চাঁদপুরের কচুয়া, শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ উপজেলায় জাল ভোট দেওয়ার কারণে ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং একজনের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। কারাদণ্ড প্রাপ্তদের মধ্যে পিতা-পুত্রও রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সংসদীয় ভোট চলাকালীন পৃথক পৃথক স্থানে এসব ব্যাক্তিদের কারাদণ্ড প্রদান করেন দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর-(১) কচুয়া আসনের তেগুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাল ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যালট পেপার চাওয়ায় মো. ছফিউল্লাহর ছেলে মো. হেলালকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নান কারাদণ্ড।
একই ঘটনায় ওই কেন্দ্রের একজন আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে কচুয়া থানায় সোপর্দ করে নিয়মিত মামলার নির্দেশ দেন বিচারক।
অন্যদিকে, চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের শাহরাস্তিতে জাল ভোট প্রদান-চেষ্টার অভিযোগে পিতা-পুত্রসহ ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দুপুরে উপজেলার চিতোষী পূর্ব ইউনিয়নের বড়তুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের খেড়িহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পৃথক ঘটনায় এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার বড়তুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার সময় বড়তুলা গ্রামের ইয়াকুব আলীর পুত্র মো. সাইফুল ইসলাম (৫৯) ও তার পুত্র মো. সাফায়েত হোসেনকে (২৭) আটক করেন ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. নাসরিন বানু সাফায়েত হোসেনকে ১ মাস ও তার বাবা সাইফুল ইসলামকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন।
এছাড়া খেড়িহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টাকালে ওই গ্রামের আবু সৈয়দের পুত্র মো. সজিবকে ১ মাসের কারাদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা।
অপরদিকে, দুপুরে একই আসনের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দিতে এসে মো. নাহিদ (২৫) নামে এক যুবককে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজ হিমাদ্রী খীসা।