রাজনীতি
নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ
জুলাই আন্দোলনের ছাত্রদের নিয়ে গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
নতুন দলটির নেতৃত্বে বসানো হয়েছে জুলাই আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামকে।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে দলটি আত্মপ্রকাশ করে।
এর আগে আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক কমিটি(জেএনসি) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের(এডিএসএম) নেতারা একত্রিত হয়ে নাহিদ ইসলামকে আহ্বায়ক ও আখতার হোসেনকে সদস্য সচিব করে দল গঠন করেন।
অনুষ্ঠানে দলের একটি আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়, যা সারা দেশ থেকে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটায়।
সম্মেলনে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদিবকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং তাসনিম জারা ও নাহিদা সারোয়ারকে সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব করা হয়।
এছাড়া হাসনাত আবদুল্লাহকে দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান সংগঠক এবং সারজিস আলমকে উত্তরাঞ্চলের প্রধান সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পেয়েছেন নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সমন্বয়কের দায়িত্ব পেয়েছেন আবদুল হান্নান মাসুদ।
আজ বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে পবিত্র কোরআন, গীতা, ত্রিপিটক ও বাইবেল তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়।
এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের সম্মানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় শাহাদাত বরণকারী শহীদ ইসমাইল হোসেন রাব্বীর বোন মীম আক্তার আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নাম ঘোষণা করেন।
পরে সদস্য সচিব আখতার হোসেন আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদের নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করেন। কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্যান্য শূন্য পদের নেতাদের নাম শিগগিরই ঘোষণা করা হবে বলে জানান আখতার হোসেন।
এর আগে সামান্তা শারমিন, সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, নুসরাত তাবাসসুম, আবদুল হান্নান মাসউদসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রনেতা বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ: মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠান শুরু
৬০৬ দিন আগে
নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ: মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠান শুরু
রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে জুলাই আন্দোলনের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-জেএনসির অনুষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
শুক্রবার(২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, গীতা, ত্রিপিটক ও বাইবেল পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত ও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ ইতোমধ্যে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। এখনও অনেকে এই কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন।
জাতীয় নাগরিক কমিটি (জেএনসি) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (এডিএসএম) নেতারা নতুন এই রাজনৈতিক দল গঠন করছেন।
নতুন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ দশ পদের জন্য নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নতুন দলের আহ্বায়ক হিসেবে সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব হিসেবে আখতার হোসেনের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক পদে সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদিব এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব পদে তাসনিম জারা ও নাহিদা সারোয়ার (নোভা) শীর্ষ পদে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রধান সমন্বয়ক পদে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী ও যুগ্ম সমন্বয়কারী পদে আবদুল হান্নান মাসুদকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এছাড়া উত্তরাঞ্চলের প্রধান সংগঠক সারজিস আলম এবং দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক পোস্টে নতুন দলের নাম নিশ্চিত করেন সারজিস আলম। ‘সারা দেশে এই নামেই ব্যানার হোক। এই নামের সাথেই বাংলাদেশ প্রতিধ্বনিত হোক।’
তিনি বলেন, নতুন দল তার রাজনৈতিক ধারায় জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে সমুন্নত রাখবে।
দল গঠনের আগে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীরা বুধবার 'গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ' নামে একটি নতুন ছাত্র সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেন। তবে এই আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানের সময় আন্দোলনে অংশ নেওয়া কর্মীদের একটি অংশের প্রতিবাদ করে শ্লোগান দিয়েছিল।
