খেলাধুলা
পোশাক নিয়ে মুসলিম নারী ফুটবলারদের পাশে এফএ
সোমালিয়ার সাবেক অধিনায়ক ইকরা ইসমাইলকে হাফপ্যান্ট না পরার কারণে ম্যাচ খেলতে বাধা দেওয়ার পর ইংল্যান্ডে নারী ফুটবলারদের পোশাক নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। এফএ জানিয়েছে, ইংল্যান্ডের কোনো প্রতিযোগিতায় নারী খেলোয়াড়দের ধর্মীয় অনুশাসন অনুযায়ী পোশাক পরে মাঠে নামতে বাধা নেই।
ঘটনাটি এই সোমবারের। সেদিন ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে ইসমাইল জানান, গ্রেটার লন্ডন মহিলা ফুটবল লিগে (জিএলডাব্লুএফএল) গত পাঁচ বছর ধরে ধরে ট্র্যাকস্যুট প্যান্ট (ফুল প্যান্ট) খেললেও রবিবার ইউনাইটেড ড্রাগনসের জার্সিতে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে তাকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, ‘গতকালের ম্যাচে রেফারি আমাকে বলেন যে, জার্সির সঙ্গে মিল থাকলেও আমার মতো যারা আছেন (ফুল প্যান্ট পরে খেলেন), নির্ধারিত পোশাক (হাফ প্যান্ট) না পরলে তাদের যেন মাঠে নামতে দেওয়া না হয়- এ বিষয়ে তাকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে মিডলসেক্স এফএ।’
‘হাফপ্যান্ট না পরলে আমরা খেলতে পারব না- গতকাল আমাকে সেটাই বলা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: রিয়ালের ব্যালন দ’র অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্তে অখুশি লা লিগা প্রেসিডেন্ট
এ ঘটনার পরপরই নড়েচড়ে বসেছে ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। মিডলসেক্স এফএর সঙ্গে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে জানিয়ে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি দ্রুত সমাধান করার প্রচেষ্টা চলছে।’
এফএ-র এক মুখপাত্র এ বিষয়ে বলেন, ‘এ বছরের শুরুতে সব কাউন্টি এফএ এবং ম্যাচ অফিশিয়ালদের কাছে চিঠি লিখে আমরা নিশ্চিত করেছি যে, ধর্মীয় বিশ্বাস বা অনুশাসন বাধাপ্রাপ্ত না হয়- মেয়েদের এমন পোশাক পরার অনুমতি দেওয়া উচিত।’
মুখপাত্র বলেন, ‘এই নির্দেশনাটির কার্যকর প্রয়োগের উদ্দেশ্যে আমরা সকল অংশীদারের সঙ্গে কাজ করছি, যাতে ইংলিশ ফুটবলে সবার জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাই গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকে।’
অবশ্য জিএলডব্লিউএফএলের দাবি, পা ঢেকে থাকে- এমন পোশাক পরার অনুমতি দিতে তাদের কোনো আপত্তি নেই, তবে ওই পোশাকের ওপর শর্টস পরতে হবে।
তবে এফএ-র সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্তের কঠোরতা থেকে সরে এসেছে তারা।
এ বিষয়ে এ বিবৃতিতে জিএলডব্লিউএফএল বলেছে, ‘আমাদের সচেতন করা হয়েছে যে ট্র্যাকস্যুট বা আঁটসাঁট পোশাকের ওপর শর্টস পরার প্রয়োজন নেই। এ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সমস্ত ম্যাচ অফিশিয়াল ও সদস্যদের (ক্লাব) এই পরিমার্জিত গাইডলাইন সরবরাহ করব।’
৫৫২ দিন আগে
রিয়ালের ব্যালন দ’র অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্তে অখুশি লা লিগা প্রেসিডেন্ট
ভিনিসিউস ব্যালন দ’র পাচ্ছেন না জেনে অনুষ্ঠান বয়কট করায় রিয়াল মাদ্রিদের কড়া সমালোচনা করেছেন লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাস। তার মতে, অসংখ্য সাংবাদিকের ভোটে ‘স্বচ্ছ পদ্ধতিতে’ ফ্রান্স ফুটবলের সেরা ফুটবলার বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিৎ হয়নি মাদ্রিদের ক্লাবটির।
সোমবার রাতে প্যারিসের থিয়েটার দু শাতলেতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’।
অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সেদিন রিয়াল মাদ্রিদের পক্ষ থেকে ৫০ জনের একটি দলের প্যারিসে যাওয়ার কথা জানায় স্প্যানিশ ক্রীড়া পত্রিকা মার্কা। সবকিছু ঠিকঠাকই এগোচ্ছিল, কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়।
প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোটাভুটির ভিত্তিতে ব্যালন দ’রের প্রথম ১২ জনের একটি তালিকা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানেও শীর্ষে দেখা যায় ভিনিসিউসের নাম। এর কিছুক্ষণ পরই বিস্ফোরক খবর জানান ইতালিয়ান ক্রীড়া সাংবাদিক ফাব্রিৎসিও রোমানো। সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ভিনিসিউস ব্যালন দ’র পাচ্ছেন না।
আরও পড়ুন: রদ্রির হাতেই উঠল ব্যালন দ’র
এর খানিক পর ব্যালন দ’র অনুষ্ঠান বয়কট করে রিয়াল মাদ্রিদ। ফুটবল-বহির্ভূত কারণে ভিনিসিউসকে ব্যালন দ’র থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে জানিয়ে অনুষ্ঠান বয়কট করে ক্লাবটি। এর ফলে ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানের জন্য ক্লাবটির কেউ প্যারিসে যাচ্ছেন না বলে ঘোষণা দেয় রিয়াল মাদ্রিদ।
শেষ পর্যন্ত সেই খবরই সত্যি হয়। ভিনিসিউসকে পেছনে ফেলে ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত এই পুরস্কার ওঠে ম্যানচেস্টার সিটির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিগো এর্নান্দেসের (রদ্রি) হাতে।
তবে বর্ষসেরা ক্লাব ও সেরা কোচের পুরস্কার পায় রিয়াল মাদ্রিদ ও দলটির ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
রিয়াল মাদ্রিদের এমন সিদ্ধান্তে মোটেও সন্তুষ্ট হননি লা লিগা সভাপতি তেবাস। তার মতে, নিজেদের পুরোনো চেতনা হারিয়ে ফেলেছে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার সফলতম ক্লাবটি।
আরও পড়ুন: ব্যালন দ’র: কে কোন পুরস্কার জিতলেন
ফরাসি ক্রীড়া দৈনিক লেকিপের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমি রিয়াল মাদ্রিদ ভক্ত। এই ক্লাবের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ হচ্ছে ভদ্রতা এবং হারের পরও (প্রতিপক্ষের সঙ্গে) হাত মেলানো। আমার মনে হয়, রিয়াল মাদ্রিদ অনেক আগেই সেই চেতনা হারিয়ে ফেলেছে।”
“যেখানে ১০০ জন সাংবাদিক ভোট দিয়েছেন, সেখানে তাদের উচিত ছিল ফ্রান্স ফুটবলের স্বচ্ছ পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন না তুলে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা। রিয়ালের ‘অন্যায়ের শিকার হওয়া ভাবটি’ অপ্রয়োজনীয় ও অতিরঞ্জিত।”
৫৫২ দিন আগে
মনিকা-ঋতুপর্ণার গোলে আবারও সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে আলো ছড়িয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট ধরে রাখল বাংলাদেশের মেয়েরা। এই জয়যাত্রায় ফাইনালে আবারও তাদের কাছে হেরেছে স্বাগতিক নেপাল।
বুধবার কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়েছে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
এদিন প্রথমার্ধে চেষ্টার পরও কেউ সফল না হলে স্কোরলাইনে কোনো পরিবর্তন না এনেই বিরতিতে যান দুদলের ফুটবলাররা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামার কিছুকক্ষণ পরই এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
ম্যাচের ৫২তম মিনিটে দারুণ এক আক্রমণে উঠে নেপালের রক্ষণ ভেঙে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন মনিকা চাকমা। এরপর অবশ্য সমতায় ফিরতে বেশিক্ষণ সময় নেয়নি স্বাগতিকরাও।
আরও পড়ুন: ভুটানকে ৭-১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ
