সারাদেশ
চাঁদপুরে জালভোট দেওয়ায় ৫ জনের কারাদণ্ড
চাঁদপুরের কচুয়া, শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ উপজেলায় জাল ভোট দেওয়ার কারণে ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং একজনের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। কারাদণ্ড প্রাপ্তদের মধ্যে পিতা-পুত্রও রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সংসদীয় ভোট চলাকালীন পৃথক পৃথক স্থানে এসব ব্যাক্তিদের কারাদণ্ড প্রদান করেন দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর-(১) কচুয়া আসনের তেগুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাল ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যালট পেপার চাওয়ায় মো. ছফিউল্লাহর ছেলে মো. হেলালকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নান কারাদণ্ড।
একই ঘটনায় ওই কেন্দ্রের একজন আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে কচুয়া থানায় সোপর্দ করে নিয়মিত মামলার নির্দেশ দেন বিচারক।
অন্যদিকে, চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের শাহরাস্তিতে জাল ভোট প্রদান-চেষ্টার অভিযোগে পিতা-পুত্রসহ ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দুপুরে উপজেলার চিতোষী পূর্ব ইউনিয়নের বড়তুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের খেড়িহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পৃথক ঘটনায় এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার বড়তুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার সময় বড়তুলা গ্রামের ইয়াকুব আলীর পুত্র মো. সাইফুল ইসলাম (৫৯) ও তার পুত্র মো. সাফায়েত হোসেনকে (২৭) আটক করেন ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. নাসরিন বানু সাফায়েত হোসেনকে ১ মাস ও তার বাবা সাইফুল ইসলামকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন।
এছাড়া খেড়িহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টাকালে ওই গ্রামের আবু সৈয়দের পুত্র মো. সজিবকে ১ মাসের কারাদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা।
অপরদিকে, দুপুরে একই আসনের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দিতে এসে মো. নাহিদ (২৫) নামে এক যুবককে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজ হিমাদ্রী খীসা।
২২ দিন আগে
ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা
ফেনীতে স্বামীর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভোট দেওয়ার ‘অপরাধে’ বিবি জহুরা (৩২) নামে এক গৃহবধূকে তালাক দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর বাঁশতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় জনতার তোপের মুখে পড়ে পালিয়ে যায় স্বামী ইসমাইল হোসেন কাওসার।
কাওসার ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।
স্থানীয়রা জানান, এর আগে ঘটনার পরপর স্থানীয় লোকজন কাওসারকে মারধর করে আটক রাখেন। স্ত্রীকে দেওয়া মৌখিক তালাক ফিরিয়ে নিবে এমন কথা বলে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি। এ ঘটনার পর বিবি জহুরাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, ৩ সন্তান নিয়ে জহুরা পড়েছেন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মাঝে।
তারা জানান, গতকাল (বুধবার) বিকেলে জহুরাকে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য বলেন তার স্বামী। কিন্তু আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে জহুরা প্রথমবার ভোটার হওয়ায় উৎসাহের সঙ্গে সন্তানদের নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন। তখন কাওসার ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোট দিয়ে বেলা ১১টার দিকে ঘরে ফিরে স্বামীসহ সবার জন্য নাস্তা বানান তিনি। কাওসার ঘুম থেকে উঠে নাস্তা খেয়ে এলাকায় ঘোরাফেরা করে দুপুরে ভাত খেয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়েন সেচ্ছাসেবক লীগের এ নেতা।
বিকেলে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির পাশের রাস্তায় গিয়ে জানতে পারেন জহুরা ভোট দিতে কেন্দ্রে গেছেন। এ খবর কাওসার শুনে মাগরিবের সময় স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করেন ভোটের বিষয়ে। জহুরা তার জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার কথা জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির পাশের রাস্তা থেকে জহুরাকে মৌখিক তিন তালাক দেন তিনি। এ সময় স্ত্রীকে তার ঘরে যেতে বারণ করেন। আশপাশের লোকজন এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে কাওসারকে আটক করে মারধর দিয়ে আটক করে রাখেন। একপর্যায়ে জনসমাগম বাড়তে থাকলে বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে কাওসার কৌশলে পালিয়ে যান।
২০১৩ সালে ফেনী সদর উপজেলার মধুয়াবাজার এলাকার নুর আহম্মদের মেয়ে বিবি জহুরার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কাওসার। তাদের সংসারে আবদুল আলিম শুভ (১২), সাবিনা আফরিস ইভানা (৮), ইসরাত জাহান ইসমাত (৪) নামে তিন সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় নুরুল আফছার নামে এক ব্যক্তি জানান, বিয়ের পর থেকেই জহুরাকে সবসময় মারধর করতেন কাওসার। এ নিয়ে কয়েকবার সামাজিকভাবে বিচারও হয়েছে তার।
আলী আহম্মদ নামে আরেকজন জানান, শ্বশুরকেও কয়েকবার মারধর করেন কাওসার।
মোহাম্মদ আজাদ নামে স্থানীয় এক সালিশদার জানান, কয়েকবার বিচারে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
