কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে গেছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে একটি আসবাবপত্র, একটি কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকান এবং একপল্লী চিকিৎসকের চেম্বার পুড়ে অন্তত ২৫-৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রা ধারণা করছেন, আসবাবপত্রের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত আগুন তা জানা যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা হলেন— কাঠ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ী জাকির হোসেন, কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিনের ব্যবসায়ী ফয়সাল শেখ এবং দন্ত চিকিৎসক শরিফ উদ্দিন।
স্থানীয়রা জানান, দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে লাহিনীপাড়া এলাকার তিনটি দোকানে দাউ দাউ করে আগুন দেখতে পান তারা। পরে চিৎকার চেঁচামেচি করে সকলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন এবং কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে ফোন করা হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। এরপর এলাবাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে সকল মালামালসহ তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা বাপ্পী হোসেন জানান, আগুন দেখে সবাই ছুটে এসে নেভানোর চেষ্টা করেন। শেষ মূহুর্তে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে তিনটি দোকান পুড়ে গেছে।
জাকিরের ভাই লালন হোসেন বলেন, ‘আমার ভাইয়ের দোকানে কাঠ, ফার্নিচার, যন্ত্রপাতিসহ ১৫ - ২০ লাখ টাকার মাল ছিল। আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।’
তিনি বলেন, তিনটি দোকানে প্রায় ২৫-৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে আগুনের সূত্রপাত সমন্ধে কিছু জানা যায়নি।
কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার আলী হোসেন ফোনে বলেন, খবর পেয়ে ছুটে এসে দেখি দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। সকলের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও তিনটি দোকান পুড়ে গেছে। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পরে জানা যাবে।