গোল হজম করার তিন মিনিট পরই ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত খেলা প্রীতি রাইয়ের অসাধারণ এক থ্রু পাস ধরে লক্ষ্যভেদ করেন নেপালি ফরোয়ার্ড আমিশা।
এরপর এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে দুই দলেরই প্রচেষ্টায় জমে যায় ম্যাচ। এরই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ৮১তম মিনিটে বাঁ পাশ দিয়ে দারুণ এক আক্রমণে উঠে বাংলাদেশকে জয়সূচক গোলটি এনে দেন ঋতুপর্ণা চাকমা।
এর পরের সময়টুকু নিজেদের জাল অক্ষত রেখে শিরোপাজয়ের আনন্দে ভাসেন সাবিনারা।
আরও পড়ুন: ভারতকে উড়িয়ে সাফের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ
সাফে বাংলাদেশের মেয়েদের এটি টানা দ্বিতীয় শিরোপা। ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত গত আসরের শিরোপা-নির্ধারণী ম্যাচও হয়েছিল এই দুই দলের মধ্যে; ভেন্যুও ছিল একই। সেবার নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের সর্বোচ্চ এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ।
৫৫২ দিন আগে
রানপাহাড়ে চাপা পড়ার পর ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে বাংলাদেশ
প্রথম ইনিংসেই দক্ষিণ আফ্রিকার ৫৭৫ রানের পাহাড়সম সংগ্রহের পর ব্যাটিংয়ে নেমে বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। আলোকস্বল্পতায় দিনের খেলা আগেভাগেই শেষ না হলে ক্ষত হয়তো আরও বড় হতো।
চট্টগ্রামের ব্যাটিং স্বর্গে সাবলীল ব্যাটিং করে ৬ উইকেট হারিয়ে পৌনে ছয়শ’ রান সংগ্রহ করেছে প্রোটিয়ারা। অন্যদিকে, মাত্র ৯ ওভার খেলতে গিয়েই চার ব্যাটারকে খুইয়েছে বাংলাদেশ, তুলেছে মাত্র ৩৮ রান। অর্থাৎ এখনও ৫৩৭ রান পিছিয়ে আছে শান্তর দল। ফলো-অন এড়াতেও প্রয়োজন আরও অন্তত ৩৩৮ রান। তৃতীয় দিন খেলতে নামবেন মুমিনুল হক (৬) ও নাজমুল হোসেন শান্ত (৪)।
সাগরিকায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিনটি শতক ও দুটি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংসে ভর করে ৬ উইকেট হারিয়ে ৫৭৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ১৭৭ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার টনি ডি জর্জি। এছাড়া ট্রিস্টান স্টাবস ১০৬ এবং দিনের শেষভাগে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান ভিয়ান মুল্ডার। ১০৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি, আর তার সঙ্গে ৬৮ রানে অপরাজিত ছিলেন সেনুরান মুথুসামি। তিনিও টেস্টে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন আজ। এছাড়া ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন ডেভিড বেডিংহ্যাম।
বাংলাদেশের পক্ষে ১৯৮ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নেন তাইজুল; অপর উইকেটটি গেছে নাহিদের ঝুলিতে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ক্রিকেটের অধিনায়ক পদে থাকতে চান না শান্ত
এরপর ব্যাটিংয়ে নেমেই শুরু হয়ে যায় বাংলাদেশি ব্যাটারদের যাওয়া-আসার খেলা। রাবাদার বলে প্রথম ওভারেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফেরেন সাদমান। এরপর পঞ্চম ওভারে ফের রাবাদার শিকার হন জাকির। কট বিহাইন্ড হন তিনিও, অথচ বুঝতেই পারেননি বল তার ব্যাটে লেগেছে। উল্টো একটি রিভিউ নষ্ট করে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
