নাটোরের বড়াইগ্রামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তি ও তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৪ মে) ওই শিক্ষার্থীর ভাই বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করলে রাতেই অভিযান চালিয়ে শামসুল আলম ও তার ছেলে আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর আজ (সোমবার) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগীর ভাইয়ের অভিযোগ, উপজেলার গোয়ারপাড়া সেতু এলাকার দরিদ্র ওই শিক্ষার্থীকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে একই এলাকার শামসুল আলম (৬০) ধর্ষণ করেন। পরে তার ছেলে আরিফও (২৮) তাকে ধর্ষণ করেন। এর ফলে ওই শিক্ষার্থী অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রথমে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। বর্তমানে কিশোরীটি ৫ মাসের অন্তঃসত্তা।
ভুক্তভোগীর মা মানসিক প্রতিবন্ধী এবং বাবা গ্রামে গ্রামে ঘুরে সেচ পাম্প মেরামত করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হবে।