প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগ সরকার ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিবেদিত প্রাণ বলে পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, 'আমরা আমাদের দেশকে গড়ে তুলতে চাই, এখানে ধর্ম বা জাতপাতের কিছু নেই। আমরা জনগণের জন্য কাজ করি, সব মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করি।’
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে ধর্মীয় নেতা এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কুশল বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
গৌতম বুদ্ধের জন্ম, সিদ্ধিলাভ ও মহানির্বাণ লাভ—এই তিন স্মৃতিবিজড়িত বৈশাখী পূর্ণিমা বিশ্বের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে বুদ্ধপূর্ণিমা নামে পরিচিত।
আরও পড়ুন: 'সুন্দর জীবনের' জন্য উন্নত ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
এ সময় অগ্রগতি ও ঐক্যের প্রতি তার সরকারের অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশে সব সময় বিভিন্ন ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। আমি বিশ্বাস করি, সৌহার্দ্যপূর্ণ চেতনা নিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে আমরা বিশ্বের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অনেকে আবার বাংলাদেশকে ভিন্ন পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু নিতে পারছে না। আমাদের মানসিকতা, বাংলাদেশের মানুষ অনেক উদার। আমরা সবাই একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পছন্দ করি। এভাবেই আমরা এগোচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গৌতম বুদ্ধের ভাষায় ‘প্রত্যেক ধর্মের মূল নীতি হলো মানবকল্যাণ।’
পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নেও সরকার কাজ করছে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি পৃথক তহবিল রয়েছে যেখান থেকে অন্যান্য ধর্মীয় ব্যক্তিদের কেবল ধর্মীয় কর্মকাণ্ডই নয়, অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও উন্নয়নের জন্যও বিশেষ সহায়তা দেওয়া হয়।
দেশে মুসলমান ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের উপাসনালয় স্থাপনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'আসলে জীবিকার জন্য আমাদের প্রায়োগিক শিক্ষা প্রয়োজন। সবাই শুরু থেকেই ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। ধর্মীয় উপাসনার স্থানে বসে তারা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানও অনুশীলন করতে পারে এবং ব্যবহারিক প্রয়োজনীয়তাগুলো শিখতে পারে। তার জন্য আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি।’
নেপালের লুম্বিনী ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের সঙ্গে সরকারের চুক্তি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘তারা সেখানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি বুদ্ধ মন্দির নির্মাণ করবে কারণ আমরা গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থানে বাংলাদেশের একটি প্রতীক রাখতে চাই।’
ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোর মধ্যে একটি লুম্বিনিতে। বুদ্ধের জন্মস্থান শান্তির আবাস এবং বিশ্বজুড়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং শান্তিপ্রেমীদের জন্য একটি চূড়ান্ত তীর্থস্থান।
বুদ্ধ ৬২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এখানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং শান্তি ও করুণার সার্বজনীন বার্তা প্রচার করেছিলেন। এটি বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ব্যক্তিদের জন্য অন্যতম পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়।
অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন- ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, ধর্ম সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু, বেদান্ত শিলভদ্র ভিক্ষু এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্ত ভূষণ বড়ুয়া বক্তৃতা করেন।
আরও পড়ুন: ডিএসসিসির ৪ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
৭৪০ দিন আগে
'সুন্দর জীবনের' জন্য উন্নত ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার ঢাকাকে এমন একটি শহরে রূপান্তর করতে কাজ করছে যেখানে নাগরিকদের উন্নত জীবনমান নিশ্চিত হবে।
তিনি বলেন, 'এই এলাকার (পুরান ঢাকা) মানুষ উপকৃত হবে এবং সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
শনিবার পুরান ঢাকায় নতুন ১০ তলা বিশিষ্ট বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বাজার নির্মাণসহ বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
গত বছরের ৪ এপ্রিল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বঙ্গবাজার মার্কেটটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শান্তি প্রতিষ্ঠায় অস্ত্র চোরাচালান বন্ধে প্রচেষ্টা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী
অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মনি সরণি (৮ লেনের সড়ক), হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যান ও নজরুল সরোবর।
ঢাকার সঙ্গে অন্যান্য জেলার যোগাযোগ উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
ঢাকার পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে উল্লেখযোগ্য সড়ক অবকাঠামোর অভাবের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, 'আমরা সহজ আন্তঃজেলা যোগাযোগ সহজতর করতে ঢাকায় একটি রিং রোড নির্মাণ করতে চাই।’