২১ রানে দুই উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে আর আট রান যোগ করতে না করতেই স্লিপে দাঁড়ানো প্রোটিয়া অধিনায়ক এইডেন মার্করামের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মাহমুদুল হাসান জয়। ফেরার আগে তিনি অবশ্য এ পর্যন্ত ইনিংস-সর্বোচ্চ ১০ রান করতে সক্ষম হন।
২৯ রানে তিন উইকেট হারিয়ে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে হাসান মাহমুদকে ক্রিজে পাঠায় বাংলাদেশ। তবে প্রতিরোধ গড়তে গড়তে ব্যর্থ হয়েছেন তিনিও। কেশভ মহারাজের বলে বোল্ড হয়ে ফেরার আগে ৩ রান আসে তার ব্যাট থেকে।
হাসানের বিদায়ের পর মাঠে নামেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ৬ বলে খেলে একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪ রানে অপরাজিত তিনি। তার সঙ্গে অপরাজিত রয়েছেন মুমিনুল হক। ১০ বলে তিনিও একটি বাউন্ডারি মেরে করেছেন ৬ রান। এ দুই ব্যাটারের দিকেই আগামীকাল তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস: ৫৭৫/৬ ডিক্লে. (ডি জর্জি ১৭৭, স্টাবস ১০৬, মুল্ডার ১০৫*; তাইজুল ৫২.২-৫-১৯৬-৫, নাহিদ ২৪-২-৮৩-১)।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৮/৪ (৯ ওভার) (অতিরিক্ত ১৩, জয় ১০, মুমিনুল ৬*; রাবাদা ৩-০-৮-২, প্যাটারসন ৩-০-১৫-১, মহারাজ ২-১-৪-১)।
৫৫২ দিন আগে
ব্যালন দ’র: কে কোন পুরস্কার জিতলেন
অবশেষে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফুটবলের বহুল প্রতীক্ষিত ব্যক্তিগত অর্জনের জমকালো অনুষ্ঠান ব্যালন দ’র। রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড ভিনিসিউসের হাতে এবারের ব্যালন দ’র উঠছে বলে জোর গুঞ্জন থাকলেও অবশেষে তা জিতেছেন রদ্রিগো এর্নান্দেসের (রদ্রি)।
সোমবার দিবাগত রাতে প্যারিসের থিয়েটার দু শাতলেতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পুরস্কারটি আয়োজনের ৬৮ বারের মাথায় ২০২৪ সালে এসে প্রথমবার পুরষ ও নারী- দুই বিভাগের ব্যালন দ’রই পেয়েছেন দুই মিডফিল্ডার; তারা দুজনই আবার স্পেনের।
পুরুষ বিভাগের পুরস্কারটি উঠেছে ম্যানচেস্টার সিটির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রির হাতে। আর নারী বিভাগে টানা দ্বিতীয়বার ব্যালন দ’র জয় করেছেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ মিডফিল্ডার আইতানা বনমাতি।
চলুন দেখে নেই এবারের ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানে কে কোন পুরস্কার জিতল-
ছেলেদের ব্যালন দ’র: রদ্রি (স্পেন, ম্যানচেস্টার সিটি)।
মেয়েদের ব্যালন দ’র: আইতানা বনমাতি (স্পেন, বার্সেলোনা)।
লেভ ইয়াশিন ট্রফি (বর্ষসেরা গোলরক্ষক): এমিলিয়ানো মার্তিনেস (আর্জেন্টিনা, অ্যাস্টন ভিলা)।
কোপা ট্রফি (বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড়): লামিন ইয়ামাল (স্পেন, বার্সেলোনা)।
গের্ড মুলার ট্রফি (সর্বোচ্চ গোলদাতা): হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড, বায়ার্ন মিউনিখ) ও কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স, পিএসজি, রিয়াল মাদ্রিদ) (উভয়েরই গোলসংখ্যা ৫২)।
ছেলেদের ইয়োহান ক্রুইফ ট্রফি (বর্ষসেরা কোচ): কার্লো আনচেলত্তি (রিয়াল মাদ্রিদ)।
মেয়েদের ইয়োহান ক্রুইফ ট্রফি (বর্ষসেরা কোচ): এমা হেইস (যুক্তরাষ্ট্র নারী ফুটবল দল, চেলসি)।
ছেলেদের বর্ষসেরা ক্লাব: রিয়াল মাদ্রিদ।
মেয়েদের বর্ষসেরা ক্লাব: বার্সেলোনা।
সক্রেটিস পুরস্কার (মাঠের বাইরে ইতিবাচক কর্মকাণ্ড): হেনি এরমোসো (স্পেন, তাইগ্রেস ইউএএনএল)।
আরও পড়ুন: রদ্রির হাতেই উঠল ব্যালন দ’র
ইয়াশিন ট্রফি জিতে এমি মার্তিনেসের রেকর্ড
ব্যালন দ’র: মেয়েদের ফুটবলে বার্সেলোনার জয়জয়কার
ইতিহাসের আরও এক পাতায় ‘কোপা বিজয়ী’ লামিন ইয়ামাল
