বাংলাদেশ
সাবেক বিচারপতি মানিক আটক
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার আগে সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাতে সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত থেকে তাকে আটক করা হয়।
বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মধ্যে জুলাই মাসে ‘চ্যানেল আই’ প্রচারিত একটি টকশোতে মানিকের নারীবিদ্বেষী এবং অপমানজনক আচরণ সহ মন্তব্যগুলো জনসাধারণের চোখে পড়ে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।
পরে তিনি টিভি উপস্থাপকের কাছে ক্ষমাও চেয়েছিলেন।
৬৫০ দিন আগে
বরিশালে সাবেক প্রতিমন্ত্রী, মেয়রসহ ১১০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা
বরিশাল সদর রোডে বিএনপির অফিসে পিস্তল, শটগান, ককটেল, রামদাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলায় আসামি করা হয়েছে- সাবেক এমপি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, সিটি মেয়র খোকন সেরনিয়াবাত ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহসহ ৩৭১ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে।
এর বাইরেও অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৬০০ থেকে ৭০০ জনকে।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে সাবেক এমপি ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ ৯০০ জনের বিরুদ্ধে তিন মামলা
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) এ মামলা দায়ের হয় বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।
এর আগে একই ধরনের আরও একটি মামলার আবেদন কোতোয়ালি থানায় জমা দিয়েছিলেন নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন।
তবে সেই মামলাটি রেকর্ড করেনি পুলিশ।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছ, মামলার বাদী কে হবে তাই নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিরোধে মামলাটি গ্রহণ করা হয়নি। সব শেষ শুক্রবার মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করলেন।
মামলায় বাদী উল্লেখ করেছেন, গত ৪ আগস্ট দুপুরে ৭০০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিএনপির অফিসে হামলা চালায়। তখন পিস্তল দিয়ে গুলি বর্ষণ করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এরপর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগসহ আসামিরা আসবাবপত্র, জিয়া স্মৃতি লাইব্রেরির বইসহ মূল্যবান দ্রব্য নষ্ট করে।
কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘মামলা দায়ের হয়েছে।’
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে নজিবুল বশর ভান্ডারী, পুলিশের এসপি ও ওসিসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
৬৫০ দিন আগে
চট্টগ্রামে নজিবুল বশর ভান্ডারী, পুলিশের এসপি ও ওসিসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সাড়ে তিন বছর আগে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে রফিকুল ইসলাম নামে এক মাদরাসা ছাত্রকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) নিহত রফিকুল ইসলামের বাবা আবদুল জব্বার বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় মামলাটি করেন।
মামলায় বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, জেলার সাবেক পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক, হাটহাজারী থানার সাবেক ওসি রফিকুল ইসলাম ও হেফাজতে ইসলামের সাবেক নেতা মঈন উদ্দিন রুহীসহ ২৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মাগুরার সাবেক দুই সংসদ সদস্যসহ ২১৭ জনের নামে মামলা
এ বিষয়ে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘মামলায় ২৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।’
মামলার অন্য আসামির মধ্যে রয়েছেন, হাটহাজারী সার্কেলের এএসপি শাহাদাত হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাসুম, হাটহাজারী থানার সাবেক পরিদর্শক রাজীব শর্মা, চট্টগ্রামের জেলার ডিবির ওসি কেশব চক্রবর্তী, হাটহাজারী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদুল আলম, ইউনুস গণি চৌধুরী, ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মুহুরী, হাটহাজারী পৌরসভার সাবেক প্রশাসক মনজুরুল আলম চৌধুরী, হেফাজতে ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মইনুদ্দিন রুহি ও মাওলানা সলিমুল্লাহ।।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ ঢাকায় এসেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগমনের প্রতিবাদে সারা দেশের মতো চট্টগ্রামের হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মইনুল ইসলাম মাদরাসা থেকে মিছিল বের করেছিলেন হেফাজতের নেতাকর্মী ও মাদরাসার ছাত্ররা। সেখানে গুলিতে রফিকুল ইসলামসহ মাদরাসার চার শিক্ষার্থী নিহত হন। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এই প্রথম মামলা করা হলো।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁওয়ে ৭৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, সাবেক মন্ত্রী রমেশ কারাগারে
