সারাদেশ
শর্টসার্কিটের আগুনে পুড়ে ছাই বরগুনায় দুই বসতবাড়ি
বরগুনা সদর উপজেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রামে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় সাত লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তারা।
শনিবার (১৪ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের টিলাবাড়ী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) মৃত সেন্টু মিয়ার বসতবাড়িতে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর তা ছড়িয়ে পড়ে পাশেই সেন্টু মিয়ার ভাতিজা মো. মোতালেব মিয়ার বাড়িতে।
বরগুনা সদর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. ইমদাদুল হক বলেন, ‘রাত সাড়ে ৮টার দিকে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। তবে এলাকাটির দুর্গম হওয়ার কারণে ফায়ার ট্রাক সরাসরি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। স্থানীয়দের সহায়তায় পুকুর থেকে পানি এনে রাত ৯টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।’
তিনি বলেন, ‘আগুনে দুটি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। মারা গেছে তিনটি গৃহপালিত ছাগল। ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৬-৭ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।’
আরও পড়ুন: গাজীপুরে ঝুট গুদামে আগুন
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য মোতালেব মিয়া (৪৫) বলেন, ‘হঠাৎ করে বিদ্যুতের তার থেকে আগুন বের হয়ে পুরো ঘরটাকে ঘিরে ফেলে। কিছুই বাঁচাতে পারিনি।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কাশেম বলেন, এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি সময়মতো পৌঁছাতে পারেনি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সরকারি ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জেনেছি।
স্থানীয়দের দাবি, এমন ঘটনা যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
২৬৪ দিন আগে
গোপালগঞ্জে ছয় যানবহনের সংঘর্ষ, নিহত ২
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ছয় যানবাহনের সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্যসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন।
শনিবার (১৪ জুন) দিবাগত রাতে আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপীনাথপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের সহকারী ট্রাফিক সাব-ইন্সপেক্টর রফিকুজ্জামান এবং খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার দেবেনবাবু রোডের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ ব্যাপারীর ছেলে ও আরমান পরিবহনের হেলপার সেলিম হোসেন ব্যাপারী।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মো. সাজেদুর রহমান জানান, রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আরমান পরিবহনের একটি বাস ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি ট্রাককে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় যাত্রীদের উদ্ধারকালে দ্রুতগতিতে আসা আরও তিনটি বাস ও একটি প্রাইভেটকারের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
আরও পড়ুন: মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশের এসআই নিহত
রাত আড়াইটা থেকে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত চলা এই সিরিজ সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই এটিএসআই রফিকুজ্জামান ও হেলপার সেলিম হোসেন ব্যাপারী প্রাণ হারান।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। আহতদের গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পরে দুর্ঘটনা কবলিত যানবাহনগুলো সরিয়ে নিলে প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
২৬৪ দিন আগে
কুমিল্লায় ৪ জনের নতুন ভ্যারিয়েন্টের করোনা শনাক্ত
কুমিল্লায় চার জনের শরীরে নতুন ভ্যারিয়েন্টের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে এক নারী চিকিৎসকসহ তিনজন পুরুষ রয়েছেন।
শনিবার (১৪ জুন) কুমিল্লা সিটি স্ক্যান এমআরআই স্পেশালাইজড অ্যান্ড ডায়ালাইসিস সেন্টারে করোনা পরীক্ষা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর বশির এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
করোনায় আক্রান্তরা হলেন, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আবদুল মোমিন (৭০), কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার ডা. সানজিদা (৩০), বুড়িচং উপজেলার মো. হেলাল আহমেদ (৩৮) এবং সদর উপজেলার মো. ইবনে যুবায়ের (৩৯)।
সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর বশির বলেন, গত তিন দিনে কুমিল্লায় ১৩ জন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করা কয়। পরীক্ষা শেষে তাদের মধ্যে চারজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং বাকিদের নগরীর একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
তিনি বলেন, চারজনই বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে একজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। দুজন এরই মধ্যে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় চলে গেছেন।