আরও পড়ুন: জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ: মানিক মিয়া এভিনিউ স্লোগানে মুখরিত
৬০৭ দিন আগে
জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন দিন: মিয়া গোলাম পরওয়ার
জাতীয় নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনাসহ গণহত্যায় অভিযুক্তদের বিচার, সংস্কার ও স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজবাড়ী শহরের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ খুশি রেলওয়ে মাঠে কর্মী সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশে অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে অবাধ ও সুষ্ঠু স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে হবে। সরকার আন্তরিক হলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সুষ্ঠু স্থানীয় নির্বাচন করা সম্ভব বলে অভিমত দেন তিনি।
নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য যতটুকু যৌক্তিক সময় দরকার সেই সময়ের মধ্যে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করার দাবিও জানান জামায়াত সেক্রেটারি।
আরও পড়ুন: সংস্কার ছাড়া নির্বাচন দিলে ফ্যাসিবাদ ফিরবে: হামিদুর রহমান আযাদ
পরওয়ার বলেন, ‘অনেকে মনে করেন, নিরপেক্ষভাবে স্থানীয় নির্বাচন হলে চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ ও দখলবাজরা জয়ী হতে পারবে না। তাই তারা আগে জাতীয় নির্বাচন চায়। কিন্তু আমরা চাই, আগে নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ স্থানীয় সরকার নির্বাচন হোক।’
বর্তমানে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পর্যায়ে কোনো জনপ্রতিনিধি নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি না থাকায় স্থানীয় অবকাঠামো নির্মাণ, অগ্রগতি ও উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে।
এ ছাড়াও রিলিফ, ভিজিডি, কাবিখা ইত্যাদি প্রকল্পের জন্য জনগণ সাধারণত জনপ্রতিনিধিদের কাছে আসে। কিন্তু, তারা এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘দেশে হানাহানি, রক্তারক্তি রোধ করার জন্য ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যাদের নামে মামলা করে বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে—নির্বাচনের আগেই জাতি তাদের বিচার দেখতে চায়।’
আরও পড়ুন: আগে স্থানীয়, সংস্কার শেষে পরে জাতীয় নির্বাচন: জামায়াত আমির
তিনি নির্বাচন কমিশনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, আগে নির্বাচন কমিশনের যৌক্তিক সংস্কার করতে হবে। তারপর অপরাধীদের বিচার করতে হবে। এরপর স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার আহ্বান জানান তিনি। সবশেষে অর্ন্তবর্তী সরকারকে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করার কথা বলেন তিনি।
রাজবাড়ী জেলা জামায়াতের আরির অ্যাডভোকেট মো. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ওই সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. দেলাওয়ার হোসেন ও অন্যান্য নেতারা।
৬০৭ দিন আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ: মানিক মিয়া এভিনিউ স্লোগানে মুখরিত
রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নতুন রাজনৈতিক দলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মিছিল নিয়ে এখনো দলে দলে যোগ দিচ্ছেন মানুষ।
জাতীয় নাগরিক পার্টি-জেএনসি (ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি) নামে নতুন রাজনৈতিক দলের নাম ঘোষণা করতে অল্প সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে অনুষ্ঠানটি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিকাল পৌনে ৩টা পর্যন্ত শহর ও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে কয়েক হাজার মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউয়ে জড়ো হয়েছেন।
জাতীয় নাগরিক কমিটি (জেএনসি) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (এডিএসএম) নেতারা নতুন এই রাজনৈতিক দল গঠন করছেন।
নতুন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ দশ পদের জন্য নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নতুন দলের আহ্বায়ক হিসেবে সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব হিসেবে আখতার হোসেনের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক পদে সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদিব এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব পদে তাসনিম জারা ও নাহিদা সারোয়ার (নোভা) শীর্ষ পদে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রধান সমন্বয়ক পদে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী ও যুগ্ম সমন্বয়কারী পদে আবদুল হান্নান মাসুদকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এছাড়া উত্তরাঞ্চলের প্রধান সংগঠক সারজিস আলম এবং দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক পোস্টে নতুন দলের নাম নিশ্চিত করেন সারজিস আলম। ‘সারা দেশে এই নামেই ব্যানার হোক। এই নামের সাথেই বাংলাদেশ প্রতিধ্বনিত হোক।’
