বাংলাদেশ
যানজটে বিপর্যস্ত রাজধানী: মেট্রোরেল বন্ধ থাকায় বেড়েছে দুর্ভোগ
রাজধানীর ফার্মগেট, বিজয় সরণি, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর, সিদ্ধেশ্বরী, মতিঝিলসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সোমবার তীব্র যানজট দেখা গেছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এবং বিক্ষোভ চলমান থাকায় ট্রাফিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে উঠেছে।
বিভিন্ন দাবিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। বিশেষ করে শাহবাগে বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করায় যানজট অধিক মাত্রায় বেড়ে গিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে আশেপাশের এলাকাগুলোতে।
রমনা ও মতিঝিলের আশপাশেও যানজট দেখা গেছে, যা পুরো শহরের যান চলাচলকে প্রায় অচল করে দিয়েছে।
এছাড়াও যমুনা ফিউচার পার্কের সামনের সড়কের উভয় দিকে যানজট দেখা যায়। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্রবেশমুখেও যানবাহনের দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। যার প্রভাব পড়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্রগতি সরণি ও কুড়িলের কাছাকাছি সড়কগুলোতেও।
উল্লেখ্য, রবিবার থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষের চাপ বেড়েছে। এদিকে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকায় সড়কপথে যানজট আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
ব্যাপক যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় যাত্রীদের একই জায়গায় আটকে থাকতে হচ্ছে। যান চলাচল প্রবাহে অচল অবস্থার মুখোমুখি হয়েছে ঢাকাবাসী।
৬৬৫ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে পাওয়া পরিত্যক্ত গাড়ি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের
রাজধানীর ধানমন্ডির বাইতুল আমান মসজিদের সামনে রাস্তায় প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল গাড়ি পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
রবিবার (১৮ আগস্ট) সকাল থেকে ঢাকা মেট্রো -ঘ ২১-৮৪৫৬ নম্বর প্লেটযুক্ত গাড়িটি সেখানে পড়ে ছিল। পরে মধ্যরাতে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় গাড়িটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারকারী এক ব্যক্তি গাড়িটি নিয়ে পোস্ট করলে এর মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
ট্রাফিক অ্যালার্ট নামক একটি গ্রুপে জুনায়েদ কামাল নামের এক ব্যক্তি রাত ১টার দিকে গাড়িটি নিয়ে একটি পোস্টে লেখেন, ‘ধানমন্ডির বাইতুল আমান মসজিদের সামনের দিকের রাস্তায় কেউ একজন ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি ফেলে গেছেন। রবিবার সকাল থেকে গাড়িটি এখানে পড়ে আছে, গাড়িটি আনলক অবস্থায় আছে। কেউ কি এর মালিককে চিনেন?’
তবে দিনরাত চেষ্টার পর গাড়িটির মালিকের সন্ধান না পেলেও কিছু তথ্য ও ছবিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে গাড়িটি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের।
গাড়িটির পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ২০২২ সালের ৩১ জুলাই গাড়িটি কেনা হয়েছিল তবে রেকর্ড আপডেট করা হয়েছে ২৮ জুলাই। ট্যাক্স টোকেন ইস্যু করা হয়েছে ৩ আগস্ট। যার মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ৩০ জুলাই। ট্রাস্টি সার্টিফিকেট নেওয়ার তারিখ ২০২৩ সালের ৩ আগস্ট। সেটিরও মেয়াদ গত ৩ আগস্ট শেষ হয়েছে। ২০২২ সালে ম্যানুফেকচার করার সময় গাড়িটির খালি ওজন ২ হাজার ২০০ কেজি আর মালামাল ৩ হাজার ২২০ কেজি পর্যন্ত তোলা সম্ভব। গাড়িটির ফিটনেস ইস্যু করা হয়েছে ২০২২ সালের ৩১ জুলাই। যার মেয়াদ রয়েছে ২০২৭ সালের ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত।
গাড়িটির মালিকানাধীনের জায়গায় প্রাইভেট উল্লেখ করা হয়েছে। মালিকের নাম লেখা আসাদুজ্জামান খান ও তার বাবা মৃত আশরাফ আলী খান। গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়েছে মিরপুর বিআরটিএ-তে।
এছাড়াও গাড়ি কেনার জন্য করের টিন নম্বরের জায়গায় (৫১১১১১২৫৫০৫৬) দেওয়া হয়েছে। মালিকের মোবাইল ফোন নম্বর হিসেবে দেওয়া হয়েছে -০১৭১১-৫৪১৫৬৯।
গাড়িটি কেনার জন্য মালিকের যে নম্বর দেওয়া হয়েছে সেটির সূত্র ধরে নাম্বার ও পরিচয় শনাক্তকারী অ্যাপস ট্রু কলারে খুঁজে দেখা যায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নাম।
