রাজনীতি
আ. লীগের চরিত্র বদলায়নি, দফায় দফায় ষড়যন্ত্র করছে: জামায়াত আমির
দেশের মানুষ সজাগ থাকায় ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, একটি শক্তি দেশের মর্যাদা ক্ষুন্ন করতে মিথ্যাচার করে বিদেশি বন্ধুদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন শান্তিতে আছে। এই শান্তি বিঘ্নিত করতে দফায় দফায় চেষ্টা চলছে। জাতি সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে জেলা জামায়াতের কর্মী সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান একথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জানান দেয় যে, তারা ক্ষমতার থাকতে খুন-গুমের পথ বেছে নেবে। সেদিন থেকে বাংলাদেশ তার নিজের পথ হারিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সাড়ে ১৪ বছর পর বাংলাদেশ মুক্তি পেয়েছে। আওয়ামী লীগ জামায়াতের অনেক শীর্ষ নেতাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিচারের নামে প্রহসন করে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে। তারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নির্বিচারে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: দেশের এক ইঞ্চি জমিও কাউকে ছাড় দেব না: জামায়াত আমির
তিনি বলেন, তারা যেসব নিরীহ জনগণকে খুন করেছে তাদের পরিবারের কাছে জানতে চান তারা আর এ ধরনের রাজনীতি চায় কিনা? যারা পঙ্গুত্ববরণ করে হাসপাতালের বেডে আছে তাদের মতামত নিন।
জামায়াতের আমির বলেন, আমরা একটি বৈষম্যহীন ন্যায়বিচারের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আল্লাহর হুকুম ও জনগণের ভালোবাসায় জামায়াতে ইসলামী সে সুযোগ পেলে আমাদের হাত দিয়ে কোনো চাঁদাবাজি হবে না, কোনো চাঁদাবাজি বরদাশতও করা হবে না।
বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটির ওপর কোনো দখল বাণিজ্য হতে দেওয়া হবে না। অফিসে বসে কেউ ঘুষ খাওয়ার দুঃসাহস দেখাতে পারবে না। যুব সমাজের হাতকে কারিগরের হাতে রূপান্তরিত করা হবে। উন্নত দেশের মতো পড়ালেখা শেষ করার আগেই তাদের হাতে কাজ আসবে। আমরা তাদরেকে এমন যোগ্য কারিগর হিসেবেই তৈরি করব। আমরা যুব সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই।
ধর্মীয় সম্প্রতির প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা এমন দেশ গড়তে চাই, যেখানে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা কোথাও নিরাপত্তার জন্য পাহারা বসাতে হবে না। একজন নাগরিক তার ঘরে-বাইরে, কর্মস্থলে ও সমাজে সবখানে নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা ভোগ করবেন।
তিনি আরও বলেন, এদেশে নারী-পুরুষরা সমান নিরাপত্তা ও মর্যাদা পাবেন। জামায়াতে ইসলামী কোরআনের আলোকে রাষ্ট্রগঠনের সুযোগ পেলে দেশের নারীরা মর্যাদা ও ইজ্জতের সহিত তাদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন। তারা যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কাজে অবদান রাখবেন।
বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে দলের প্রতিটি কর্মীকে প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীর পক্ষে এককভাবে ছাত্র-জনতার স্বপ্নের দেশ গঠন করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন গোটা জাতির ঐক্যবদ্ধ চেষ্টা ও সহযোগিতা। আমরা শান্তি, অগ্রগতি, ন্যায়বিচার ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
সিলেট জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন ও সহকারী সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম ও মাওলানা মাশুক আহমদের যৌথ পরিচালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক ফজলুর রহমান ও সিলেট মহানগর আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।
আরও পড়ুন: বৈষম্যহীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জামায়াত আমিরের
৫৫৩ দিন আগে
‘দাদাগিরি’ করতে গিয়ে বন্ধুহীন ভারত: মুরাদ
প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ‘দাদাগিরি’ করতে গিয়ে ধীরে ধীরে ভারত বন্ধুহীন রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা যুব দলের সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ।
