রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নির্বাচনি এলাকায় মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রয়েছে। রাত থেকে বন্ধ রয়েছে মোটরসাইকেল চলাচলও। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাইরেন বাজিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ, এসআরবি ও বিজিবির গাড়ি।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাইকিং, মিছিল, সভা-সমাবেশে মুখর নির্বাচনি এলাকায় এখন নীরবতা বিরাজ করছে। তবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের ক্রমিক নম্বর-সংবলিত চিরকুট বিতরণ করতে দেখা গেছে অনেককে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।
ঠাকুরগাঁও সদর, ভূল্লী ও রুহিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে রয়েছে ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা। মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৫, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।
উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন প্রার্থী। তারা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আব্দুল আলীম নিজামী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাড়তি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, কোনো পক্ষকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচনের ফলাফল যে পক্ষের অনুকূলে যাক না কেন, তা মেনে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব বলেও মনে করেন পুলিশ সুপার।
এদিকে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনি এলাকায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
ভোটাররা যাতে নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. সুরুজ মিয়া।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রচার কার্যক্রম শেষ হওয়ায় এখন ভোটের অপেক্ষায় প্রার্থী ও ভোটাররা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে চান ভোটাররা। সব প্রস্তুতি শেষে বৃহস্পতিবারের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল।
৩ ঘণ্টা আগে
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্য সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে: রিজভী
ক্রসফায়ার ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) দেওয়া বক্তব্য সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, ‘আমাদের অত্যন্ত দুঃখ লাগে, পুলিশ বাহিনীর প্রধান সরকারের একটা অংশ, তিনি ক্রসফায়ারের কথা বলেন। মুখ ফসকে বেরিয়ে গেলে ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু এটা তো সরকারকে বিব্রত করার মতো অবস্থা।’
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিনা মূল্যের মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে দেশে পর্যাপ্ত আইন রয়েছে। এসব আইন প্রয়োগের দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।
১৭ বছর দেশকে ক্রসফায়ারে হত্যা, গুম, গুপ্তহত্যা ও রক্তপাতের মতো অমানবিক দুঃশাসন সহ্য করতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ।
তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ৫ আগস্ট এসেছে। এরপর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে ওঠার প্রত্যাশা করছেন দেশের মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানের এ ধরনের বক্তব্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
প্রধানমন্ত্রীর মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন রিজভী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আরও বসবাসযোগ্য করে তোলার লক্ষ্যেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা তারেক রহমানের স্বপ্ন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ঢাকার কয়েকটি এলাকায় কিশোর অপরাধ ও অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন রিজভী।
তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীতে অনেক সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিলে তারা কার্যকরভাবে অপরাধ দমন করতে পারবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
কোনো ধরনের প্রভাব ছাড়া আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হলে সমাজ থেকে অপরাধ দূর করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রিজভী বলেন, গুম কিংবা ক্রসফায়ার—কোনো ধরনের বিচারবহির্ভূত পদ্ধতিই অপরাধ নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায় হতে পারে না।
এর আগে সোমবার আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেছিলেন, সরকার অনুমতি দিলে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে প্রয়োজন হলে পুলিশ ক্রসফায়ারে যেতে দ্বিধা করবে না।
১ দিন আগে
বিএনপি গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা সমর্থন করবে না: ডা. জাহেদ
বিএনপি গত ১৭ বছর গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে এবং সরকার গঠনের পরও সেই অবস্থান থেকে সরে আসবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জাহেদ বলেন, কোনো রাষ্ট্র বা সরকার যদি কাউকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করে, তাহলে সেটি আর রাষ্ট্রের ভূমিকা পালন করে না। এটি খুন, যা যেকোনো মানুষই করতে পারে। একটি রাষ্ট্র প্রকৃত অর্থে রাষ্ট্র হয়ে ওঠে তখনই, যখন সে বিচার করার ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
