বাংলাদেশ
পরিকল্পনা ও সদিচ্ছায় পরিচ্ছন্ন-সবুজ এলাকা গড়া সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
সঠিক পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও সুন্দর করে গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় গত দুই মাসে আমিনবাজার এলাকার দৃশ্যমান পরিবর্তনকে এর উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাস থেকে ঢাকায় ফেরার পথে আমিনবাজারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি একটি গাছের চারাও রোপণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সঠিক পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে মানুষের ভালো ও উপকারের জন্য একটি জায়গাকে সুন্দরভাবে পরিবর্তন করা যায়। এই জায়গাটিই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।’
তিনি আরও বলেন, গত দুই মাসে এলাকাটির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। এর ফলে প্রায় চার কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বসবাসকারী মানুষের জন্য পরিবেশ আরও উন্নত হয়েছে এবং তাদের নির্মল বাতাসে শ্বাস নেওয়া সহজ হয়েছে।
এলাকাটির পরিবর্তনে ভূমিকা রাখায় ঢাকা জেলার প্রশাসক ফরিদা খানম এবং এ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান।
উন্নত পরিবেশ ধরে রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, সরকার এলাকাটি সুন্দর করে গড়ে তুলেছে, তবে এর সৌন্দর্য ধরে রাখার দায়িত্ব এখন এ এলাকার বাসিন্দাদের।
সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতা থাকলে ধীরে ধীরে দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় তিনি আমিনবাজারের কাছাকাছি ঢাকা জেলার অন্য এলাকাগুলোতেও সবুজায়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ করতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন।
মহাসড়কের পাশে অবস্থিত কলকারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট অংশের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের দেওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী।
পাশাপাশি যেসব এলাকায় এখনও বর্জ্য জমে থাকে, সেসব স্থানের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিকল্পনা তৈরির জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন তিনি।
স্থানীয় সংসদ সদস্যদের জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত সমস্যাগুলোর সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, মানুষ যাতে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারে এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য অনুভব করতে পারে, সে জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
আমিনবাজারে পরিবেশের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজের মাধ্যমে ঢাকা জেলার প্রশাসক অন্য জেলার প্রশাসকদের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
অন্য জেলার জেলা প্রশাসকরাও একইভাবে এলাকাকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও আকর্ষণীয় করে তুলতে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দিনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সাভার সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে জাতীয় পতাকা প্রদানের অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
১০ দিন আগে
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং সেগুলো পরাজিত করাই দুর্গাপূজার মূল বার্তা।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকার রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে বলতে পারি, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই।’
বিশ্বজুড়ে যখন সংঘাত, সহিংসতা ও বিদ্বেষ বিরাজ করছে, তখন বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্গাপূজা তাদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব ন্যায়বিচার, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের মূল্যবোধ তুলে ধরে।
তিনি আরও বলেন, এ দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব ঘটেছে, আর বাংলাদেশের মানুষ তাদের পরাজিত করেছে।
রমনা কালীমন্দিরের ইতিহাস স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭১ সালে মন্দিরটি ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয় এবং পরে ১৯৭৩ সালে এটি ভেঙে ফেলা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলত, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় তিনি খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে ২০০১ সালে মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করা হয়।
১০ দিন আগে
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ২,০৮৮
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ২ হাজার ৮৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এ মৃত্যুর পর চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪৮ জনে।
অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, নতুন মৃত্যুর ঘটনাগুলোর মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুজন করে মারা গেছে। এছাড়া সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকার মধ্যে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে একজন করে মারা গেছে।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৪০০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ১ লাখ ৬ হাজার ২৬ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
১০ দিন আগে
হাম উপসর্গে আরও ৭ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,৩১৯
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১৯ শিশু।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ১ হাজার ৯২ শিশুর। আর নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০৪ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ১৯৬ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৬৫ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৫৪। এই সময়ে ১ হাজার ৩২ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৮ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ১৩ হাজার ২৪৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ১২২। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৮৪ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৮১ হাজার ৭৫৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১০ দিন আগে
তথ্য কমিশন জনগণের জন্য কাজ করবে: প্রধান তথ্য কমিশনার
তথ্য কমিশন কোনো সরকার বা বিশেষ ব্যক্তির জন্য নয়, জনগণের জন্য কাজ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খান।
