বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর সব দেশেই জ্বালানির দাম বেড়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়দের ইসলাম রিংকু বলেছেন, বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর সব দেশেই জ্বালানি তেলের দম বেড়েছে। অনেক দেশে দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রেও জ্বালানির দাম ৫০ শতাংশ বেড়ে গেছে। সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা ও ভারতসহ সব জায়গায় জ্বালানি তেলের দাম প্রচুর বেড়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে জ্বালানির দাম এখনও বাড়েনি।
এটিকে বর্তমান সরকারের সফলতা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, সব পর্যায়ের জনগণ যাতে ভালো থাকতে পারে, আমরা তার চেষ্টা করছি। যুদ্ধের সময় যেন তাদের কোনো সমস্যা না হয়।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে নিজ নির্বাচনি এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, জনগণকে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করতে হবে। যদি আমাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করতে হয়, তাহলে আমাদের জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা সমন্বয় হতে পারে। সেটাও জনগণকে নিরাপদ জায়গায় রেখে হতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এতে প্রভাবিত হচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত আমাদের দেশের প্রবাসীরা। যুদ্ধের কারণে আমাদের দেশের অর্থনীতি ও অন্যান্য দ্রব্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে যাতে থাকে, সেজন্য বর্তমান সরকার দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পররাষ্ট্রনীতি শুরু করেছিলেন। সৌদি আরবে প্রথম লোক পাঠিয়ে তিনি শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেছিলেন। জিয়াউর রহমানের সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপি সরকার যখনই দায়িত্ব এসেছে, তখনই কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশের সঙ্গে আমাদের একটি সুসম্পর্ক ছিল।
বিএনপির এই নেত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে যুদ্ধের সময়ও ইরানসহ সব দেশ বাংলাদেশকে একটি বন্ধু রাষ্ট্র হিসাবে মর্যাদা দিচ্ছে। আমার প্রবাসী ভাইয়েরা ওইসব দেশে সুরক্ষিত আছেন। বিভিন্ন পথে তেল ও গ্যাস—যেগুলো আমাদের আসার দরকার, সেগুলো আমরা পাচ্ছি। সেগুলোতে আমাদের কোনো সংকট হচ্ছে না।
নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর আগেও আমি এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছি। তখনও দেখেছি এর অবস্থা করুণ। আজকে দেখে আমি অত্যন্ত ব্যথিত। মানদণ্ডের দিক দিয়ে এটি কোনো পর্যায়ে পড়ে না। এখানে প্রয়োজনের যন্ত্রপাতি ও লোকবল নেই।
এ সময় ফরিদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা, ফরিদপুর পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, ফরিদপুর সিভিল সার্জন মো. মাহমুদুল হাসান, নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারি পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ, যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাসুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৬১ দিন আগে
রাজারবাগ পুলিশ লাইনের পুকুরে ডুবে শিক্ষার্থী নিহত
রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে সাকিবুল হাসান (১৪) নামের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঢামেক থেকে নিহত সাকিবুলের বাবা আব্দুল করিম জানান, আমার ছেলে রাজারবাগ পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে বন্ধুদের সঙ্গে রাজারবাগ পুলিশ লাইন পুকুরে গোসল করার সময় পানিতে ডুবে যায়। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসে। এখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের গ্রামের বাড়ি বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর থানার নাই গাড়ি গাড়ি এলাকায়। বর্তমানে অমি শান্তিবাগে পরিবার নিয়ে থাকি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, নিহতের মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
৬১ দিন আগে
বিনিয়োগে চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের মতামত শুনলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়ন, শিল্পখাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিরসন এবং চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বেলা সাড়ে ১১টায় শুরু হয়ে বৈঠকটি প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলে।
বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফটকে সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্যবসার ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা হচ্ছে, সংকট আছে, সেগুলো দূর করার বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারা তাদের কথা বলেছেন। অনেক কিছুর সমাধান হয়েছে। আবার অনেক কিছু বাকি আছে, সেগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে।
বিনিয়োগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতেই আজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রী শুনেছেন, বিনিয়োগে বাধা কোথায়, ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগের বাধা কোথায় পাচ্ছেন—এগুলোর সমাধান উনি (প্রধানমন্ত্রী) করতে চান, শিগগিরই করতে চান। ব্যবসায়ীদের কাছে সমস্যার কথা শুনেছেন এবং কিছু কিছুর সমাধান তাৎক্ষণিকভাবে দিয়েছেন। বাকিগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান দেওয়া হবে।
