রাজনীতি
দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলেই শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন: জয়
দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলেই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
এছাড়া বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টিতে পাকিস্তানের আইএসআই ইন্ধন যোগাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফেরাতে ভারত সরকারকে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
জয় বলেন, ৭৬ বছর বয়সি শেখ হাসিনা অবশ্যই বাংলাদেশে ফিরবেন। তবে তিনি রাজনীতিতে ফিরবেন কি না, এ বিষয়ে স্পষ্ট করেননি।
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশের জনগণকে পরিত্যাগ করবে না এবং বিপর্যস্ত আওয়ামী লীগকেও অন্ধকারে ছেড়ে দেবে না।
তিনি তার মাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও দেশটির সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সেইসঙ্গে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে সহায়তা ও চাপ প্রয়োগের জন্য ভারতের প্রতি অনুরোধ জানান।
জয় বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা সত্যি যে আমি বলেছিলাম তিনি বাংলাদেশে আর ফিরবেন না। কিন্তু সারা দেশে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর লাগাতার হামলার পর গত দুদিনে অনেক কিছুই বদলে গেছে। এখন আমরা আমাদের জনগণকে নিরাপদে রাখতে যা যা করা দরকার তা করতে যাচ্ছি; আমরা তাদের একা ছেড়ে যাব না।
টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকালে তিনি পিটিআইকে বলেন, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হলে তিনি অবশ্যই বাংলাদেশে ফিরবেন।’
আরও পড়ুন: রাজনীতিতে ফিরবেন না শেখ হাসিনা: ছেলে সজীব ওয়াজেদ
বাংলাদেশে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পেতে যাচ্ছে উল্লেখ করে জয় দেশে আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান। বলেন, ‘অন্যথায় দেশে নৈরাজ্য বিরাজ করবে এবং এই অঞ্চলের দ্বিতীয় আফগানিস্তানে পরিণত হবে।’
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং নতুন করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশে কখনো প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্র চলতে পারে না। তার (মুহাম্মদ ইউনূস) ব্যক্তিগত মতাদর্শ যাই হোক না কেন, তিনি বলেছেন, তিনি ঐক্যের সরকার চান, এগিয়ে যেতে চান এবং অতীতের ভুলগুলোর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ অন্ধকার হতে দেবেন না। আশা করি তিনি তার কথায় অবিচল থাকবেন।’
জয় বলেন, গণতন্ত্র ফিরে এলে হয় আওয়ামী লীগ বা বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং মুজিব পরিবার ও শেখ হাসিনা পাশে থাকবে।
গত দুদিন ধরে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সব নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মা শীগগিরই যেকোনো সময় অবসর নিতে চেয়েছিলেন। তাই আমরা ভেবেছিলাম, তিনি যেহেতু চলে গেছেন, তারা (হামলাকারীরা) আমাদের দলের লোকদের কিছু করবে না; কিন্তু তা হয়নি। উল্টো তারা হামলা শুরু করে।’
জয় কিংবা তার বোন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল রাজনীতিতে যোগ দেবেন কি না- এমন প্রশ্নের সরাসরি জবাব না দিয়ে তিনি জানান, বাংলাদেশকে নৈরাজ্য থেকে রক্ষা করার জন্য যা যা করা দরকার, তিনি করবেন।
‘এই প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর আমি দিতে পারব না। তবে বাংলাদেশকে বাঁচাতে এবং আওয়ামী লীগকে রক্ষার জন্য যা যা করা দরকার, আমি তাই করব। মুজিব পরিবার তাদের ছেড়ে যাবে না।’
বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে জয় বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বোঝা যায়, বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে।
‘পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আমি পাকিস্তানের আইএসআইয়ের জড়িত থাকার বিষয়ে সন্দেহ করছি। হামলা ও বিক্ষোভ ছিল অত্যন্ত সমন্বিত ও সুপরিকল্পিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তোলার চেষ্টা ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার যাই করুক না কেন, তারা পরিস্থিতি আরও খারাপ করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, হামলাকারীরা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করছে, যা কেবল সন্ত্রাসী সংগঠন এবং বিদেশি শক্তিই সরবরাহ করতে পারে।
সিআইএর মতো একটি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার এর সঙ্গে জড়িত থাকার গুঞ্জনের বিষয়ে জয় বলেন, (এ বিষয়ে) তার কাছে কোনো প্রমাণ নেই, তবে সংশ্লিষ্টতা থাকতেও পারে। অবশ্য চীনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি একেবারে নাকচ করে দেন তিনি।
আরও পড়ুন: আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এখন অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস
শেখ হাসিনার যুক্তরাজ্য বা অন্য কোনো দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার খবরকে ‘গুজব’ বলে প্রত্যাখ্যান করে জয় বলেন, তার মায়ের মার্কিন ভিসা বাতিলের খবরটিও সত্য নয়।
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের কোনো পরিকল্পনা (রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা) করা হয়নি। আজ হোক কাল হোক, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং আশা করছি, সেটা বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মাধ্যমে হবে। আর সেটি হলে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসবেন।’
‘এই মুহূর্তে তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। এখন প্রশ্ন হলো- তিনি কখন ফিরবেন!’