কোনো গণতান্ত্রিক সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সমর্থন করতে পারে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। কিন্তু কাউকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা রাষ্ট্রের কাজ হতে পারে না। রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে বিচারব্যবস্থার হাতে তুলে দেওয়া যায়। প্রয়োজনে আইন পরিবর্তন করা যেতে পারে, কিন্তু বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সুযোগ নেই।
বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে উপদেষ্টা বলেন, পাঁচ বছর পর রাতের ভোট বা ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখার কোনো উদ্দেশ্য এই সরকারের নেই। তাই সরকার এমন কোনো কাজ করবে না, যাতে তার ক্ষতি হয়। বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো ঘটনায় মানুষের কাছে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সরকারের অনুমতি পেলে ক্রসফায়ার করা হবে বলে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইজিপি তার পরবর্তী বক্তব্যে আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন বলে মনে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আইজিপি তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং আগের অবস্থানে অনড় থাকেননি। এছাড়া সাংবাদিকদের বিষয়ে তার বক্তব্যে যে সাধারণীকরণ ও গুরুতর অভিযোগ ছিল, সেখান থেকেও তিনি সরে এসেছেন। তাই তার মতে এটা নিয়ে আর কথা বলা উচিত হবে না।
আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়ার কারণে তাকে পদে থাকার সুযোগ দেওয়া যায় কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, বিষয়টি সাংবাদিকদের বিবেচনার। তবে তার মতে, আইজিপি আগের বক্তব্যে অনড় থাকলে সমস্যা হতো।
তিনি আরও বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে বেআইনি কাজের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা করতে বাধ্য নন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আইন মেনেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
আইজিপির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করবেন বলেও জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে আসতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ময়মনসিংহের ভালুকায় বিএনপিকে ভোট দিয়ে ভুক্তভোগী হওয়ার কথা জানিয়ে ফেসবুক লাইভ করায় এক নারী উদ্যোক্তাকে ১৫১ ধারায় আদালতে পাঠানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ওই নারী উদ্যোক্তার বক্তব্যের কারণে যারা প্রতিবাদ করেছেন, তাদের অবস্থান সঠিক বলে তিনি মনে করেন না।
তবে মানুষের এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার অধিকার রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আরও অনেক ব্যক্তি, এমনকি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়েও আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এই ধরনের বক্তব্য আসলে দেওয়া যেতেই পারে।
আদালতে পাঠানোর পরের বিষয়গুলো বিচার বিভাগের এখতিয়ার উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, আদালত সরকার নয়। আদালত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার জবাবদিহি সরকার করবে না। তবে সরকারের দায়িত্ব হলো, পুলিশের তদন্ত যেন নিরপেক্ষ ও প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে হয়, তা নিশ্চিত করা।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, তদন্তে ওই নারীর বক্তব্যকে অপরাধ হিসেবে দেখা হবে না। কারণ ওই বক্তব্যে অপরাধের উপাদান পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য থেকে তিনি ইঙ্গিত পেয়েছেন।
রংপুরের পীরগঞ্জে তিনটি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহেদ উর রহমান জানান, ঘটনাটি তার নজরে আসেনি। তবে সেখানে পুলিশ মোতায়েন ও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তিনি শুনেছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে উগ্রপন্থি কিছু মানুষের আস্ফালনের প্রবণতা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এ প্রবণতা বেড়েছিল এবং অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে বর্তমান সরকার এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে থেকে বিচারের বাইরে থাকবেন, এটা হতে পারে না। আমি আপনাকে এটা নিশ্চিত করছি।’
তিনি আরও বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও একটি উদার গণতান্ত্রিক দেশে নিরাপদে বসবাস করতে চান। রাজনৈতিক দলের হাতে দেশের দায়িত্ব থাকলে তাদের কাছেও মানুষের প্রত্যাশা থাকে। বিএনপিকে সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে।
১ দিন আগে
উপনির্বাচনের আগে ঠাকুরগাঁওয়ে ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ২১ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় ঠাকুরগাঁও বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. সুরুজ মিয়া সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
কর্নেল সুরুজ বলেন, গত ২৫ অক্টোবর থেকে নির্বাচনি এলাকায় বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তিনটি উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ২১ প্লাটুন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