ভারতের সব চক্রান্ত তারেক রহমানের নেতৃত্বে নস্যাত করে দেওয়া হবে বলেওি হুশিয়ারি দেন তিনি।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকালে ধামরাইয়ের সূয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে সূয়াপুর স্কুল ও কলেজ মাঠের সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণত্রন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান’ শীর্ষক এই সবাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মুরাদ বলেন, কুটনৈতিকভাবে ভারত এখন দেউলিয়া হয়ে গেছে। নিজের দেশের বিদেশি মিশন ও দুতাবাসগুলোকে নিরাপত্তা দিতে তারা ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালসহ সব রাষ্ট্রের উপর খবরদারি করতে গিয়ে নিজেরাই এখন বিপদগ্রস্ত।
আরও পড়ুন: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধৈর্য ধরতে বলেছেন তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল
তিনি বলেন, জুলাই আগস্টের বিপ্লব ছিল বাংলাদেশের গণ মানুষের বিল্পব। ভারত সরকার ভুলে গেছে একটি দেশের সর্ম্পক হয় আরেকটি দেশের সঙ্গে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে নয়। কিন্তু ভারত সরকার ও উগ্র হিন্দুরা হাসিনার পতনে মর্মাহত হয়ে বাংলাদেশের সকল মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে আমাদের দেশের হিন্দু-মুসলিম খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মের মানুষের সুসর্ম্পক নষ্ট করার পাঁয়তারা করছে।
জেলা যুবদল সভাপতি বলেন, চিরদিন এদেশের মানুষ হিন্দু-মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টানসহ সকলে মিলেমিশে পাশাপাশি অবস্থান করেছে।
এদেশে কখনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হানাহানি জীবনহানির ঘটনা ঘটে না। ভারতেই এসব সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হানাহানি জীবনহানির ঘটনা ঘটে। তাই আমাদের দেশের সকল মানুষকে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। পতিত হাসিনা সরকার ও তার দোসরদের দেশের ভিতর বাহির যেকোনো ষড়যন্ত্র সর্ম্পকেও সজাগ থাকতে হবে।
ধামরাই উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি ওবায়দুল্লাহ খানের সভাপতিত্বে এবং দেওয়ান সাইদুর রহমান ও ফয়সাল হোসেন ভূঁইয়ার পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন এম এ জলিল, খন্দকার আইয়ুব, আতিকুর রহমান মিলন, সাবিনা ইয়াসিন, ইবাদুল হক জাহিদ, আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া, মোহাম্মদ কলিম উদ্দিন, আলেম ভূঁইয়া, আব্দুল গনি, আবু তাহের মুকুট, আনসার আলী প্রমুখ।
আরও পড়ুন: রাজনৈতিক দল নিয়ে মন্তব্য, উপদেষ্টা নাহিদের সমালোচনায় বিএনপি
৫৫৩ দিন আগে
রাজনৈতিক দল নিয়ে মন্তব্য, উপদেষ্টা নাহিদের সমালোচনায় বিএনপি
রাজনৈতিক দলগুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করায় তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের কঠোর সমালোচনা করেছে বিএনপি।
এ ধরনের অযৌক্তিক বক্তব্য জাতীয় ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন দলটির নেতারা।
নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, 'আমি মনে করি, তার (উপদেষ্টা) এ ধরনের মন্তব্য করা উচিত হয়নি। তিনি সঠিক কথা বলেননি। এটি জাতীয় ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করতে পারে।’
তিনি বলেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও আবেগ বিবেচনায় স্বল্প সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠান করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান দায়িত্ব।
আরও পড়ুন: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধৈর্য ধরতে বলেছেন তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘তাদের (সরকার) দিক থেকে যদি কোনো স্ববিরোধী বা প্রশ্নবিদ্ধ বক্তব্য আসে, তাহলে তা জাতীয় ঐক্যের ক্ষতি করবে।’