শেখ হাসিনা বলেন, 'সড়ক যোগাযোগ সহজ করার জন্য সরকার ইতোমধ্যে একটি মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে এবং অন্যান্য অনেক সড়ক নির্মাণ করেছে, আরও কয়েকটি মেট্রোরেল প্রকল্প নির্মাণাধীন রয়েছে।’
জনগণকে উন্নত সেবা প্রদান করার লক্ষ্যে ঢাকাকে উত্তর ও দক্ষিণে বিভক্ত করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার নগরবাসীর কল্যাণে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করেছে। এর জায়গায় একটি জাদুঘর, একটি স্কুল ও একটি শিশু পার্ক নির্মিত হয়েছে। সেখানে একটি বিনোদন পার্ক নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।’
এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ক্যাম্পাস নির্মাণে সরকারের জমি বরাদ্দের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, 'আমরা ইতোমধ্যেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নকশা প্রস্তুত করেছি এবং এ সংক্রান্ত কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে।’
সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতে ঢাকার বাসিন্দাদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। জলাবদ্ধতা ও মশার বংশবিস্তার রোধে সবাইকে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর তথ্যচিত্র দেখানো হয়।
অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইব্রাহিম।
আরও পড়ুন: ১০ তলা বঙ্গবাজার পাইকারি বিপণিবিতানের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
৭৪০ দিন আগে
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শান্তি প্রতিষ্ঠায় অস্ত্র চোরাচালান বন্ধে প্রচেষ্টা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ হয়ে ভারতে অস্ত্র চোরাচালানের পথ বন্ধ করতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশ দিয়ে অস্ত্র চোরাচালানের পথ বন্ধ করে দিয়েছে।’
আজ শনিবার (২৫ মে) বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণিবিতানের ১০ তলা ভবনের নির্মাণ কাজসহ ৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।
বাকি ৩টি প্রকল্প হলো- বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মনি সরণি (৮ লেন সড়ক), হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যান ও নজরুল সরোবর।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার উলফার মতো ভারতের বিভিন্ন গোষ্ঠীকে চোরাচালান অস্ত্র সরবরাহের সব পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
আরও পড়ুন: ১০তলা বঙ্গবাজার পাইকারি বিপণিবিতানের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘ফলে ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যে শান্তি বিরাজ করছে, আওয়ামী লীগ সেটাই করেছে। আর এটাই সবচেয়ে বড় কাজ।’
ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম (উলফা) ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে সক্রিয় একটি সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠন। যারা আসাম সংঘাতের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে আদিবাসী আসাম জনগণের জন্য একটি স্বাধীন সার্বভৌম জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
ভারতের সেভেন সিস্টার রাজ্যগুলো হলো- মিজোরাম, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, ত্রিপুরা, অরুণাচল প্রদেশ ও নাগাল্যান্ড।
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, স্থানীয় সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম ও এলজিআরডি সচিব মুহাম্মদ ইব্রাহিম।
আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে সহজে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক শ্বেতাঙ্গ: প্রধানমন্ত্রী
৭৪০ দিন আগে
১০ তলা বঙ্গবাজার পাইকারি বিপণিবিতানের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণিবিতানের ১০ তলা ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল রাজধানীর বঙ্গবাজার শপিং কমপ্লেক্সে ঈদের কয়েক সপ্তাহ আগে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২ হাজার ৯৩১টি দোকান পুড়ে যায়। এর এক বছর পর শনিবার (২৫ মে) নতুন মার্কেট নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হলো।
১০ তলাবিশিষ্ট বিপণিবিতানে ১০৬ দশমিক ২৮ কাঠা জমির ওপর ৪টি ব্লক, ৫টি সাধারণ সিঁড়ি, ৬টি জরুরি সিঁড়ি এবং ৮০-১১০ বর্গফুটের ৩ হাজার ২১৩টি দোকান থাকবে।
প্রতিটি তলায় ২৫০ বর্গফুটের ফুডকোর্ট এবং আলাদা শৌচাগার থাকবে।
আরও পড়ুন: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে খুশি হতাম: প্রধানমন্ত্রী
ভবনে ৮টি লিফট থাকবে, যার ৪টি যাত্রীদের ও পণ্যের জন্য ৪টি ব্যবহার করা হবে। সহজে যাতায়াতের জন্য বাজারের চারপাশে ৭-১০ ফুট চওড়া রাস্তা থাকবে।
এছাড়া ভবনটিতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং ১৬৯টি গাড়ি ও ১০৯টি মোটরসাইকেলের জন্য পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের জায়গা থাকবে।
বঙ্গবাজার, গুলিস্তান, মহানগর ও আদর্শ হকার্স মার্কেট থেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের জন্য ২ হাজার ৯৬১টি দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী আবেদনের ভিত্তিতে অতিরিক্ত ২৪৪টি দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বিপণিবিতানের নির্মাণের কাজ শেষ হবে।
আরও পড়ুন: উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়নে ব্যর্থ: প্রধানমন্ত্রী
৭৪০ দিন আগে
