পর্যটন ও মৎস্য খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা, পর্যটন উন্নয়ন ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ঢাকায় মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মালদ্বীপ হাইকমিশন আয়োজিত দ্য গ্রেট টুনা গালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বাণিজ্য, ব্যবসা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ জোরদারের পাশাপাশি মালদ্বীপের টেকসই টুনা মৎস্য আহরণ, রন্ধন ঐতিহ্য ও পর্যটনের সুযোগ তুলে ধরতে এ আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনীন রশীদ মালদ্বীপ ও সমুদ্রের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং দেশটির অর্থনীতি, জনজীবন ও সংস্কৃতিতে মৎস্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
তিনি মালদ্বীপের ঐতিহ্যবাহী ছিপ ও বড়শি দিয়ে টুনা ধরার পদ্ধতি এবং টেকসই মৎস্য আহরণ পদ্ধতি বজায় রাখার গুরুত্ব নিয়েও কথা বলেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বাজারে মালদ্বীপের টুনা ও অন্যান্য মৎস্যজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা জানান।
হাইকমিশনার দুই দেশের মধ্যে বাড়তে থাকা যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করেন এবং এর ফলে পর্যটন, বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে জানান।
অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের সঙ্গে সমুদ্রের গভীর সম্পর্ক এবং দেশটির অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও দ্বীপাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জীবনে মৎস্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
মালদ্বীপের মৎস্য খাতের প্রধান অবলম্বন টুনা মাছকে ঘিরে ছিল অনুষ্ঠানের বড় অংশ। অতিথিদের মালদ্বীপের বিভিন্ন ধরনের মৎস্যজাত পণ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
সেই সঙ্গে মালদ্বীপের ঐতিহ্যবাহী ছিপ ও বড়শি দিয়ে মাছ ধরার পদ্ধতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ পদ্ধতিতে প্রতিটি টুনা মাছ আলাদাভাবে ধরা হয়। মালদ্বীপে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চর্চিত এই পদ্ধতি সামুদ্রিক সম্পদের দায়িত্বশীল ও টেকসই ব্যবহারের প্রতি দেশটির দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।