কাওসার উগ্র মেজাজের উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে তিনি এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষকে জিম্মি করতেন। পিতার পরিবার অসচ্ছল হওয়ায় সন্তানদের কথা বিবেচনা করে তার স্ত্রী অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান। কাওসার ফেনী শহরের রেলগেট এলাকায় বেডিং কারিগর হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি অনেকটা ঘরে আবদ্ধ থাকতেন বলে জানান মোহাম্মদ আজাদ।
২২ দিন আগে
ভোট দিতে গেলেন মা, পানিতে পড়ে সন্তানের মৃত্যু
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় মা ভোট দিতে যাওয়ার পর পুকুরের পানিতে ডুবে হাসান (৩) নামে এক শিশু সন্তানের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খোরদ গ্রামে নিহতের নানাবাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত হাসান উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের ইসরাইল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ইসরাইল হোসেনের স্ত্রী তার জমজ দুই সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি বেড়াতে আসেন। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে পরিবারের সদস্যরা ভোট দিতে কেন্দ্রে যান। এ সময় দুই জমজ শিশু হাসান-হুসাইনকে বাড়িতেই রেখে যান তিনি।
তারা বলেন, ভোট দিয়ে ফিরে এসে হুসাইনকে ঘরে পেলেও শিশুর মা হাসানকে ঘরে না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে শিশুটির নিথর দেহ ভাসতে দেখা যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত তাকে উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রতিবেশীরা জানান, হাসান ছিল খুবই প্রাণবন্ত ও চঞ্চল স্বভাবের। মায়ের ভোট দিতে যাওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই এমন দুর্ঘটনা ঘটায় পরিবারে ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
২২ দিন আগে
শরীয়তপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ লাখ টাকাসহ জামাত নেতা আটক
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা ও একটি ল্যাপটপসহ স্থানীয় এক জামায়াত নেতাকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নড়িয়া পৌরসভার বৈশাখীপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। এ সময় ওই বাড়ি থেকে নগদ প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও একটি ল্যাপটপ, ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। অভিযানে মাষ্টার গোলাম মোস্তফা নামে স্থানীয় এক জামায়াত নেতাকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে উদ্ধার হওয়া অর্থ ও অন্যান্য আলামতের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
২৩ দিন আগে
টানা ৫ দিন বন্ধ সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আজ বুধবার থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত টানা ৫ দিন তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। নির্বাচন শেষে আগামী সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে যথারীতি বন্দরের কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে বলে জানিয়েছে স্থলবন্দর সূত্র।
তামাবিল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত মালিক, কর্মচারী, হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ও ট্রাকচালকরা ভোট প্রদানের জন্য নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন। এ কারণে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত এই বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী সোমবার সকাল থেকে আবারও নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হবে।
২৩ দিন আগে
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আটক জামায়াত নেতা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে প্রায় ৫০ লাখ নগদ টাকাসহ আটক ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) টাকাসহ আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর ১০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎক নজমুল হুদা বলেন, পরীক্ষায় জামায়াত নেতার হার্ট অ্যাটাকের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। একটি ইসিজি করা হয়েছে, কিন্তু তাতে হার্ট অ্যাটাকের কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। তাকে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতাল ও এর আশপাশে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে, আজ (মঙ্গলবার) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বেলাল উদ্দিন নভো এয়ারের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে অবতরণ করেন। পরবর্তীতে তার ব্যাগ তল্লাশি করে এই বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। অর্থের পরিমাণ আনুমানিক ৫০ লাখ টাকা।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সাত্তার জানান, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরের কাছ থেকে টাকা উদ্ধারের ঘটনা ভিন্নখাতে নেওয়ার চক্রান্ত চলছে। এই অর্থ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নয়, তার ব্যবসার টাকা। এটা পরিকল্পিতভাবে জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কাজটা করা হচ্ছে।’
২৩ দিন আগে
শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ নিহত ২
শেরপুরে ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পালনের জন্য আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫ জন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শেরপুর-জামালপুর সড়কের সদর উপজেলার শিমুলতলি এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান (৩১) ও গৃহবধু মাহফুজা বেগম (১৯)।