শৈশবের বেশিরভাগ সময় ভারতে পড়াশোনা করে কাটানো জয় এ অঞ্চলে স্থিতিশীলতার জন্য দ্রুত বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘মাকে রক্ষা করার জন্য আমি ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। ভারত যদি তার পূর্বাঞ্চলে স্থিতিশীলতা চায়, তাহলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাদের চাপ দিতে হবে এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্রের দ্রুত পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করতে সামনে থেকে নেতৃত্ব নিতে হবে।’
বাংলাদেশে ‘ভারতবিরোধী’ প্রচার সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ভারতবিরোধী শক্তি ইতোমধ্যে খুব সক্রিয় এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে থাকায় আইএসআই এখন ভারতবিরোধী শক্তিকে যত খুশি অস্ত্র সরবরাহ করতে পারে।’
ভারতবিরোধী শক্তিগুলো আরও জোরদার হওয়ার আগেই ভারতকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন জয়।
‘শেখ হাসিনা নিজের জীবন বাঁচাতে পালিয়ে গেছেন’ এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, ‘আর যেন কোনো রক্তপাত না হয়, সেজন্য পরিবার থেকে তাকে চলে যাওয়ার জন্য জোর করা হয়েছিল।’
‘তিনি দেশ ছাড়তে রাজি ছিলেন না। তাকে সুরক্ষা দিতে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনী প্রস্তুত ছিল। কিন্তু এর ফলে গণভবনের দিকে মিছিল নিয়ে আসা শত শত বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হতে পারত। দেশের স্বার্থে আমরা তাকে বুঝিয়েছি যে, আমরা তাকে মরতে দিতে পারি না।’
জয় আরও বলেন, ‘আমাদের সরকার দুর্বল ছিল না, কিন্তু আমার মা শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করতে চাননি। তবে তিনি দেশ ছাড়ার পরও রক্তপাত থামেনি। শেখ হাসিনার থাকা ও না থাকার মধ্যে পার্থক্য কী, মানুষ তা এখন বুঝতে পারবে।’
৬৬৫ দিন আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে সফল হবেন অধ্যাপক ইউনূস: ফখরুল
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে সফল হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছাত্র ও আমাদের দল উভয়ের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। আমরা জাতির পক্ষ থেকে তাকে এই দায়িত্ব অর্পণ করেছি। আমরা বিশ্বাস করি তিনি সফল হবেন।’
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর নিটর হাসপাতাল (পঙ্গু হাসপাতাল নামে পরিচিত) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, 'আমরা খুবই আশাবাদী, তার সফল ও যোগ্য নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি সুরাহা হবে।’
আরও পড়ুন: সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের আহ্বান তারেকের
সামগ্রিক সমস্যার মূলে গণতন্ত্র না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা হবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য একটি প্রধান কাজ।
তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যত বেশি সফল হবে তত তাড়াতাড়ি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশা সম্পর্কে জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, প্রথমত আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার ফিরিয়ে আনতে হবে এবং অর্থনীতি সচল রাখতে পদক্ষেপ নিতে হবে।
আরও পড়ুন: বিএনপি সবার নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য বদ্ধপরিকর: রফিকুল ইসলাম
৬৬৫ দিন আগে
বিএনপি সবার নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য বদ্ধপরিকর: রফিকুল ইসলাম
বিএনপি সবার নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য বদ্ধপরিকর বলে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।
বিবৃতিতে তিনি জানান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সুস্পষ্ট নির্দেশনা হলো সবধরনের প্রতিহিংসা ও অরাজকতা বন্ধ রাখার।
বুধবার (৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান।
আরও পড়ুন: ছাত্র-জনতার রক্তে অর্জিত বিজয়কে অক্ষুণ্ন রাখতে হবে: বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি
বিবৃতিতে বলা হয়, গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার সঙ্গে জড়িত অনেক চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মচারী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর অনুপস্থিত থাকার কারণে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে ও ভেঙে পড়ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ১৬ বছরের দুঃশাসন, অবিচার ও নিপীড়ণের জন্য বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ধ্বংসের মুখে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতিটি বিভাগে এতদিন যে দুর্নীতি ও অবৈধ নিয়োগ কিংবা পদোন্নতির মাধ্যমে যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে, আশা করি কর্তৃপক্ষ দ্রুত এর সুষ্ঠু সমাধান করবে।
এমতাবস্থায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপক, চিকিৎসকরা, নার্সিং কর্মকর্তা এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁওয়ে রাস্তার ট্রাফিকের দায়িত্বে শিক্ষার্থীরা
