বাংলাদেশ
রাজধানীতে বৃষ্টির কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের
ভোর থেকে বৃষ্টির কারণে রাজধানীতে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়কে গণপরিবহনের উপস্থিতি কম থাকায় পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। মালিবাগ, শান্তিনগর, মগবাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সড়কে পানি জমে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।
৬১৪ দিন আগে
চট্টগ্রামে বৃষ্টি ও যানজটে ভোগান্তিতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা
চট্টগ্রামে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে দিয়ে রবিবার থেকে শুরু হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। ভোর থেকে টানা বৃষ্টির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের।
বৃষ্টি ও যানজটের কারণে অনেক শিক্ষার্থীর কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেরি হয়। এছাড়া শিক্ষাথীদের বাসা থেকে কেন্দ্রে পৌঁছাতে ঠিক সময়ে যানবাহন পেতেও দুর্ভোগের শিকার হতে হয় বলে জানান অনেক অভিভাবক।
নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনস কেন্দ্র, চট্টগ্রাম কলেজ কেন্দ্র, জামালখান খাস্তগীর কেন্দ্র, আগ্রাবাদসহ নগরজুড়ে সকাল থেকে যানজট লেগেছিল। সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরুর পর সাড়ে ১০টার দিকে যানজট কমে আসে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাবে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। কোথাও কোথাও বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রবিবার (৩০ জুন) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়েছে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার ২৩৮টি কলেজের ১ লাখ ৬ হাজার ৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। মহানগরসহ জেলার মোট পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৭৬ হাজার ১৭৯ জন, যার মধ্যে ৩৪ হাজার ৯৭৯ জন ছাত্র আর ৪১ হাজার ২০০ জন ছাত্রী। শুধু মহানগরে পরীক্ষার্থী ৩৭ হাজার ৪৯২ জন, যার মধ্যে ছাত্র ১৮ হাজার ১৩৬ জন ও ছাত্রী ১৯ হাজার ৩৫৬ জন।
শিক্ষা বোর্ড সচিব নারায়ণ চন্দ্র নাথ বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্র থেকে অভিযোগ পাইনি। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কোনো পরীক্ষার্থী ৫ মিনিট দেরিতে পরীক্ষা কেন্দ্রে এলে তাকে আরও ৫ মিনিট বেশি সময় দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: সিলেটের বন্যাকবলিত অঞ্চলের এইচএসসি পরীক্ষা পরে নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
৬১৪ দিন আগে
ক্যানবেরায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপিত হয়েছে। এতে প্রবাসী বাংলাদেশি সংগীত ও নৃত্য শিল্পী, বাংলাদেশ হাইকমিশনের সদস্য ও তাদের সন্তানরাসহ শিশু-কিশোররা অংশ নেন।
শনিবার সংগীত সংগঠন জলসা ক্যানবেরার সহযোগিতায় ও ক্যানবেরা কলেজের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে একক ও দলীয়ভাবে রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
এ সময় বক্তৃতা করেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দীকী, অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের হাইকমিশনার গোপাল বাগলে ও অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটরি সরকারের ছায়া মাল্টিকালচারাল মন্ত্রী পিটার কেইন।
আল্লামা সিদ্দীকী বাংলা সাহিত্যের সব ক্ষেত্রে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের বহুমুখী প্রতিভা ও তাদের অসাধারণ অবদানের ওপর আলোকপাত করেন।
তিনি বলেন, বাংলার সংস্কৃতি, ভাষা ও মানুষের প্রতি এ দু’জন মহান ব্যক্তির ছিল অগাধ ভালোবাসা। এছাড়া অন্যান্য ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতিও তারা তাদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটান।
এ দু’জনের পাশাপাশি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অন্যান্য যারা অবদান রেখেছেন তাদের বিষয়েও বাংলাদেশের হাইকমিশনার গুরত্বারোপ করেন।
এ সময় ভারতের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ভৌগোলিক অবস্থান, ভাষা, ইতিহাস ও সংস্কৃতি দু’দেশকে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে আবদ্ধ করে রেখেছে। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি চর্চারও প্রশংসা করেন তিনি। তিনি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য অবদানের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ও ভারতের হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে লন্ডনে রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন
৬১৪ দিন আগে
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু
রবিবার সকাল থেকে সারা দেশে শুরু হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সারা দেশে ২ হাজার ২৭৫টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৬৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা বোর্ড ও কারিগরি বোর্ডের মোট ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসছে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদের মধ্যে ৯টি সাধারণ বোর্ড থেকে ১১ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন, মাদরাসা বোর্ড থেকে ৮৮ হাজার ৭৬ জন ও কারিগরি বোর্ড থেকে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে।
বিদেশে ৮টি কেন্দ্র থেকে ২৮১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে।
গত বছরের মতো এবারও ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।
গত বছর সব বোর্ড থেকে মোট ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।
রুটিন অনুযায়ী এইচএসসির লিখিত পরীক্ষা ১১ আগস্ট পর্যন্ত এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট বন্ধ থাকবে কোচিং সেন্টার: শিক্ষামন্ত্রী
এছাড়া কারিগরি বোর্ডের অধীন পরীক্ষা ১৮ জুলাই পর্যন্ত চলবে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৯ জুলাই শুরু হয়ে ৪ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।
সব পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে এবং পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্নপত্র কোড জানিয়ে দেওয়া হবে হবে।
পরীক্ষা কেন্দ্রে কাউকে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। শুধুমাত্র পরীক্ষা কেন্দ্রে ইনচার্জরা মোবাইল ফোন সেট নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।
এছাড়া পরীক্ষার্থী, কেন্দ্র পরিদর্শক, মন্ত্রণালয়ের টিম, বোর্ডের টিম, স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন টিম ও নিরাপত্তাকর্মী ছাড়া অন্য কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকতে পারবে না।
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের সহায়তা দিতে প্রস্তুত থাকবে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)।
বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মুনিবুর রহমান।
আরও পড়ুন: এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রবিবার
৬১৫ দিন আগে
চট্টগ্রামে পৌঁছেছে ভারতীয় নৌবাহিনীর গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার আইএনএস রণবীর
ভারতীয় নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে সপ্তাহব্যাপী শুভেচ্ছা সফরে চট্টগ্রামে পৌঁছেছে ভারতীয় নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার আইএনএস রণবীর।
আইএনএস রণবীর একটি 'গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার'। এটি পূর্ব সমুদ্র উপকূলে ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রথম সারির যোদ্ধা বহরের অংশ।
আরও পড়ুন: কলম্বো প্রক্রিয়া জোরদারে ২ বছরের 'কর্ম পরিকল্পনার রূপরেখা' প্রকাশ করেছে ভারত
৬১৫ দিন আগে
দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছি, কেউ বাঁচতে পারবে না। দুর্নীতির সঙ্গে যিনিই জড়িত থাকুক না কেন, আমরা ছাড় দেব না।’
শনিবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে যেসব অর্থ প্রকাশ করা হয়নি সেই অর্থ মূলধারায় আনার লক্ষ্যে বাজেটে সেই অর্থকে বৈধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই অর্থগুলোকে অর্থনীতির মূলধারায় আনতে হবে। সেই লক্ষ্যে আমরা সাধারণ ক্ষমার প্রস্তাব দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া, সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান ও গণফোরাম নেতা ড. কামাল হোসেনও অতীতে এই সুযোগ নিয়েছেন।
তিনি বলেন, 'অতীতে এ ধরনের সুযোগ প্রায়ই দেওয়া হতো।’
সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, সুষ্ঠু নীতি এবং গণমানুষের শক্তির ভিত্তিতে সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেমের স্বপ্ন বাস্তবায়নে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
তিনি বলেন, ‘এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা সবাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব এবং এর মাধ্যমে দেশ আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাজেটকে কেউ উচ্চাভিলাষী বলেছেন, কেউ বলেছেন ঘাটতি বাজেট।
