কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ব্যবসায়ী নিহত
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দুটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে আতাউর রহমান (৫০) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার (১৩ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুষ্টিয়া-প্রাগপুর সড়কের উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মাঠপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আতাউর রহমান উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের গড়ুড়া ফুটানিপাড়া গ্রামের মৃত উজির বিশ্বাসের ছেলে ছিলেন।
আহতরা হলেন— উপজেলার কৈপাল এলাকার শুভ হোসেন (৩৫) ও হুমায়ুন কবির (২১)। তাদের মধ্যে শুভ হোসেনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। অপর আহত হুমায়ুন কবির দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (শনিবার) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাঠপাড়া এলাকায় দুটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলের তিন আরোহী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আতাউর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
৫ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৩
কুষ্টিয়ার মিরপুরে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে সজীব (২৫) নামে এক ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় হেলপার জিহাদসহ (১৫) আরও দুজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোর ৪টার দিকে কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের উপজেলার ৯ মাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বরিশালের বাবুগঞ্জ থেকে আম সংগ্রহের উদ্দেশ্যে একটি ট্রাক নিয়ে রাজশাহীর দিকে যাচ্ছিলেন চালক সজীব ও হেলপার জিহাদ। তারা রাজশাহী যাওয়ার পথে ৯ মাইল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পাথরবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে তাদের ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক সজীব নিহত হন। এ সময় হেলপার জিহাদসহ তাদের আরও ২ জন সহযোগী আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। নিহত সজীবের মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
দুর্ঘটনায় ট্রাক দুটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ ঘটনায় মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল বন্ধ থাকলেও প্রায় এক ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবায়েদ জানান, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১০ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিড়ি শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মজুরি বাড়ানোর দাবিতে সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেছেন বিড়ি শ্রমিকরা। এ সময় তারা কুষ্টিয়া-প্রাগপুর মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। এতে প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
রবিবার (৭ জুন) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার হোসেনাবাদ সেন্টারপাড়া এলাকায় স্থানীয় আকিজ বিড়ি কারখানার শ্রমিকরা এ কর্মসূচি পালন করেন।
বিক্ষোভরত শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা প্রতি হাজার বিড়ি তৈরিতে ৬১ টাকা হারে মজুরি পাচ্ছেন। বর্তমান বাজারদর ও জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা মজুরি ৮১ টাকা নির্ধারণের দাবি জানান। তবে, কারখানা কর্তৃপক্ষ তাতে সম্মতি দেননি। এর প্রতিবাদে তারা কর্মবিরতি ভেঙে সড়ক অবরোধে নেমেছেন।
শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম ও টিপু বলেন, সকাল থেকে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চললেও কোনো সমাধান না আসেনি। ফলে শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে সড়কে অবস্থান নিয়েছেন।
তারা আরও বলেন, বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে ৬১ টাকার মজুরিতে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই দাবি আদায়ে আমরা আন্দোলনে নেমেছি।
অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। যাত্রী ও পথচারীদের অনেকেই প্রায় এক কিলোমিটার পথ হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হন। দুপুরের তীব্র রোদে চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, শ্রমিক ও কারখানা কর্তৃপক্ষের মধ্যে মজুরি নিয়ে বিরোধ তৈরি হওয়ায় শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