রোকনুজ্জামান জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে। তিনি শেরপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদে চাকরি করছিলেন। শেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব ছিল তার। অপরজন মাহফুজা জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার কাতলামারি গ্রামের নীরব মিয়ার স্ত্রী ছিলেন।
আহতরা হলেন— শ্রীবরদী উপজেলার দয়ারচর গ্রামের শাহীন মিয়া (৩০), শহরের চকপাঠক এলাকার রায়হান মিয়া (৩০), নিহত মাহফুজার ৩ মাস বয়সী ছেলে আব্দুর রহমান, সদরের গাজীর খামার এলাকার মোহাম্মদ আলী (২৮) ও জামালপুরের উপজেলার খইর এলাকার সুরাইয়া বেগম (২২)। আহতদের মধ্যে ৩ জন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ও ২ জন শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
পুলিশ ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আজ (বুধবার) রোকনুজ্জামান জামালপুর ব্রিজ মোড় থেকে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশা করে শেরপুর শহরে আসছিলেন। পথিমধ্যে শিমুলতলি এলাকায় একটি পিকআপের সঙ্গে তাদের বহনকারী অটোরিকশাটির ধাক্কা লাগে। এ সময় অটোরিকশার যাত্রী রোকনুজ্জামান ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং মমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে মাহফুজা নিহত হন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, শিমুলতলির ওই দুর্ঘটনায় একজন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ২ জন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
২৩ দিন আগে
নরসিংদীর ৫টি আসনের ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম
নরসিংদীর ৫টি আসনের ৬৬৩ ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সরঞ্জাম ও ব্যালট পেপার।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে ৬টি উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব সরঞ্জাম বুঝে নেন ভোট গ্রহণের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণের উদ্দেশ্যে জেলার ৫টি আসনের ৬৬৩ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৩৯৩ কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, সিলেটের ৫টি নির্বাচনি এলাকার ৫টি পৌরসভা ও ৭১ টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১৯ লাখ ৭১ হাজার ২৩৭ জন। এর মধ্যে পুরষ ভোটার সংখ্যা ১০ লাখ ৩০৪ জন, নারী ভোটার ৯ লাখ ৭০ হাজার ৯৮৭ জন, আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩৬ জন।
২৩ দিন আগে
নিজেকে ভোট দিতে পারবেন না সিলেটের ৩ প্রার্থী
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ করে সিলেটের ছয়টি আসনের প্রার্থী এবং ভোটাররা অপেক্ষার প্রহর গুনছেন ভোটের জন্য। তবে এবারের নির্বাচনে অন্য আসনের প্রার্থী হওয়ায় তিন জন নিজেকে ভোট দিতে পারবেন না।
সিলেট জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৬টি আসনে এবার ৩৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন ২৯ লাখ ১৬ হাজার ৫৭৯ ভোটার।
সিলেটের ৬টি আসনের মধ্যে সিলেট-১ আসন গঠিত সিলেট সিটি করপোরেশন ও সদর উপজেলা নিয়ে। সিলেট-২ আসন গঠিত হয়েছে বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর উপজেলা নিয়ে। সিলেট-৩ আসন দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলা নিয়ে। সিলেট-৪ আসন গঠিত হয়েছে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে। সিলেট-৫ আসন জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে। সিলেট-৬ আসন গঠিত হয়েছে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা নিয়ে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে সিলেট জেলার ৬টি আসনে মোট ভোটার ২৯ লাখ ১৬ হাজার ৫৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৯৫৩ এবং নারী ভোটার ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৬১০ জন। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৬ জন।
নির্বাচনি আসনের হিসাব অনুযায়ী সিলেট-১ আসনে মোট ভোটার ৬ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৩ জন, সিলেট-২ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৯০০ জন, সিলেট-৩ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৬ জন, সিলেট-৪ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১২ হাজার ৯৩৩, সিলেট-৫ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২৮ হাজার ৭৪৬ জন এবং সিলেট-৬ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ৯১ জন।
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সিলেট-১ আসনের ৮ প্রার্থী হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রণবজ্যোতি পাল, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) সঞ্জয় কান্ত দাস, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শামীম মিয়া।
সিলেট-২ আসনের ৫ প্রার্থী হলেন বিএনপির মোছা. তাহসিনা রুশদীর লুনা, খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, জাতীয় পার্টির মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আমীর উদ্দিন এবং গণফোরামের মো. মুজিবুল হক।
সিলেট-৩ আসনের ৬ প্রার্থী হলেন বিএনপির মোহাম্মদ আবদুল মালিক, জাতীয় পার্টির মো. আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুছলেহ উদ্দিন রাজু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেদওয়ানুল হক চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মঈনুল বাকর এবং ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী।