এ সময় বন্ধ কল-কারখানা চালুর বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যেসব কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, এগুলো কীভাবে চালু করা যায়; সরকারি কারখানা যেগুলো বন্ধ হয়েছে, সেগুলো কীভাবে আবার শুরু করা যায়—এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, সার্বিকভাবে নতুন প্রকল্পের বাইরে যেসব পুরনো প্রকল্প বন্ধ হয়ে আছে, এগুলো চালু করার জন্য আলোচনা হয়েছে এবং এগুলার সমাধান দিয়ে আমরা আশা করি অনেক প্রকল্প চালু করা হবে।
জ্বালানি সহায়তা বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক সংস্থার কাছ থেকে সহযোগিতা পাচ্ছে। আমরা সবার সহযোগিতা পাচ্ছি।
বৈঠকে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, বে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউর রহমান, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান আব্দুল মুক্তাদির, রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, র্যাংগস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহানা রউফ চৌধুরী, এসিআইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ দৌলা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির,বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত ও বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।
৬১ দিন আগে
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) হবিগঞ্জের মাধবপুরে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে ঐতিহাসিক ‘তেলিয়াপাড়া দিবস-২০২৬’ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।
বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় পরিচয়, গর্ব, ঐতিহ্য ও অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া থেকেই মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। তৎকালীন মেজর শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিকল্পনায় মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কর্নেল আতাউল গণি ওসমানীর নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিক মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। অথচ আওয়ামী লীগ ওসমানীকে কোনো মূল্যায়ন করেনি। ইতিহাস উপেক্ষিত হয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণের সামনে ইতিহাস উপস্থিত হওয়া দরকার। অতীতের দিনগুলোতে এমএজি ওসমানীকে কখনো স্মরণ করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করতে চায়, তাদের পরিষ্কার করে বলতে চাই— মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গর্ব, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের ঐহিত্য এবং অস্থিত্ব।
মন্ত্রী বলেন, ২৫ শে মার্চ রাতে বাংলার মানুষ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিল, যখন অসহায়-নিরস্ত্র মানুষের ওপর পাক হানাদারবাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তখন শহিদ জিয়ার কণ্ঠ, নির্দেশ মানুষকে ঝাঁপিয়ে পড়তে উৎসাহিত করেছিল।
তিনি আরও বলেন, একমাত্র শেখ মুজিবের নির্দেশে এখানে কিছু সংগঠিত হয় নাই; শেখ মুজিব সেদিন পাকিস্তান গিয়েছিলেন বন্দি হয়ে।
৬১ দিন আগে
অবহেলিত শিশুরা দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, অবহেলিত শিশুরা যেন বড় হয়ে সমাজের বোঝা না হয়ে বরং দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে ওঠে এবং স্বাবলম্বী হয়, সে লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার।
একইসঙ্গে শিশুদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এ ব্যাপারে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল থাকবে বলে উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রংপুর নগরের মর্ডান মোড়ে অবস্থিত সরকারি শিশু পরিবার ঝটিকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, সমাজের অবহেলিত শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। তারা যেন নিজেদের পরিবারহীন বা সুবিধাবঞ্চিত মনে না করে, সে ধরনের সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। উত্তরবঙ্গসহ সারাদেশের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বলেও তিনি জানান।
৬১ দিন আগে
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি প্রকাশ
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় সৃষ্ট জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ব্যাংকি লেনদেনের সময় কমানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য নতুন অফিস ও লেনদেন সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
শনিবার (৪ এপ্রিল) এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আগামীকাল রবিবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল রবিবার থেকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ব্যাংকিং লেনদেন চলবে। তবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অফিস কার্যক্রম চলবে। আর আগের মতোই ব্যাংকে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
অন্যদিকে, সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখা, উপশাখা অথবা বুথে আগের মতো ২৪ ঘণ্টাই ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু থাকবে বলে সার্কুলারে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. আবদুল মান্নান বলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার অধীনে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নতুন সময়সূচি কার্যকর হওয়ায় ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৬১ দিন আগে