৫৫৩ দিন আগে
ইয়াশিন ট্রফি জিতে এমি মার্তিনেসের রেকর্ড
ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে দাপুটে পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে এবারও তার স্বীকৃতি পেলেন অ্যাস্টন ভিলার আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো (দিবু) মার্তিনেস। প্রথম গোলরক্ষক হিসেবে টানা দুবার ইয়াশিন ট্রফি জয়ের রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
প্যারিসের থিয়েটার দু শাতলেতে সোমবার দিবাগত রাতে জমকালো ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানে মার্তিনেসের হাতে তুলে দেওয়া হয় সেরা গোলরক্ষকের স্বীকৃতি ‘লেভ ইয়াশিন ট্রফি’।
মার্তিনেসের হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন তারই জাতীয় দলের সতীর্থ ও ইন্টার মিলান স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেস।
আরও পড়ুন: ইতিহাসের আরও এক পাতায় ‘কোপা বিজয়ী’ লামিন ইয়ামাল
সোভিয়েত ইউনিয়নের কিংবদন্তি গোলরক্ষক লেভ ইয়াশিনের নামে ২০১৯ সাল থেকে বর্ষসেরা গোলরক্ষককে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে ফ্রেঞ্চ ফুটবল। প্রথম ফুটবলার হিসেবে দুবার এই পুরস্কার জিতে যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না মার্তিনেসের।
‘এটা একবার জেতাই তো অনেক সম্মানের, সেখানে পরপর দুইবার জিততে পারা! আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না!’
‘এটি আমার জন্য অনেক বড় ব্যাপার। জাতীয় দলের হয়ে সবসময়ই আমি খেলার স্বপ্ন দেখে এসেছি। এরপর এতে কম বয়সে ইংল্যান্ডে আসা এবং অ্যাস্টন ভিলা ও আর্জেন্টিনার জার্সিতে খেলা!’
গত বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষক ছিলেন দিবু। সর্বশেষ দুটি কোপা আমেরিকায়ও হন সেরা গোলরক্ষক। এসবের ফলস্বরূপ টানা দুবার তিনি জিতলেন ইয়াশিন ট্রফি।
আরও পড়ুন: ব্যালন দ’র: মেয়েদের ফুটবলে বার্সেলোনার জয়জয়কার
তবে বর্ষসেরা গোলরক্ষকের স্বীকৃতি পাওয়ার পরও নিজেকে সেরা মানতে নারাজ ৩২ বছর বয়সী এই ফুটবলার।
‘নিজেকে আমি সেরা হিসেবে দেখি না। অনেক ভালো গোলরক্ষক আছে যাদের প্রতি সপ্তাহেই আমি দেখছি। আমি কেবল দলীয় প্রচেষ্টাকেই গুরুত্ব দেই আর নিজের উন্নতি করতে চাই। অ্যাস্টন ভিলার হয়ে উন্নতির ধারাটি ধরে রাখতে চাই।’
৫৫৪ দিন আগে
ইতিহাসের আরও এক পাতায় ‘কোপা বিজয়ী’ লামিন ইয়ামাল
ক্যারিয়ারের শুরুতেই আলো ছড়িয়ে ইতিহাসের পাতায় একের পর এক কাটাকুটি করে চলেছেন বার্সেলোনার বিস্ময়কর তরুণ প্রতিভা লামিন ইয়ামাল। যে প্রতিযোগিতায় খেলতে নামছেন সেখানেই গড়ে চলেছেন নতুন নতুন রেকর্ড। এবার ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েও গড়লেন নতুন ইতিহাস; সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন ১৭ বছরে পা দেওয়া লামিন।
সোমবার দিবাগত রাতে প্যারিসের থিয়েটার দু শাতলেতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠান থেকে বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলার হিসেবে লামিনের হাতে কোপা ট্রফিটি তুলে দেন ডাচ কিংবদন্তি রুদ খুলিত।
২০১৮ সাল থেকে অনূর্ধ্ব-২১ বছর বয়সী ফুটবলারদের এই সম্মাননা দিয়ে আসছে ফ্রেঞ্চ ফুটবল। ১৮ বছরের কম বয়সী প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এ পুরস্কার জিতলেন ইয়ামাল।
আরও পড়ুন: রদ্রির হাতেই উঠল ব্যালন দ’র
