সারাদেশ
খুলনায় ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা
খুলনার দক্ষিণপাড়া এলাকায় বাবলু দত্ত (৫০) নামের এক ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাত ৯টার দিকে নগরীর হরিণটানা থানাধীন রাজবন্ধ এলাকার দক্ষিণ পাড়ায় ঘটনাটি ঘটে।
নিহত বাবুল দত্ত দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা অমূল্য দত্তের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে বাইরের কাজ শেষ করে মোটরসাইকেলযোগে বাড়িতে ফিরছিলেন বাবলু। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে ফাঁকা একটি প্লটের মধ্যে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গলা কেটে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা চলে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাটি জানতে পেরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
হরিণটান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল বাসার এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘কী কারণে বাবলুকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখন বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে নিহত ব্যক্তি বালু ও জমির ব্যবসা করতেন। ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে।’
তিনি জানান, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
২৫২ দিন আগে
শিশু ইনায়া হত্যাকাণ্ড: বাবাই মেয়ের গলা কেটেছে বলে দাবি পুলিশের
সিলেটে দেড় মাসের শিশু ইনায়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের দাবি, নিজের শিশুকন্যাকে বটি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছেন তারই বাবা। পরে তিনিও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
বুধবার (২৫ জুন) বিকালে শাহপরান থানাধীন ইসলামপুর এলাকার কোরেশী ভিলা ১৮/এ বাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে।
নিহত ইনায়া রহমান নামের শিশুটির বয়স মাত্র ৪৫ দিন। তার পিতার নাম আতিকুর রহমান (৪০)। তিনি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের টংঘর গ্রামের বাসিন্দা। আতিকুর পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ঘরে উপস্থিত ছিলেন ইনায়ার মা ঝুমা বেগম। তার দেওয়া তথ্য ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পাওয়া অন্যান্য প্রমাণ বিশ্লেষণে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে ইনায়ার বাবা নিজ হাতেই তার মেয়েকে হত্যা করেছেন।
আরও পড়ুন: দাফনের আগে জানা গেল ‘মৃত ব্যক্তি’ জীবিত
পুলিশ জানায়, আতিকুর ইনায়াকে বাথরুমে নিয়ে যান এবং ধারালো বটি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, পরিবার নিয়ে ইসলামপুর এলাকার আনসার মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন আতিকুর। প্রতিদিনের মতো বুধবার দুপুরেও খাবার খাওয়ার পর পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে হঠাৎ করে আসরের আজানের দিকে চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান, আতিকুরের পাশে তার দেড় মাসের মেয়ে ইনায়ার গলাকাটা এবং তারও গলার খানিকটা কাটা রয়েছে।
নিহত শিশুটির মা ঝুমা বেগম জানান, দুপুরের খাওয়া শেষে ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার স্বামী শিশু সন্তানকে গলা কেটে হত্যার পর তার নিজের গলাও কাটছেন। তিনি চিৎকার করে উঠলে আশপাশের মানুষেরা গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে।
ঝুমার বোন নাজমা বেগম ও ভাই টিপু মিয়া বলেন, তাদের বোন-ভগ্নিপতি দীর্ঘদিন ধরে ওই বাসায় ভাড়া রয়েছেন। ঘটনার দিন তাদের বোন ফোনে চিৎকার করে বলেন, তার মেয়েকে জবাই করে স্বামীও নিজের গলা কাটছে। এরপর ঝুমা স্বামীকে থামিয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করেন বলে জানান তারা।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক কান গলা বিভাগের প্রধান ডা. নুরুল হুদা নাঈম বলেন, ‘আতিকুরের গলার আঘাত বেশ বড়। তার শ্বাসনালি অনেকটা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। অস্ত্রোপচার শেষে তিনি এখন পর্যবেক্ষণে আছেন।’
বৃহস্পতিবার পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আতিকুর রহমান দাবি করেছেন, তিনি কিছুক্ষণের জন্য নিজের মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছিলেন। তার ভাষ্যে, ‘মাথাব্যথার কারণে হঠাৎ মাথায় কী যেন হয়ে গিয়েছিল, বুঝতেই পারিনি।’
উপ-পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত বটি, দা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
২৫২ দিন আগে
খুলনায় ২ যুবককে গুলি করে হত্যা
