বাংলাদেশ
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৫৭ হাজার
সারা দেশে আজ মঙ্গলবার থেকে চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দেশব্যাপী ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে সকাল ১০টা থেকে এই পরীক্ষা শুরু হয়।
৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৭৪২টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন।
অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬৫৩টি কেন্দ্রে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ১ লাখ ১ হাজার ৫০৯ জন ছাত্র এবং ৩৩ হাজার ১৫১ জন ছাত্রী।
১৪ দিন আগে
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল
আগামীকাল ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এবার পরীক্ষায় অংশ নেবে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সচিবালয়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এ কথা জানান। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
পরীক্ষায় বসবে সাড়ে ১৮ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী
বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন মাহদী আমিন। তিনি জানান, এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসবে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।
৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী রয়েছে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন। এবার ৩০ হাজার ৬৬৬টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেবে।
মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেবে এবার মোট ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন। দাখিল পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে মোট ৭৪২টি পরীক্ষাকেন্দ্র।
এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ১ হাজার ৫০৯ জন এবং ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৫১ জন। মোট ৬৫৩টি কেন্দ্রে তাদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
উপদেষ্টার পরীক্ষা-সংক্রান্ত পরামর্শ
আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা সম্পর্কিত কিছু বিষয় ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের জানাতে চান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, জনবান্ধব সরকার ছাত্রছাত্রীদের মন থেকে ‘পরীক্ষাভীতি’ নামক শব্দটি দূর করতে চায়। সম্মানিত অভিভাবকদেরও আশ্বস্ত করতে চাই, আপনারাও সন্তানদের নিয়ে অকারণে আতঙ্কিত হবেন না।
তিনি বলেন, পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে, শান্ত ও স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষা দিতে পারে, পরীক্ষা হলে এমন পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি। আমরা খুব ভালোভাবে অবহিত আছি যে এবারের এসএসসির ব্যাচ করোনাজনিত কারণে প্রাথমিক ও জুনিয়র উভয় বৃত্তি পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ফলে এবারের এসএসসি পরীক্ষা তাদের জীবনের প্রথম এবং পূর্ণ সিলেবাসের পাবলিক পরীক্ষা। সে কারণে পরীক্ষার হল যেন পরীক্ষার্থীবান্ধব থাকে, সেটা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, আমরা এটাও জানি, বিগত জুলাই অভ্যুত্থানে এই কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা কীভাবে রাজপথে প্রতিবাদমুখর থেকেছে, দেওয়ালে গ্রাফিতি এঁকে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছে। তাদের এই সৃজনশীলতা পরীক্ষায় প্রতিফলিত হবে ইনশাআল্লাহ।
মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-প্রধানরা নিরাপদ পানি, আলো ও ফ্যান, স্বাস্থ্যকর টয়লেট এবং জরুরি বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন। পরীক্ষাকেন্দ্র ও এর আশপাশ যানজটমুক্ত রাখতে হবে; ছাত্রছাত্রীদের চলাচল শতভাগ নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে হবে। আইনপ্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সহিষ্ণুতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট, পরিদর্শক, ইনভিজিলেটরদের দায়িত্ব হবে পরীক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়তা করা। অকারণে আতঙ্ক সৃষ্টি নয়, প্রশ্নপত্রের কোনো অংশে দুর্বোধ্যতা থাকলে সেটা নিরসনে সহায়তা করবেন।
তিনি আরও বলেন, এবারের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিগত সরকারের সময়ে প্রণীত হওয়ায় এ বিষয়ে নির্দেশনা প্রদানের সুযোগ আমাদের ছিল না।
ভীতিমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই উপদেষ্টা বলেন, উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অহেতুক কঠোরতা আমাদের লক্ষ্য নয়, কোনো পরীক্ষার্থী যেন তার প্রাপ্য মূল্যায়ন থেকে সামান্যতম বঞ্চিত না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই পরীক্ষার্থীরা দুশ্চিন্তা ছাড়াই হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্রে আসবে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উত্তরপত্রে উত্তর লিখবে এবং হাসিমুখে কেন্দ্র ত্যাগ করবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্মৃতি যেন একজন শিক্ষার্থীর জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ স্মৃতি হয়, আর পরীক্ষাভীতি শব্দটি যেন জাদুঘরে স্থান পায়—এমন শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের লক্ষ্য।