তিনি আরও বলেন, তথ্যের অধিকার নিশ্চিত করা, কমিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে মানুষকে জানানো ও কমিশনে মানুষের প্রবেশাধিকার সহজ করাই হবে তাদের প্রাথমিক কাজ।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রথমবারের মতো তথ্য কমিশনে নারী সদস্য নিয়োগ এবং কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. নাহরিন বলেন, ‘যখন দায়িত্ব দেওয়া হয়, তখন আসলে কোনো জেন্ডার কাজ করে না, দায়িত্বটাই কাজ করে, যাতে সমভাবে প্রায়োরিটি পায় সোসাইটিতে, সেটাই আসলে সবচেয়ে বড় কথা।’
এ সময় গত ১৭ বছরে তথ্য কমিশনকে সঠিকভাবে কাজ করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন প্রধান তথ্য কমিশনার।
তিনি বলেন, গত ১৭ বছর তথ্য কমিশন থাকলেও বাংলাদেশে খুব গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ তথ্য কমিশন করতে পারেনি।
তথ্য কমিশন এখন স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে কাজ করবে এবং জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন ড. নাহরিন।
তথ্য কমিশন কোনো সরকারের বা বিশেষ ব্যক্তির জন্য নয়, জনগণের জন্য কাজ করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তথ্যের অধিকার নিশ্চিত করা, তথ্য কমিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে মানুষকে জানানো ও কমিশনে মানুষের প্রবেশাধিকার সহজ করাই হবে প্রাথমিক কাজ।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনের পর এবার তথ্য কমিশনার হিসেবে নতুন দায়িত্ব ও অগ্রাধিকার সম্পর্কে জানতে চাইলে সাংবাদিক এস এ এম মাহফুজুর রহমান বলেন, আমি আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার হিসেবে কাজ করেছি। এখন একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে এসেছি।
এ সময় প্রধান তথ্য কমিশনারের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠান গত ১৭ বছরে উল্লেখযোগ্য কাজ করতে পারেনি। একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কীভাবে কাজ করে, জনগণের কল্যাণে কীভাবে আসবে—এসব আমাদের প্রকাশ্যে আনতে হবে।
তথ্যপ্রবাহে স্বচ্ছতা ও সঠিক তথ্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, কমিশন স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সঠিক তথ্যের প্রবাহের মধ্য দিয়ে সমাজ, জনগণ ও রাষ্ট্রের কল্যাণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে।
কমিশন জনগণের পাশে দাঁড়াবে এবং তথ্যপ্রবাহ ও তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে মানুষের প্রত্যাশা পূরণের ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এর আগে সরকার গতকাল (শনিবার) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খানকে তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার এবং সাংবাদিক এস এ এম মাহফুজুর রহমান ও খান মোহাম্মদ আবুল হোসেনকে তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়।
১০ দিন আগে
আপিল বিভাগে আলোচিত ৩ হত্যা মামলার দ্রুত শুনানির উদ্যোগ
আপিল বিভাগে নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন এবং মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে শুনানির অপেক্ষায় থাকা আলোচিত এ তিন মামলা নিষ্পত্তিতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি রবিবার (১৮ অক্টোবর) নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আলোচিত এ তিনটি হত্যা মামলা হাইকোর্টের রায়ের পর আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। অবকাশকালীন ছুটি শেষে আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে মামলাগুলোর দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করা হবে।
দেশজুড়ে আলোচিত এ তিন হত্যাকাণ্ডে বিচারিক আদালতে রায় ঘোষণার পর হাইকোর্টেও আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি সম্পন্ন হয়। হাইকোর্টের রায়ে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড ও অন্যান্য দণ্ড বহাল রাখা হয়। এরপর মামলাগুলো আপিল বিভাগে শুনানির জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।
সাত খুন
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের আদালতপাড়া থেকে কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। পরে তাদের হত্যা করে মরদেহ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা এ ঘটনায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে ২৬ জনের মৃত্যুদণ্ডের মধ্যে ১৫ জনের সাজা বহাল রাখা হয়।
মেজর সিনহা হত্যা
২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান।
এ ঘটনায় করা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর ২০২৫ সালের ২ জুন হাইকোর্ট রায় দেন। ওই রায়ে টেকনাফ থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়।
আবরার ফাহাদ হত্যা
২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী।
এ ঘটনায় করা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।
১০ দিন আগে
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন কর্মসূচি উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমিনবাজারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। এ সময় তিনি একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাস থেকে ঢাকায় ফেরার পথে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
পরিবেশের উন্নয়ন ও মহাসড়কের সৌন্দর্য বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ মহাসড়কের পাশের এলাকাগুলোতে বর্জ্য ফেলা হতো।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমিনবাজারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দিনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সাভার সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
১০ দিন আগে
সশস্ত্র বাহিনীতে শৃঙ্খলা, পেশাদারত্ব ও জনআস্থায় গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংবিধান, আইন, সামরিক বিধিবিধান ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শৃঙ্খলা, পেশাদারত্ব ও জনগণের আস্থা সশস্ত্র বাহিনীর শক্তির মৌলিক ভিত্তি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন, দেশীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন জোরদার ও পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি শুধু অস্ত্র, সরঞ্জাম বা জনবলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ ও জনগণের আস্থার মধ্যে।’
তিনি চেইন অব কমান্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার গুরুত্বও তুলে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, আধুনিক যুদ্ধে সাইবার পরিসর, মহাকাশ, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ও তথ্যনির্ভর সক্ষমতার ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে। ফলে বিশ্বব্যাপী পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
জাতীয় পতকাপ্রাপ্ত ইউনিটগুলোকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এই সম্মান তাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ, পেশাদারত্ব ও দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক।