তিনি বলেন, কিছুক্ষণ আগে বিরোধী দলের নেতাও বলেছেন, ‘এই বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। চ্যালেঞ্জ নেওয়াই আমাদের কাজ। আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই এবং সেই চ্যালেঞ্জ নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুর ঋণ পরিশোধ বাবদ ৩১৫ কোটি টাকার চেক গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
এই বাজেটকে তিনি উচ্চাভিলাষী বলে মনে করেন না বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা যে লক্ষ্য নির্ধারণ করি তা কখনোই শতভাগ পূরণ হয় না, সেটা করা সম্ভব নয়। তারপরও আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য আছে, আমরা সেখানে পৌঁছাতে যাচ্ছি। আমরা সেটা করতে সক্ষম হয়েছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে।
তিনি বলেন, 'আমরা আমাদের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এই বাজেট প্রণয়ন করেছি এবং উন্নয়ন বাজেট দিয়েছি। এখানে কমানোর কিছু নেই।’
আওয়ামী লীগ সরকার দলের নির্বাচনি ইশতেহার ভুলে যায়নি মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, 'আমরা নির্বাচনের আগে ইশতেহার তৈরি করি। কিন্তু এই ইশতেহারের কথা আমরা ভুলে যাই না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে জাতির কাছে দেওয়া ওয়াদা আমরা পূরণ করি।’
তিনি মনে করেন, এই বাজেটের মাধ্যমে ২০৪১ সাল পর্যন্ত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।আরও পড়ুন: কোরিয়া বাংলাদেশের চমৎকার উন্নয়ন অংশীদার : প্রধানমন্ত্রী
৬১৫ দিন আগে
মূল্যস্ফীতি রোধে সংকোচনমূলক নীতি নিয়ে অসন্তোষের ইঙ্গিত অর্থমন্ত্রীর
অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক নীতি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে শ্লথ করতে পারে, এ কথা অনস্বীকার্য।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সমাপনী ভাষণে তিনি বলেন, ‘যদিও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সংকোচনমূলক নীতি গ্রহণ করা দরকার, তবে এটি অনস্বীকার্য যে দীর্ঘমেয়াদে এই পদ্ধতি প্রবৃদ্ধিকে ধীর করতে পারে।’
তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে বাংলাদেশকে অব্যাহত উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে।
আরও পড়ুন: ‘মূল্যস্ফীতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপের জন্য ৬ মাস অপেক্ষা করুন’: বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘এ প্রেক্ষাপটে আমরা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির আপাত পরস্পরবিরোধী লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এই বাজেট প্রণয়ন করেছি।’
প্রধানমন্ত্রীর যোগ্য, অভিজ্ঞ ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে সরকার উপায় ও সামর্থ্যের ব্যবধান কমিয়ে দ্রুত উচ্চ প্রবৃদ্ধির পথে ফিরে আসতে পারবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
তিনি বলেন, ‘এছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টিতেও আমরা যথাযথ গুরুত্ব দিয়েছি।’
তাই এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংকোচনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে মুদ্রানীতিতি; পলিসি রেট (রেপো) উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে সাড়ে ৮ শতাংশ এবং ব্যাংকের সুদের হার পুরোপুরি বাজারভিত্তিক করা হয়েছে।
তিনি বলেন, রপ্তানিকে উৎসাহিত করতে এবং রেমিট্যান্স ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে ডলারের বিনিময় হারে ক্রলিং পেগ সিস্টেম চালু করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মুদ্রানীতির সংকোচনমূলক উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমরা রাজস্ব নীতিতে সহায়ক নীতি গ্রহণ করেছি, যেমন বাজেট ঘাটতি হ্রাস, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিরুৎসাহিত করা এবং বিভিন্ন খাতে কৃচ্ছ্রসাধনের উদ্যোগ।’
সরকারের গৃহীত এসব নীতিমালার ফলে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসবে বলে আশা করছেন অর্থমন্ত্রী।
প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সহায়ক অবকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পদ সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের জন্য ওপেক তহবিলের সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান অর্থমন্ত্রীর
‘এসব উদ্যোগের ফলে আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং মধ্য মেয়াদে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছাবে বলে আমরা আশা করছি।’