১৫ দিন আগে
দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-ইইউ পিসিএ চুক্তিতে প্রাথমিক সই
দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ‘অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (পিসিএ)’-তে প্রাথমিক স্বাক্ষর হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এই চুক্তি সই হয়।
বাংলাদেশের পক্ষে সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) ড. মু. নজরুল ইসলাম এবং ইইউয়ের পক্ষে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক) পাওলা পাম্পালনি চুক্তিতে সই করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ইউরোপিয়ান কমিশনের হাই রিপ্রেজেনটেটিভ কাজা কাল্লাস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, পিসিএটি বাংলাদেশ-ইইউ কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের জন্য আইনি ও রাজনৈতিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
তারা বলেন, মানবাধিকার ও সুশাসন থেকে শুরু করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পরিবেশগত টেকসই ও জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি, পরিবহন ও বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনসহ বিভিন্ন নীতিগত ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে সহায়তা করবে।
এ ছাড়াও বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে পিসিএ স্বাক্ষর করা প্রথম দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার সময় এই চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে বলে তারা উল্লেখ করেন।
২০২৪ সালের নভেম্বরে ঢাকায় বাংলাদেশ ও ইইউয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের মাধ্যমে পিসিএ চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এরপর থেকে দুই পক্ষ ঢাকা ও ব্রাসেলসে শারীরিক ও ভার্চুয়ালি কয়েক দফা আলোচনা ও বেশ কয়েকটি কারিগরি বৈঠকে অংশ নেয়।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে পঞ্চম দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষ চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করে।
পঞ্চম দফার আলোচনায় বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে আইনি ও বিচার বিভাগীয় সহযোগিতা, মেধাস্বত্ব অধিকার, জ্বালানি সহযোগিতা, মৎস্যচাষ, জলজ চাষ ও মহাসাগর প্রশাসন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, মানবাধিকার, শুল্ক সহযোগিতা ইত্যাদি।
১৫ দিন আগে
জুলাইয়ে প্রথমার্ধে সৌদি আরব সফরের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
আগামী জুলাই মাসের প্রথমার্ধে সৌদি আরব সফর করতে পারেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।
এ সময় দুপক্ষের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের একপর্যায়ে রাষ্ট্রদূত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী এ আমন্ত্রণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে জুলাই মাসের প্রথমার্ধে সৌদি আরব সফর করতে পারেন বলে উল্লেখ করেন।
বৈঠককালে তারা দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গার (মিয়ানমারের নাগরিক) বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান, পর্যটন ও জ্বালানি খাতে সৌদি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। জনশক্তি রপ্তানি ছাড়াও বাংলাদেশের জ্বালানি ও পর্যটন খাতে সৌদি আরবের বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তিনি এসব খাতে বিনিয়োগসহ দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান।
সৌদি আরবে অবস্থানরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গার বাংলাদেশি পাসপোর্ট ইস্যুর প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রদূত এই প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে ২২ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ থেকে বিশেষ টিম পাঠানো হয়েছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের যেসব নাগরিকের বাংলাদেশি নথিপত্র রয়েছে বা যারা প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করেছে, তাদের দ্রুত পাসপোর্ট প্রদান করতে হবে। এক্ষেত্রে সৌদি আরব থেকে পূর্ণাঙ্গ তালিকা সংগ্রহ করে পুনরায় যাচাই-বাছাই করার জন্যও তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৫ দিন আগে
গ্রেড-১ পেয়ে ওএসডি হলেন সিলেট ও বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার
গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি পেয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হয়েছেন সিলেট ও বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী এবং বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানকে গ্রেড-১ এ পদোন্নতি দেওয়ার পর ওএসডি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
তবে তাদের স্থলে নতুন বিভাগীয় কমিশনার এখনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
১৫ দিন আগে
গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে, এটি প্রধানমন্ত্রীর নীতি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে বিশ্বাস করে না। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে, এটি প্রধানমন্ত্রীর নীতি। অতীতে যা হয়েছে, তা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সংলাপে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হক। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যমে সঠিক তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। অনলাইনে ভুয়া তথ্য ও চরিত্রহনন রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। একইসঙ্গে অপপ্রচার মোকাবিলা করে নির্ভুল সংবাদ জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই সঠিক তথ্যই জনগণের সামনে আসুক। অনলাইনে যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা প্রতিরোধে আমরা কাজ করছি। একইসঙ্গে ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া জোরদার করার পাশাপাশি গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আজকে কোয়াব (কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) নেতৃবৃন্দ এবং আইপিটিভি প্রতিনিধিরা মন্ত্রণালয়ে এসে বিভিন্ন সমস্যা ও প্রস্তাব তুলে ধরেন। ২০১৪ সালের আইপিটিভি নীতিমালা সংশোধন নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
বর্তমান সরকারের সময়ে গণমাধ্যমকর্মীরা ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করতে পারবেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর ভয়ে ছিলেন, এখনও কি ভয় পাবেন? অন্তত আপনারা গত দুই মাসে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। আমরা অতীতে দেখেছি, কীভাবে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা হবে না। মিডিয়ার স্বাধীনতা থাকবে। মিডিয়াতে যেভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, এটা অব্যাহত থাকবে। এইটুকু আপনাদের বলতে পারি। এটা প্রধানমন্ত্রীর নীতি এবং উনার নির্দেশ যে গণমাধ্যম কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা হবে না।
তিনি বলেন, সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে বিশ্বাস করে না। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে, এটি প্রধানমন্ত্রীর নীতি। অতীতে যা হয়েছে, তা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে চাই।
সাংবাদিকদের বেতন-ভাতা ও ওয়েজ বোর্ড প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। আসন্ন বাজেটে এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
গণমাধ্যমের শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকার কী উদ্যোগ নেবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কঠোরতা নয়, বরং সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ গড়ে তোলা হবে। এ বিষয়ে সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে যাতে কোনো গণমাধ্যম বঞ্চিত না হয় এবং বিজ্ঞাপন বণ্টনে বৈষম্য কমে।
তিনি বলেন, আমরা অতীত নিয়ে পড়ে থাকতে চাই না, বরং আধুনিক, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও নৈতিক গণমাধ্যম গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্যে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমর সাংবাদিকদের সহযোগিতা ও পরামর্শ আহ্বান করেন তিনি।
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জন্য নির্ধারিত স্থান ও গণমাধ্যম সংস্কার প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জন্য নির্ধারিত স্থান নিয়ে আমি মোটেও সন্তুষ্ট নই। এত বড় মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের জন্য যে জায়গা রাখা হয়েছে, তা অত্যন্ত অপর্যাপ্ত ও অবহেলিত। এটির আধুনিকায়ন করা জরুরি। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
১৫ দিন আগে
‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ হরমুজ পারাপারে তেহরানকে অনুরোধ ঢাকার
বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেন নিরাপদে পার হতে পারে, সেজন্য ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ খতিবজাদেহকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) তুরস্কের আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামের পার্শ্ববৈঠকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাম্প্রতিক এক বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এ আহ্বান জানান।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন এবং রবিবার রাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে জানান, পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ (সোমবার) জানিয়েছে, এই বিষয়ে দুই নেতা নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করবেন। ড. খলিলুর বর্তমানে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস সফর করছেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষই উপসাগরীয় অঞ্চলের উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলমান ঘটনাবলি নিয়ে বাংলাদেশের ধারাবাহিক ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সব পক্ষকে সংযম, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের গঠনমূলক অবস্থানের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে তেহরান সফর করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ বাংলার জয়যাত্রাকে নিরাপদে যাতায়াতের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে কাজে লাগানোর জন্য ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ইরান যখন জাহাজ হরমুজ পাড়ি দেওয়ার অনুমতি পাওয়া ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল, তখন আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ ছিলাম।