খুলনা রুপসা উপজেলায় দুইজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার রাজাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— সাব্বির ও সাদ্দাম নামের দুই যুবক। এ ঘটনায় সাব্বির ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আর গুলিবিদ্ধ সাদ্দাম হোসেনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান।
এ ছাড়া মিরাজ নামের অপর আহত যুবকের কোমরের পেছনে গুলি লেগেছে। তিনি খুলনা নগরীর একটি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাত সাড়ে দশটার দিকে রুপসা রাজাপুর এলাকার সোহাগের বাড়িতে যান সাব্বির, মিরাজ ওরফে কাউয়া মিরাজ ও সাদ্দাম। পরবর্তীতে হঠাৎ গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থলেই সাব্বিরের মৃত্যু হলে সাদ্দামকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন তার স্বজনরা। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গুলিটি মাথার পেছনের অংশে লাগায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। এরপর অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান সাদ্দাম।
এদিকে মিরাজের কোমরের পেছনে, নিচের অংশে গুলি লেগেছিল। পরে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে তিনি পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে সূত্র।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় যুবককে গুলি করে হত্যা, অস্ত্র-মোটরসাইকেল ও কয়েক রাউন্ড গুলি জব্দ
বিশেষ সূত্রের খবর, খুলনার চানমারি ও লবণচরা এলাকার সন্ত্রাসী আশিক গ্রুপের অন্যতম প্রধান সদস্য সাজ্জাদ হোসেনসহ ১০-১২ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এই কিলিং মিশনে অংশ নেয়। মাদক-সংক্রান্ত বিষয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল সৃষ্টি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাজ্জাদ গ্রুপের সহায়তা নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।
এ বিষয়ে রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘মিরাজ ও সাব্বির দুজনেই সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর প্রধান সহযোগী। স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী সোহাগের বাড়িতে মাদক ব্যবসা-সংক্রান্ত বিষয় অভ্যন্তরীণ ঝামেলা হওয়ায় সাব্বির, মিরাজ ও সাদ্দামকে গুলি করা হয়।’
তবে এই ঘটনায় আশিক ও সাজ্জাদ গ্রুপ জড়িত রয়েছে কি না, তদন্ত করলে তা বেরিয়ে আসবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
২৫২ দিন আগে
মাগুরায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক
মাগুরা সদর উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে মনিরা আক্তার মীম (১৮) নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী শামিম শেখের বিরুদ্ধে।
বুধবার (২৫ জুন) বিকালে সদর উপজেলার শিবরামপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এক লাখ টাকা যৌতুক না পেয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।
ঘটনার পর মাগুরা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মাগুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আয়ুব আলী জানান, প্রায় চার বছর আগে সদর উপজেলার শিবরামপুর গ্রামের অটোরিকশা চালক শামিম শেখের সঙ্গে আলিধানী গ্রামের আরজু শেখের মেয়ে মনিরা আক্তার মীমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই শামিম মীমের কাছে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন। বুধবার বিকালে আবারও যৌতুকের জন্য মারধর করলে মীম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পরপরই শামিম শেখ পালিয়ে যায়।
ওসি বলেন, ‘এ ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মীমের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
স্বামী শামিমকে ধরতে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: পারিবারিক কলহের জেরে ঈদের দিন স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে
২৫৩ দিন আগে
বরিশালে বেপড়োয়া গতির ট্রাক উল্টে নিহত ২, আহত ২১
বরিশালে বেপড়োয়া একটি ট্রাক উল্টে পুকুরে পড়ে দুইজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২১ জন।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. বিপুল হোসেন জানান, আজ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বেঁদে সম্প্রদায়ের লোকজন নিয়ে বরিশালের উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি ট্রাক। দ্রুতগতির ওই ট্রাকটি দুর্ঘটনাস্থল অতিক্রমকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের পুকুরে উল্টে পড়ে।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ২৩ জনকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। পরে তাদের উজিরপুর উপজেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। এখন পর্যন্ত নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