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী সংগঠনগুলো যে সমালোচনা করছে তাতে সরকার লাভবান হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য সমালোচনা অপরিহার্য উপাদান। আপনি এটি অস্বীকার করতে পারবেন না। উপদেষ্টার এই মন্তব্য ঐক্যে ফাটল ধরাতে পারে।’
রিজভী আরও বলেন, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মধ্যেও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, এটা তাৎপর্যপূর্ণ। আপনাদের (সরকার) বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার কাজ শেষ করে সঠিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কি গণতন্ত্রের অন্যান্য উপাদান থেকে ভিন্ন, যে রাজনৈতিক দলগুলোর দাবির বিরুদ্ধে আপনি এত জোরালো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন? বস্তুত গণতান্ত্রিক চর্চা ও অগ্রগতির জন্য নির্বাচন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।’
তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করে আগামী জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলোর দাবি সরকারের উপেক্ষা করা উচিত হবে না।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার গঠনে দেশের জনগণ তাদের ম্যান্ডেট দেবে।
এর আগে বুধবার তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কারের চেয়ে নির্বাচনকে প্রাধান্য দিচ্ছে।
সচিবালয়ে ব্রিটিশ গ্লোবাল পার্টনার্স গভর্নেন্সের (জিপিজি) একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে উপদেষ্টা আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুন: প্রতিবেশী দেশে গণতন্ত্র চায় না ভারত: রিজভী
৫৫৪ দিন আগে
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধৈর্য ধরতে বলেছেন তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিয়ে জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
লন্ডন থেকে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আপনাদের (জনগণকে) ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত মহান বিজয়কে সত্যিকার অর্থে ফলপ্রসূ এবং অর্থবহ করতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে এবং ধৈর্যের সঙ্গে কাজ করতে হবে।’
আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতির দিকে সবাইকে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
আরও পড়ুন: তারেকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে লন্ডন যাচ্ছেন ফখরুল
তারেক রহমানের কাছ থেকে তিনি কী বার্তা নিয়ে এসেছেন-সে বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
১২ দিনের সফর শেষে লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন ফখরুল। স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে দুপুর পৌনে ১২টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।
ফখরুল বলেন, লন্ডনে অবস্থানকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে।
ফখরুল বলেন, তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি ও বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেছেন এবং তাদের আয়োজিত মিটিংয়ে যোগ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, 'ওখানে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমার লন্ডন সফর ফলপ্রসূ হয়েছে।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক করার ষড়যন্ত্র চলছে, সতর্ক থাকুন: ফখরুল
৫৫৪ দিন আগে
প্রতিবেশী দেশে গণতন্ত্র চায় না ভারত: রিজভী
আধিপত্যবাদী মনোভাবের কারণে ভারত তার প্রতিবেশী দেশগুলোতে গণতন্ত্র দেখতে চায় না বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, ‘ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ, কিন্তু তারা চায় না ভুটান, নেপাল, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা তাদের জনগণের ইচ্ছায় পরিচালিত হোক।’
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) নয়াপল্টন থেকে আগরতলা অভিমুখে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের পদযাত্রার উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, 'তারা কেন দিল্লির কথা মানবে?'