সিরাজগঞ্জে সাবেক এমপি ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ ৯০০ জনের বিরুদ্ধে তিন মামলা
৬৫০ দিন আগে
গণত্রাণ: বন্যার্তদের জন্য টিএসসি যেভাবে আশার আলো হয়ে উঠল
সম্প্রতি বন্যাদুর্গতদের জন্য তহবিল ও ত্রাণ সংগ্রহের একটি বিশাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য রাজধানীর জনগণের সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়া সহজতর করেছে প্ল্যাটফর্মটি।
দেশের ১১টি জেলায় ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে 'গণত্রাণ' নামে ত্রাণ সংগ্রহের কার্যক্রম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মূল ফটকে বসানো হয়েছে ত্রাণ সংগ্রহ বুথ। ত্রাণ সহায়তা দিতে নগরীর সব এলাকা এবং এর বাইরে থেকে হাজার হাজার পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষ এখানে আসছেন।
শিক্ষার্থীরা অর্থ ও মালামাল দুটোই সংগ্রহ করছে। কালেকশন বুথ ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা টাকা নিচ্ছে এবং তার পরিমাণ অনুযায়ী তালিকাভুক্ত করছেন। ত্রাণের সব পণ্যও যথাযথভাবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। কলেজ ও স্কুল পড়ুয়াদেরও স্বেচ্ছাসেবী কাজে সক্রিয় হতে দেখা গেছে।
সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিনিয়ত মানুষ তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী ত্রাণ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছেন। মানুষ মৌলিক ওষুধ, শুকনো খাবার, জামাকাপড়, স্যানিটারি ন্যাপকিন, পানি, লাইফ জ্যাকেট ইত্যাদি অর্থ ও প্রয়োজনীয় পণ্য দান করছে।
মীরবাগ থেকে কিছু শুকনো খাবার দিতে টিএসসিতে আসা সায়মা আক্তার নামে এক নারী ইউএনবিকে বলেন, ‘একজন নাগরিক হিসেবে কঠিন সময়ে আমার দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমার দায়িত্ব। আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী দান করেছি। এক ব্যাগ মুড়ি আর কয়েক বোতল পানি দিলাম। আমি যদি আরেকটু সক্ষম হতাম তাহলে আরও বেশি দান করতে পারতাম।’
আরও পড়ুন: ‘৫০ বছরে ফটিকছড়িতে এমন বন্যা দেখিনি’
মোবাশ্বির বিন কাশেম বলেন, ‘দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি আনন্দিত। প্রত্যেকে তাদের যা আছে তা নিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এখানে আসছেন। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সরকার ও স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতা করা উচিত।’
টিএসসি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ত্রাণসামগ্রী নিয়ে ভ্যান, পিকআপ ও ট্রাক আসার সঙ্গে সঙ্গে এলাকা পরিষ্কার রাখতে স্বেচ্ছাসেবকরা ব্যস্ত। ইতোমধ্যে টিএসসির গেমস রুম ও টিএসসির ক্যাফেটেরিয়া ত্রাণ সামগ্রীতে ভরে গেছে এবং ক্যাফেটেরিয়াটি যেন গুদামে পরিণত হয়েছে। গতকাল রাতে ডাকসুর ক্যাফেটেরিয়াও ভরে গিয়েছিল ত্রাণের সামগ্রীতে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ও বিভাগের অন্যান্য সংগ্রহ বাদে শুধু টিএসসির তহবিল সংগ্রহ বুথ থেকে মোট ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ১৭৩ টাকা সংগ্রহ করা হয়। স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকালের চেয়ে দাতার সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি।
মিরপুর থেকে আসা শিবলী নামের আরেকজনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। এখন সময় এসেছে দেশকে গড়ে তোলার, আমাদের শক্তি ও ঐক্য দেখানোর। ভারত আমাদের ভাঙার চেষ্টা করছে কিন্তু আমরা একসঙ্গে দাঁড়িয়েছি। ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’
তিনি হাসিমুখে আরও বলেন, ‘আমাদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখনো স্থিতিশীল নয়। আমরা যদি দেশবাসীর পাশে না দাঁড়াই, তাহলে কে এগিয়ে আসবেন?'
