কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে পাঁচ চিকিৎসককে অনুপস্থিত দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, হাসপাতালে ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন, প্রসূতিদের জন্য ২০ শয্যার ওয়ার্ড, নবজাতকদের জন্য ২০ শয্যার ব্যবস্থা, পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেবা ও ব্রেস্টফিডিং সেন্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
আগামী ১৫ থেকে ১৬ দিনের মধ্যে এ প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
এছাড়া আগামী ১ নভেম্বর নতুন করে যোগ দিতে যাওয়া ৪৮ জন চিকিৎসকের মধ্য থেকেও মুরাদনগর হাসপাতালে চিকিৎসক পদায়নের আশ্বাস দেন তিনি।
হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আগের তুলনায় উন্নতি দেখলেও বর্জ্য ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন সাখাওয়াত হোসেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মান আগের চেয়ে কিছুটা উন্নত হয়েছে। তবে পরিদর্শনে কিছু অনিয়ম ও অসংগতি ধরা পড়েছে। ডেপুটেশনে থাকা চিকিৎসকদের হাসপাতালে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মান উন্নয়নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ জনপদের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমান সরকার নারীদের চিকিৎসাসেবায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
পাশাপাশি শিশুদের জন্য পৃথক চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে খুব শিগগিরই দরপত্রের মাধ্যমে কাজ শুরু হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।