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দিল্লির কাছে আত্মসমর্পণের জন্য নয়, রক্ত দিয়ে পাকিস্তান থেকে দেশ স্বাধীন করেছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ভারত যদি চট্টগ্রামকে তাদের অংশ হিসেবে দাবি করে, তাহলে বাংলাদেশ বাংলা, বিহার ও ওড়িশাকে নিজের অংশ হিসেবে দাবি করবে।’
রিজভী অভিযোগ করেন, ভারত গত ১৬ বছর ধরে 'রক্তপিপাসু লেডি ফারাও শেখ হাসিনা'কে সমর্থন করেছে।
তিনি বলেন, ভারতের ক্ষমতাসীন দল তাদের সাম্প্রদায়িক মনোভাবের কারণে সারা বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর কাছে সমালোচিত।
ভারতের ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশের মানুষের চেতনা, আত্মশক্তি ও সাহসিকতা বোঝেনি।
পরে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে কয়েকশ গাড়ি, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে আগরতলা অভিমুখে তাদের ঘোষিত লংমার্চ শুরু করে।
আগরতলায় বাংলাদেশ মিশনে হামলা, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা এবং ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর প্রতিবাদে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: আগরতলা অভিমুখে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের লংমার্চ শুরু
তিন সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে আনুষ্ঠানিক লংমার্চ শুরু করেন।
লংমার্চ শুরুর আগে তিনটি সংগঠনের শীর্ষ নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তারা ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের আধিপত্যবাদী মনোভাব এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টার নিন্দা জানান।
নেতারা বলেন, তারা আখাউড়া ভারতীয় সীমান্তে তাদের শান্তিপূর্ণ লংমার্চ শেষ করবেন।
৫৫৫ দিন আগে
আগরতলা অভিমুখে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের লংমার্চ শুরু
ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে বুধবার সকালে ঢাকা থেকে আগরতলা অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল।
আগরতলায় বাংলাদেশ মিশনে হামলা, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা এবং ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর প্রতিবাদেও এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে তিন সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিক লংমার্চ শুরু করেন।
কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
লংমার্চ শুরুর আগে রিজভীসহ তিনটি সংগঠনের শীর্ষ নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তারা ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের আধিপত্যবাদী মনোভাব এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টার নিন্দা জানান।
পরে কয়েকশ গাড়ি, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা নয়াপল্টন থেকে কাঁচপুরের দিকে লংমার্চ শুরু করেন।
আরও পড়ুন: ভারত মুসলিম-খ্রিস্টান হত্যায় রক্তাক্ত ও কলঙ্কিত: রিজভী
কনভয়টি হানিফ ফ্লাইওভার, ফকিরাপুল, মতিঝিল ও ইত্তেফাক মোড় অতিক্রম করে যাত্রাপথে যায়।
কাঁচপুর থেকে ভৈরবের দিকে যাত্রা করে আগরতলার কাছে আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছানোর আগে একটি পথসভা করবে।
নেতারা বলেন, তারা আখাউড়া ভারতীয় সীমান্তে তাদের শান্তিপূর্ণ লংমার্চ শেষ করবেন।
কর্মসূচিতে যোগ দিতে সকাল ৭টা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে দেখা গেছে।
এর আগে রবিবার বিক্ষোভ মিছিলের পর ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি দেয় বিএনপির তিনটি সংগঠন।
এর একদিন পর তারা আগরতলা অভিমুখে লংমার্চ করার কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: আগামীতে বাংলাদেশে জবাবদিহিতার সরকার চান তারেক রহমান
৫৫৫ দিন আগে
ভারত মুসলিম-খ্রিস্টান হত্যায় রক্তাক্ত ও কলঙ্কিত: রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, ভারত মুসলিম ও খ্রিস্টান হত্যায় রক্তাক্ত ও কলঙ্কিত। তাদের অপপ্রচারে দেশের সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য নষ্ট করা যাবে না।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজশাহীর ভুবন মোহন পার্কে ‘দেশীয় পণ্য কিনে হও ধন্য স্লোগানে’ ভারতীয় পণ্য বয়কট কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবীর রিজভী একথা বলেন।
রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ভারত চট্টগ্রাম দাবি করলে, আমরা নবাবী আমলের বাংলা বিহার উড়িষ্যা দাবি করব। দেশের মানুষ আর ভারতের তাবেদারি করবে না। তাবেদারির কারণেই শেখ হাসিনা তাদের প্রিয় ছিল।
আরও পড়ুন: বাবার বাকশাল কায়েম করতে গিয়েই গর্তে পড়েছেন হাসিনা: রিজভী
ভারতের ভিসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভিসা সীমিত করায় তারা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত। কলকাতা নিউমার্কেট ফাঁকা, হাসপাতালগুলো রোগীশূন্য।
তিনি বলেন, আমার আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা ঠিক করি, তাহলে দেশের একটি লোকও ভারতে চিকিৎসা নিতে যাবে না।
অনুষ্ঠানে ভারতীয় পণ্য বয়কটের অংশ হিসেবে একটি ভারতীয় চাদর পোড়ানো হয়। এছাড়াও নামমাত্র মূল্যে দেশিয় পণ্য বিক্রয় করা হয়।
৫৫৬ দিন আগে
আগামীতে বাংলাদেশে জবাবদিহিতার সরকার চান তারেক রহমান
বাংলাদেশে আগামী দিনে একটি জবাবদিহিতামূলক সরকার শুরুর প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা দেখেছি কীভাবে নিশি রাতে ভোট হয়েছে, কীভাবে ভোট ডাকাতি হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘যেখানে ইউপি চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত প্রত্যেককে জবাবদিহি করতে হবে জনগণের কাছে। এছাড়া আজও পরিবারে জবাবদিহিতা আছে বলে পরিবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে একসঙ্গে এগিয়ে যায়।’
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি’ শীর্ষক কুমিল্লা বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারেরা বাংলাদেশের অনেক কিছু ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। তারা এই দেশের মানুষের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু আমরা আশাবাদী এখনও সম্ভাবনা আছে। সেই সম্ভাবনাকে যদি বাস্তবায়ন করতে হয়- তাই মানুষ বিএনপির দিকেই তাকিয়ে আছে।’
আরও পড়ুন: জনগণকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান তারেক রহমানের
যেহেতু আপনারা বলছেন দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখে, সেহেতু বিএনপি হিসেবে আমরা মানুষের সেই প্রত্যাশা পূরণের জন্য সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করব বলে জানান তারেক।
কর্মশালা পরিচালনা করেন বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন। কুমিল্লা বিভাগীয় এই কর্মশালায় অংশ নেন শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনসহ কুমিল্লা জেলা বিএনপি, মহানগর, পৌরসভার শীর্ষ নেতারা। বিএনপি কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ভুইয়ার সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ আলমগীর পাভেল, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক রেহানা আক্তার বানু, সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক আইনজীবী নেওয়াজ হালিমা আরলি, সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুর সাত্তার পাটোয়ারী ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবা হাবিব।
আরও পড়ুন: আগামী নির্বাচন হবে যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে কঠিন: তারেক রহমান
৫৫৬ দিন আগে
র্যাব বিলুপ্ত ও পুলিশ কমিশন গঠনের সুপারিশ বিএনপির
পুলিশকে জনবান্ধব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত ও 'পুলিশ কমিশন' গঠনের সুপারিশ করেছে বিএনপি।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বিকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ প্রশাসন সংস্কারের বিষয়ে কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘পুলিশ ছাড়া একটি রাষ্ট্র বা সমাজ কল্পনা করা যায় না। কাজেই পুলিশ প্রায় জনগণের শত্রুতে পরিণত হয়ে গেলেও এই বাহিনীকে ছেঁটে ফেলার কোনো সুযোগ নেই। একে আবার সংস্কার ও শক্তিশালী করতে হবে। রাষ্ট্রের এই অত্যাবশ্যকীয় সেবার (এই বাহিনী) সংস্কার এখন সময়ের দাবি।’
ক্ষমতাচ্যুত সরকারের আমলে বাংলাদেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির গঠিত পুলিশ প্রশাসন কমিটির আহ্বায়ক হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, 'পুলিশ বাহিনীকে জনগণের প্রতি সংবেদনশীল হতে হবে, জনগণকে সম্মান করতে হবে, জনগণকে রাষ্ট্রের মালিক হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং তাদের সেবক হিসেবে তুলে ধরতে হবে, জনগণের প্রভু হিসেবে নয়, তাদের মধ্যে এই অনুভূতি সৃষ্টির জন্য আমরা বিভিন্ন সুপারিশ করেছি।’