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি অনুসরণ করেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানান, পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ থাকলেও ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত ৫ এপ্রিল ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদীর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে বাংলার জয়যাত্রার পাশাপাশি অপরিশোধিত তেল বহনকারী বাংলাদেশগামী আরেকটি জাহাজের নিরাপদ যাত্রার সুবিধার্থে অনুরোধ করেন। প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রদূত জানান, এ বিষয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যথাযথ পর্যায়ে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
বর্তমান সংকটে বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের প্রশংসা করেন তিনি। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার পরে ত্রয়োদশ সংসদের অধিবেশনের উদ্বোধনী দিনে শোকপ্রস্তাব গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সরকারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. নজরুল ইসলামকে ইরান দূতাবাসে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করার জন্য পাঠানোর জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।
ইরানি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মাধ্যমে ইরানে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানোর ব্যবস্থা করায় বাংলাদেশ সরকারের প্রতি প্রশংসা জ্ঞাপন করেন।
ওই বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর উল্লেখ করেন, তিনি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে একটি দাপ্তরিক চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে ১৮৬ জন বাংলাদেশিকে ইরান থেকে আজারবাইজানে নিরাপদে সরিয়ে নিতে ইরান সরকারের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
১৫ দিন আগে
স্বাধীন বিচার বিভাগ ও সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিতের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
ন্যায়বিচার পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, এটি কোনো দয়ার বিষয় নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকার এমন এক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখে যেখানে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগের কাছে সবাই সমান হবে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বগুড়া জেলা আদালতসহ মোট সাতটি জেলায় ‘ই-বেইল বন্ড’ (ই-জামিননামা) সেবার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই, যে বিচার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী কিংবা মন্ত্রী, পুলিশ কর্মকর্তা কিংবা কর্মকর্তা এবং একজন সাধারণ নাগরিকের মধ্যে কোনো তফাৎ থাকবে না। যে বিচার ব্যবস্থা থাকবে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অনবদ্য পাদপীঠ।’
তিনি বলেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ‘ই-বেইল বন্ড’ ব্যবস্থা একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। আমরা সবার জন্য ন্যায়বিচারে বিশ্বাসী। আজকের এই ডিজিটাল উদ্যোগ সেই অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য।
নতুন এই ব্যবস্থার অধীনে একজন বিচারক জামিন আদেশ যাচাই করবেন এবং সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেবেন। এর ফলে আদেশ পাওয়ামাত্রই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তি নিশ্চিত হবে। তারেক রহমান বলেন, এর ফলে ই-বেইল বন্ড বা ইলেকট্রনিক জামিন ব্যবস্থা বিচারিক প্রক্রিয়ায় অপ্রয়োজনীয় হয়রানি ও ভোগান্তির অবসান ঘটাবে।
তিনি জানান, বিচার বিভাগকে আধুনিকায়ন এবং জনগণের ভোগান্তি কমাতে সরকার ই-বেইল ব্যবস্থাকে ক্রাইম ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস), আদালত মামলা ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাইকরণ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, অতীতে বিরোধী দল বা ভিন্নমতের হাজার হাজার মানুষকে গায়েবি ও ভুয়া মামলা, মিথ্যা পরোয়ানা এবং পরোয়ানা প্রত্যাহারে বিলম্বের মাধ্যমে হয়রানি করা হয়েছে। সরকার হাজিরা পরোয়ানা, মুক্তি আদেশ এবং থানা থেকে পরোয়ানা প্রত্যাহারের বিষয়টি অনলাইন ব্যবস্থার আওতায় আনবে।
তিনি বলেন, এটি সম্পন্ন হলে এক জেলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে অন্য জেলায় স্থানান্তরের সময় নথিপত্র দ্রুত অনলাইনে আদান-প্রদান সম্ভব হবে, যা জামিন শুনানিকে আরও সহজ করবে। তারেক রহমানের মতে, এটি ভুয়া পরোয়ানার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে পুলিশি হয়রানি এবং বেআইনিভাবে আটকে রাখার সংস্কৃতি নির্মূল করতে সাহায্য করবে।