তিনি বলেন, সরকারি ব্যয় মেটাতে সরকার সম্পদ সংগ্রহে বহুমুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘রাজস্ব আদায় নীতিমালা নির্ধারণের আগে আমরা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সংগঠন ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের প্রস্তাবগুলো বিস্তারিত পর্যালোচনা করেছি।’
মাহমুদ আলী বলেন, উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখতে সরকার কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে কর ফাঁকি হ্রাসসহ কর আদায় বাড়াতে বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করেছে।
‘রাজস্ব আহরণে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সমাধানের মাধ্যমে মধ্যমেয়াদে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমরা রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।’
একই সঙ্গে তিনি বলেন, ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণোত্তর বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সরকার জাতীয় কাস্টমস নীতিমালা সংস্কার করছে।
‘রপ্তানিবিরোধী পক্ষপাত কমাতে সহায়তা করার জন্য আমদানি শুল্কের উপর নির্ভরতা হ্রাস করা হচ্ছে।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শত শত ঘাত-প্রতিঘাত অতিক্রম করে দেশের সব মানুষকে নিয়ে একের পর এক জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ করে যাচ্ছেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করব এবং ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে শামিল হব এবং ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা একটি উন্নত-সমৃদ্ধ-স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব, ইনশাল্লাহ।’
আরও পড়ুন: বাজেট এখনও পাস হয়নি, অনেক কিছু সংশোধন হতে পারে: অর্থমন্ত্রী
৬১৫ দিন আগে
সিলেটে ভারতীয় চিনিবোঝাই ট্রাক আটক
সিলেট নগরীতে ১১৭ বস্তা চিনিসহ ট্রাক আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৮ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে ট্রাকটি আটক করা হয়।
চিনিভর্তি ট্রাক আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আম্বরখানা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সুজিত চক্রবর্তী।
আম্বরখানা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সুজিত চক্রবর্তী বলেন, রাত সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে ট্রাকভর্তি চিনি আটক করা হয়েছে। ট্রাকে ১১৭ বস্তা ভারতীয় চিনি পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আরও পড়ুন: পটুয়াখালীতে ২৬৮৮০ ক্যান বিয়ার জব্দ, ৩ যুবক গ্রেপ্তার
৬১৫ দিন আগে
আইওসি এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক: আইওসিইন্ডিও কার্যক্রমের জন্য বাজেটের বিধান নির্ধারণ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৫ থেকে ২৮ জুন প্যারিসে ইন্টারগভর্নমেন্টাল ওশানোগ্রাফিক কমিশনের (আইওসি) নির্বাহী পরিষদের বৈঠক ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্যারিসের বৈঠকে বেশ কয়েকটি মূল কার্যক্রমের জন্য বাজেটের বিধান প্রস্তুত করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ভারত মহাসাগরের জন্য জিওএস (গ্লোবাল ওশান অবজারভেশন সিস্টেম) আঞ্চলিক জোট, ভারত মহাসাগরে সম্প্রদায়ের সহনশীলতা তৈরি, আইওসিইন্ডিও প্রশাসন ও সমন্বয়, আইওসিইন্ডিও সক্ষমতা উন্নয়ন এবং আইওসিইন্ডিও সমুদ্র গবেষণা।
এই অধিবেশনে মধ্য ভারত মহাসাগরের জন্য আইওসি আঞ্চলিক কমিটির (আইওসিইন্ডিও) সাফল্যগুলো বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।
১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইওসিন্ডিও আইওসির অধীনে কাজ করছে। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা ক্ষেত্র যেমন সমুদ্রের তাপমাত্রা, মহাসাগর পর্যবেক্ষণ, সমুদ্রের আবহাওয়া ও উপকূলীয় দুর্বলতার উপর গুরুত্ব দেয়।
২০২১ সালের জুন মাসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. খুরশেদ আলম (অবসরপ্রাপ্ত) বাংলাদেশ থেকে আইওসিইন্ডিওর সভাপতি নির্বাচিত হন।
তার নেতৃত্বে কমিটি বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্র ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে ১১টি বৈঠক করেছে।
এই প্রচেষ্টাগুলো কমিটিকে ভারত মহাসাগরের জন্য একটি উপকমিশনে উন্নীত করতে একটি প্রস্তাবের সফল পাসের মাধ্যমে শেষ হয়। যা ২০২৩ সালের জুনে আইওসি অ্যাসেম্বলিতে অনুমোদিত হয়।