তবে এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
১২ দিন আগে
ইউএনওর তৎপরতায় কুষ্টিয়ায় বাল্যবিয়ের আসর পণ্ড
কুষ্টিয়ার কুমারখালির একটি বাড়িতে গভীর রাতে চলছে বিয়ের উৎসব। বাড়ির একটি কক্ষে দশম শ্রেণির মাদ্রাসাপড়ুয়া এক ছাত্রীকে বধূ বেশে সাজানো হয়েছে। পাশের কক্ষে এসএসসি পরীক্ষার্থী বরকে নিয়ে কাজীর জন্য অপেক্ষায় বরযাত্রীরা। বাইরে চলছে রান্নাবাড়ার কাজ। এসব নিয়ে ব্যতিব্যস্ত বাড়ির লোকজন। এ সময় সেখানে হঠাৎ উপস্থিত হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। তার তৎপরতায় পণ্ড হলো বাল্যবিয়ের আসর।
এ সময় জেল-জরিমানার ভয়ে একে একে সরে পড়েন মেয়েটির মা-বাবা, বরযাত্রী ও স্বজনরা। এ ঘটনার পর প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবে না—এই মর্মে মৌখিক স্বীকারোক্তিও নেওয়া হয় অভিভাবকদের।
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের খোর্দবন গ্রামে মঙ্গলবার (২ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অভিযান পরিচালনা করেন কুমারখালীর ইউএনও ফারজানা আখতার। অভিযানে সহযোগিতা করে থানা পুলিশ।
মেয়েটির স্বজনরা দাবি করেন, মেয়েটি কুমারখালী ফাজিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী। আর ছেলেটি একই প্রতিষ্ঠান থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। প্রায় দেড় বছর আগে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। বিয়ে না দিলে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দেয় ছেলে-মেয়ে উভয়ই। এ কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই অভিভাবকরা বাল্যবিয়ের আয়োজন করেছিলেন। তবে কাজী আসার আগেই ম্যাজিস্ট্রেট হাজির হওয়ায় বিয়ের আসর পণ্ড হয়ে যায়।
ওই ছাত্রীর বাবা বলেন, একই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুবাদে ছেলে ও মেয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা আত্মহত্যার হুমকি দিলে বিয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। তবে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিয়ে বন্ধ হয়েছে। প্রাপ্ত বয়স্ক না হলে আর বিয়ে দেওয়া হবে না।
এ তথ্য নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আখতার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাল্যবিয়ের আসর পণ্ড করে কড়া সতর্ক করা হয়েছে। প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে হবে না—এই মর্মে স্বীকারোক্তি নিয়ে স্বজনদের কাছে ছেলেমেয়েকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাল্যবিয়ের ব্যাপারে প্রশাসন জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। এ বিষয়ে সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
১৬ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৩
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপির একটি কার্যালয়ে অতর্কিতভাবে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে স্থানীয় দুই বিএনপি নেতার বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
রবিবার (৩১ মে) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার পিয়ারপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের বাড়ির সামনে অবস্থিত বিএনপি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পিয়ারপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা জহুরুল করিম বিশ্বাস এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান মুনতাজের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
রবিবার রাতে পিয়ারপুর গ্রামের মো. ফুরকান (৫৫), এছেম (৫০), ফিরোজ (৪৮) ও মনিরুজ্জামান মুনতাজের কয়েকজন কর্মী বিএনপি কার্যালয়-সংলগ্ন চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিতভাবে বিএনপি কার্যালয় লক্ষ্য করে কয়েকটি ককটেল নিক্ষেপ করে। বিকট শব্দে ককটেলগুলো বিস্ফোরিত হলে এলাকায় তখন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ সময় হামলায় আহত হন পিয়ারপুর এলাকার রহমত মন্ডলের ছেলে ফুরকান কসাই, হাজেদ্দিনের ছেলে এছেম এবং আতর আলী কবিরাজের ছেলে ফিরোজ। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের হাসপাতালে ভর্তি রাখার পরামর্শ দেন। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহতদের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নজরদারি অব্যাহত রেখেছেন বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে মনিরুজ্জামান মুনতাজ বলেন, ‘এই হামলার সঙ্গে জহুরুল করিম বিশ্বাস ও তার লোকজন সরাসরি জড়িত। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।’