এছাড়াও এই গাড়ি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সে বিষয় প্রমাণের আরও একটি ছবি মিলেছে। ছবিতে দেখা যায়, গাড়িটি কেনার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার সঙ্গে কয়েকজন ছবি তুলছেন। ছবিতে মন্ত্রী ছাড়াও ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সাবেক ডিসি এইচএম আজিমুল হকসহ মন্ত্রীর কয়েকজন কাছের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তারা গাড়িটি কেনার পর শোরুমে একটি যৌথ ছবিও তোলেন। পাশে গাড়িতে রাখা ছিল। সেটির সামনে লাগানো নাম্বার প্লেটের সঙ্গে উদ্ধারকৃত গাড়ির নাম্বার প্লেটের মিল রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মন্ত্রী থেকে শুরু করে সব পর্যায়ের নেতাকর্মী পালাতে শুরু করে। গা ঢাকা দেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও। পালানোর কারণে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বাড়িতে লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ভাঙচুর হামলা চালাচ্ছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, এমন পরিস্থিতিতে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই গাড়ির চালক তার বাসার গ্যারেজে নিয়ে রেখেছিলেন গাড়িটি। সম্প্রতি আতঙ্কজনক পরিস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় সেই চালক গাড়িটিকে ধানমন্ডির রাস্তায় রেখে পালিয়ে গেছেন।
৬৬৫ দিন আগে
‘মার্চ ফর জাস্টিস’-এ আন্দোলনকারীর মুখ চেপে ধরা শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক বরখাস্ত
হাইকোর্ট এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে এক আন্দোলনকারীর মুখ চেপে ধরে আলোচিত হওয়া শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রবিবার ডিএমপির পুলিশ কমিশনার মো. মাইনুল হাসানের সই করা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
কোটা আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত ৩১ জুলাই হাইকোর্ট এলাকায় আন্দোলনকারীরা 'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচি পালন করছিলেন। এসময় ঢাকার নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলামের মুখ চেপে ধরেন পরিদর্শক আরশাদ হোসেন। এ ঘটনার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
ডিএমপি মনে করছে, সুশৃঙ্খল পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তার এরূপ অপেশাদার কর্মকাণ্ডের ফলে পুলিশের কার্যক্রম সমন্ধে জনসম্মুখে বিরূপ ধারণার সৃষ্টিসহ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখ চেপে ধরা ছাড়াও পুলিশ পরিদর্শক আরশাদ হোসেনের বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে। তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের জামায়াত-শিবির বলেও আখ্যায়িত করেছিলেন। সে সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিবির বলে আখ্যা দেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
৬৬৫ দিন আগে
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এখন মূল চ্যালেঞ্জ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করাই এখন এখন মূল চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার (১৯ আগস্ট) সচিবালয় নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো আইনশৃঙ্খলা। যত দ্রুত সম্ভব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা যায়।’
এর আগে তিনি জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
আরও পড়ুন: দুর্নীতি করে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের দাবি আমলে নেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বৈঠক প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় উনারা আমাদের কী ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারেন, সেই বিষয়ে মূলত আলোচনা হয়েছে। আমরা কোন কোন খাতে সহযোগিতা চাচ্ছি সেটাও আলোচনায় উঠে এসেছে।’
রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়েও আলাপ হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে তারা সহযোগিতা করছে, আমরা আরও সহযোগিতা চেয়েছি। এক দশমিক দুই মিলিয়ন রোহিঙ্গা, প্রতিদিনই তাদের বাচ্চা বাড়ছে, খরচ বাড়ছে। আমাদের পক্ষে কতদিন এই খরচ বহন করা সম্ভব!’
