অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর।
বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।
আনিস আলমীগের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি গণমাধ্যমকে এ বিষয়ে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এর আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গত ৫ মার্চ হাইকোর্ট আনিস আলমগীরকে জামিন দেন। আজ (বুধবার) দুদকের মামলাতেও জামিন পেয়েছেন। তবে তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই। তিনি যেকোনো সময় মুক্তি পাবেন।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গত ১৫ জানুয়ারি জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। গত ২৮ জানুয়ারি তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় আদালত।
মামলার এজাহারে বলা আছে, আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় হিসেবে তার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ফলে মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।
আনিস আলমগীরের বৈধ আয়ের উৎস থেকে মোট আয় পাওয়া গেছে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টক শো ও কনসালটেন্সি থেকে আয় ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ হিসাবে তার ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ বেশি পাওয়া যায়, যা মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ এবং তা জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে করা হয়।