তবে সাবেক চেয়ারম্যান জহুরুল করিম বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘তারা (মুনতাজ ও তার লোকজন) নিজেরাই নিজেদের অফিসে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আমার ও আমার লোকজনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
কুষ্টিয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, পিয়ারপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়ার মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৮ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় সড়কের সাইড পোস্টের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, তিন বন্ধু আহত
কুষ্টিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেল সজোরে ধাক্কা দেয় সড়কের সাইড পোস্টে। এতে মোটরসাইকেলের চালকসহ তিন আরোহী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ভেঙে গেছে সড়কের দুই সাইড পোস্ট। ।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বেলা ১১টার দিকে কুমারখালীর গড়াই নদীর ওপর নির্মিত যদুবয়রা সেতুর দক্ষিণপাশে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়ননের লালনবাজার এলাকার ফুলচাদের ছেলে রবিন শেখ (১৮), ফারুকের ছেলে ফরহাদ হোসেন (১৮) ও আবু তালেবের ছেলে টুটুল হেসেন (২০)। সম্পর্কে তারা তিন বন্ধু। তারা যদুবয়রা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, ঈদে বিনোদনের জন্য তিন বন্ধু রবিন, ফরহাদ ও টুটুল একটি মোটরসাইকেলে চেপে ঘুরতে বেড়িয়েছিলেন। তারা বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে যদুবয়রা সেতু থেকে জয়বাংলা বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি সড়কের সাইড পোস্টে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিন বন্ধু সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। এরপর স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়াও দুর্ঘটনায় সড়কের দুটি সাইড পোস্ট ও মোটরসাইকেলটি ভেঙে গেছে।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, যদুবয়রা সেতুর সামনের সড়কে পড়ে থাকা দুমড়েমুচড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটি স্থানীয়রা সরানোর চেষ্টা করছেন। সড়কের সাইড পোস্ট দুটি ভাঙা। ভিড় করেছে উৎসুক জনতা।
এ সময় প্রত্যক্ষদর্শী মো. সাইদুল বলেন, তিনজন আরোহীর মোটরসাইকেলে ৮০ থেকে ৯০ গতিবেগ ছিল। মোড় ঘোরার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের খুঁটিতে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে দুটি খুঁটি ও মোটরসাইকেলটি ভেঙে গেছে। তিনজনই গুরুতর আহত।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের পা, হাত, কোমর ও কানে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে।
এ সময় আহত ফরহাদ হোসেন জানান, মাত্র ১০ মিনিট আগে তিন বন্ধু ঈদে ঘুরতে বেরিয়েছিলাম। গাড়ির গতি একটু বেশি ছিল। মোড় ঘুরতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটির সঙ্গে ধাক্কাটি লাগে। এতে তিনজনই হাত,পা, কানসহ বিভিন্ন স্থানে আহত হয়েছি। কর্তব্যরত চিকিৎসক কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দিয়েছেন।
জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, তিনজনের অবস্থাই গুরুতর। সেজন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের সাইড পোস্টে সঙ্গে ধাক্কা লেগে তিনবন্ধু আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মোটরসাইকেল ও খুঁটি দুমড়েমুচড়ে গিয়েছে। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের কাছে গাড়ি না দেওয়া ও সড়কে নিয়ন্ত্রণে গাড়ি চালানোর আহ্বান জানান তিনি।
২২ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় নছিমনের ধাক্কায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা নিহত