উপদেষ্টা আরও বলেন, 'জাতিসংঘ থেকে যে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন আসার কথা, সেটা তারা পাঠাবে। সেক্ষেত্রে তারা আমাদের কোন ধরনের সহযোগিতা করবে, আমরা কোন ধরনের সহযোগিতা চাই- এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মেশিন আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে আসতে পারে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
কৃষি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি কৃষি মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্ব রয়েছি, সেখানে আমার লক্ষ্য কীভাবে উৎপাদন বাড়িয়ে লোকজনকে খাওয়াতে পারি বেশি।’
আরও পড়ুন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে বিক্ষোভের নিন্দা জানালেন জয়
৬৬৫ দিন আগে
চিটাগং চেম্বারে তৃণমূলের ভোটে ব্যবসাবান্ধব নির্বাচিত নেতৃত্ব চাই: নুরুল হক
চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাট্রিজের ‘ভোট বিহীন অবৈধ কমিটি’র পদত্যাগের দাবিতে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্বমূলক সম্মিলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার নগরীর আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চিটাগং চেম্বার অব কমার্স ভবনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠি হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন, চিটাগং চেম্বার অব কমার্সের প্রাক্তন সিনিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট এস,এম,নুরুল হক।
তিনি বলেন,গত ১৬ বছরের গতিহীন জংধরা এই প্রতিষ্ঠানকে সর্বাধুনিক এবং গতিশীল করতে হলে নুতন প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্বে আনতে হবে।
তিনি বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ গঠন করতে ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের মাধ্যমে দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তবর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো ঐতিহ্যবাহী চিটাগং চেম্বারও একটি নির্দিষ্ট দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। দলীয় কার্যালয়ের মতো ব্যবহৃত হয়েছে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের ভরসাস্থল। দুই প্রভাবশালী নেতা এম এ লতিফ ও মাহবুবুল আলম বলয়ের বাইরে এখানে কেউ নির্বাচিত হওয়া দূরে থাক, মনোনয়ন ফরম পর্যন্ত নিতে পারেনি। ফলে তাদের পরিবারের সদস্যরাই এখানে ব্যবসায়িক নেতা হয়েছেন, বলয়ের মধ্যে থাকা ব্যক্তিরাই পরিচালক হয়েছেন। রাজত্ব করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন থেকে। চেম্বারকে ব্যবসায়ীদের বদলে পারিবারিক প্রতিষ্ঠান বানিয়েছেন। পরিবারতন্ত্রের বাইরে যে কজন সিলেক্টেড হয়েছেন তারা সবাই অর্থের বিনিময়ে চেম্বার পরিচালক মনোনীত হয়েছেন।
বক্তারা বলেন, শতবছরের ঐতিহ্যবাহী চিটাগং চেম্বার এখন অনেকটা 'মরা বাঘ'এ পরিণত হয়েছে। ব্যবসায়ীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে চিটাগং চেম্বার কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। এই চেম্বারের নেতার মতো নয়,বরং রাজনৈতিক দলের মুখপাত্রের মতোই উনারা কথা বলেছেন। চট্টগ্রামের সাধারণ ব্যবসায়ীরা সেই পরিবারতন্ত্রের কবল থেকে চিটাগং চেম্বারকে মুক্ত করতে চান। তৃণমূল ব্যবসায়ীদের ভোটে সরাসরি নেতৃত্ব নির্বাচন করতে চান তারা।
চেম্বারের সংস্কারের জন্য কয়েকটি দাবি জানান ব্যবসায়ীরা। দাবিগুলো হলো-
১.অবিলম্বে চিটাগং চেম্বারের বর্তমান ভোটবিহীন অবৈধ কমিটির পদত্যাগ,
২. চিটাগং চেম্বারের সদস্যপদ প্রাপ্তি সহজীকরণ
৩. চিটাগং চেম্বারের সদস্যপদ সঠিক যাচাই বাছাই করে নির্দিষ্ট ব্যক্তির পকেট ভোট ব্যাংক বিলুপ্ত করে একটি সঠিক
ভোটার তালিকা প্রণয়ণ
৪. যোগ্য নেতৃত্ব বাছাই করার জন্য গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা,
৫. একই নেতৃত্ব একাধারে ২ বারের অধিক নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ রহিত করতে প্রয়োজনে আইন সংশোধন,
