জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড প্রায় এক বছরের বিরতির পর ঢাকা–নারিতা–ঢাকা রুটে পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে।
রবিবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২৫ মিনিটে ১৪৩ জন যাত্রী নিয়ে উদ্বোধনী ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জাপানের নারিতার উদ্দেশে যাত্রা করে।
এই রুট পুনরায় চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
এ উপলক্ষে প্রথম ফ্লাইটের যাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ ফাহমিদা আখতার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিএএবি) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডিসিইও সৈয়দ মইন উদ্দিন আহেদসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধির।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, ঢাকা–নারিতা–ঢাকা রুট পুনরায় চালুর ফলে ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, পর্যটক ও প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সব যাত্রীর জন্য নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও সুবিধাজনক বিমান যোগাযোগ নিশ্চিত হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন এবং জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।
এই রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ পরিচালিত হবে। উড়োজাহাজটি উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আরামদায়ক ভ্রমণ, আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব বৈশিষ্ট্যের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিরাপদ, সময়নিষ্ঠ ও বিশ্বমানের সেবা প্রদানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে জানায় যে, আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক আকাশপথের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে সংযুক্ত করতে সংস্থাটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।