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে খুশি হতাম: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মূল্যস্ফীতি আরও কমলে আমি খুশি হতাম। তিনি বলেন, ‘এখন মূল্যস্ফীতি কমানো গেলে মানুষ স্বস্তি পেত। উৎপাদন যথেষ্ট। কোন অভাব নেই।’
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, মুদ্রাস্ফীতি এখন একটি সমস্যা। ‘এটা শুধু বাংলাদেশ নয়, আমি আমেরিকার অর্থনৈতিক প্রতিবেদন দেখেছি এবং সেখানেও মুদ্রাস্ফীতি একটি বড় সমস্যা।’
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশসহ অনেক দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মহামারিতে ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ, আমদানি-রপ্তানি সবই বন্ধ ছিল।
আরও পড়ুন: কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
তিনি বলেন, ‘বাহির থেকে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো যেত না, তাই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা আসত, তাই সে সময় আমাদের রিজার্ভ বেড়ে গিয়েছিল।’
তিনি উল্লেখ করেছেন যে মহামারির পরে সবকিছু আবার শুরু হলে ব্যয় বাড়তে শুরু করে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘জরুরি সময়ের জন্য খাদ্য মজুদ থাকলে মজুদ নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই।’
তিনি স্বীকার করেছেন, তিনি এটি নিয়ে কথা বলে রিজার্ভ সম্পর্কে মানুষকে এত সচেতন করেছেন।
বৈঠকে তিনি বলেন, ‘সবাই রিজার্ভের কথা বলে, জিডিপি নিয়ে কথা বলে, এটা একটা ভালো দিক।’
পণ্যের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর পেছনে অনেক খেলা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আজ আমি দেখলাম যে কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণ করা হত সেখানে ডিম সংরক্ষণ করা হচ্ছে। আলু কোল্ড স্টোরেজে ডিম রাখা উচিত নয়। বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনাও ঘটছে।’
আরও পড়ুন: উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়নে ব্যর্থ: প্রধানমন্ত্রী
দেশের অর্জনকে ধরে রেখে এগিয়ে যেতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা না করি তবে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল তারা একটুও বদলায়নি।
তিনি বলেন,‘এটিই বাস্তবতা এবং আমাদের এটির মুখোমুখি হতে হবে এবং এগিয়ে যেতে হবে।’
আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে সহজে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক শ্বেতাঙ্গ: প্রধানমন্ত্রী
৭৪২ দিন আগে
বঙ্গোপসাগরে বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে সহজে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক শ্বেতাঙ্গ: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের ভূখণ্ডে বিদেশি একটি দেশকে একটি বিমান ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতির বিনিময়ে ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে তাকে(শেখ হাসিনা) ঝামেলামুক্ত পুনর্নির্বাচনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) তার সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত ১৪ দলের বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি প্রস্তাবটির বিষয়টি প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন সাদা চামড়ার লোকের কাছ থেকে প্রস্তাব এসেছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে নির্বাচন যাতে না হয় সেজন্য বিএনপি ষড়যন্ত্র করেছে।
আরও পড়ুন: শ্রমনির্ভর শিল্পের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির পক্ষে প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন,‘তবে তারা (বিএনপি) সেটি করত। আমি যদি কোনো দেশকে বাংলাদেশে বিমান ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দিই, তাহলে আমার কোনো সমস্যা হবে না।’
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, তিনি ২০০১ সালে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের কাছে বাংলাদেশের গ্যাস বিক্রি করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তখন তিনি একই প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট বলেছি আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। আমরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জয়ী হয়েছি এবং আমি দেশের অংশ ভাড়া দিয়ে বা অন্য কোনো দেশের হাতে তুলে দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চাই না। আমার ক্ষমতার দরকার নেই।’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণ যদি তাকে ক্ষমতায় চায়, তাহলে তিনি ক্ষমতায় আসবেন। আর যদি না চায়, তাহলে আসবেন না।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এটা বলছি কারণ সবার জানা উচিত।’
আরও পড়ুন: কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি দেশে ও বিদেশে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। ষড়যন্ত্র এখনো চলছে বলে জানান তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশকে আরেকটি পূর্ব তিমুরে পরিণত করার ষড়যন্ত্র চলছে।
তিনি বলেন, ‘পূর্ব তিমুরের মতো... তারা বঙ্গোপসাগরে ঘাঁটি সহ বাংলাদেশ (চট্টগ্রাম) এবং মিয়ানমারের একটি অংশ নিয়ে একটি খ্রিস্টান দেশ তৈরি করবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, প্রাচীনকাল থেকেই বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্য দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য চলে আসছে।
