ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের সময়সীমা নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার মতামত পর্যালোচনা করে নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, ইউপি নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত করার আগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার মতামত পর্যালোচনা করা হবে। তবে সবাই একমত হয়েছেন, আগামী ৬ জুনের আগেই নির্বাচন শেষ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে জাতীয় উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বেলা আড়াইটায় সভা শুরু হয়। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ ২০টির বেশি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।
ইসি সানাউল্লাহ জানান, সভায় অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা নির্বাচনের সময় নিয়ে বেশ কয়েকটি অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তারা অনুরোধ করেছেন, আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বরজুড়ে স্কুলগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে—বিষয়টি যেন আমরা বিবেচনায় নিই।
কমিশনার বলেন, জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য কিছুটা সময় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মধ্যবর্তী সময়েও আরেকটি সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, রমজান শেষ হওয়ার পরপরই এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এরপর ৬ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে।
গত সোমবার ঘোষিত সাত ধাপে ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ প্রসঙ্গে সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছিলাম, ১৭ সেপ্টেম্বরের সভার পর এটি চূড়ান্ত করব।’
সভায় চার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে ইসি গত সোমবার সারা দেশে সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করে। এর প্রথম ধাপের নির্বাচন ১২ নভেম্বর আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে মঙ্গলবার দুই মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, ইসি সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করার আগে সরকার এ বিষয়ে অবগত ছিল না।