শেরপুর শহর পরিষ্কার করতে রাস্তায় শিক্ষার্থীরা
৬৬৬ দিন আগে
সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের আহ্বান তারেকের
‘দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে' উল্লেখ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘আমি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, সব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন, যাতে কেউ নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন। আমাদের এটা দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।’
আরও পড়ুন: নাশকতা-সহিংসতা বা হুমকির বিষয়ে জানাতে সেনা ক্যাম্পে যোগাযোগ করুন: আইএসপিআর
বুধবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক বিশাল সমাবেশে ভার্চুয়ালি দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান এ আহ্বান জানান।
তিনি বর্তমান নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশবাসীসহ সব রাজনৈতিক দলকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, 'আমি বিশেষভাবে সারাদেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন ধর্ম, দলমত নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পাশে দাঁড়ান।’
তিনি দেশবাসীকে আইন হাতে তুলে না নেওয়ারও আহ্বান জানান।
বিএনপির নামে কেউ ভাঙচুর ও সহিংসতায় লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করলে, তাকে ধরে প্রশাসনের হাতে তুলে দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তারেক।
আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব পুলিশকে কাজে যোগদানের নির্দেশ নতুন আইজিপির
ধ্বংসাত্মক-প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান খালেদার
৬৬৬ দিন আগে
ধ্বংসাত্মক-প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান খালেদার
ধ্বংসাত্মক ও প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
বুধবার (৭ আগস্ট) এক ভিডিও বার্তায় খালেদা জিয়া এ আহ্বান জানান।
২০১৮ সালে কারাগারে যাওয়ার পর খালেদা জিয়ার এটাই প্রথম বক্তব্য।
তরুণ ও শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে মেধা, গুণগত মান ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘তরুণদের হাতকে শক্তিশালী করতে এগিয়ে আসুন। কোনো ধ্বংস, কোনো প্রতিশোধ নয়। আমরা বরং ভালোবাসা ও শান্তির মাধ্যমে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে চাই।’
আরও পড়ুন: তারেক রহমানের সাবেক পিএস অপু জামিনে মুক্ত
রাজধানীর হাসপাতাল থেকে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বিএনপি আয়োজিত নয়াপল্টনের মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গতকাল মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
বঙ্গভবন থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
আরও পড়ুন: নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশে হাজারো মানুষের ঢল
৬৬৬ দিন আগে
নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশে হাজারো মানুষের ঢল
হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শুরু হয়েছে।
বুধবারের (৭ আগস্ট) এই সমাবেশে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রথমবারের মতো জনসভা করছে বিএনপি।
এদিন দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়।
সকাল থেকেই দলের শীর্ষ নেতাদের ছবি, ব্যানার, প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে সমাবেশে যোগ দিতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন দলটির নেতাকর্মীরা।
সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা।
৬৬৬ দিন আগে
তারেক রহমানের সাবেক পিএস অপু জামিনে মুক্ত
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন অপু জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। প্রায় পাঁচ বছর সাত মাস পর কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।
২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি।আরও পড়ুন: রিজভী-খসরুসহ বিএনপি-জামায়াতের সহস্রাধিক নেতা-কর্মীর জামিন
মিয়া নুরুদ্দিন অপুর আইনজীবী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, দুটি মামলায় আমরা জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলাম। শুনানি শেষে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল ও ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেছেন।
মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ছিলেন। ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর নির্বাচনি প্রচারণা গিয়ে তিনি হামলার শিকার হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই বছরের ৪ জানুয়ারি রাজধানীর হাসপাতাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১ এর সদস্যরা।
আরও পড়ুন: বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ
৬৬৭ দিন আগে
১৩ বছর পর কেন্দ্রীয় কার্যালয় খুলল জামায়াতে ইসলামী
দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে বন্ধ থাকার পর রাজধানীর বড় মগবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ফটক খোলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান দলীয় নেতাদের নিয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘২০১১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আমরা এই জায়গাটি (কেন্দ্রীয় কার্যালয়) ছেড়ে যাই। তবে দীর্ঘ সময় পর আবার আমরা এখানে প্রবেশ করলাম।’
এদিন হেফাজতে ইসলামী নেতা মামুনুল হকসহ দলটির নেতারাও এ কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
তাদের ইঙ্গিত করে জামায়াত আমির বলেন, ‘তারাও কার্যালয় পরিদর্শনে এসে ভাঙচুরের প্রমাণ দেখেছেন।’
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমন করতে এসময় জাতিকে আহ্বান জানান জামায়াত আমির।
আরও পড়ুন: বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ
তিনি বলেন, ‘আজকে আমরা জাতিকে আহ্বান জানাব, আপনারা যেখানেই এসব দেখবেন সেখানেই কঠোর হাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন করুন। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, এ বিষয়ে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’
এসময় শফিকুর রহমান বলেন, পরিবর্তনের আগমনে কিছু সুবিধাবাদী দুর্বৃত্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে- শহর ও গ্রামে বহু সরকারি স্থাপনা, প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছে।
যাদের বিবেক আছে, মানবতা আছে, তারা এসব করতে পারে না। এজন্য যারা বার বার এ ধরনের কাজ করছে, আমাদের সংগঠন তাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।
তিনি জানান, যেখানে মানুষ বিপদে পড়েছে, সেখানেই অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালনের জন্য তারা ইতোমধ্যে দেশের জনগণ ও তার দলের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তারা বাংলাদেশের একেকজন গর্বিত নাগরিক।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘এদেশে সব নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। এখানে সংখ্যালঘু নেই, সংখ্যাগুরুও নেই।’
আরও পড়ুন: রিজভী-খসরুসহ বিএনপি-জামায়াতের সহস্রাধিক নেতা-কর্মীর জামিন
অবিলম্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের আহ্বান
বক্তব্যকালে অবিলম্বে জনগণের সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দাবি জানান জামায়াত আমির। বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রপতিকে বলতে চাই, তিনি যেন অনতিবিলম্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে জনগণের সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেন।’
শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার প্রস্তাব দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা অবশ্যই এটি করতে পারে। কারণ পরিবর্তনটি তাদের আন্দোলনেরই ফলাফল।’
‘আমরা তাদের (শিক্ষার্থীদের) সম্মান করি। তাদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে’, বলেন এ রাজনীতিক।
৬৬৭ দিন আগে
বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বুধবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করবে বিএনপি।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার (৭ আগস্ট) দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করবে বিএনপি। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ শীর্ষ নেতারাও সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।
সমাবেশে সর্বস্তরের জনগণসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে যোগদানের জন্য বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অনুরোধ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রিজভী-খসরুসহ বিএনপি-জামায়াতের সহস্রাধিক নেতা-কর্মীর জামিন
৬৬৭ দিন আগে
শিক্ষার্থী-আন্দোলনকারীদের তারেক রহমানের অভিনন্দন
গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করায় শিক্ষার্থী-আন্দোলনকারীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (৫ আগস্ট) নিজের এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে একটি বার্তায় তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থী ও সমাজের সর্বস্তরের বিক্ষোভকারীদের অভিনন্দন।’
আরও পড়ুন: রাজপথ থেকেই ঘোষণা করা হবে চূড়ান্ত বিজয়: আসিফ মাহমুদ
তারেক বলেন, শেখ হাসিনার পদত্যাগ জনগণের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে এবং দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে জনগণের সাহস নৃশংসতাকে পরাস্ত করতে পারে। এটি আগামী প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, এই ঐতিহাসিক দিনে বিক্ষোভকারীদের নিঃস্বার্থ ন্যায়বিচার বোধ ও দেশের মানুষের প্রতি ভালবাসা জয়ী হয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, 'আসুন সবাই মিলে বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও উন্নত দেশ হিসেবে পুনর্গঠন করি, যেখানে সব মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকবে।'
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে পুলিশ-আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ, নিহত ৬
‘শান্ত থাকুন’: দেশবাসীর প্রতি ফখরুলের আহ্বান
৬৬৮ দিন আগে