তিনি বলেন, ‘অনেকের চোখ এই জায়গাটার দিকে। এখানে কোনো বিরোধ নেই, কোনো বিরোধ নেই। আমি এটা হতে দেব না। এটাও আমার একটা অপরাধ (তাদের চোখে)।’
প্রস্তাবিত বিমান ঘাঁটি থেকে কোন দেশকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘এটি মনে হতে পারে, তাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র একটি দেশ, কিন্তু তা নয়। আমি জানি তারা আর কোথায় যেতে চায়।’
তিনি বলেন, এ কারণে আওয়ামী লীগ সরকার সব সময় সমস্যায় থাকে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আরও ঝামেলা হবে। কিন্তু এটা নিয়ে চিন্তা করবেন না। দেশের মানুষই আমাদের শক্তি। জনগণ আমাদের সঙ্গে থাকলে আমরা ক্ষমতায় থাকব।’
আরও পড়ুন: উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়নে ব্যর্থ: প্রধানমন্ত্রী
৭৪২ দিন আগে
উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়নে ব্যর্থ: প্রধানমন্ত্রী
জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে উন্নত দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করায় হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (২১ মে) সফররত অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খোলামেলা কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এম নজরুল ইসলাম এই তথ্য জানান।
নজরুল ইসলাম বলেন, 'জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ার কারণে তিনি কিছুটা হতাশা ব্যক্ত করেন।’
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়ার মন্ত্রীকে বলেন, বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছে।
তিনি বলেন, 'আমরা অলস বসে থাকিনি (উন্নত দেশের অপেক্ষায়), আমরা আমাদের জনগণকে বাঁচানোর জন্য আমাদের নিজস্ব ক্লাইমেট ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছি, আমরা আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা করছি।’
আরও পড়ুন: ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বিকালে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে রয়েছে, কারণ এখানে প্রায়ই ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা আঘাত হানে।
বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা এবং ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যে কোনো ধরনের যুদ্ধ বা সংঘাতের বিরুদ্ধে।
তিনি বলেন, 'আমরা প্রতিটি সংঘাত নিরসনে আলোচনা ও সংলাপ চাই।’
তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে বাংলাদেশ।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য অনুরোধ করলেও প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টায় উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি।
বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে কক্সবাজার জেলায় প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। যাদের বেশিরভাগই মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দ্বারা পরিচালিত হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে। মিয়ানমার এখনো তাদের নাগরিকদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছোট আয়তনের বাংলাদেশ একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। তিনি বলেন, 'এজন্য আমরা কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেছি।’
তিনি বলেন, সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য শিল্প-কারখানা স্থাপনের জন্য সারাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে।
তিনি বলেন, 'অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোক্তারা সেখানে বিনিয়োগ করতে পারে এবং দেশের বিনিয়োগবান্ধব সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে মুনাফা অর্জন করতে পারে।’
কৃষি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ গত ১৫ বছরে খাদ্যশস্য উৎপাদনে সফল হয়েছে।
তিনি বলেন, 'আমরা আমাদের উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছি, তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জমি হ্রাস পাওয়ায় আমাদের উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে।’
তিনি এর উন্নত কৃষি প্রযুক্তি বিনিময়ে অস্ট্রেলিয়ার সহায়তা কামনা করেন।
তিনি বলেন, সরকারের সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশ দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশ থেকে ১৭ দশমিক ৭ শতাংশে এবং চরম দারিদ্র্যের মাত্রা ২৫ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ৭ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।
নজরুল বলেন, তারা কৃষি, শিক্ষা, বাণিজ্যসহ দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
তিনি এসব বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে প্রায় ৯০ হাজার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষ অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছে এবং তারা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।
তিনি অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাদের দেশে আরও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর প্রবেশাধিকারের জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দু'দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার ও গভীর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ এম জিয়াউদ্দিন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে এবং আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার জন্য সহযোগিতা জোরদারের উপায় খুঁজে বের করতে মঙ্গলবার দুই দিনের সরকারি সফরে ঢাকায় আসেন পেনি ওং।