আরও পড়ুন: আদালতই শেখ হাসিনাকে দেশে আনবে: আমান
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য একটি পুলিশ কমিশন থাকতে হবে এবং এই কমিশন পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানের জন্য প্রতিটি উপজেলায় স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে উপজেলা পর্যায়ের একটি নাগরিক কমিটি গঠন করতে হবে।
তাদের সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে পুলিশ বাহিনীতে বিভিন্ন অসঙ্গতি ও অনিয়ম দূর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা।
তিনি বলেন, 'পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হবে এবং জনগণের জন্য পুলিশের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রাপ্তি সহজতর হবে।’
তিনি বলেন, বিএনপি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে পুলিশকে দুর্নীতিমুক্ত ও দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশনে বেশ কিছু সুপারিশ পেশ করেছে, যা মানবাধিকারের প্রতি আরও সংবেদনশীল হবে।
র্যাব বিলুপ্তি
তিনি বলেন, 'আমরা র্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছি, কারণ এই বাহিনী আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দনীয় হয়ে উঠেছে। আর দেশের অভ্যন্তরে তারা তৈরি করেছে একটি দানব হয়ে উঠেছে..অনেক হত্যাকাণ্ড, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে র্যাব বাহিনীর সদস্যরা।’
তিনি বলেন, র্যাব এখন যে দায়িত্ব পালন করছে, সেই দায়িত্ব প্রাথমিকভাবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও থানাকে নিতে হবে, তারপর এখানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। ‘আমরা মনে করি, এই মুহূর্তে র্যাব বিলুপ্ত হলে জনগণের কাছে একটি ভালো বার্তা যাবে।’
বিএনপির শাসনামলে এই বাহিনী গঠিত হলেও র্যাব বিলুপ্ত না করে কেন সংস্কার চায় না- এমন প্রশ্নের জবাবে হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানেও আছে যে, যখন একটি অঙ্গ সম্পূর্ণরূপে পচনশীল (গ্যাংগ্রিন) হয়ে নষ্ট হয়ে যায়, তখন তা কেটে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।’
প্রস্তাবিত পুলিশ কমিশন সম্পর্কে বিএনপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানকে কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করার এবং সংসদের অনুপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে এটিতে পদায়ন করার পরামর্শ দিয়েছে। আট সদস্যের কমিশনে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের এমপি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ থাকার কথাও উল্লেখ করেছে দলটি।
সংবাদ সম্মেলনে সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব এস এম জহুরুল ইসলাম, সাবেক দুই আইজিপি আবদুল কাইয়ুম, আশরাফুল হুদা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বাবার বাকশাল কায়েম করতে গিয়েই গর্তে পড়েছেন হাসিনা: রিজভী
৫৫৬ দিন আগে
আদালতই শেখ হাসিনাকে দেশে আনবে: আমান
খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সমন্বয়ক ও দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, গণহত্যা, বিডিআর ও ছাত্রজনতা হত্যার আসামী শেখ হাসিনার আইন অনুযায়ী বিচার হবে, আর বিচারের মাধ্যমে আদালতই তাকে দেশে আনবে।
সম্প্রতি ভারত ইস্যূ নিয়ে বাংলাদেশে জাতীয় ঐক্য গঠিত হয়েছে। ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে বলে যে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে, ঐক্যবদ্ধভাবেই আমরা তার মোকাবিলা করব বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়ায় একটি দলীয় সভায় যোগ দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য (বিএনপির) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলকে সংগঠিত করা হচ্ছে। নির্বাচনে বিজয়ী হলে বিএনপি জাতীয় সরকার গঠন করবে।’
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি ও সব ইউনিটের কাউন্সিল নির্ধারিত সময়ে সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আমান উল্লাহ আমান। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন, সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার প্রমুখ।
কুষ্টিয়ার বিএনপি ও দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মতবিনিময় সভায় অংশ গ্রহণ করেন।
৫৫৬ দিন আগে