২৫৩ দিন আগে
জাল প্রবেশপত্র নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষার্থী ধরা
সিলেটে জাল প্রবেশপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে এক পরীক্ষার্থী আটক হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সিলেট সরকারি কলেজ কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, আজ সিলেট সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর দিন পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় দেখা যায়, দুজনের একই প্রবেশপত্র। দুজনই সিলেট মদনমোহন কলেজের পরীক্ষার্থী।
বিষয়টি টের পাওয়ার পর কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ সিলেট শিক্ষা বোর্ড ও মদনমোহন কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, মোছা. তাহমিনা আক্তার নামের পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রটি জাল। পরে আসল প্রবেশপত্রটি নিয়ে আসা ফয়জিয়া আক্তার নামের অপর পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে তাহমিনাকে আটক করে রাখা হয়।
এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে তাহিমানা জানান, পরীক্ষার ফি প্রদানের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় তার ভাই এক দালালের কাছে টাকা জমা দেন এবং ওই দালাল একটি প্রবেশপত্র তাদের সরবরাহ করেন। কিন্তু আজ কেন্দ্রে এসে জানতে পারেন এটি জাল।
অভিযুক্ত পরীক্ষার্থী জানান, তার ভাই বর্তমানে অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি। তাই তিনি কেন্দ্রে আসতে পারবেন না। বিপাকে পড়া শিক্ষার্থী এ সময় কেঁদেও ফেলেন।
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে নিয়োগ পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক, কারাদণ্ড
সিলেট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এ জেড এম মাঈনুল হোসেন বলেন, ‘জাল প্রবেশপত্র তৈরির বিষয়ে ওই পরীক্ষার্থী বা তার ভাইয়ের হাত থাকলে আমাদের উচিৎ তাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া। কিন্তু পরীক্ষার্থী শিক্ষার্থী হওয়ায় এখানে মানবিকতারও একটি বিষয় আছে। তাই তাকে পরিবারের জিম্মায় দিয়ে দেওয়া হবে।’
তবে তারা যদি প্রতারণার শিকার হয়ে থাকেন, তাহলে যে দালালের মাধ্যমে এটি করিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।
২৫৩ দিন আগে
নড়াইলে বজ্রপাতে মাদরাসাছাত্র নিহত, আহত ৩
নড়াইল সদর উপজেলায় বজ্রপাতে জাবেদ বিশ্বাস মিঠুন (২২) নামে এক মাদরাসাছাত্র নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া, পৃথকস্থানে বজ্রাঘাতে নারীসহ আরও ৩ জন আহত হয়েছেন।
নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মিঠুন বিশ্বাস ওই গ্রামের আমিনুর বিশ্বাসের ছেলে। তিনি স্থানীয় জুড়ালিয়া মাদরাসার আলিম ১ম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) সকালের দিকে মিঠুন ও তার বাবা আমিনুর তাদের বাড়ির পাশে জমিতে আগাছা পরিষ্কার করছিলেন। হঠাৎ বজ্রপাত হলে মিঠুন গুরুতর আহত হন এবং তার বাবা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে তাদের উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মিঠুনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিন জেলার পৃথকস্থানে বজ্রপাতের ঘটনায় আহত আরও দুজন নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তারা হলেন—চাঁদপুর গ্রামের লাভলী বেগম (৩৮) ও নড়াইল পৌরসভার দুর্গাপুর এলাকার লিলি বেগম (৬০)।
আহতরা বর্তমানে নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তারা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
নড়াইল জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সোহেলী জামান বলেন, ‘মিঠুন নামে এক যুবককে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। বজ্রপাতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে গেছে। এ ছাড়া অপর আহতরা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন।’
আরও পড়ুন: মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
২৫৩ দিন আগে
মেহেরপুরের গাংনীতে দুটি ‘হাতবোমা’ ও চিরকুট উদ্ধার
মেহেরপুরের গাংনীতে বিএনপির একটি কার্যালয়ের সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি বিস্ফোরক সদৃশ বস্তু ও একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে এগুলো উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মটমোড়া ইউনিয়নের নওদা মটমোড়া গ্রামে ওই বস্তুগুলো উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের (বাবলু গ্রুপের) দলীয় কার্যালয়ের সামনে সকালে বিস্ফোরক সদৃশ্য বস্তু ও একটি চিরকুট পড়ে থাকতে দেখে তারা দ্রুত গাংনী থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে থানার একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সেগুলো উদ্ধার করে।