কয়েকজন রিকশাচালককেও টিএসসির তহবিল সংগ্রহ বুথে টাকা দিতে দেখা গেছে।
আরও পড়ুন: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল
এক রিকশাচালকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, 'এর অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত।’
সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দলে ভাগে কাজ করছেন। তাদের কেউ কেউ যানজট নিয়ন্ত্রণ করছেন, কেউ টাকা সংগ্রহ করছেন, কেউ ত্রাণ সামগ্রী নিচ্ছেন, আবার যারা এলাকা চিনছেন তাদেরও পথ দেখিয়ে সহায়তা করছেন কোনো কোনো শিক্ষার্থী। সর্বোপরি কিছু শিক্ষার্থী চূড়ান্তভাবে ত্রাণ পাঠানোর জন্য মালামাল মিক্সিং ও প্যাকেজিংয়ের কাজ করছেন।
এছাড়া বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও রাজধানীর ব্যস্ত মোড়গুলো থেকে তহবিল সংগ্রহ করছেন।
গতকাল রাতে তারা পানিবন্দি মানুষদের সাহায্যার্থে তাদের বাড়তি কাপড় দান করেছেন। প্রতিটি হল থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলগুলো কক্ষ থেকে পোশাক সংগ্রহ করে ব্যাগে ভরে রাখেন।
তবে বড় অঙ্কের তহবিল সংগ্রহের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য প্রাঙ্গণে একটি কনসার্টের আয়োজনও করা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা ও গণত্রাণ সংগ্রহ কর্মসূচি নিয়ে অনুভূতি জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, 'এটা সম্ভবত আমার স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। স্বর্গের মতো লাগছে। প্রতি মুহূর্তে মানুষ সাহায্য ও সহযোগিতা নিয়ে এখানে আসছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গায় পরিণত হয়েছে, আশার আলো জ্বালিয়েছে।’
আরও পড়ুন: বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল
৬৫০ দিন আগে
জন্মাষ্টমীর ব্যয় কমিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের
সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির কারণে এ বছর জন্মাষ্টমীর আয়োজনের ব্যয় কমিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ত্রাণ তহবিল গঠন করা হয়েছে।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মহানগর সর্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ শুক্রবার (২৩ আগস্ট) ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মত বিনিময় সভায় এসব কথা জানান।
সভায় কমিটির নেতারা জানান, এবার এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে জন্মাষ্টমী উদযাপিত হচ্ছে। প্রশাসনের অনুপস্থিতিতে এই জনতার বিজয়কে কালিমালিপ্ত করতে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি তৎপর হয়ে ওঠে এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায় এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। তাদের বাড়িঘর, মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। নির্যাতিত হন নারীরা। অন্তত ৫২টি জেলায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। তারই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ হয় শাহবাগে।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁওয়ে ৭৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, সাবেক মন্ত্রী রমেশ কারাগারে
তারা বলেন, এই পরিস্থিতিতে অনেক রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতারা তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির রক্ষায় স্বতঃস্ফুর্তভাবে পাহারা দিয়েছেন। যারা পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তাদের মধ্যে আছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন, সিপিবি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান নেতারা।
তারা আরও বলেন, অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের পর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে ছুটে গিয়েছেন, পরে তার কার্যালয়ে পৃথক বৈঠকে তাদের সঙ্গে মত বিনিময় করেছেন।
তবে নীরব চাঁদাবাজি এখন ভয়ংকর হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে অভিযোগে করেছেন তারা। নির্ধারিত অর্থ না দিলে তাদের বাড়িঘর, জায়গাজমি থাকবে না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিন্দু শিক্ষকদের হুমকি দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে। ফলে এক উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে এ পরিস্থিতির অবসান দাবি করেছেন তারা।
কেন্দ্রীয়ভাবে গঠিত ত্রাণ তহবিলের আহ্বায়ক করা হয়েছে আইনজীবী সুব্রত চৌধুরীকে। সদস্য সচিব করা হয়েছে গোপাল দেবনাথ ও বিপ্লব দে কে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা।
মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব ও সাধারণ সম্পাদক ড. তাপস চন্দ্র পাল।
আর উপস্থিত ছিলেন- জয়ন্ত সেন দীপু, শ্রী কাজল দেবনাথ, মিলন কান্তি দত্ত, জে. এল. ভে․ মিক, ডি. এন. চ্যাটার্জী, মনীন্দ্র কুমার নাথ, তাপস কুমার পাল, শ্যামল কুমার রায়, কিশোর রঞ্জন মন্ডল।
আরও পড়ুন: অভিন্ন নদীর পানি ছাড়ার আগে আগাম বার্তা দেয়নি ভারত: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
যে যেভাবে পারেন বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান: জিএম কাদের
৬৫০ দিন আগে
অভিন্ন নদীর পানি ছাড়ার আগে আগাম বার্তা দেয়নি ভারত: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
অন্তবর্তীকালীন সরকারের বন পরিবেশ ও জলবায়ু উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ভারতের অভিন্ন নদীর পানি ছাড়ার আগে আগাম বার্তা দেওয়ার কথা থাকলেও এবার তা করা হয়নি।
তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে অভিন্ন নদীর পানি ছেড়ে দেওয়ার আগে ভাটির দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে সরকারের পক্ষ থেকে বার্তা দিতে হবে।’