১৫ দিন আগে
বগুড়া জেলা আইনজীবী সমিতি ভবন, ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
বগুড়ায় নবনির্মিত জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের ফলক উন্মোচন এবং বগুড়াসহ সাতটি জেলায় ‘ই-বেইল বন্ড’ (ই-জামিননামা) সেবা উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বেলা সোয়া ১১টার দিকে আইনজীবী সমিতির নবনির্মিত বহুতল ভবন উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর তিনি জেলা আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বগুড়াসহ সাতটি জেলায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে জামিননামা দাখিলের ‘ই-বেইল বন্ড’ ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী গাড়ীবহর সকাল ১০টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছায়। প্রধানমন্ত্রী সকাল ৬টা ১০ মিনিটে তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানসহ গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবন থেকে সড়কপথে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর এটিই তার নিজ জেলা বগুড়ায় প্রথম সফর।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী এরপর বগুড়া পৌরসভা ভবনের একটি ফলক উন্মোচন করবেন। দুপুর পৌনে ১টার দিকে তিনি গাবতলীর বাগবাড়ী এলাকায় জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
বেলা ১টায় তিনি শহিদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন এবং পরবর্তীতে নশিপুরে চৌকিরদহ খাল খনন কাজের উদ্বোধন করবেন। এরপর তিনি বাগবাড়ীতে অবস্থিত তার পৈতৃক নিবাস পরিদর্শন করবেন।
বিকেল ৪টায় আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা শেষে বগুড়া প্রেসক্লাব ভবন এবং বাইতুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন তিনি।
১৫ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো বগুড়ায় তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নিজ জেলা বগুড়ায় পৌঁছেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম বগুড়া সফর।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী গাড়ীবহর সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছায়। এর আগে, সকাল ৬টা ১০ মিনিটে তিনি তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানসহ গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবন থেকে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা হন।
রুমন জানান, বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর আজ অত্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটবে। তার কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন এবং একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়া। এছাড়া তিনি গাবতলীর বাগবাড়ীতে তার পৈতৃক নিবাসও পরিদর্শন করবেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে রাতেই তার সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বগুড়ায় এটিই তার প্রথম সফর। এই সফরকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সকাল ৯টা থেকেই বগুড়া শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের মানুষ সড়কের দুই পাশে জড়ো হতে থাকেন।
সোনাতলা থেকে আসা আব্দুল হালিম নামের এক বৃদ্ধ বলেন, ‘তারেক রহমান বগুড়ার গর্ব। তিনি এখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তাকে দোয়া করার জন্য আমি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছি। আল্লাহ তাকে দীর্ঘজীবী করুন।’
সোনাতলার আরেক বাসিন্দা সুজাউদ্দিন বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বগুড়ার সন্তান, আর এখন তার ছেলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী। এটি আমাদের জন্য বড় গর্বের বিষয়।’
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার সন্তান, বগুড়াবাসীর নয়নের মনি, বাংলাদেশের নেতা। তিনি আগে বগুড়া এসেছেন অনেকবার। কিন্তু এবারে তার আগমন ভিন্ন মাত্রা রয়েছে। তিনি এবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বগুড়া এসেছেন।’
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বগুড়া শহরের বিভিন্ন সড়কে ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হয়েছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বেলা ১১টায় নবনির্মিত বগুড়া জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের ফলক উন্মোচন করেন। বেলা সোয়া ১১টার দিকে জেলা আদালতে ‘ই-বেইল বন্ড’ ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন। এরপর বগুড়া পৌরসভা ভবনের ফলক উন্মোচন করবেন তিনি।
দুপুর পৌনে ১টার দিকে গাবতলীর বাগবাড়ী এলাকায় জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তিনি। দুপুর ১টায় শহিদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং পরবর্তীতে নশিপুরে চৌকিরদহ খাল খনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি তার পৈতৃক নিবাস পরিদর্শন করবেন।
বিকেল ৪টায় আলতাফুন্নেসা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা শেষে তিনি বগুড়া প্রেসক্লাব ভবন এবং বাইতুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন।
১৫ দিন আগে