৬. চিটাগং চেম্বারের বিগত ১৬ বছরের আর্থিক লেনদেনের নিরপেক্ষ অডিট করা।
মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন-চিটাগাং চেম্বার অফ কমার্সের সাবেক পরিচালক ও মোস্তফা গ্রুপের পরিচালক মাহফুজুর রহমান,
বার বি ডার সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান,খাতুনগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও প্রাক্তন পরিচালক (চেম্বার অব কমার্স) সৈয়দ ছগির আহম্মদ,চিটাগাং চেম্বার অব কমার্সের প্রাক্তন পরিচালক হাসানুজ্জামান চৌধুরী জোসেফ,চিটাগাং চেম্বার অব কমারর্সে সাবেক পরিচালক আব্দুল মান্নান রানাসহ আরও অনেকে।
৬৬৫ দিন আগে
সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মনোযোগী, মুদ্রা সরবরাহে সতর্ক: উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন
সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মনোযোগী এবং মুদ্রা সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে সতর্ক বলে জানিয়েছেন উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
সোমবার শেরে-বাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই কর্মকর্তাদের গুরুত্বের ভিত্তিতে প্রকল্পগুলোকে তালিকাভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
সতর্কতার সঙ্গে প্রকল্প নির্বাচনের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রকল্পগুলোকে সেগুলোর তাৎপর্য অনুসারে তালিকভুক্ত করুন।’
রাজনৈতিক সরকারগুলো প্রায়ই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তাদের নির্বাচনি এলাকায় অসংখ্য প্রকল্প গ্রহণ করে বলে স্বীকার করেন উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক সরকারগুলোর সমালোচনা করছি না, কিন্তু এটা বাস্তব যে তারা তাদের রাজনৈতিক লক্ষ্য মাথায় রেখে অনেক প্রকল্প গ্রহণ করে।’
চলমান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাঝামাঝি সময় বন্ধের আশঙ্কা প্রসঙ্গে আলোচনার সময় পরিকল্পনা উপদেষ্টা প্রকল্প সমাপ্তির পর অবশিষ্ট ব্যয় ও প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক সুবিধার মূল্যায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, 'এটিই একমাত্র বিবেচ্য বিষয়।’
৬৬৫ দিন আগে
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’য় ইউরোপিয়ান আ. লীগের প্রতিবাদ
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’র প্রতিবাদ জানিয়েছে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ। এ সময় শেখ হাসিনাসহ নেতাদের বিরুদ্ধে করা সব ‘মিথ্যা মামলা’ অবিলম্বে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হয়।
সোমবার (১৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এম. নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একেরপর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। চেপে বসা অপশক্তির সরকার তাদের দোসরদের দিয়ে এই অসত্য মামলা করছে।’
তারা আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে যখন সমৃদ্ধির মহাসড়ক দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছিলেন তখন পাকিস্তান সমর্থিত সাম্প্রদায়িক শক্তি জামায়াত-শিবির-বিএনপি সারা দেশে হত্যা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, লুটতরাজ চালায়। একই সঙ্গে মন্দির-গির্জা ভাংচুর, সংখ্যালঘুদের হত্যা, পুলিশ-আনসার হত্যা, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা, সংসদ ভবন, গণভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেস, বিটিভিসহ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা করে ব্যাপক ক্ষতি সাধনের মধ্য দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। শেখ হাসিনাকে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডির ৩২ নম্বর ঐতিহাসিক বাড়িটিকে পুড়িয়ে দেয়। আমরা এইসবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সংখ্যালঘুদের ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন, হত্যা বন্ধ করুন।’