আরও পড়ুন: আইওসি রিজিয়নাল কমিটি ফর দ্য সেন্ট্রাল ইন্ডিয়ান ওশান কমিটির অধিবেশন ঢাকায় শুরু
যদিও আইওসিইন্ডিও ভারত মহাসাগরের জন্য নিবেদিত একমাত্র কমিটি ছিল। এছাড়া প্রশান্ত মহাসাগর, ক্যারিবিয়ান ও আফ্রিকান উপকূলের মতো অন্যান্য অঞ্চলে আইওসির অধীনে উপ-কমিশন রয়েছে।
আইওসিইন্ডিও সাবকমিশন ১১টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। রাষ্ট্রগুলো হলো- বাংলাদেশ, ফ্রান্স, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, ওমান, রাশিয়া, সৌদি আরব এবং শ্রীলঙ্কা, ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছে।
এই আপগ্রেডের পর রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. খুরশেদ আলম (অবসরপ্রাপ্ত) আইওসিইন্ডিওর চেয়ারম্যান হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হন।
এরপর তিনি বিশ্বের সবচেয়ে কম আবিষ্কৃত মহাসাগরগুলোর মধ্যে ভারত মহাসাগর নিয়ে গবেষণা বাড়ানোর লক্ষ্যে আইওসির কাছে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব জমা দিয়েছেন।‘
আরও পড়ুন: আইওসি-২০২৩’ আয়োজন আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের অবস্থানকে সুসংহত করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৬১৫ দিন আগে
উচ্চ শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে দক্ষ শিক্ষক প্রয়োজন: ইউজিসি চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেছেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। দেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।’
তিনি বলেন, ‘প্রকৃত শিক্ষা ও উচ্চমানের গবেষণা নিশ্চিত করতে পারেন একমাত্র একজন আদর্শ শিক্ষক। আদর্শ শিক্ষকই পারেন একজন শিক্ষার্থীকে আদর্শ মানুষ ও দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে। তাছাড়া উচ্চ শিক্ষার মান নিশ্চিত করতেও দক্ষ শিক্ষক প্রয়োজন।’
আরও পড়ুন: শিক্ষকরা দক্ষ না হলে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়: ইউজিসি চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অনুষদের সম্মেলনকক্ষে শনিবার (২৯ জুন) সকালে ‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন: চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষকে সচেতন করার একমাত্র মাধ্যম হলো শিক্ষা। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো শিক্ষার মান উন্নয়নে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছে। একটি শিক্ষিত ও আদর্শ জাতি গঠনে শিক্ষার প্রতিটি স্তরে সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।’
এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
ময়মনসিংহের তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৭০ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিয়ে কর্মশালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
আরও পড়ুন: ইউজিসির পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে যোগ দিলেন অধ্যাপক জাকির হোসেন
তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হলো, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেফমুবিপ্রবি) এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (জাককানইবি)।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন, ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাকৃবির কৃষি অনুষদের ডিন অধাপক ড. গোলাম রাব্বানী।
কৃষিবিদদের ভূমিকা সম্পর্কে ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান বলেন, ‘কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনন্য গবেষণার মাধ্যমে দেশের কোটি কোটি মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণে যথেষ্ট ভূমিকা রেখেছে। আবাদি জমির পরিমাণ দিন দিন কমে গেলেও কৃষিবিদদের কারণে বাংলাদেশ আজ খাদ্য ও মৎস্য সম্পদে স্বয়ংসম্পূর্ণ।’
সচিব আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার উচ্চ শিক্ষায় যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছেন। আমাদের দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় এক যুগে উচ্চশিক্ষার অগ্রগতি সাধন করছে। তাই উচ্চশিক্ষা পরিবারের সকলের দায়িত্ব এই অগ্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’
উক্ত কর্মশালায় বিভিন্ন সেশনে নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ কার্যক্রম তুলে ধরেন বাকৃবি, জাককানইবি ও বশেফমুবিপ্রবির শিক্ষকরা।
আরও পড়ুন: দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য সংরক্ষণের আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের
৬১৫ দিন আগে