শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য, শ্রমের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গঠনমূলক পরামর্শ ও সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।
রবিবার (১৫ মার্চ) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুননের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শ্রমমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর আলোকে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া পাঠানো হয়েছে। অনুমোদিত হলে তা দ্রুতই জাতীয় সংসদে পেশ করা হবে।
সভায় ম্যাক্স টুনন বলেন, আমরা সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা দেখেছি এবং তা বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী।
তিনি বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-কে আইনে রূপান্তরের কার্যক্রম এবং আইএলওর কাছে বাংলাদেশের রোডম্যাপ বাস্তবায়নে সংশোধিত সময়সীমা নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া আইনের যেসব ধারায় বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে, সেসব বিষয় বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন ম্যাক্স টুনন।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার জানান, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন বাস্তবায়নের রোডম্যাপ রয়েছে। আইনের খসড়ায় আপাতত বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ভবিষ্যতে বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই তা করা হবে।
সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইএলও বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।