সিলেট-৪ আসনের ৫ প্রার্থী হলেন বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী, জামায়াতের জয়নাল আবেদীন, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান ডালিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা সাঈদ আহমদ এবং গণঅধিকার পরিষদের জহিরুল ইসলাম।
সিলেট-৫ আসনের ৪ প্রার্থী হলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, খেলাফত মজলিসের মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান, স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) মামুনুর রশিদ এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. বিলাল উদ্দিন।
সিলেট-৬ আসনের ৫ প্রার্থী হলেন বিএনপির এমরান আহমদ চৌধুরী, জামায়াতের মো. সেলিম উদ্দিন, জাতীয় পার্টির মো. আবদুন নূর, গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম।
সিলেটের ৬টি আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১ হাজার ১৬টি। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে ২১৭টি কেন্দ্র। এই ২১৭টির মধ্যে বিয়ানীবাজার উপজেলায় ২টি, দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় ৪টি, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় ১২টি, গোয়াইনঘাট উপজেলায় ৪৬টি, কানাইঘাট উপজেলায় ৫০টি, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ১টি, সদর উপজেলায় ৪৫টি, জকিগঞ্জ উপজেলায় ৯টি, জৈন্তাপুর উপজেলায় ২৪টি এবং বালাগঞ্জ উপজেলায় ২৪টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। এ ছাড়া সিলেট নগরীতে মোট ২৯৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সিলেট জেলা পুলিশের গণমাধ্যম কর্মকর্তা মো. সম্রাট তালুকদার বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ নয়, আমরা ভোটকেন্দ্রগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ দুইভাবে ভাগ করেছি। এসব কেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যারা আছেন সবার সঙ্গে সমন্বয় করেই আমরা কাজ করছি।’
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের গণমাধ্যম বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নগরীর সব ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
নিজেকে ভোট দিতে পারবেন না ৩ প্রার্থী
নির্বাচনে নিজ আসনে নিজের ভোট দিতে পারবেন না সিলেটের ৩ প্রার্থী। এই তিন প্রার্থী যে আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, সে আসনে তাদের ভোট না থাকায় এবারের নির্বাচনে তারা নিজের ভোট নিজেকে দিতে পারবেন না।
ভোট না দিতে পারা প্রার্থীরা হলেন— সিলেট-১ (সিলেট সিটি করপোরেশন ও সদর উপজেলা) আসনের গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সুমন এবং সিলেট-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহবুবুর রহমান চৌধুরী।
এসব প্রার্থীদের নির্বাচনি হলফনামা ও ভোটার তথ্য অনুযায়ী, সিলেট-১ আসনের ট্রাক প্রতীকে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আকমল হোসেনের ভোটকেন্দ্র তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা গোলাপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণভাগ-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
একই আসনে কাস্তে প্রতীকে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সুমনের ভোট তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা সুনামগঞ্জ জেলায়। তিনি সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের ভোটার। তার ভোটকেন্দ্র প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র জামতলা সুনামগঞ্জে।
সিলেট-২ আসনে লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর ভোট তার বর্তমান ঠিকানা সিলেট সিটি করপোরেশনের মজুমদারি এলাকায়। তার ভোটকেন্দ্র সিলেট সিটি করপোরেশনের আম্বরখানা গালস স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার ব্যাপারে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা পিংকি সাহা বলেন, যার ভোট যেখানে তাকে সেখানেই ভোট দিতে হবে। তবে কোনো প্রার্থী যদি তার নির্বাচনি এলাকার ভোটার না হন তবে তিনি আবেদন করলে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
এ ব্যাপারে সিলেট-১ আসনের বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সুমন বলেন, আমার ভোট সুনামগঞ্জে। পোস্টাল ভোটের জন্য আবেদন করিনি। যেহেতু সিলেট-১ আসন আমার নির্বাচনি এলাকা, তাই ভোট দিতে সুনামগঞ্জ যেতে পারব না।
সিলেট-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহবুবুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমার ভোট সিলেট সিটি করপোরেশনে। পোস্টাল ভোটের জন্য আবেদন করিনি। নির্বাচনের দিন সময় হলে সিটি করপোরেশনে ভোট দিতে যাব।
২৩ দিন আগে
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অর্ধকোটি টাকাসহ জামায়াত নেতা আটক
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিনকে প্রায় ৫০ লাখ টাকাসহ আটক করেছে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, বেলাল উদ্দিন নভো এয়ারের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে অবতরণ করেন। পরবর্তীতে তার ব্যাগ তল্লাশি করে এই বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। অর্থের পরিমাণ আনুমানিক ৫০ লাখ টাকা।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সাত্তার জানান, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
২৩ দিন আগে