আরও পড়ুন: কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
৭৪৪ দিন আগে
কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং শুরু করতে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (২০ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় এ নির্দেশ দেন তিনি।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
তিনি বলেন, ‘বাজারে সরবরাহের সমস্যা না থাকলেও কোনো কোনো পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা গেছে। তাই প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে বাজার কঠোরভাবে মনিটরিং শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।’
আরও পড়ুন: শ্রমনির্ভর শিল্পের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির পক্ষে প্রধানমন্ত্রী
৭৪৫ দিন আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক
হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ান ও তাদের সফরসঙ্গীদের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার(২০ মে) এক বার্তায় শেখ হাসিনা লিখেছেন, ‘হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ড. সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হোসেন আমির আবদুল্লাহিয়ান এবং তাদের সফরসঙ্গীদের দুঃখজনক মৃত্যুর খবর শুনে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও দুঃখিত।’
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট রাইসি ছিলেন একজন বিজ্ঞ ও নিঃস্বার্থ নেতা, যিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি নিয়ে তার দেশের সেবা করেছেন এবং ইরানি জনগণের কল্যাণে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।
আরও পড়ুন: হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত: ইরানের প্রেসিডেন্ট-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর লাশ উদ্ধার
তিনি এতে আরও বলেন,‘তিনি আন্তর্জাতিক মর্যাদার একজন মহান নেতা ছিলেন এবং তার দৃষ্টান্তমূলক নেতৃত্ব ও অর্জন আমাদের জন্য দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
নিহতদের আত্মার মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য ও ইরানের জনগণের এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সাহস ও ধৈর্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ইরানে হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় এ পর্যন্ত যা জানা গেল
৭৪৫ দিন আগে
শ্রমনির্ভর শিল্পের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির পক্ষে প্রধানমন্ত্রী
সরকার শিল্প খাতে আধুনিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি শ্রমনির্ভর শিল্প প্রতিষ্ঠান দেখতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা শিল্প খাতে আধুনিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করতে চাই। আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই, পেছনে নয়। কিন্তু কর্মসংস্থানের সুযোগ যেন নষ্ট না হয়।’
রবিবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) সপ্তাহব্যাপী ১১তম জাতীয় এসএমই পণ্য মেলার উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শিল্প মন্ত্রণালয় ও এসএমই ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করে।
তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ডিজিটাল পদ্ধতিতে অর্জন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘তবে এর জন্য আমাদের উদ্যোক্তা ও কর্মশক্তির প্রয়োজন হবে।’
আরও পড়ুন: বর্তমানে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে শক্তিশালী দল: স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদক্ষেপ নেওয়ার সময় সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, দেশে শ্রমনির্ভর শিল্প স্থাপন করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয় ও এসএমই ফাউন্ডেশনকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, 'যেহেতু আমাদের জনগণের জন্য কাজের ব্যবস্থা করতে হবে, সেজন্য শ্রমনির্ভর শিল্প স্থাপনে আমাদের আরও মনোযোগ দিতে হবে।’
নতুন উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তরুণরা কোনো কোর্স শেষ করেই শুধু চাকরির পেছনে ছুটবেন না।
তিনি বলেন, 'অন্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য উদ্যোক্তা হন, সেই সক্ষমতা আপনাদের কাজে লাগাতে হবে।’
স্টার্টআপ কর্মসূচি এবং তাদের জন্য পৃথক বাজেটসহ সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
সব এসএমই প্রতিষ্ঠানকে শতভাগ রপ্তানিমুখী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতি আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি জানান, এরইমধ্যে তিনি বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোকে তাদের অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে তাদের স্বাগতিক দেশগুলোতে রপ্তানি পণ্য ও বাজার সম্প্রসারণে চাহিদা খুঁজে বের করা যায়।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা উৎপাদন করতে পারি, আমাদের দক্ষ জনশক্তি আছে, যে কেউ এখানে বিনিয়োগ করতে পারে এবং পণ্য রপ্তানি করতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আরও মনোযোগী হওয়া উচিত কেন না সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।
আরও পড়ুন: সিঙ্গাপুরকে ‘নিজেদের মতো করে’ চালাতে চান নতুন প্রধানমন্ত্রী লরেন্স
৭৪৬ দিন আগে