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকালে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রাঙেরগাওয়ে খোয়াই নদীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে সাবেক এমপি ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ ৯০০ জনের বিরুদ্ধে তিন মামলা
উপদেষ্টা রিজওয়ানা বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকেও এ বিষয়ে আলাপ হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে মনুষ্যসৃষ্ট কোনো দুর্যোগ না হয়, সে ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতকে জানানো হবে।
ড্রেজিং ও নাব্যতার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভাটির দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নদী ড্রেজিংয়ের ব্যপারটা উজান থেকে ভিন্ন হবে। নদী ড্রেজিং হবে না পলি ব্যবস্থাপনার অন্যান্য ব্যবস্থায় যাবে, তা একটি বড় সিদ্ধান্তের ব্যাপার। এ ব্যাপারে আমাদের পরিকল্পনা আছে। কিন্তু বিগত দিনে এ বিষয়ে কোনো জোর দেওয়া হয়নি।
সৈয়দা রিজওয়ানা বলেন, হবিগঞ্জ শহরকে বাঁচাতে হলে খোয়াই নদীকে রক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। এ নদী রক্ষায় অল্প টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। ভবিষ্যতে বেশি টাকার প্রয়োজন হলেও তা করা হবে। এছাড়া পুরোনো খোয়াই নদীকে দখলমুক্ত করা খুবই জরুরি।
তিনি বলেন, ফেনীতে যে প্লাবন হচ্ছে তা কমে গেলেও অবৈধ স্থাপনার জন্য নদীপথ সংকুচিত হওয়ায় পানি নিষ্কাশন বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।
এর আগে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। বৈঠকে স্থানীয় ব্যক্তি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: যে যেভাবে পারেন বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান: জিএম কাদের
ঠাকুরগাঁওয়ে ৭৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, সাবেক মন্ত্রী রমেশ কারাগারে
৬৫০ দিন আগে
যে যেভাবে পারেন বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান: জিএম কাদের
বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তা করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, ‘বন্যাদুর্গতরা আমাদের ভাই। যে যেভাবে পারেন বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান।’
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিকালে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ তহবিল গঠনবিষয়ক সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
জিএম কাদের বলেন, ‘আমরা তাদের পাশে ছিলাম, আছি ও পাশে থাকব। এমন মানবিক বিপর্যয়ে ভাইদের পাশে আমরা সবসময় থাকব। একইসঙ্গে বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন কাজেও জাতীয় পার্টি দুর্গত মানুষের পাশে থাকবে।’
আরও পড়ুন: আগে আওয়ামী লীগ গাছের মতো ছিল কিন্তু এখন পরগাছা হয়ে গেছে: জিএম কাদের
জিএম কাদের বলেন, ‘বন্যার শুরু থেকেই জাতীয় পার্টি নেতা-কর্মীরা স্থানীয়ভাবে বন্যাদুর্গতদের পাশে আছে। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চাইলে আমরা তাদেরও সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছি।’
তিনি মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করে বলেন, ‘যারা বন্যায় নিহত হয়েছেন তাদের যেন মহান আল্লাহ শহিদী মর্যাদা দান করেন।’
জাতীয় পার্টি মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘কোনো সতর্কীকরণ ছাড়া ভারত বাঁধ খুলে দেওয়ার কারণে বাংলাদেশে এই ভয়াবহ বন্যা।’
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী উজানের কোনো রাষ্ট্র যদি নদীর গেট খুলে দেয় তাহলে অবশ্যই ভাটির দেশগুলোকে আগাম জানিয়ে দেওয়ার বিধান রয়েছে। অথচ ভারত সরকার বাংলাদেশকে সতর্ক করেনি।’
এই সভা থেকে ভারতের এমন কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানান মুজিবুল হক চুন্নু।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম আব্দুল মান্নান, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, আইনজীবী মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, মোস্তফা আল মাহমুদ, শেরীফা কাদের, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মনিরুল ইসলাম মিলন, ড. নুরুল আজহার শামীমসহ আরও অনেকে।
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলন: শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চান জিএম কাদের
সংকট মোকাবিলায় অর্থনীতির দুর্বৃত্তায়ন বন্ধ করুন: জিএম কাদের
৬৫০ দিন আগে
ঠাকুরগাঁওয়ে ৭৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, সাবেক মন্ত্রী রমেশ কারাগারে
ঠাকুরগাঁওয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় দোকানে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিদগ্ধ হয়ে চারজনের মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক এমপি দ্রৌপদী দেবী আগরওয়ালা, সাবেক পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যাসহ ৭৭ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
বুধবার (২১ আগস্ট) রাতে মো. জাকির হোসেন ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
জাকির হোসেন সদর উপজেলার মাদারগঞ্জ আরাজী পাইকপাড়া গ্রামের মফিজ উদ্দীনের ছেলে।