তবে আরেকজনের বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি সিভিল সার্জন।
করোনার প্রথম ধাক্কা কেটে যাওয়ার পর এতদিন কুমিল্লায় নতুন করে কেউ শনাক্ত হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছিল। কিন্তু এখন আবার নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি দ্বিতীয় ধাপের শুরু হতে পারে এবং এখনই সতর্ক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
আরও পড়ুন: দেশে আরও সাতজনের শরীরে করোনা শনাক্ত
২৬৫ দিন আগে
মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশের এসআই নিহত
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে বোরহান উদ্দিন নামে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৪ জুন) বোয়ালমারী সুতাসী ব্রিজের পাশে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মেহগনি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
আরও পড়ুন: ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বলেন, "মামলার তদন্ত কাজ শেষ করে মোটরসাইকেল করে বোরহান বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বোয়ালমারী সুতাসী ব্রিজের পাশে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি মেহগনি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ সময় তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।"
ওসি আব্দুর রহমান আরও বলেন, "পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।" এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে বলেও জানান মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
২৬৫ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় সাপের কামড়ে নারীর মৃত্যু
কুষ্টিয়ায় সাপের কামড়ে শেফালী খাতুন (৪৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৪ জুন) সকালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শেফালী খাতুন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া এলাকার আব্দুল্লাহর স্ত্রী।
আরও পড়ুন: ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোরের দিকে চুলায় ধান সিদ্ধ করার সময় খড়ির ঘর থেকে জ্বালানি খড়ি নেওয়ার সময় সাপে কাটে। পরে পরিবারের লোকজন দ্রুত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম সাপের কামড়ে নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২৬৫ দিন আগে
পাটুরিয়া ফেরিঘাট দিয়ে ঢাকায় ফিরছেন মানুষ, বাড়তি ভাড়ার বিড়ম্বনা
ঈদ শেষে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলা থেকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট দিয়ে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। শনিবার (১৪ জুন) সকাল থেকেই ফেরি ও লঞ্চে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়।
এদিকে বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে রাজবাড়ির দৌলতদিয়া ফেরিঘাট হয়ে পাটুরিয়াঘাটে আসছে যাত্রীরা। তবে সবচেয়ে বেশি আসছে মোটরসাইকেলের যাত্রী।
আরও পড়ুন: পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন ডুবে ফেরি সার্ভিস ব্যাহত
ওই দিকে, আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটেও যাত্রীর চাপ বেড়েছে। পাবনার কাজিরহাট থেকে ফেরি, লঞ্চ ও স্পিডবোটে করে আরিচাঘাটে আসছে যাত্রীরা।
এ ছাড়াও লঞ্চঘাটেও যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় শুরু হয়েছে। তবে রাস্তায় কিংবা ফেরিঘাটে কোনো ধরনের ভোগান্তি না থাকায় নিরাপদ ও স্বস্তিতে পারাপার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
তবে কাটা লাইন সার্ভিসের যাত্রীরা ঘাট এলাকায় বাড়তি ভাড়ার বিড়ম্বনায় পড়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
যাত্রীরা জানান, পাটুরিয়াঘাট থেকে ঢাকার গাবতলীর ভাড়া ১৫০ টাকা হলেও নেওয়া হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া ঘাট থেকে মানিকগঞ্জ, সাভার, নবীনগরসহ যেকোনো স্থানের ভাড়াও নেওয়া হচ্ছে ঢাকার ভাড়ায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ঈদ ফেরত যাত্রীরা।
এ ব্যাপারে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদ ফিরতিতে ঢাকা থেকে খালি বাস আনতে হচ্ছে। একমুখী যাত্রীর কারণে ভাড়া সামান্য বেশি নিচ্ছেন তারা।
২৬৫ দিন আগে
মাঠে পড়েছিল স্ত্রীর লাশ, স্বামীর লাশ ঝুলছিল গাছে
বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্তবর্তী রঘুনাথপুর গ্রামের একটি মাঠ থেকে স্বামী মনিরুজ্জামান ও স্ত্রী রেহানা খাতুনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ দুটি উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্ত্রীর লাশ বাড়ির পাশের মাঠ থেকে এবং স্বামীর লাশ বাড়ির পাশের একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মৃতরা হলেন— বেনাপোল পোর্ট থানার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মনিরুজ্জামান (৫২) ও তার স্ত্রী রেহানা খাতুন (৪৫)। এই দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
আরও পড়ুন: শিয়াল মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে যুবকের মৃত্যু
