রাষ্ট্রপতির-কার্যালয়
সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিরপেক্ষভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করব: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালন ও রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করার কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে আমি দল, সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদ থেকে পদত্যাগ করে এসেছি। আমি এখন সম্পূর্ণভাবে একজন দলনিরপেক্ষ মানুষ। দলনিরপেক্ষভাবেই আমি আমার দায়িত্বপালন করে যাব।’
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বঙ্গভবনের দরবার হলে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতির প্রথম দরবারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি এখন সম্পূর্ণভাবে একজন দলনিরপেক্ষ মানুষ এবং আমার রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পরে আমি সবকিছুর, রাজনীতির ঊর্ধ্বে আমি থাকব বলেই আমি শপথ নিয়েছি। আমার জন্য কোনো রাগ, বিরাগ, অনুরাগ কোনো কিছুই থাকবে না। আমার সামনে একটাই মূল উদ্দেশ্য, লক্ষ্য—সেটা হচ্ছে আমার দেশ, আমার রাষ্ট্র, আমার জনগণ।’
তিনি বলেন, তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন পার করেছেন এবং মাটির মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করেছেন। দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশ একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে পৌঁছেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি শাসনব্যবস্থা থেকে সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় এসেছে। এখন সংসদ দেশের মূল কেন্দ্র এবং সেটিকে কেন্দ্র করেই রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।
বঙ্গভবনকে রাষ্ট্র, সার্বভৌমত্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এখান থেকেই রাষ্ট্রের মর্যাদা ও সম্মানের বিষয়গুলো পরিচালিত হয়। তাই বঙ্গভবনে কর্মরত সবার দায়িত্ব হলো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সর্বোচ্চ মূল্য দেওয়া এবং দেশের জনগণের প্রতি গভীর ভালোবাসা, সম্মান ও রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখা।
রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা, পেশাদারত্ব ও সততার সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে জনআস্থা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি বঙ্গভবনের অভ্যন্তরীণ তথ্য, দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত-সংক্রান্ত সব বিষয় কঠোরভাবে গোপন রাখার নির্দেশ দেন, যাতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়।
সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের করের অর্থেই সরকারি সম্পদ, যানবাহন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পরিচালিত হয়। তাই এসবের সঠিক, দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং জনগণের অর্থের অপচয় রোধে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের নিজ নিজ জীবনে ধর্মীয় বিধান যথাযথভাবে পালন এবং নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে সুন্দর চরিত্র গঠনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের পাশাপাশি পরিবার, সন্তান-সন্ততি ও প্রিয়জনদের জন্য পর্যাপ্ত সময় রাখার পরামর্শ দেন, যাতে কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবনের মধ্যে সুস্থ ভারসাম্য বজায় থাকে।
১ দিন আগে
ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি
ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক-কে আজ বুধবার ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ভুটানের রাজাকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টার অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান। জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানান।
ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান। জবাবে ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি শুভকামনা জ্ঞাপন করেন।
আলাপকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। ভুটান সবসময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছে। কারণ, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান।
বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও শুভকামনাও রাষ্ট্রপতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
ভুটানের রাজা তার দূরদর্শী ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে জানান এবং এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।
সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে।
২ দিন আগে
বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
শপথ গ্রহণের পর আজ প্রথমবারের মতো বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রবিবার (২২ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রধান ফটক-২-এ বাংলাদেশ পুলিশের একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল তাকে অভ্যর্থনা জানায়।
৬ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর।
৬ দিন আগে
মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরে এ প্রজ্ঞাপন জারি হয়।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ২৭ নম্বর আইন)-এর ধারা ১১ অনুসারে নির্বাচনী কর্তা ও নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা মোতাবেক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, পিতা- মির্জা রুহুল আমিন, গ্রাম-কালিবাড়ী, ডাকঘর-ঠাকুরগাঁও ৫১০০, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও পৌরসভা, ঠাকুরগাঁওকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১-এর বিধি ১২ (৬) অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মর্মে ঘোষণা করা হলো।
এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়। ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলে গণনা শেষে ফল ঘোষণা করেন এই নির্বাচনের কর্তা সিইসি এ এমএম নাসির উদ্দিন।
ঘোষিত ফল অনুসারে, ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
সিইসির ঘোষণার পর টেবিল চাপড়ে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান সংসদ সদস্যরা। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ আসন থেকে উঠে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে করমর্দন করেন। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা।
এরপর নিজ আসন থেকে উঠে যান নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান উঠে এসে তার সঙ্গে করমর্দন ও আলিঙ্গন করেন। একে একে অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও তার সঙ্গে করমর্দন ও আলিঙ্গন করেন।
এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন, এর মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দিয়েছেন। ছয়জন সংসদ সদস্য ভোট দেননি।
৮ দিন আগে
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল
ধারণা সত্যি করে বড় ব্যবধানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর মাধ্যমে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কর্তা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
ফল ঘোষণাকালে সিইসি বলেন, ২৫৫ ভোট পেয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮টি ভোট। ফলে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি পদে যথাযথভাবে নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সিইসির ঘোষণার পর টেবিল চাপড়ে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান সংসদ সদস্যরা। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ আসন থেকে উঠে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে করমর্দন করেন। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা।
এরপর নিজ আসন থেকে উঠে যান নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান উঠে এসে তার সঙ্গে করমর্দন ও আলিঙ্গন করেন। একে একে অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও তার সঙ্গে করমর্দন ও আলিঙ্গন করেন।
এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন, এর মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দিয়েছেন। ছয়জন সংসদ সদস্য ভোট দেননি।
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান সিইসি। এরপর ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি ভোটগ্রহণ কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
৮ দিন আগে
বঙ্গভবন ছাড়লেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ
রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমকে বিদায় জানিয়েছে বঙ্গভবন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে শেষ দিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে গার্ড অব অনার গ্রহণ করে বঙ্গভবন ত্যাগ করেন তিনি।
বিদায়ের আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সেনাবাহিনীর প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সুসজ্জিত একটি দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত ব্যান্ড দল বিদায়ের সুর পরিবেশন করে।
বিদায় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের অশ্বারোহী দলের আরেকটি দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
পরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
বঙ্গভবনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিন বাহিনীর প্রধান, রাষ্ট্রপতির সামরিক ও বেসামরিক সচিবসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিদায়বেলায় হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সরকারের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে বঙ্গভবন ত্যাগ করেন তিনি।
৮ দিন আগে
জাতীয় স্বার্থ ও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বিভেদ থাকা উচিত নয়: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, মতের ভিন্নতা গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হলেও জাতীয় স্বার্থ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আজ মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা এক অবিস্মরণীয় দিন। এটি গণতন্ত্র, ন্যায় ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার বিজয়ের দিন। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার সুতীব্র গণঅভ্যুত্থানের মুখে দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। ফ্যাসিবাদী সরকার পালাতে বাধ্য হয়। দেশ মুক্ত হয়, সূচিত হয় নতুন প্রভাত।’
তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ইয়ামিন, ফারহান, নাফিজ, সজল, রাব্বি, মেরাজ, এলেম, তাইম, নাইমা, ছোট্ট শিশু রিয়া গোপ ও আহাদসহ সব শহিদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক সুযোগ এনে দিয়েছে। তার কথায়, ‘এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার ও মর্যাদা ভোগ করবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সজাগ থাকতে হবে, যাতে কোনো বিভাজন, কোনো বিদ্বেষ কিংবা কোনো সংকীর্ণ স্বার্থ আমাদের জাতীয় অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে।’
মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে ঐতিহাসিক যোগসূত্র তুলে ধরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ যেমন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল, তেমনি জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানও ছিল গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যতদিন গণতন্ত্র থাকবে, ততদিন মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বও অক্ষুণ্ন থাকবে।’
জুলাই শহিদ পরিবার ও আহতদের বিষয়ে সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশের এই সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো জুলাইতে যারা আত্মাহুতি দিয়েছে সেসব পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণ করা। এটাই সবচেয়ে পবিত্র দায়িত্ব। যারা আহত হয়েছে, চোখের দৃষ্টি হারিয়েছে, অঙ্গ হারিয়েছে, তাদের সুস্থ করে তোলা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।’
অনুষ্ঠানে এক মাকে তার দৃষ্টিশক্তি হারানো ছেলেকে নিয়ে উপস্থিত হতে দেখে আবেগাপ্লুত হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই যুবক গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য চোখ হারিয়েছে। যদি তারা যথাযথ মর্যাদা না পান এবং সামান্য চাওয়া-পাওয়ার জন্যও মন্ত্রীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়, তবে সেটি জাতির জন্য লজ্জার।’
জুলাই যোদ্ধাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা মন খারাপ করবেন না। এই সরকারের কাছ থেকে নিশ্চয়ই সম্মান আপনারা পাবেন। আমরা সেই সম্মান আপনাদের দেব। আমাদের যতটুকু সাধ্য আছে সবকিছু উজাড় করে দেব আপনাদের কল্যাণের জন্যে।’
সবার সহযোগিতা কামনা করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই নির্বাচিত সরকার ভুল করলে আপনারা শুধরে দেবেন।’
আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা তো আর আওয়ামী লীগ হতে পারব না, হতেও চাই না। আওয়ামী লীগকে দেখেন, তাদের কোনো অনুশোচনা নাই। এত অন্যায়-অবিচার, খুন, গুম, মানি লন্ডারিং, হত্যা, নির্যাতন, আয়নাঘর—এসবের জন্য তারা কোনো লজ্জাবোধ করে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘পলাতক ফ্যাসিস্ট আবার বলে যে ডিসেম্বর মাসে দেশে এসে পদার্পণ করবেন। আমরা অপেক্ষায় আছি। আসেন, দেশে আসেন, দেখা হবে ইনশাল্লাহ রাজপথে।’
নিজের মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। এখন ৮২ বছর বয়সে আরেকটা করব, বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের জনগণের জন্য সুশাসন ও গণতন্ত্র চিরস্থায়ী করে যাব।’
তিনি বলেন, ‘পৃথিবীতে অনেক রাষ্ট্র আছে, কিন্তু এমন নাগরিক খুব কম আছে যারা উদ্যত বন্দুকের সামনে আবু সাঈদের মতো দুই হাত তুলে দাঁড়াতে পারে। আমরা সেই জাতি। তাদের নিয়ে আমরা গর্ববোধ করি।’
মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে ঐক্য, দেশপ্রেম, সততা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আসুন আমরা শহিদদের রক্তে অর্জিত এই নতুন সম্ভাবনাকে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের দৃঢ় অঙ্গীকারে রূপান্তরিত করি।’
বাংলাদেশের মর্যাদা রক্ষায় দেশের প্রতিটি নাগরিককে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিনিধিদের হাতে সম্মাননাসূচক ক্রেস্ট তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক কমিটির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জুলাই শহিদ পরিবারের প্রতিনিধি ও জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিনিধিরা তাদের প্রত্যাশা ও অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
দুপুর ১২টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন, পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ, জুলাই শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
২৩ দিন আগে
স্পিকারের সরকারি বাসভবনে থেকেই বঙ্গভবনে অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে বঙ্গভবনে অফিস করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তবে, এই সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকারের সরকারি বাসভবনেই তিনি অবস্থান করবেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকেই সংসদ প্রাঙ্গণে স্পিকারের সরকারি বাসভবন এবং এর আশপাশে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।
গতকাল রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এদিকে, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল রবিবার বেলা ১১টায় হাফিজ উদ্দিন আহমদ সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করবেন তিনি।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়।
এ বিষয়ে আজ আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।
তিনি বলেন, ‘গতকাল ছিল ২৪ জুলাই। সে হিসেবে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় আছে। সুতরাং বিশেষ অধিবেশন ডাকার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। যেহেতু ১৫ জুলাই থেকে ৬০ দিনের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন হওয়ার কথা সাংবিধানিকভাবে। আশা করি, সেই অধিবেশনে এটা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।’
৩৪ দিন আগে
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে জাতীয় সংসদে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।
আজ (শুক্রবার) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদের স্পিকারের নিকট পদত্যাগপত্র প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম, এমপি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় বাংলাদেশ হাফিজ উদ্দিন আহমদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চীফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া।
৩৫ দিন আগে