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সঙ্গে গণভোটের সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সঙ্গে গণভোটের কোনো সম্পর্ক নেই। বর্তমান সংসদ জুলাই সনদ কার্যকর করতে পারবে। তবে কীভাবে কার্যকর হবে, সেটা জুলাই সনদের মধ্যেই বলে দেওয়া আছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ধাওড়া গ্রামে খালখনন কর্মসুচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদকে বিএনপি হৃদয়ে ধারণ করে; জুলাই সনদ বিএনপি চেতনায় ধারণ করে। বিএনপি বিশ্বাস করে, জুলাই সনদ ২০২৪-এ ছাত্র-জনতার রক্তের অক্ষরে লিখিত একটি মুক্তির সনদ। ফলে জুলাই সনদ নিজেই স্বতন্ত্র, স্বকীয় ও কার্যকরী।
তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সঙ্গে গণভোটের কোনো সম্পর্ক নেই। বর্তমান সংসদ জুলাই সনদ কার্যকর করতে পারবে। এটা কীভাবে কার্যকর হবে, সেটা সনদের মধ্যেই বলে দেওয়া আছে। সুতরাং, জুলাই সনদ হওয়া না হওয়া নিয়ে গণভোট বাতিল হওয়া নির্ভর করে না। এটা আমরা সংসদে সুস্পষ্টভাবে বলেছি।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আর এই জুলাই সনদই বলছে— সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে আমাকে বাস্তবায়ন কর। এটা জুলাই সনদে সুস্পষ্টভাবে লিখিত আছে। সুতরাং, যারা বলছেন গণভোট বাতিল হলে জুলাই সনদ বাতিল হবে—এটা মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর তথ্য। তারা বলে, ৭২-এর সংবিধান মানি না। আমরা বলি, ৭২-এর সংবিধান জুলাই সনদের অংশ।
সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন কথা বলি। কোনটা আইনে পরিণত হবে, কোনটা হবে না—সেটার ওপর ডিবেট করি। সেটা না করে আপনারা কী করছেন? রাষ্ট্রপতির ভাষণ বয়কট করছেন। আরে ভাই, রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নিলেন, রাষ্ট্রপতির সংশোধনী মানছেন না।’
বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই যে জুলাই গণভোট অধ্যাদেশ বলছেন, এটাও তো রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরিত অধ্যাদেশ। এইগুলো মানতে পারবেন, আবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনাও করতে চান। এটা হলো জামায়াতি চরিত্র; এটা মুনাফেকি চরিত্র।
‘জুলাই সনদ বলতে বলতে মুখে ফেনা উঠে গেছে আপনাদের। জুলাই সনদের ২২ নম্বর ধারায় লেখা আছে, জুলাই সনদ স্বাক্ষরের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে সনদে স্বাক্ষরকারী দলগুলো কমপক্ষে ৫ শতাংশ নারীদের প্রার্থী করবে। বিএনপি প্রায় ৫ শতাংশ নারীকে প্রার্থী করেছে, যদিও ৫ শতাংশ পুরোপুরি পারেনি। কিন্তু জামায়াত একজনকেও দেয়নি, এনসিপি একজন নারীকেও জুলাই সনদের আওতায় প্রার্থী করেনি।’
জ্বালানি তেল সংকটে আইনের প্রয়োগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘একশ্রেণির মানুষ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য একই মোটরসাইকেল নিয়ে একই দিন একাধিক জায়গা থেকে তেল নিচ্ছে। সেই তেল নিয়ে বাসায় গিয়ে বোতলে ভরে, ড্রামে ভরে রেখে আবার তারা তেল নিতে আসছে। আমরা এতদিন সফট (নমনীয়) লাইনে ছিলাম। আমরা বলেছি, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে কালোবাজারি এবং মজুদদারির বিরুদ্ধে সেকশন ২৫-এ যে শাস্তির বিধান করা হয়েছে, প্রয়োজনবোধে সেই শাস্তি আমরা প্রয়োগ করব।’ ওই ধারার সর্বোচ্চ শাস্তি ‘মৃত্যুদণ্ড’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জ্বালানি তেলে সংকট রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রশাসনকে বলছি, আপনারা কঠোর হোন। আপনাদের সঙ্গে অতন্দ্র প্রহরীর মতো আমাদের সংগঠনের নেতা-কর্মীরা থাকবেন।’
খাল খনন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, আগামী ১৮ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঝিনাইদহের শৈলকূপায় খান খনন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা ও শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজুর রহমান। এছাড়া জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা খাল খনন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ধাওড়া গ্রামের ধলহরা খাল খনন কর্মসূচির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা খাল পরিদর্শন করেন।
৬১ দিন আগে
৩০ উপজেলায় জরুরি হাম টিকাদান শুরু রবিবার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে রবিবার (৫ এপ্রিল) থেকে ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় জরুরি হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
তিনি বলেছেন, আগামীকাল সকাল ৯টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন হবে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিভিন্ন জেলায় উদ্বোধনে অংশ নেবেন, যা সরকারের সর্বাত্মক প্রস্তুতির প্রতিফলন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে কিছু এলাকায় হাম রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশেষ করে ছোট শিশুদের ওপর বেশি প্রভাব ফেলছে। সরকার এই পরিস্থিতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করছে।’
তিনি জানান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় টিকাদান বিষয়ক কারিগরি পরামর্শক কমিটি (নিটাগ) জরুরি এই টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণের সুপারিশ করেছে। এর লক্ষ্য দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
মন্ত্রী বলেন, ‘এই কর্মসূচির আওতায় ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, তারা আগে টিকা নিয়ে থাকুক বা না থাকুক। আমরা নিশ্চিত করতে চাই, কোনো শিশুই সুরক্ষার বাইরে না থাকে।’
কর্মসূচিটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৩০টি উপজেলায় কার্যক্রম শুরু হয়ে পরবর্তীতে তা সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী ২১ মে’র মধ্যে, পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই এই কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসুন। তবে যেসব শিশুর জ্বর বা অসুস্থতা রয়েছে, তারা সুস্থ হওয়ার পর টিকা গ্রহণ করবে।’