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কেউ বা কারা দিবাগত রাতে তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে রেহানাকে হত্যা করে তার লাশ মাঠে ফেলে এবং মনিরুজ্জামানকে হত্যা করে তার লাশ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায়।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাসেল মিয়া বলেন, ‘লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’
২৬৫ দিন আগে
শিয়াল মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় শিয়াল মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আবদুল মমিন (৩৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আবদুল মমিন ওই একই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
শনিবার (১৪ জুন) সকালে উপজেলার মোহনপুর গ্রামের একটি পোলট্রি খামার থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, গতকাল শুক্রবার রাতের কোনো এক সময়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘মানসিকভাবে অসুস্থ মমিন প্রায়ই রাতের বেলায় একা একা ঘুরতে বের হতেন। শুক্রবার (১৩ জুন) রাতেও খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি।’
সকালে স্থানীয়রা খামারের পাশে একটি বৈদ্যুতিক তারে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে বাগমারা থানার একটি দল গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: নিজের তৈরি শিয়াল মারার ফাঁদে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
পোলট্রি খামারের মালিক ইউসুফ আলী বলেন, ‘ঈদের আগে এলাকায় শিয়ালের উপদ্রব বেড়ে যায়। প্রতি রাতেই খামারে হামলা দিয়ে মুরগি খায় প্রাণীগুলো। এক দিনে ৫০টি মুরগি পর্যন্ত খেয়েছে শিয়াল। এ জন্য খামারের পাশে খোলা তার দিয়ে রাত ১২টার পর থেকে শিয়াল মারার ফাঁদ পেতে রাখতেন।’
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
২৬৫ দিন আগে
ভোলায় বরের আনা শাড়ি অপছন্দ হওয়ায় কনে পক্ষের হামলা, আহত ১৫
ভোলার সদর উপজেলায় বিয়ের কনের জন্য আনা শাড়ি ও প্রসাধনী পছন্দ না হওয়ায় বর ও কনে পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বর মো. সজিবসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। গুরুতর আহত ছয়জনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের শেরে বাংলা এলাকায় কনের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজের সময় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের জেরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ভেস্তে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের পূর্ব চরকালি গ্রামের আবুর ছেলে সজিব এক বছর আগে বিয়ে করেন পাশের ইউনিয়নের শাহাবুদ্দিনের মেয়ে রিপাকে। সজিব নারায়ণগঞ্জের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। নতুন বউ ঘরে তোলার উদ্দেশ্যে শুক্রবার দুপুরে শাড়ি ও অন্যান্য উপহারসামগ্রী নিয়ে তিনি কনের বাড়িতে যান।
তবে বরপক্ষের আনা কাপড় ও প্রসাধনী কনে পক্ষের অপছন্দ হলে সজিবের বড় ভাইয়ের সঙ্গে কনে পরিবারের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি সংঘর্ষে রূপ নেয়।
কনে পক্ষের লোকজন বর ও তার স্বজনদের উপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। সংঘর্ষ চলাকালীন কনে পক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে বরসহ তার সঙ্গীদের মারধর করে বের করে দেয়। এ সময় বর সজিব, জাহিদ, অন্তু, মো. সোহেল, ফাতেমা ও ময়না গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে পাওনা টাকা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ আহত ৩০, আটক ৫০
বর সজিব বলেন, ‘ছোট একটি বিষয় নিয়ে কনে পক্ষ আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। ঘটনার পর থেকে কনের বাবা শাহাবুদ্দিন ও তার পরিবারের পুরুষ সদস্যরা আত্মগোপনে রয়েছেন। শাহাবুদ্দিনের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।’
ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদৎ মো. হাছনাইন পারভেজ জানান, এ ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৬৫ দিন আগে
মাগুরায় দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ১
মাগুরায় সদর উপজেলার দুটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে লাল মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।
শুক্রবার (১৩ জুন) সন্ধ্যার দিকে সদর উপজেলার মাগুরা-মহম্মদপুর সড়কের ধলহারা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত লাল মিয়া (৪৫) ওই উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন বাবুর্চি। আহত ব্যক্তির নাম ফুল মিয়া (৪৫) বলে জানা গেছে। ফুল মিয়াকে গুরুতর আহতবস্থায় মাগুরা হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহমান জানান, লাল মিয়া পেশায় একজন বাবুর্চি। কাজ শেষে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে ধলহারা নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে লাল মিয়া নিহত হন এবং আহত হন অপর মোটরসাইকেল চালক ফুল মিয়া।
স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিকে মাগুরা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।ওসি আবদুর রহমান জানান, এ বিষয়ে মহম্মদপুর থানায় মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মাগুরা মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২৬৫ দিন আগে