৬৬৫ দিন আগে
জার্মানিতে বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শুকরিয়া আদায় উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, জার্মানি শাখা।
শনিবার জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের অস্টপার্কে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জার্মান বিএনপির সভাপতি দেওয়ান শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রেজার উপস্থাপনায় বক্তারা ১৬ বছরে আওয়ামী দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরেন।
তারা বলেন, খুন, গুম, জেল জুলুম ও নির্যাতনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ভয়ার্ত জনপদে পরিণত করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। ভিন্নমত দমনে নিষ্ঠুর পদক্ষেপ নেয় তারা। শান্তি প্রিয় সহঅস্থানের বাংলাদেশকে আওয়মীকরণ করেছিল। সর্বত্র উন্নয়নের স্লোগানের অন্তরালে লুটপাট,দুর্নীতি করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে।
বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে চরম দলীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে ভঙ্গুর করে দিয়েছে। একটি স্বাধীন দেশে জাতিকে করেছে বিভক্ত, কেড়ে নেওয়া হয়েছিল ভোটের অধিকার। রাজপথ রক্তাক্ত করে, অজস্র প্রাণহানী ঘটিয়ে গণআন্দোলনের মুখে স্বৈরশাসক হাসিনা পালিয়ে যান ভারতে।
বক্তাগণ আরও বলেন, হাসিনা পালিয়ে গিয়েছে এটা জাতির জন্য স্বস্তিদায়ক নয়। কারণ হাসিনা ভারতে বসে বাংলাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে উঠে পড়ে লেগেছে ভারতের ইন্ধন ও সহযোগিতায়।
সভায় বক্তব্য রাখেন, জুয়েল খান, শাখাওয়াত হোসেন সোহাগ, মো. কাওসার শামীম, আনোয়ার হোসেন, নিয়াজ হাবিব,আসিফ ইকবাল ভুঁইয়া, হায়াতুন্নবী রুমেল, ফয়সাল হোসেন, হাবিবুল্লা আল বাহার, সিজার হকসহ আরও অনেকে।
আলোচনা সভা শেষে গণআন্দোলনে যেসব ছাত্র জনতা নিহত হয়েছেন, তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। আহতদের দ্রুত সুস্হতা কামনা এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার দ্রুত অরোগ্য কামনা করে দোয়া করা হয়।
দোয়া পরিচালনা করেন ফ্রাঙ্কফুর্ট মসজিদের পেশ ইমাম খালেদ হোসেন।
৬৬৫ দিন আগে
আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় খুঁজে বের করতে হবে: ইউনূসকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর চিঠি
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরীফ বলেছেন, তিনি আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক উভয় ক্ষেত্রে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছেন।
ইউনূসকে লেখা চিঠিতে তিনি বলেন, 'আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় আমাদের সক্রিয়ভাবে খুঁজে বের করা দরকার বলে আমি বিশ্বাস করি। এটি দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
সোমবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে চিঠির তথ্য জানানো হয়েছে।
পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়; যা দুই দেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা আন্তরিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই; যা আমাদের দুই দেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করবে এবং তাদের জীবনে অর্থবহ পরিবর্তন আনতে পারবে।’
শাহবাজ শরিফ বলেন, ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে পাকিস্তান অত্যন্ত মূল্য দেয়।
৬৬৫ দিন আগে
বিবিসির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বাংলাদেশ নিয়ে ভারতীয় উগ্র ডানপন্থীদের প্রচার করা মিথ্যে তথ্য