মন্ত্রী জানান, হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক।
তিনি বলেন, ‘টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, কোল্ড চেইন ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণসহ সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই কর্মসূচি সফল করতে অভিভাবক, স্থানীয় নেতৃত্ব, গণমাধ্যমসহ সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। গুজব প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’
দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘ব্যবহৃত টিকা নিরাপদ ও কার্যকর। আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করা গেলে আমরা হাম রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হব।’
৬১ দিন আগে
দেশের স্বার্থে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর
দেশের মানুষের স্বার্থে জ্বালানি তেল ও অন্যান্য জ্বালানির ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্য, বস্ত্র, পাট ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নিজ বাসভবনে সিলেটের স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থে সবার উচিত জ্বালানি সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহার করা, যাতে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত রাখা যায় এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার খরচও কমানো যায়।
তিনি বলেন, শুধু ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, দেশের সব মানুষের স্বার্থে আমরা যেন জ্বালানি সাশ্রয় করি। সাশ্রয় করলে আমরা জ্বালানি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করতে পারব। এতে দেশের জন্য কম আমদানি করতে হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার খরচও কমবে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, জ্বালানি নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আমাদের স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে হবে। তাই এই স্বাভাবিকতা ধরে রাখার জন্য সবাইকে আমার পক্ষ থেকে অনুরোধ থাকবে। সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সময়সূচি সামঞ্জস্য করে বিশেষ করে পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করলে বাড়তি খরচ এড়িয়ে চলা সম্ভব হবে। এইভাবে আমরা জ্বালানি সংরক্ষণ করতে পারব যা দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহারযোগ্য থাকবে।
এছাড়া এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবসহ যেসব দেশ থেকে এলপিজি গ্যাস আমদানি করা হয়, সেখানকার বাজারমূল্য বৃদ্ধির কারণে দেশে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকায় জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল থাকবে।
জ্বালানিসংকটের কারণে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গ্যাস-নির্ভর শিল্পে সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই জ্বালানির কারণে শিল্প উৎপাদন কমার সুযোগ নেই। আমরা নিশ্চিত করেছি যে শিল্পমালিকরা উৎপাদন অব্যাহত রাখতে পারবেন।
মন্ত্রী আরও জানান, জাপানের সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সই হয়েছে। এটি এখনও সংসদে পাশ হয়নি, পাশ হলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। এছাড়া দেশের পণ্য বিদেশে প্রবেশের জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতিও চলছে। এগুলো সম্পন্ন হলে এলডিসি থেকে উত্তোরণের পরও বাংলাদেশের পণ্য অনেক দেশে অগ্রাধিকার পাবে।
এর আগে, বাণিজ্যমন্ত্রী সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সিলেটে পৌঁছান। এরপর নগরীর পীরমহল্লা জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন এবং মুসল্লি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। বিকেল ৪টায় নিজ বাসভবনে স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট চেম্বারের সাবেক সভাপতি খন্দকার শিপার আহমদ, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলার মহাসচিব আব্দুর রহমান রিপন, এহতেশামুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সচিব নিয়াজ মো. আজিজুল করিম, আব্দুল হাদি পাভেল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম এবং সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমানসহ অন্যান্যরা।
৬২ দিন আগে
হামের প্রাদুর্ভাব: চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ছুটি বাতিল
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে ছুটি বাতিলের কথা বলা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, শিশুদের মাঝে হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় আপদকালীন সময়ে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা ও হামের টিকা দেওয়ার সুবিধার্থে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সর্বস্তরের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি (অর্জিত ছুটি ও নৈমিত্তিক ছুটি) বাতিল করা হলো।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিশুদের ব্যাপক হারে হামের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের ৫৬টি জেলায় এই রোগের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। হামে অর্ধশতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, আগামী রবিবার থেকে জরুরি ভিত্তিতে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের হামের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আপদকালীন ব্যবস্থা হিসেবে গ্যাভির (ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক জোট গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ) কাছ থেকে ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ হামের ভ্যাকসিন নিয়ে দেওয়া হবে।
৬২ দিন আগে