১০ দিন আগে
প্রতিবন্ধীদের সহায়তা, কর্মসংস্থান ও সুযোগ বাড়াতে নানা পদক্ষেপের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বাড়ানো, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, সরকারি সেবা গ্রহণ সহজ করা এবং সংসদে সংরক্ষিত প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি বিবেচনাসহ তাদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘আমরা (কাজ) শুরু করেছি, কতটুকু করতে পারব কাজগুলো, বলতে পারি না, তবে এতটুকু আপনাদেরকে বলতে পারি, এই কাজগুলো করার ব্যাপারে আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা পাবেন।’
শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেএস) প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পাশে থাকবে এবং তারা যাতে মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন ও নিজেদের অধিকার ভোগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা কিছুটা বাড়িয়েছে, যদিও তাদের সব চাহিদা পূরণের জন্য এটা যথেষ্ট নাও হতে পারে।
তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে এ ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তারা কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারেন।
বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের যোগাযোগ ও সরকারি সেবা গ্রহণে যেন সমস্যা না হয়, সে জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাংকেতিক ভাষার সেবা চালুর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেবেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের প্রতিবন্ধিতা থাকা রোগীরা যাতে নিজেদের চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রয়োজনের কথা বোঝাতে পারেন, সে জন্য হাসপাতালে সাংকেতিক ভাষার সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা বিবেচনা করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কেও বলা হবে।
এ সময় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে দক্ষতা প্রশিক্ষণ, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়ানো এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উপায় খতিয়ে দেখতে সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন তারেক রহমান।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়টি বিবেচনা করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বলবেন বলে জানান তিনি।
সরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আবেদনের বয়সসীমা অন্তত এক থেকে দুই বছর বাড়ানো যায় কি না, তা পর্যালোচনা করতেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেবেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
১০ দিন আগে
সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: বিস্তারিত জানতে চেয়েছে ঢাকা
সৌদি আরবে সম্প্রতি বাংলাদেশি এক পুরুষ ও এক নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে দেশটির কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক তথ্য পায়নি বাংলাদেশ। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে ইতোমধ্যে এ বিষয়ে জানতে চেয়েছে সরকার।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
এ ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক ও অপ্রত্যাশিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সৌদি সরকারের কাছ থেকে আমরা এখনও বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাইনি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে সৌদি সরকারকে বাংলাদেশ চিঠি পাঠিয়েছে।
এর আগে সৌদি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পবিত্র নগরী মক্কার একটি মসজিদে ‘অশালীন কর্মকাণ্ডে’ দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সৌদি আরব। সৌদি কর্তৃপক্ষ ওই দুই বাংলাদেশির পরিচয় জানিয়েছে নজরুল ইসলাম আবদুল বশির ও সিথি আক্তার হিসেবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ জানতে পারে, সৌদি আরবের আইনে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং তা কার্যকরও করা হয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনকে আগাম কিছু জানানো হয়নি।
দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশের মিশনের শ্রমকল্যাণ উইং থেকে পাওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, মক্কা নগরীর একটি মসজিদের ভেতরে ওই দুজন ব্যভিচারে লিপ্ত ছিলেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে তাদের আইনে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে থাকতে পারে এবং সে অনুযায়ী দেশটির আদালত ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য না পাওয়ায় ঘটনাটির বিস্তারিত নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে চাননি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, যা যা জানার প্রয়োজন, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। জবাব আসলে তিনি জানাতে পারবেন।
এছাড়া সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো বলে মন্তব্য করে শামা ওবায়েদ আরও বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌদি সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। সৌদি আরবের একটি সম্মেলনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং সে সফরের প্রস্তুতিও চলছে।
বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের সংশ্লিষ্ট দেশের আইনকানুন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদেশে কাজ করতে যাওয়া বাংলাদেশিদের মনে রাখতে হবে, তাদের সংশ্লিষ্ট দেশের আইন মেনে চলতে হবে। একইভাবে বাংলাদেশে কোনো বিদেশি নাগরিক অপরাধ করলে তাকেও বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বিচারের মুখোমুখি হতে হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘এটাও আমাদের জন্য একটা শিক্ষা হতে পারে। তবে এটি অবশ্যই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। এ ধরনের খবর আমরা পেতে চাই না।’
সাংবাদিকেরা আবার জানতে চান, দুই বাংলাদেশির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকরের আগে বাংলাদেশকে না জানানোর কারণটি সরকার আলাদাভাবে জানতে চেয়েছে কি না এবং এ বিষয়ে সৌদি সরকারের কাছে কোনো বার্তা দেওয়া হবে কি না।
জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশের যা যা জানার প্রয়োজন, সবকিছুই সৌদি সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। তবে দেশটির জবাব পাওয়ার আগে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের যা যা জানার দরকার, সবকিছুই আমরা জানতে চেয়েছি। এখন তাদের উত্তর আসুক। এরপর আবার জিজ্ঞেস করলে বলতে পারব।’
সৌদি সরকারের জবাব পাওয়ার পর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া ও সময় নিয়ে আলোচনা করা যাবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
১১ দিন আগে