এর ফলে, মাত্র ১৭ বছর ১০৭ দিন বয়সে ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে কোপা ট্রফি জিতলেন ইয়ামাল। সেরা হওয়ার দৌড়ে তিনি পেছনে ফেলেন তারই স্বদেশি ও ক্লাব সতীর্থ পাউ কুবারসি, রিয়াল মাদ্রিদের তরুণ তুর্কি আর্দা গুলের এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আর্জেন্টাইন উইঙ্গার আলেহান্দ্রো গারনাচোর মতো উঠতি তারকাদের।
এ নিয়ে গত চার বছরে শুধু বার্সেলোনারই তিন তরুণ খেলোয়াড়ের হাতে উঠল কোপা ট্রফি। লামিনের আগে ২০২২ সালে এই পুরস্কার জেতেন পাবলো গাভি; তার আগের বছর (২০২১ সালে) প্রথম বার্সা ফুটবলার হিসেবে এটি জিতেছিলেন পেদ্রি।
৫৫৪ দিন আগে
ব্যালন দ’র: মেয়েদের ফুটবলে বার্সেলোনার জয়জয়কার
আর্থিক সংকটের কারণে পুরুষ দলটি নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে ভুগলেও বার্সেলোনার নারী দলটি যেন হাওয়ায় ভেসে চলেছে। ক্লাবটিকে দুহাত ভরে সাফল্য এনে দিচ্ছে বার্সার মেয়েরা। ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানেও তাই একের পর এক স্বীকৃতি পেল তারা।
টানা দ্বিতীয় ব্যালন দ’র বনমাতির
মেয়েদের ফুটবলে টানা দ্বিতীয়বার ব্যালন দ’র জিতেছেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ মিডফিল্ডার আইতানা বনমাতি। গত মৌসুমেও তার হাতেই উঠেছিল ফুটবলের ‘অস্কার’ খ্যাত এই পুরস্কারটি।
আরও পড়ুন: রদ্রির হাতেই উঠল ব্যালন দ’র
গত ১৮ মাসে বিশ্বকাপ ও দুবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর বার্সেলোনার কোনো ফুটবলারই যে এবারও ব্যালন দ’র জিততে চলেছেন, তা অনেকটা নিশ্চিতই ছিল। তবে শেষ হাসিটা ফুটেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টুর্নামেন্ট সেরা বনমাতির মুখেই।
সোমবার দিবাগত রাতে প্রখ্যাত হলিউড অভিনেত্রী নাটালি পোর্টম্যানের কাছ থেকে ব্যালন দ’র ট্রফিটি গ্রহণ করেন বনমাতি।
৫৫৪ দিন আগে
রদ্রির হাতেই উঠল ব্যালন দ’র
সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ম্যানচেস্টার সিটির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিগো এর্নান্দেসের (রদ্রি) হাতেই উঠল এবারের ব্যালন দ’র। শুরু থেকে ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত এই পুরস্কারটি রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড ভিনিসিউসের হাতে উঠছে বলে জোর গুঞ্জন থাকলেও অবশেষে রদ্রিই জিতেছেন এটি।
সোমবার দিবাগত রাতে প্যারিসের থিয়েটার দু শাতলেতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিজয়ী ঘোষণার পর ক্রাচে ভর দিয়ে পুরস্কার নিতে মঞ্চে ওঠেন এসিএলের চোট পাওয়া রদ্রি। এরপর ব্যালন দ’রের ইতিহাসের ৫০তম খেলোয়াড় হিসেবে তার হাতে ‘ফুটবলের অস্কার’ খ্যাত এই পুরস্কার তুলে দেন লাইবেরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট, এসি মিলান কিংবদন্তি ও ১৯৯৫ ব্যালন দ’রজয়ী জর্জ উইয়াহ।
এর ফলে ৬৪ বছর পর ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত এ পুরস্কারটি জিতলেন স্পেনের কোনো পুরুষ ফুটবলার। সবশেষ ১৯৬০ সালে এটি জিতেছিলেন বার্সেলোনা ও ইন্টার মিলানের সাবেক মিডফিল্ডার লুইস সুয়ারেস। এতদিন স্পেনে জন্ম নেওয়া একমাত্র ব্যালন দ’র জয়ী ছিলেন তিনিই। এবার তার পাশে বসলেন আরেক মিডফিল্ডার।
আরও পড়ুন: ব্যালন দ’র: কে কোন পুরস্কার জিতলেন
পুরস্কার নেওয়ার পর অনভূতি জানাতে গিয়ে রদ্রি বলেন, ‘এটি শুধু আমার একার জয় নয়, গোটা স্প্যানিশ ফুটবলের বিজয়। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এতদিন (স্পেনের) যেসব খেলোয়াড় এই পুরস্কারটি থেকে বঞ্চিত ছিলেন- (আন্দ্রেস) ইনিয়েস্তা, শাভি (এর্নান্দেস), ইকের (ক্যাসিয়াস) ও বুসি (সের্হিও বুসকেটস), এই পুরস্কার আমাদের সবার।’