মামলার এজাহারে ৭৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করে মামলাটি করা হয় বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম ফিরোজ ওয়াহিদ।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ৫ আগস্ট বিকালে আসামিরা রাকিবুল হাসান (রকি), আল মামুন, শাওন পারভেজ ও আবু রায়হানকে আন্দোলনে অংশ না নিতে বলেন। তারা অস্বীকৃতি জানালে তাদের একটি ঘরের মধ্যে আটকে রাখা হয়। পরে দুষ্কৃতিকারীরা বাইরে একটি গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন ধরিয়ে দেয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক রাকিবুল হাসান রকিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখানকার চিকিৎসক ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠায়। গত ১০ আগস্ট ভোর ৬টায় রাকিবুল হাসান রকি মারা যান। আর আল মামুন ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে মারা যান। শাওন, পারভেজ ও আবু রায়হান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আরও পড়ুন: ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেনাপোলে আটক যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক
অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত রাকিবুল হাসান রকির বাবা মো. জাকির হোসেনের দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক মেয়রকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে বিচারক নিত্যানন্দ সরকার তাকে কারাগারে পাঠান।
এছাড়া বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে বোদা থানা এলাকা থেকে সাবেক মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই দিনই নিহত রকিবুল হাসান রকির বাবা জাকির হোসেনের দায়ের করা হত্যা মামলায় তাকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক নিত্যানন্দ সরকার তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে শনিবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব কুমার রায় মামলার প্রধান আসামি রমেশ চন্দ্র সেনকে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় কারাগারে পাঠান।
আরও পড়ুন: মাগুরার সাবেক দুই সংসদ সদস্যসহ ২১৭ জনের নামে মামলা
৬৫০ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে সাবেক এমপি ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ ৯০০ জনের বিরুদ্ধে তিন মামলা
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সিরাজগঞ্জে যুবদল ও ছাত্রদলের তিন নেতাকর্মী হত্যার ঘটনায় পৃথক তিনটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় সাবেক দুই সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ প্রায় ৯০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিহতদের স্বজনরা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দিবাগদত রাত ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলাগুলো দায়ের করেছেন।
তিন মামলায় সাবেক এমপি অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্নাকে প্রধান আসামি ও সাবেক এমপি জান্নাত আরা হেনরী, তার স্বামী লাবুসহ জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের আসামি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৫ দিনের রিমান্ডে রাশেদ খান মেনন
আসামিদের মধ্যে ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, ড. জান্নাত আরা হেনরী, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শামীম তালুকদার লাবু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন, সাবেক পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম হোসেন আলী হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ তালুকদারসহ ৪৬৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
আসামির তালিকায় আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধিরাও রয়েছেন। এছাড়া তিন মামলায় আরও ৪৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে গত ৪ আগস্ট তিনজনকে পিটিয়ে, গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতদের স্ত্রী, বাবা ও বোন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে পৃথক তিনটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মামলায় সাবেক দুই এমপি, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ প্রায় ৯০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরই মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান শুরু করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: মাগুরার সাবেক দুই সংসদ সদস্যসহ ২১৭ জনের নামে মামলা
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেনাপোলে আটক যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক
৬৫০ দিন আগে
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া হবে: উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কেউ যেন কষ্ট না পায়, সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে সর্বাত্মক সহায়তা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে।’
শুক্রবার খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সুশীল সমাজের সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ‘৫০ বছরে ফটিকছড়িতে এমন বন্যা দেখিনি’
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে বর্তমান সরকার কাজ করতে বদ্ধপরিকর। এজন্য সবাইকে পরস্পর ভাই হিসেবে বসবাস করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি খাগড়াছড়িসহ তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করার কথা বলেন। জানান, নতুন পরিষদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের পক্ষ থেকে দু’জন প্রতিনিধি রাখা হবে।
বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়িতে বন্যায় বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। চলতি আগস্টে তিনবার বন্যার কবলে পড়েছে খাগড়াছড়ি।
আরও পড়ুন: বন্যায় ১৩ জনের মৃত্যু, ১১ জেলায় ৪৪ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত
৬৫০ দিন আগে