বিএনপি কোটা সংস্কারের জন্য ছাত্রদের আন্দোলনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে দেশব্যাপী সাম্প্রতিক সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।
ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা (জামায়াত-শিবির ও বিএনপি) ছাত্রদের শুধু ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে।’
সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব নূরএলাহি মিনা সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
তিনি বলেন, জামায়াত-শিবির ও বিএনপি অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষ হত্যা করে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সহিংসতার পর চিকিৎসা নেওয়া আহতদের দেখতে তিনি বিভিন্ন হাসপাতালে গেছেন।
তিনি বলেন, 'আমরা সবাইকে সমানভাবে চিকিৎসা সুবিধা দিচ্ছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসহ সবকিছু ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে।
তিনি বলেন, সারা দেশ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় এসেছে। এক্সপ্রেসওয়ে ও মেট্রোরেল স্টেশনের ভাঙা টোল প্লাজাগুলোর সেবা চালু করতে কিছুটা সময় লাগছে।
ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, নৈরাজ্যবাদীরা বাংলাদেশের আধুনিকায়নের প্রতীকগুলোকে টার্গেট করেছে।
তিনি জানমালের ক্ষয়ক্ষতিতে শোক প্রকাশ করেছেন।
মিনা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এসব ভাঙচুরের পেছনে থাকা অপরাধীদের বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রদূত।’
হলি আর্টিজানে হামলার পর সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের পদক্ষেপ ও সাফল্যের প্রশংসা করেন তিনি।
ইতালির রাষ্ট্রদূতকে উদ্ধৃত করে মিনা বলেন, 'হলি আর্টিজানের ঘটনার মতো ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে সন্ত্রাসবাদ দমন করতে বাংলাদেশ সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।’
সাম্প্রতিক হামলা ও ভাঙচুর মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপের প্রশংসা করেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দুই লাখেরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি এই সম্পর্কের সেতুবন্ধন এবং তারা উভয় দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।
আলেসান্দ্রো বলেন, দুই দেশের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে কাজ করবেন তিনি।
আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করল সরকার
এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, জ্বালানি, এসএমই, মহাকাশ প্রযুক্তি ও জাহাজ নির্মাণ ক্ষেত্রগুলো এই ক্ষেত্রের কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।
তিনি ইতালিতে বৈধ অভিবাসনের বিষয়টি এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তার দেশের পুলিশ সদস্যদের বিশাল অভিজ্ঞতা থাকায় বিক্ষোভ ও দমন-পীড়নের মতো বিভিন্ন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশকে 'স্কুল অব পাবলিক অর্ডার'-এ প্রশিক্ষণ দিতে তার দেশের গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটি একটি ভালো প্রস্তাব উল্লেখ করে বলেন, এ বিষয়ে আরও আলোচনা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এবং অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: কোটা সহিংসতার প্রতিটি ঘটনা তদন্তে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
৫৮২ দিন আগে
কোটা সহিংসতার প্রতিটি ঘটনা তদন্তে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য জাতিসংঘ ও যেকোনো দেশ তাদের বিশেষজ্ঞ পাঠাতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘আমি চাই সবকিছুর তদন্ত হোক। কারণ, এর পেছনে কী ঘটেছিল এবং কীভাবে এগুলো ঘটেছে তা খুঁজে বের করা দরকার। আমি জাতিসংঘের কাছে আবেদন জানিয়েছি তাদের বিশেষজ্ঞ পাঠানোর জন্য। অন্য কোনো দেশ চাইলে তাদের বিশেষজ্ঞদেরও পাঠাতে পারে।’
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, 'আমি চাই এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক। অপরাধীরা যেই হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’
সহিংসতায় ছয়জন নিহত হওয়ার ঘটনা তদন্তে কারো কোনো দাবির অপেক্ষা না করে প্রাথমিকভাবে এক সদস্যের একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন বলে জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
তিনি আরও বলেন, পরে যখন আরও অনেক ঘটনা ঘটতে শুরু করে তখন এই কমিটি তিন সদস্যে উন্নীত করা হয়।
৫৮২ দিন আগে