তিনি বলেন, নতুন দল তার রাজনৈতিক ধারায় জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে সমুন্নত রাখবে।
দল গঠনের আগে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীরা বুধবার 'গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ' নামে একটি নতুন ছাত্র সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেন। তবে এই আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানের সময় আন্দোলনে অংশ নেওয়া কর্মীদের একটি অংশের প্রতিবাদ করে শ্লোগান দিয়েছিল।
আরও পড়ুন: নতুন দলসহ সব রাজনৈতিক দল জনকল্যাণমুখী হবে, আশা উপদেষ্টা আসিফের
৬০৭ দিন আগে
ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’
জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে গঠিত নতুন রাজনৈতিক দলের নাম ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’।
জাতীয় নাগরিক কমিটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন রাজনৈতিক দলের নাম জাতীয় নাগরিক পার্টি (ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপি)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমও ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি National Citizen Party (NCP)।’
আগামীকাল (শুক্রবার) দুপুর ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এই নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ হবে বলে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় জানান সারজিস আলম।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। সেই সময় উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন নাহিদ ইসলামও। নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের লক্ষ্যে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি পদত্যাগ করেন।
৬০৮ দিন আগে
প্রয়োজনে বিদেশে পলাতকদের পাসপোর্ট বাতিল করা হবে: শ্রম উপদেষ্টা
বেক্সিমকোর নামে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা লোপাটের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। অর্থলোপাটের সঙ্গে জড়িতদের আত্মসমর্পণ করে তদন্তের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, ‘প্রয়োজনে বিদেশে পলাতকদের পাসপোর্ট বাতিল করা হবে।’
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রম ও ব্যবসা পরিস্থিতি পর্যালোচনা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়েছে বেক্সিমকো গ্রুপ। এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানের নামেই ১১টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ২৮ হাজার কোটি টাকার ওপরে ঋণ নেওয়া হয়েছে। অস্তিত্ববিহীন ১৬টি প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া হয়েছে আরও ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ। সব মিলিয়ে ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ রয়েছে বেক্সিমকোর।’
‘এছাড়া বেক্সিমকোর নামে ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া টাকা কোথায় গেছে, সেটাও আমরা জানি না। এর সঙ্গে ১৩টি ব্যাংক জড়িত।’
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটি ব্যাংক, সিকিউরিটিস অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, যারা এই টাকা দেওয়ার পেছনে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে এবং প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে।’
‘বুধবার আমার তরফ থেকে এ বিষয়ে ব্যর্থহীন ঘোষণা গিয়েছে। এটি আমাদের মিটিংয়ের কার্যবিবরণীতেও লেখা আছে।’
ড. সাখাওয়াত বলেন, ‘এটা মনে করবেন না যে, বিদেশে চলে গিয়ে বেঁচে গেছেন। বিদেশে যারা গেছেন তারা হয় আসবেন, নয় সেখানেই আটকা পড়বেন। আমি জানি না কী হবে! আমি এরইমধ্যে এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলেছি; দরকার হলে তদন্তের পর তাদের প্রত্যেকের পাসপোর্ট বাতিল করতে হবে।’
আরও পড়ুন: কোনো কথা না বুঝে বলেননি সেনাপ্রধান: শ্রম উপদেষ্টা
‘আমরা এভাবে কাউকে ছেড়ে দিতে পারি না। যারা এতগুলো শ্রমিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। তারা তো শান-শওকতে এখানেও আছে, বিদেশেও আছে।’
২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ব্যাংক থেকে ঋণ প্রদানের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশে থাকেন বা বিদেশে, যারা বিদেশে আছেন আমি তাদের অনুরোধ করব—আপনারা দেশে এসে আত্মসমর্পণ করুন। আর যদি মনে করেন এভাবে চলে যাবে, আগামীতে কী ঘটবে সেটা আল্লাহ জানেন। তাই বলছি আত্মসমর্পণ করেন, তদন্তের মুখোমুখি হোন। যদি নির্দোষ হোন, তো বিদেশেই থাকবেন!’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে বিদেশে সিটিজেনশিপ (নাগরিকত্ব) কিনেছেন। কিন্তু বিদেশে সিটিজেন হলেও বাংলাদেশের আইনে সেটা প্রযোজ্য হবে বলে আমি মনে করি। তাই বিদেশে থাকবেন আর এখানে গণ্ডগোলের মধ্যে ফেলবেন, সেটা আর হবে না।’
