রাজনীতি
কোটা আন্দোলন: শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চান জিএম কাদের
কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় ৬ শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের।
বুধবার (১৭ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।
শোকবার্তায় তিনি নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
আরও পড়ুন: বায়তুল মোকাররমের সামনে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ
তিনি বলেন, কোটা সংস্কারে শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক। সরকারকে এই যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে হবে।
জিএম কাদের বলেন, ‘রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র আবু সাঈদ শান্তিপূর্ণ অহিংস আন্দোলন করছিল। পুলিশ তাকে নির্মমভাবে গুলি করে। এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞের ভিডিও বিশ্ববাসী দেখেছে।’
তিনি বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। একইসঙ্গে নিহতদের পরিবারকে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’
এসময় সহিংসতায় আহত শিক্ষার্থীদের যথাযথ চিকিৎসার দাবিও জানান জাপা প্রধান।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘর্ষ, আহত ১৩
৬৮৭ দিন আগে
বায়তুল মোকাররমের সামনে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ
সরকারি চাকরিতে প্রবেশে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের চলমান আন্দোলনের মাঝেই রাজধানীতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে বিএনপি নেতা-কর্মীরা।
বুধবার (১৭ জুলাই)- জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে এ সংঘর্ষ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থীদের জন্য বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে গায়েবানা জানাজা শেষে মিছিল বের করেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। এরপর পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়।
এসময় পুলিশ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘর্ষ, আহত ১৩
পুলিশি তৎপরতার মুখে দলটির নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন অলি-গলিতে অবস্থান নিয়ে প্রায় ২০ মিনিট ধরে পাথর ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করে।
এর আগে, কড়া নিরাপত্তা ও পুলিশি বাধা সত্ত্বেও বায়তুল মোকাররম মসজিদে গায়েবানা জানাজায় যোগ দেন বিএনপিসহ দলটির যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী।
বুধবার বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সরকার সমস্যার সমাধান করতে পারত। কিন্তু পরিস্থিতি সংঘাত ও সহিংসতার দিকে ঠেলে দিয়ে শিক্ষার্থীদের হত্যা করা হয়েছে।
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবি ‘ন্যায্য’ উল্লেখ করে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
ফখরুল বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিএনপি সমর্থন দেওয়ায় পুলিশ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বোমা ও লাঠিসোঁটা রেখে অভিযানের নামে নাটক করছে।
শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন: সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নিহত শিক্ষার্থীদের জানাজায় পুলিশ দলটির নেতা-কর্মীদের অংশ নিতে বাধা দিয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
তার ভাষ্যে, এদিন দুপুরের পর থেকে বায়তুল মোকাররমের আশপাশে পুলিশ অবস্থান নেয় এবং বিএনপি নেতা-কর্মীদের মসজিদে যেতে বাধা দেয়। এসময় তাদের অনেককে আটকও করা হয়। জানাজার আগে-পরে দলটির নেতা-কর্মীদের পুলিশ মারধর করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে বুধবার সারা দেশে গায়েবানা জানাজা করার ঘোষণা দেন মির্জা ফখরুল।
সেদিন সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি।
আরও পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ
৬৮৭ দিন আগে
কোটা আন্দোলন: নিহতদের গায়েবানা জানাজা পড়বে বিএনপি-জোটের শরিকরা
কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে বুধবার সারা দেশে গায়েবানা জানাজার নামাজ পড়বেন বিএনপিসহ একই আন্দোলনে জড়িত অন্যান্য দলের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ছাত্রদলের
তিনি বলেন, বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
ফখরুল বলেন, একই দিনে সারা দেশে অনুরূপ কর্মসূচি পালন করা হবে।
আরও পড়ুন: দেশের মানুষকে কোটা আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান ফখরুলের
৬৮৮ দিন আগে
দেশের মানুষকে কোটা আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান ফখরুলের
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি পুনর্বহালের প্রতিবাদে সারা দেশে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে দেশবাসীসহ সকল রাজনৈতিক দলে প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এক আলোচনা সভায় কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলাকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্যতম ঘটনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘হাসপাতালের বেডে শুয়ে রক্তাক্ত শিক্ষার্থীরা তাদের রক্ষা করতে, তাদের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের আন্দোলনের সঙ্গে থাকার জন্য আমাদের আহ্বান জানাচ্ছে। এটাই বাংলাদেশের আবেদন... আমি মনে করি পুরো জাতির এই আহ্বানে সাড়া দেওয়া উচিত। সব রাজনৈতিক দলের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো।’