বিজিবি সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ব্যবহার করা হচ্ছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা ও কে-৯ ডগ ইউনিট।
যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
বিজিবি সেক্টর কমান্ডার বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই বিজিবির প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে সব প্রার্থী যাতে সমান সুযোগ পান এবং স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনি প্রচার কার্যক্রম চালাতে পারেন, সে বিষয়েও কাজ করা হচ্ছে। এ জন্য প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রাখা হচ্ছে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায়ও নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। চোরাচালান, অবৈধ সীমান্ত পারাপার ও সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় জনগণ, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, প্রার্থী, প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছে বিজিবি।
২ দিন আগে
উপনির্বাচন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বহিরাগতদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচনি পরিবেশ প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে বহিরাগতদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এ সময়ে নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার নন, এমন ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, নির্বাচন কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার ছাড়া অন্য কেউ নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না।
এ নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, উপনির্বাচন যেন প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সে জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনি এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৩ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭২ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফল আন্দোলনের মো. আব্দুল আলীম নিজামী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হয়। সেই শূন্য আসনেই আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৮টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম।
২ দিন আগে
সমান সুযোগ নিশ্চিত হলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত: শফিকুর রহমান
সব প্রতিদ্বন্দ্বীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা অবশ্যই নির্বাচনের পথ পরিষ্কার করার চেষ্টা করব। আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবি জানাব। যখন নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে, তখন আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কারও বলির পাঁঠা হতে চাই না; আমরা জনগণের অধিকার নিয়ে লড়তে চাই। আমরা চাই, জনগণ যাকে ভোট দিয়ে পছন্দ করবেন, তিনিই ক্ষমতায় যাবেন।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, এ নির্বাচন নিয়ে তিনি ইতিবাচক কোনো লক্ষণ দেখছেন না।
বিএনপির প্রার্থীরা যেসব এলাকায় জয়ী হতে পারবেন না, সেসব এলাকায় সরকার বরাদ্দ দেবে না—চিফ হুইপের এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের আগে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর শামিল।
তিনি আরও বলেন, ‘এটি লজ্জাজনক। এর মাধ্যমে আগেভাগেই জনগণকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এ ধরনের ভয়ভীতি ও দলীয় প্রভাবের মধ্যে নির্বাচন হলে তা সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’
নির্বাচন কমিশনে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিএনপি কর্মীকে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, দলীয় পরিচয়সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কেন এ প্রতিষ্ঠানে আনা হয়েছে, তা মানুষ জানতে চায়।
এছাড়া সরকারি কর্মকর্তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবি করলেও জননিরাপত্তায় দৃশ্যমান কোনো উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ করেন শফিকুর রহমান। এ নিয়ে তিনি সরকারের সমালোচনাও করেন।
মতবিনিময় সভায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের আরও কয়েকজন দলীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিজ জেলা মৌলভীবাজারে শফিকুর রহমানের এটিই ছিল প্রথম সফর।
৩ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে কারচুপি হলে কঠোর প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি জামায়াতের
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করা হলে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। প্রয়োজনে এ আসনকে কেন্দ্র করে সরকার পতনের আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যজোট আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ভোটে কোনো ধরনের টালবাহানা বা কারচুপি করা হলে ভোটকেন্দ্র থেকে নির্বাচন অফিস পর্যন্ত ঘেরাও করা হবে। কোনো প্রিসাইডিং কর্মকর্তা অনিয়ম করলে তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
জনসভায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ক্ষুদ্রঋণ এবং ইমাম-খতিবদের ভাতা ও বেতন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ তোলেন জামায়াত নেতা।