এ সময় বার্সেলোনার উদীয়মান ফুটবলার লামিন ইয়ামালের প্রতিভার প্রশংসা ঝরে রদ্রির কণ্ঠে।
তিনি বলেন, ‘লামিন খুব তাড়াতাড়িই এটি জিততে চলেছে। এতে আমার কোনো সংশয় নেই। কঠোর পরিশ্রম করতে থাক, (ব্যালন দ’র নিতে) একদিন তুমিও এখানে (মঞ্চে) দাঁড়াবে।’
৫৫৪ দিন আগে
এবার রিয়ালের মাঠেই বর্ণবিদ্বেষের শিকার বার্সার তিন খেলোয়াড়
প্রতিপক্ষের সমর্থকদের কাছ থেকে বর্ণবাদী স্লোগান শুনতে শুনতে জেরবার রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড ভিনিসিউস জুনিয়র। এ নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই তার; এমনকি রিয়ালের সমর্থকরাও ভিনিসিউসের পক্ষ নিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘৃণ্য এ আচরণের সমালোচনায় মুখর থাকেন। এবার সান্তিয়াগো বের্নাবেউতে সেই রিয়াল সমর্থকদের কাছেই বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছেন বার্সেলোনার তিন খেলোয়াড়।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার রাতে এল ক্লাসিকো চলাকালে। ৪-০ গোলে বার্সার কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার ওই রাতে ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে রাফিনিয়ার অ্যাসিস্টে তৃতীয় গোলটি করেন বার্সেলোনার ১৭ বছর বয়সী প্রতিভাবান উইঙ্গার লামিন ইয়ামাল।
এল ক্লাসিকোতে সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে গোলের রেকর্ড করে মাঠেই উদযাপন শুরু করেন তিনি। এ সময় গ্যালারি থেকে তার উদ্দেশে বর্ণবাদী স্লোগান দিতে শুরু করে রিয়ালের কিছু সমর্থক। এমনকি ম্যাচের শেষ দিকে যখন রাফিনিয়ার সঙ্গে কর্নার কিক নিতে যান লামিন, তখন উচ্ছৃঙ্খল সমর্থকরা আরও বেপরোয়া হয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন।
ম্যাচের পর স্পেনের ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদমাধ্যম রেলেভো জানায়, শুধু লামিন নন; আনসু ফাতি ও আলেহান্দ্রো বালদেও গ্যালারি থেকে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছেন।
এ ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে গোটা স্প্যানিশ প্রশাসন। সমর্থকদের এমন আচরণে লজ্জা প্রকাশ করে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
এছাড়া এ ঘটনার পেছনের কারিগরদের চিহ্নিত করতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে ক্লাবটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বর্ণবাদ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে স্পেনে বিশ্বকাপ চান না ভিনিসিউস
এ ঘটনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে লা লিগা কর্তৃপক্ষও তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। স্পেনের বর্ণবাদবিরোধী সংস্থার কাছে অভিযোগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
লা লিগা তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ‘বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের উদ্দেশে ওঠা বর্ণবাদী স্লোগান নিয়ে স্পেনের জাতীয় পুলিশের হেট ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লা লিগা। পাশাপাশি স্টেট অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসের হেট ক্রাইমস অ্যান্ড ডিসক্রিমিনেশন ইউনিটের সমন্বয়কারী প্রসিকিউটরকেও এ বিষয়ে অবহিত করা হবে।’
‘লা লিগা সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং স্টেডিয়ামের ভেতরে ও বাইরে যেকোনো ধরনের বর্ণবাদী আচরণ ও ঘৃণা দূর করতে নিজেদের অঙ্গীকারে অটল রয়েছে।’
৫৫৫ দিন আগে