৬০৮ দিন আগে
কোনো কথা না বুঝে বলেননি সেনাপ্রধান: শ্রম উপদেষ্টা
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের বক্তব্য নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘তিনি কোনো কথা না বুঝে বলেননি।’
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রম ও ব্যবসা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান বলেছিলেন, ‘নিজেরা কাদা-ছোড়াছুড়ি, মারামারি ও কাটাকাটি করলে দেশ ও জাতির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে। এই দেশ আমাদের সবার, আমরা সবাই সুখে-শান্তিতে থাকতে চাই।’
সেনাপ্রধানের এই বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা বলেন, ‘সেনাপ্রধান আমার জন্য অনেক উঁচু স্তরের লোক। তিনি একটি বাহিনী চালাচ্ছেন। তিনি কোনো কথা না বুঝে বলেননি। বাকিটা ইন্টারপ্রিটেশন কী—আপনারা জানুন।’
আরও পড়ুন: নিজেদের মধ্যে মারামারি করলে দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন হবে: সেনাপ্রধান
‘আমি যতটা উনাকে চিনি, ভেরি স্ট্রেট ফরওয়ার্ড ম্যান। যা বলার মানুষের মুখের ওপর বলার মতো লোক। সো আই হ্যাভ এ লট অব রেসপেক্ট ফর হিম।’
তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী প্রধান কী বলেছেন না বলেছেন, সেটার ব্যাখ্যা আমি দিতে পারব না। সেটা উনিই বলতে পারবেন।’
প্রধান উপদেষ্টাকে তিনি যেভাবে সম্বোধন করেছেন, সেটা পারেন কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা আপনারা উনাকেই জিজ্ঞাসা করেন।’
৬০৮ দিন আগে
নির্বাচনি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন: তারেক রহমান
জাতীয় ঐক্য ও নির্বাচনি পরিবেশ বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে বিএনপির বর্ধিত সভার উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক বলেন, 'রক্তাক্ত রাজপথ ও নির্বাচনী পরিবেশকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’
সারাদেশ থেকে সাড়ে তিন হাজার নেতার অংশগ্রহণে জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে বেলা ১১টায় এ সভা শুরু হয়।
অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, 'আপনাদের মাধ্যমে কৃষক, শ্রমিক, সাধারণ মানুষ, আলেম-উলামা, পীর-মাশায়েখ (ইসলামী পণ্ডিত ও আধ্যাত্মিক নেতা) এবং সমাজের সকল শ্রেণির মানুষকে জাতীয় ঐক্য ও জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্ট করার এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ পুনর্গঠনে গণতান্ত্রিক শক্তির বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। কিন্তু, যারা বাংলাদেশকে পরাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল তারা তাদের ষড়যন্ত্র বন্ধ করেনি।
আরও পড়ুন: নির্বাচনের নামে প্রতারণা করেছে বিগত সরকার: তারেক রহমান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘সংস্কার ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো ইস্যুকে ব্যবহার করে জনগণের সামনে ধোঁয়াশা তৈরি করা হচ্ছে।’
লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সমাপনী অধিবেশনেও তিনি নেতাদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।
উদ্বোধনী অধিবেশনে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
উদ্বোধনী অধিবেশনে বর্ধিত সভা বাস্তবায়ন গণমাধ্যম উপকমিটির নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র 'প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ' প্রদর্শন করা হয়।
এছাড়া তাৎপর্যপূর্ণ এই আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা বিএনপি পরিবার ইতোমধ্যে 'আস্থা' নামে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছে।
উদ্বোধনের পরে, একটি রুদ্ধদ্বার অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে যেখানে তৃণমূল নেতারা তাদের মতামত তুলে ধরবেন।
তারেক রহমানের নীতিনির্ধারণী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বর্ধিত সভা শেষ হবে।
সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার লা মেরিডিয়ান হোটেলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দলের নেতাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন। চারদিন পর ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই বর্ধিত সভায় তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত ছয়টি সাংগঠনিক পর্যায় থেকে সাড়ে তিন হাজার নেতা অংশ নিচ্ছেন।
সভায় জাতীয় স্থায়ী কমিটি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদ, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সব মহানগর, জেলা, উপজেলা-থানা ও পৌর ইউনিট কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবরা উপস্থিত থাকবেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচন বিলম্বিত হলে কারা সুবিধা পাবে, তা দেখার বিষয়: তারেক রহমান