তিনি বলেন, বিএনপির প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ঠাকুরগাঁওকে শূন্য করে ফেলা হবে। এ অঞ্চলকে বাঁচাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে।
বিএনপির সমালোচনা করে গোলাম পরওয়ার বলেন, দলটির দিন ফুরিয়ে আসছে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিএনপিকে লাল কার্ড দেখাতে হবে। চাঁদাবাজি ও দখলদারির রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আগামী ২৯ তারিখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে তাদের দলের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৭১ সাল নিয়ে বিএনপি জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। তার দাবি, বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর পরিবারের সদস্যরাও সে সময় অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
এছাড়া বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে দলটির বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ তোলেন তিনি এবং নেতাকর্মীদের আচরণ নিয়েও কটাক্ষ করেন।
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও মাওলানা আবদুল হালিম।
৪ দিন আগে
মঈন খানকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মির্জা আব্বাস
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস শনিবার ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানকে দেখতে যান।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, মির্জা আব্বাস অসুস্থ মন্ত্রীর সঙ্গে কিছু সময় কাটান এবং তার শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজ নেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি ও জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান আফরোজা আব্বাস।
তারা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈনের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং তার চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হন।
ড. মঈনের দ্রুত আরোগ্য ও সম্পূর্ণ সুস্থতাও কামনা করেন তারা।
৪ দিন আগে
লংমার্চ বাদ দিয়ে সংসদে এসে আলোচনা করুন, বিরোধীদের উদ্দেশে শাহে আলম
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিরোধী দলের উদ্দেশে বলেছেন, লং মার্চ বা আন্দোলন কর্মসূচি বাদ দিয়ে সংসদে আসুন। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের জন্য পাঁচটি সদস্য পদ শূন্য রাখা হয়েছে, যেকোনো মুহূর্তে আপনারা পাঁচজন প্রতিনিধির নাম দিন এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদে ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জুলাই-আগস্টের শহিদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও তারা উপস্থিত না হয়ে খোড়া যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
তিনি বলেন, যারা জুলাই-আগস্ট নিয়ে সারাদিন রাজনীতি করতে চান, তারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থেকে ধোঁকাবাজির পরিচয় দিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৯ অক্টোবর ওসমানী উদ্যানে সরকারের পক্ষ থেকে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ওই অনুষ্ঠানে সকল সমমনা, সহযোগী ও জোটের রাজনৈতিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শহিদ মীর মুগ্ধ, আবু সাঈদ ও আনাসের বাবা এবং এক শহিদের মাসহ চার শহিদ পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে স্মৃতিস্তম্ভ ও দীর্ঘ ১০ বছর পর ওসমানী উদ্যানটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অথচ জুলাই নিয়ে যারা সারাদিন কথা বলেন, সেই সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্তরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি। বাংলাদেশের এই একমাত্র শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে গ্যাজেটভুক্ত ৮৩৪ জন শহিদের নাম লেখা রয়েছে।
মীর শাহে আলম বলেন, দাওয়াত কার্ডে বিরোধী দলীয় নেতার নাম না থাকায় তারা যাননি বলে যে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়। বিরোধী দল উপস্থিত হলে প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতিনিধিকেও মঞ্চে ডেকে নিতেন।
প্রতিমন্ত্রী এরপর শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে প্রতিভাবান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
৫ দিন আগে
এনসিপির পুনর্গঠিত আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে৷ কমিটিতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহকে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। আর সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে করা হয়েছে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব৷
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলটির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে আব্দুল হান্নান মাসউদ, আলী আহসান জুনায়েদ, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, সারোয়ার তুষার, নুসরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, দিলশানা পারুল, সামান্তা শারমিন এবং এ কে ফ্লোরাকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আলাউদ্দীন মোহাম্মদ (আন্তর্জাতিক সেল), এস এম সাইফ মুস্তাফিজ (কোষাধ্যক্ষ), মো. নিজামউদ্দিন, নাহিদা সারোয়ার নিভা, ফরিদুল হক এবং মো. আতাউল্লাহকে যুগ্ম সদস্য সচিব করা হয়েছে।
তবে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব আখতার হোসেনের পদ অপরিবর্তিত রয়েছে।
৫ দিন আগে