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর বাড়ি পোড়ানো, সহিংসতা ও নারীদের সাহায্যের আকুতির ভিডিও বাংলাদেশে 'হিন্দু গণহত্যা’ চলছে এমন অভিযোগ তুলে অনলাইন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের পরে যে অস্থিরতা শুরু হয়, তাতে ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যায়। ৫ আগস্ট সরকারের পতন ঘটলে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। সেসময় তার দল আওয়ামী লীগের সদস্যদের লক্ষ্য করে সহিংসতা শুরু হয়।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উগ্র ডানপন্থীরা, বিশেষ করে ভারত থেকে, 'ইসলামি চরমপন্থীরা হিন্দুদের ওপর হামলা করছে' এমন শিরোনামে সহিংসতার বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভিডিও ছড়িয়ে মিথ্যা প্রচার করেছে।
আরও পড়ুন: ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে 'গণহত্যা’: শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
উদাহরণ হিসেবে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি ভাইরাল পোস্টে দাবি করা হয় যে চট্টগ্রামের একটি মন্দিরে ইসলামপন্থীরা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। তবে বিবিসি খোঁজ নিয়ে জেনেছে যে, নবগ্রহ মন্দিরটি অক্ষত রয়েছে। আগুন লাগানো হয়েছিল পাশের একটি আওয়ামী লীগ অফিসে। মন্দিরের কর্মীরা নিশ্চিত করেছেন যে মন্দিরে হামলা হয়নি, যদিও পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল।
এছাড়াও একজন হিন্দু ক্রিকেটারের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার মিথ্যা দাবি করা হয়, যা আসলে একজন মুসলিম আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্যের বাড়ি। এছাড়াও একটি স্কুলে আগুন দেওয়া হয়, যার পেছনে কোনো ধর্মীয় উদ্দেশ্য নয় বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কাজ করেছে।
যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশকে আরও উসকে দেওয়া হয়েছে, তার বেশিরভাগই ভারত থেকে পরিচালিত বলে জানিয়েছে বিবিসি।
বাংলাদেশে ধর্মীয় কারণে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়া নতুন কিছু নয়, তবে শেখ হাসিনার বিদায়ের পর কার্যকর আইন প্রয়োগের অভাবে তা আরও তীব্র হয়েছে।
বাংলাদেশে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও মিথ্যা তথ্য নিয়ে বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সাঈদ আল-জামান বিবিসিকে বলেন, মিথ্যা তথ্য ছড়ানো এই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।
হিন্দু নিপীড়নের দাবি করে কিছু পোস্ট বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাজ্যের দাঙ্গার সময় উস্কানিমূলক পোস্ট করার জন্য সমালোচিত ব্রিটিশ উগ্র ডানপন্থী কর্মী স্টিফেন ইয়াক্সলি-লেনন যিনি টমি রবিনসন নামে বেশি পরিচিত। তার শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দাবি করা হয় যে, ইসলামপন্থীরা হামলা চালিযেছে। কিন্তু পরে দেখা যায়, ধর্মীয় সহিংসতা নয় এটি জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ ছিল। স্থানীয় শিক্ষার্থী ও বাসিন্দারাও জানিয়েছে এই হামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এতে হিন্দু ও মুসলিম উভয়ই জড়িত ছিল।
এই জটিল পরিস্থিতিতে সহিংসতার ঘটনাগুলো নিয়েও ধারণা পরিষ্কার নয় এবং সেগুলো ধর্মীয় আক্রমণ হিসেবেও ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও এএফপির প্রতিবেদনে হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে হতাহতের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
এদিকে মন্দিরে হামলার মিথ্যা দাবির জবাবে, মুসলিম বিক্ষোভকারীরা মন্দির রক্ষায় এগিয়ে এসেছে। সংঘাত ও সহিংসা প্রতিহত করতে কাজ করছে। স্থানীয় বিক্ষোভকারী মইনুল জানান, হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মন্দির রক্ষা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়ে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন।
আরও পড়ুন: সংখ্যালঘুসহ প্রতিটি নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষার আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার
রংপুরে শিক্ষার্থী হত্যা: শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে মামলা
৬৬৫ দিন আগে