ওই বিস্ফোরক সদৃশ্য বস্তুকে হাতবোমা বলে অভিহিত করেছে স্থানীয় জনগণ।
আরও পড়ুন: বেনাপোলে ঈদের নামাজ নিয়ে দ্বন্দ্বে বোমার আঘাতে নিহত ১
এ বিষয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরায়েল বলেন, ‘স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দুটি বিস্ফোরক সদৃশ্য বস্তু ও একটি চিরকুট উদ্ধার করেছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।’
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ওই জিনিসগুলো কাউকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে ফেলে রাখা হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি গাংনীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলীয় কোন্দল ও হামলার পর এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে গাংনী থানা পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার করা বস্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হবে। পাশাপাশি কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা খুঁজে বের করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
২৫৩ দিন আগে
যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোরে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত দুইজন।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) ভোর ৪টার দিকে যশোর সদর উপজেলার নতুনহাট এলাকায় যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— যশোর জেলার মাসুদুর রহমান মিলন (৪০) ও যশোর উপশহর সারথী মিল এলাকার লিটন হোসেনের স্ত্রী জুই (৩০)।
আহত দুইজন হলেন— বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালি বেতাগা গ্রামের ফরিদ হোসেনের ছেলে মামুন (৩২) ও যশোর সদর উপজেলার এড়েন্দা গ্রামের মৃত নুর ইসলামের ছেলে মাসুদ (৪৫)।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, আহত ২৫
দুর্ঘটনার বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত জানান, হতাহতরা একটি প্রাইভেটকারযোগে যশোর শহর থেকে বেনাপোলের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নতুনহাট এলাকায় পৌঁছালে প্রাইভেট কারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান জুই ও মিলন। এ ছাড়া, গুরুতর আহত হন মামুন ও মাসুদ নামে আরও দুইজন।
ওসি আরও জানান, স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক এবং নিহতদের লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২৫৩ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় পৃথক ধর্ষণ মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ও আলমডাঙ্গা উপজেলায় দুটি ধর্ষণ মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ হাবিবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিতরা হলেন— আলমডাঙ্গা উপজেলার বারাদি গ্রামের নাজমুল হক (৩৩) ও জীবননগর উপজেলার মিনাজপুর গ্রামের আব্দুল খালেক (৫৫)। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিতদের পুলিশ পাহারায় আদালত থেকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর এমএম শাহাজাহান মুকুল বলেন, ‘সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পৃথকভাবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষ মনে করে, এই রায় সমাজে অপরাধ প্রবণতা হ্রাসে ভূমিকা রাখবে।’
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে নিয়োগ পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক, কারাদণ্ড
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আসামি নাজমুল হক তার বন্ধুর ১৩ বছর বয়সী কিশোরী বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এতে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ওই বছরের ১৯ ডিসেম্বর আলমডাঙ্গা থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।
আলমডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খসরু আলম তদন্ত শেষে আসামি নাজমুলের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ২৬ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এছাড়া, ২০১৫ সালের ৮ জুন আসিম আব্দুল খালেক তার ভায়রা ভাইয়ের ৬ বছর বয়সী মেয়ে শিশুকে ধর্ষণ করেন। ওই ঘটনায় শিশুর বাবা বাদী হয়ে ৯ জুন জীবননগর থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।
জীবননগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আকরাম হোসেন তদন্ত শেষে ৩১ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
২৫৪ দিন আগে