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ইঞ্জিনচালিত নছিমনের ধাক্কায় টিক্কা মোল্লা (৫৬) নামে এক ঝালমুড়ি বিক্রেতা নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২৭ মে) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের জিলাপীতলা মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত টিক্কা মোল্লা খোকসা উপজেলার মোড়াগাছা ইউনিয়নের খালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে খোকসার দিক থেকে আসা একটি নছিমন কুমারখালীর দিকে যাচ্ছিল। এ সময় ঝালমুড়ির মালামালবোঝাই ভ্যান নিয়ে টিক্কা মোল্লা সড়ক পার হচ্ছিলেন। হঠাৎ বেপরোয়া গতিতে আসা নছিমনটি ভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ভ্যানসহ সড়কে ছিটকে পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। সড়কের উত্তর পাশে গামছা দিয়ে ঢেকে রাখা ছিল টিক্কা মোল্লার মরদেহ। পাশে পড়ে ছিল ঝালমুড়িসহ দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ভ্যানটি।
প্রত্যক্ষদর্শী আশকার হোসেন বলেন, ঝালমুড়ি বিক্রেতা টিক্কা মোল্লা সড়কের দক্ষিণ পাশ থেকে উত্তর দিকে আসছিলেন। এ সময় হঠাৎ বেপরোয়া গতিতে একটি গরুবোঝাই নছিমন এসে তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ভ্যানসহ সড়কে ছিটকে পড়ে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
কলেজছাত্র ইরফান রানা বলেন, জিলাপীতলা মোড়ে বাজার আছে। তবুও সড়কে স্পিডব্রেকার নেই। আবার নছিমনটির গতিও ছিল অতিরিক্ত। অতিরিক্ত গতি আর স্পিডব্রেকার না থাকায় আজ ঝালমুড়ি বিক্রেতার প্রাণ গেল।
নিহতের স্বজন মিন্টু হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো দুপুর ২টার দিকে ঝালমুড়ি বিক্রির জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন আমার দুলাভাই। পরে দুর্ঘটনার খবর শুনে এসে দেখি রাস্তার ধারে তার মরদেহ পড়ে আছে; ভ্যানটিও ভেঙে গেছে। তার পরিবারে তার স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে বলে জানান তিনি।
কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, নছিমনের ধাক্কায় একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। স্থানীয়রা ঘাতক নছিমনটি আটক করেছে। তবে চালক পালিয়ে গেছেন। বিষয়টি হাইওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে।
২২ দিন আগে
কুমারখালীতে শ্রমিকদল নেতার খননযন্ত্রে আগুন, বালু ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক শ্রমিক দল নেতার এক্সক্যাভেটরে (খননযন্ত্র) আগুন দেওয়ার মামলার প্রধান আসামি শরিফুল খানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতে উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের মহেন্দ্রপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ (বুধবার) দুপুরে তাকে আদালতের কাছে সোপার্দ করা হয়। তিনি ওই গ্রামের একজন বালু ব্যবসায়ী।
এর আগে, গত রবিবার গভীর রাতে মহেন্দ্রপুর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ এলাকায় খননযন্ত্রে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। এতে ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী মন্ডলের (৪৯) প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এ বিষয়ে তিনি পরদিন সোমবার দুপুরে কুমারখালী থানায় দুইজনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়। পরে গভীর রাতে মামলার প্রধান আসামি শরিফুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার আরেক আসামি মাসুদ শেখ (৩০) পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শ্রমিকদল নেতা আইয়ুব আলী জানান, গত রবিবার মহেন্দ্রপুর চরে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট। শরিফুল ও মাসুদের ধারণা, প্রশাসনের কাছে তিনিই (আইয়ুব) তথ্য দিয়েছেন। সেই সন্দেহ থেকে গভীর রাতে শরিফুল, মাসুদ ও তাদের লোকজন এক্সক্যাভেটরে আগুন লাগিয়ে দেন। এতে তার মেশিনের প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার যন্ত্রাংশের ক্ষতি হয়েছে। এরপর বিচারের আশায় তিনি থানায় মামলা করেছেন। যন্ত্রটি তার আয়ের অংশ ছিল। তাই দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তিনি।
অভিযুক্ত শরিফুল পুলিশ হেফাজতে আর মাসুদ পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম জানান, এক্সক্যাভেটর পোড়ানোর ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামিকে গতকাল রাতে গ্রেপ্তার করে আজ (বুধবার) দুপুরে আদালতে সোপার্দ করা হয়েছে। এ ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
২৩ দিন আগে
কুমারখালীতে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধ কারাগারে
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দশ বছর বয়সী একটি ছেলে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ৫০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (২৫ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের তারাপুর এলাকা থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি তারাপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং ওই এলাকার একটি আমবাগানের কেয়ারটেকার (পরিচর্যাকারী)।
পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে তারাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্র মাঠে ছাগল চরাতে যায়। এরপর সে মাঠের একটি আমবাগানে আম কুড়াতে গেলে বাগানের কেয়ারটেকার তাকে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে প্যান্ট খুলে ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার মাকে বিস্তারিত বললে স্থানীয় মাতব্বররা সালিশে বিষয়টি মিটমাট করার প্রস্তুতি নেন।
এরপর ঘটনাটি পুলিশের নজরে আসলে শিশুটির বাবা গতকাল (সোমবার) রাতে কুমারখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ২০০৯-এর (১) ধারায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর ওইদিন রাতেই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আজ দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
মামলার বাদী বলেন, এমন ঘটনা যেন আর কারও সঙ্গে না ঘটে। সেজন্য আসামির উপযুক্ত শাস্তি চেয়ে থানায় মামলা করেছি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, ১০ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনায় গ্রাম্য সালিশ বসানোর কোনো সুযোগ নেই। সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সচেতন হয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
২৪ দিন আগে
কুমারখালীতে ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা, ফাঁকা গুলিবর্ষণ
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ফাঁকা গুলি ছোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (২৪ মে) ভোরে উপজেলার উত্তর চাঁদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ওই ছাত্রদল নেতার নাম আবু সাহেব প্রান্ত বিশ্বাস। তিনি যদুবয়রা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি।
সকাল ১০টার দিকে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, লাহিনীপাড়া-সান্দিয়ারা জিকে ক্যানেল সড়ক ঘেঁষে যুবদল নেতা প্রান্ত বিশ্বাসের রঙিন টিনশেডের চৌচালা ঘর। ঘরটির দুইটি বেড়া ও টিনের গেটের কয়েকটি স্থানে কাটা ক্ষত। সেখানে উৎসুক কয়েকজন জনতা ও দলীয় নেতারা ছুটে এসেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে পুলিশ।
এ সময় ওই ছাত্রদল নেতার ভাবি সাথী খাতুন বলেন, ভোরে হঠাৎ বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। দরজা খুলতে গিয়ে দেখি বাইরে থেকে ছিটকানি লাগানো। ভয়ে চিৎকার চেঁচামিচি করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন।
প্রতিবেশী রেজাউলের স্ত্রী মঞ্জুয়ারা খাতুন বলেন, ‘গুলির মতো শব্দ শুনে প্রথমে ভাবলাম গরু ডাকাতি করতে আইছে। পরে সবাই এসে দেখি দরজায় ছিটকানি লাগানো। টিনের বেড়ায় কোপের দাগ। তবে কাউকে দেখা যায়নি।’
প্রান্ত বিশ্বাস বলেন, ফজরের আযানের আনুমানিক ২০-২৫ মিনিট আগে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। তারপর ঘরের বাইরে থেকে বেশ কয়েকজন বকাবকি করতেছে আর বেড়ায় কোপ দিচ্ছে—এমন শব্দ শোনা যায়। মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে কোপাকুপি করে তারা চলে যায়। তবে কাউকে চিনতে পারিনি।’ তার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা দুই রাউন্ড গুলি ফুটিয়েছে।
প্রান্ত বিশ্বাস আরও বলেন, যদুবয়রা ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য মরিয়ম খাতুনের স্বামী নিজাম উদ্দিনের সঙ্গে এক লাখ টাকা পাওনা নিয়ে বিরোধ চলছিল। তারা কয়েকবার প্রকাশ্যে হুমকিও দিয়েছে। এ নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও লিখিত অভিযোগ করা আছে। একাধিকবার তাদের সঙ্গে বসাও হয়েছে। তার দাবি, ওই মেম্বারের স্বামী ও তার লোকজন এ হামলা চালিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সংরক্ষিত সদস্য মরিয়ম বলেন, ডাকুয়া নদীতে ইজারা নিয়ে মাছ চাষের ব্যবসা আছে আমাদের। ৫ আগস্টের পর প্রান্ত নদীর ভাগ চেয়েছিলেন কিন্তু ভাগ না দেওয়ায় এক লাখ টাকা পাওনা দাবি করছেন। যদি প্রমাণ থাকে তাহলে টাকা ফেরত দেব। তবে হামলায় আমরা জড়িত নই।
যদুবয়রা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান বলেন, ছাত্রদল নেতা প্রান্ত খুব নিরীহ মানুষ। তবুও তার বাড়িতে রাতের আঁধারে কে বা কারা হামলা করেছে তা দুঃখজনক। বিষয়টি প্রশাসনকে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান তিনি।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৬ দিন আগে