বৈঠকে বিএনপির ১১টি ভ্রাতৃপ্রতীম ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক ও সদস্য সম্পাদকসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এমনকি দল থেকে যারা প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছিলেন তারাও বর্ধিত সভায় রয়েছেন।
এই বর্ধিত বৈঠকের মধ্য দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনের দিকে বিএনপির যাত্রা ও নির্বাচনমুখী কর্মসূচি শুরু হবে।
৬০৮ দিন আগে
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য ঐক্যবদ্ধ হোন: খালেদা জিয়া
বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ফ্যাসিবাদের দোসররা তাদের চক্রান্তে সক্রিয় রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির বর্ধিত সভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নেতাকর্মীদের সতর্ক বার্তা দিয়ে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন খালেদা জিয়া।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সংগ্রাম এখনও শেষ হয়নি। গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া শক্তিগুলো এখনো ষড়যন্ত্র করছে। সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখন অনেক ভালো: ডা. জাহিদ
স্থানীয় নির্বাচনের ফাঁদে পা দেবে না বিএনপি: তারেক
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অভিযোগ করে বলেছেন, স্থানীয় কোনো নির্বাচনের ফাঁদে অংশ নেবে না বিএনপি।
লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি একই বৈঠকে যোগ দিয়ে তারেক রহমান বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনকে প্রাধান্য দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন দল স্থানীয় নির্বাচনকে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এটা শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসিত করার প্রক্রিয়ার অংশ। কিন্তু বিএনপি এই ফাঁদে পা দেবে না।’
জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বানও জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
আরও পড়ুন: সন্ধ্যায় লন্ডন ক্লিনিক থেকে ছাড়পত্র পাচ্ছেন খালেদা জিয়া
তিনি বলেন, কতিপয় উপদেষ্টার কিছু বিভ্রান্তিকর বক্তব্য স্বাধীনতাকামী মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এদিকে দেশে সহিংসতা চলছে এবং সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধিও তারা রোধ করতে পারছে না।’
৬০৮ দিন আগে
রাজধানীতে বিএনপির বর্ধিত সভা শুরু
সারা দেশের সাড়ে তিন হাজার নেতার অংশগ্রহণে রাজধানীতে বিএনপির বর্ধিত সভা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে শোক প্রস্তাবের মাধ্যমে এ সভা শুরু হয়।
ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া লন্ডন থেকে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন।
লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উদ্বোধনী ও সমাপনী অধিবেশনে নেতাদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এরপর তারেক রহমানের উদ্বোধনী দেন।
উদ্বোধনী অধিবেশনে বর্ধিত সভা বাস্তবায়ন গণমাধ্যম উপকমিটির নির্মাণ করা প্রামাণ্যচিত্র 'প্রথম বাংলাদেশ, আমাদের শেষ বাংলাদেশ' প্রদর্শন করা হয়।
এছাড়া তাৎপর্যপূর্ণ এই আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা বিএনপি পরিবার ইতোমধ্যে 'আস্থা' নামে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছে।
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
উদ্বোধনের পরে, একটি রুদ্ধদ্বার অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে তৃণমূল নেতারা তাদের মতামত তুলে ধরবেন। তারেক রহমানের দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বৈঠক শেষ হবে।
সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার লা মেরিডিয়ান হোটেলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দলের নেতাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন। চারদিন পর ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই বর্ধিত সভায় তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত ছয়টি সাংগঠনিক পর্যায় থেকে সাড়ে তিন হাজার নেতা অংশ নিচ্ছেন।
সভায় জাতীয় স্থায়ী কমিটি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদ, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সব মহানগর, জেলা, উপজেলা-থানা ও পৌর ইউনিট কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবরা উপস্থিত থাকবেন।
বৈঠকে বিএনপির ১১টি ভ্রাতৃপ্রতীম ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক ও সদস্য সম্পাদকসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচন বিলম্বিত হলে কারা সুবিধা পাবে, তা দেখার বিষয়: তারেক রহমান
এ ছাড়া ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এমনকি দল থেকে যারা প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছিলেন তারাও বর্ধিত সভায় রয়েছেন।
এই বর্ধিত বৈঠকের মধ্য দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনের দিকে বিএনপির যাত্রা ও নির্বাচনমুখী কর্মসূচি শুরু হবে।
৬০৮ দিন আগে