বাংলাদেশ
সরকারি বাসস্থানে এডিস মশার লার্ভা মিললে বরাদ্দ বাতিল: শাহে আলম
সরকারি বাসস্থানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ বা এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটের বরাদ্দ সরাসরি বাতিল করার পাশাপাশি নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে বড় অংকের জরিমানা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
এছাড়া পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না জানিয়ে ঢাকা মহানগরীকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে তুলতে গঠিত ২০টি পরিবীক্ষণ টিমকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণবিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিন থেকেই অত্যন্ত সচেষ্ট। তিনি নিজে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও কোয়ার্টারের অবস্থা দেখে এসেছেন। কিন্তু বড় বড় সরকারি কোয়ার্টার, বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ও হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে এডিস মশার লার্ভা ও চরম অবহেলার চিত্র পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পরিবীক্ষণ কমিটির সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন বলে জানান তিনি।
কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যেখানে অনিয়ম বা মশার লার্ভা পাওয়া যাবে, সেখানেই আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে এবং কঠোর জরিমানা করতে হবে।
সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের কোয়ার্টার পরিষ্কার রাখতে না পারলে সরকারি বাসায় থাকার যোগ্যতা তাদের নেই বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।
পরিবীক্ষণ টিমগুলোর সমন্বিত ও কঠোর ভূমিকা থাকলে এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই ঢাকায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।
নগরীর সৌন্দর্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, হাতিরঝিল, ধানমন্ডি, বনানী ও গুলশান লেক পরিষ্কার করে আগের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কাজ করছে।
এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ও এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬টি খাল পুনঃখনন, গাইডওয়াল নির্মাণ ও নেটিংয়ের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
তথ্য অধিদপ্তরের তথ্যবিবরণীতে আরও জানানো হয়েছে, প্লাস্টিক বা লোহার ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ফাইবার বোর্ড দিয়ে নতুন ডাস্টবিন তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মীর শাহে আলম বলেন, দুই সিটি করপোরেশন পর্যায়ক্রমে এসব ডাস্টবিন স্থাপন করবে।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও অনুশাসন বাস্তবায়নে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতিটি আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকাগুলোকে ২০টি জোনে ভাগ করে ২০টি বিশেষ পরিবীক্ষণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তরে ১০টি ও ঢাকা দক্ষিণে ১০টি কমিটি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা এসব জোনাল কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।
ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিবীক্ষণের দায়িত্বে থাকা ২০টি কমিটির সদস্যরাও এতে অংশ নেন।
১ দিন আগে
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ২,২১৮
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ২ হাজার ২১৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এ মৃত্যুর পর চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮৯ জনে।
অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, নতুন মৃত্যুর ঘটনাগুলোর মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে একজন করে মারা গেছে।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ১৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ১ লাখ ১৯ হাজার ৩৯৩ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
২ দিন আগে
সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ারে যেতে পারে পুলিশ: আইজিপি
সরকার অনুমতি দিলে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে প্রয়োজন হলে পুলিশ ক্রসফায়ারের পথ বেছে নিতে পারে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ইসলামী ব্যাংকিং সেবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, পুলিশ কঠোর হলে বলা হয় ফ্যাসিস্ট পুলিশ, আর নীরব থাকলে বলা হয় দুর্বল পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, সরকার অনুমতি দিলে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে ক্রসফায়ারের প্রয়োজন হলে, আমরা সেটাই করব।
মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশকে অকার্যকর করার অপচেষ্টা সহ্য করা হবে না উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, পুলিশকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করা হলে কিংবা দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হলে সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হবে।
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত পুলিশ সদস্যদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, বাহিনীর নিজস্ব জবাবদিহি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু সদস্য মাদকের বিস্তারে পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন। পুলিশের কিছু সদস্যও মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন।
আলী হোসেন ফকির বলেন, বর্তমানে পাড়া-মহল্লার সব জায়গায় মাদকের ব্যাপক বিস্তার দেখা যায়। এই পরিস্থিতি কে তৈরি করেছে? ভালোভাবে খোঁজ নিলে দেখা যাবে, তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা এতে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। পুলিশ বাহিনীর কিছু সদস্যও এতে জড়িত ছিলেন, এখনও কেউ কেউ আছেন।
পুলিশের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম দূর করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে গত দুই মাসে প্রায় ২৭ জন পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান আইজিপি।
তিনি বলেন, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, আমরা প্রথমে নিজেদের ঘর পরিষ্কার করছি। অথচ এ বিষয়টি নিয়েও নানা অপব্যাখ্যা ছড়ানো হচ্ছে।
সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পুলিশকে আরও ক্ষমতায়নের আহ্বান জানিয়ে মহাপরিদর্শক বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আইন প্রয়োগের সুযোগ না দিলে সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।
আইজিপি জনগণকে গুজব ও অপতথ্য এড়িয়ে চলার পাশাপাশি সংবিধান ও আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
ব্যাংকিং খাত প্রসঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান আলী হোসেন ফকির ইসলামী ব্যাংকিংয়ে নৈতিক চর্চা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বর্তমান ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থা রাখার জন্য গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান ব্যবস্থাপনায় অতীতের অনিয়ম বা সংকটের পুনরাবৃত্তির কোনো সুযোগ থাকবে না।
মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) তদারকি আরও জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগরী প্রতিষ্ঠায় জাপানকে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগরী প্রতিষ্ঠায় জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই সঙ্গে কৃষির আধুনিকায়ন, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও হালকা প্রকৌশল শিল্পের উন্নয়নেও সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোর সঙ্গে বৈঠকে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে তাদের সাক্ষাৎ হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন।
অবকাঠামো, জ্বালানি নিরাপত্তাসহ বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে জাইকার অব্যাহত সহায়তাও চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে বাংলাদেশ–জাপান দক্ষতা উন্নয়ন অংশীদারত্বের আওতায় দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জানান, দেশের বর্তমান উন্নয়ন অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে জাপানের কাছ থেকে সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং কারিগরি সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশ্বের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানো ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত বছরের মতো এবারও বাজেট সহায়তা দেওয়ার অনুরোধ জানায় বাংলাদেশ।
চলতি বছরের জুলাইয়ে তানাকার বাংলাদেশ সফরের সময় ঢাকায় তার সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠকের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে জাপানের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা এবং জাইকার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, আর্থসামাজিক অগ্রগতি এবং দেশের উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জাপানের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আরও গভীর করা এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন ও মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে জাপানের সহায়তায় চলমান বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার ওপরও উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করে।
এছাড়া অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর অনুমোদন ও বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
জাইকা প্রেসিডেন্ট তানাকা বাংলাদেশের সমৃদ্ধি অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রস্তাবিত উদ্যোগগুলো বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার করবে এবং দুই দেশের অভিন্ন সমৃদ্ধিতে অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দীকী এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
জাইকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হারা শোহেই এবং সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারও বৈঠকে অংশ নেন।
২ দিন আগে
প্রথমবার বঙ্গভবন পরিদর্শন ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ স্কুলশিক্ষার্থীদের
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন চালু হওয়া নীতির আওতায় প্রথমবারের মতো বঙ্গভবনে স্কুলশিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সুশিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে বঙ্গভবনে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘তোমরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। তোমাদের মধ্যেই আমরা দেখতে পাই নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন।’
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের বঙ্গভবন ভ্রমণ-সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬-এর আওতায় প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ অধ্যাপক লাল মোহাম্মদের নেতৃত্বে শিক্ষকদের সঙ্গে সপ্তম থেকে নবম শ্রেণির নির্বাচিত একদল মেধাবী শিক্ষার্থী বঙ্গভবন পরিদর্শনে যায়।
শিক্ষার্থীরা বঙ্গভবনের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখার পর দরবার হলে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। সেখানে রাষ্ট্রপতি তাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। পরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশ নেন তিনি।
তরুণ প্রজন্মকে বঙ্গভবন ও রাষ্ট্রের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্যে মির্জা ফখরুল মা-বাবা, শিক্ষক ও বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি সন্তানদের মা-বাবার ত্যাগের কথা মনে রাখার আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নিজেদের সুশিক্ষিত ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে যেমন মা-বাবার স্বপ্ন পূরণ হবে, তেমনি জাতির প্রত্যাশাও পূরণ হবে।
বঙ্গভবন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, এটি শুধু একটি ভবন নয়; এটি রাষ্ট্রের প্রতীক ও ইতিহাসের সাক্ষী।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গভবন, রাষ্ট্র ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের বিষয়ে আগ্রহ গড়ে তুলতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে বঙ্গভবনে নিয়ে আসা হবে।
তথ্যপ্রযুক্তির যুগে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন উদ্ভাবন নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান মির্জা ফখরুল।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সচিব, প্রেস সচিব ও বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
দুই বছরের মধ্যে জেলা পর্যায়ে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ক্যানসারের চিকিৎসা সম্প্রসারণে দুই বছরের মধ্যে জেলা পর্যায়ে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ক্যানসারের চিকিৎসা শুধু বিভাগীয় শহরকেন্দ্রিক না রেখে জেলা পর্যায়েও পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে স্বাস্থ্যখাতকে জনমুখী করে নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। এ লক্ষ্যে দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে চলছে।
স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে ওষুধের সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রোগীদের খাবারের মানও উন্নত করা হয়েছে। ফলে রোগীদের মধ্যে সন্তুষ্টি বাড়ছে।
চিকিৎসাসেবায় বাংলাদেশ খুব বেশি পিছিয়ে নেই উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও উন্নতি করার সুযোগ রয়েছে। অতীতে অনিয়ম ও লুটপাটের কারণে স্বাস্থ্যখাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে কাজ করছে।
পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় চিকিৎসকদের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসকরা আমাদের সম্পদ। দেশের যেকোনো সংকটে তারা মানুষের সেবায় ঝাঁপিয়ে পড়েন। তারা দিন-রাত পরিশ্রম করেন এবং মানুষের কল্যাণে যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকেন।চিকিৎসকরা রোগীদের ভালোবাসেন।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাঈদ ফারহাত আনোয়ার।
এ সময় জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোস্তাফা আজিজ সুমন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দীন রুমি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. হাসিন অনুপমা আজহারিসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
খাদ্য সংরক্ষণে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ওপর জোর মন্ত্রীর
দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে খাদ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, খাদ্যশস্য আমদানি, দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য সংরক্ষণ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা, যোগাযোগসহ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
আফরোজা খানম জানান, গত অর্থবছরে পাকিস্তান থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে চালের চালান বাংলাদেশে পৌঁছেছে এবং চালের মানও সন্তোষজনক ছিল। এ সময় পাকিস্তানের বাসমতী চালের প্রশংসা করেন তিনি।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যশস্যের গুণগত মান বজায় রেখে সংরক্ষণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় বাংলাদেশের খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। এ বিষয়ে পাকিস্তানের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু হওয়ায় মানুষের যাতায়াত ও পারস্পরিক যোগাযোগ সহজ হয়েছে। বিশেষ করে করাচিতে বসবাসরত মানুষ এ যোগাযোগের মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তুলে ধরে ইমরান হায়দার বলেন, পাকিস্তানে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য, পান ও আনারসের চাহিদা ও জনপ্রিয়তা রয়েছে।
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান হাইকমিশনার। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ অর্থায়নে বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণের এ সুযোগ কাজে লাগাতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো যেতে পারে। পারস্পরিক বাণিজ্য সহজীকরণ ও কার্যকর সহযোগিতার মাধ্যমে এসব সম্ভাবনাকে বাস্তব বাণিজ্যে রূপ দেওয়া সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
আফরোজা খানম আরও বলেন, শিক্ষা, প্রযুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একে অপরের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ ওয়াসিফ, ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট অ্যাটাশে ওয়াকাস ইয়াসিন, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
হাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৪৬৬
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৬৬ শিশু।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ১ হাজার ১২৯ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০৪ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ২৩৩ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৭৮ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৮৮। এই সময়ে ১ হাজার ২৯৬ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৩৬২ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ২২ হাজার ৫৫২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৪৭৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৯৯ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৯০ হাজার ৩৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
আইসিটি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও উন্নত উৎপাদনে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উন্নত উৎপাদনসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এসব খাতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে বিনিয়োগের উল্লেখযোগ্য সুযোগ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মারুবেনি করপোরেশন ও জাপান-বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের (জেবিসিসিইসি) চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।
টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ৩টা ৪৫ মিনিটে এ বৈঠক হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন।
প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে বাংলাদেশের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিয়ন্ত্রক সংস্কার, বিনিয়োগ অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব আরও জোরদারের মাধ্যমে জাপানি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিনিয়োগের সুযোগ বাড়াতে সরকার কাজ করছে।
এ সময় কাকিনোকি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও দুই দেশের মধ্যে নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করবে।
কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) আধুনিকায়ন এবং বাংলাদেশে আরেকটি সার কারখানা স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে জাপানের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারেক রহমান।
সেই সঙ্গে বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোন (বিএসইজেড) উন্নয়নে জেবিসিসিইসি ও মারুবেনি করপোরেশনের সহায়তা চান তিনি।
২ দিন আগে
বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাপানের সহায়তা চান প্রধানমন্ত্রী
জাপানের কাছে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর নেতৃত্বাধীন দেশটির আইনপ্রণেতাদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ সহযোগিতা চান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন জানান, টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে স্থানীয় সময় বেলা ৩টায় জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের (জেবিপিএফএল) প্রতিনিধিদলটি তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জেবিপিএফএলের নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে অব্যাহত অবদানের জন্য তারো আসোকে ধন্যবাদ জানান।
২০০৬ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে জাপান সফরের সময় তারো আসোর সঙ্গে সাক্ষাতের কথাও স্মরণ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী, উপপ্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তারো আসো দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে ইতিবাচক ও গঠনমূলক ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলাদেশের সঙ্গে তারো আসোর দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততা দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও গভীর করতেও সহায়তা করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বৈঠকে উভয় পক্ষ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে।
২ দিন আগে