আরও পড়ুন: কোটা সংস্কার আন্দোলন: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী ও ভয়ানক শাসন থেকে মুক্তি পেতে দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে আন্দোলনে অংশ নিতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে হবে।
বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মশিউর রহমানের (যাদু মিয়া) জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার(১৬ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে ভাসানী অনুসারী পরিষদ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার তীব্র নিন্দা জানান ফখরুল। তিনি বলেন, 'গতকাল (সোমবার) এই সরকার যা করেছে, বাংলাদেশে এর আগে তা কখনো দেখিনি। ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারদের কখনো হাসপাতালে ঢুকে আহতদের ওপর হামলা করতে দেখিনি। এটা আমরা কখনো ভাবতে পারি না, এমনকি পাকিস্তান আমলেও না।’আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলন: চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংঘর্ষে তিনজন নিহত
তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডাররা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার কথা জাতিকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
ক্ষমতাসীন দলের বর্তমান নৃশংসতা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর চেয়ে কোনো অংশে কম নয় মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকার সাধারণ শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন দমনের জন্য তার সশস্ত্র ক্যাডারদের নামিয়েছে। ‘তারা (সরকার) ভয়াবহ দমন-পীড়ন চালিয়ে শিক্ষার্থীদের দমন করার চেষ্টা করছে।’
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ঐতিহ্য হারিয়ে এখন দেউলিয়া রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। ‘আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণভাবে তাদের তথাকথিত শক্তি এবং আমলা নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, যারা বাংলাদেশকে একটি সম্পূর্ণ ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।’
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলন: ঢাকা কলেজের পাশ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
৬৮৮ দিন আগে
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ছাত্রদলের
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির বিরুদ্ধে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এই ঘোষণা দেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান ছাত্রদল সভাপতি।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় যুবদলের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, ছাত্রদল নেতা গুলিবিদ্ধ
তিনি বলেন, ‘১৫ জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো দিন হিসেবে থাকবে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আজ (মঙ্গলবার) থেকে কোটা বাতিলের জন্য আন্দোলনকারীদের পাশে থেকে সর্বদা রাজপথে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করছে।’
একইসঙ্গে বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার মূল উৎস বর্তমান ‘ফ্যাসিবাদী ও অবৈধ’ সরকারকে উচ্ছেদ করে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনাভিত্তিক সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে এগিয়ে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান ছাত্রদল সভাপতি।
পাশাপাশি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ‘কটূক্তিমূলক’ বক্তব্য এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ ও পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বুধবার (১৭ জুলাই) দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে রাকিব বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলনের ব্যানারে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যেদিন থেকে আন্দোলন শুরু করেছে, সেদিন থেকেই ছাত্রদল তাদের পাশে আছে।’
তবে এই আন্দোলনের সঙ্গে ছাত্রদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই আন্দোলনে ছাত্রদল সম্পূর্ণভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে আছে। কিন্তু আন্দোলনের সঙ্গে আমাদের কোনো সাংগঠনিক তৎপরতা ও সম্পৃক্ততা নেই, যাতে কেউ ভিন্ন দিকে নিয়ে যেতে না পারে।’
রাকিব বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে ছাত্রদল কোনো কৃতিত্ব নিতে চায় না। আমরা চাই এই যৌক্তিক আন্দোলন একটি ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনুক। আমরাও চাই এই বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমে কোটা পদ্ধতি বিলুপ্ত হোক এবং শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ হোক।’
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসিরউদ্দিন নাছির বলেন, ‘বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নিষ্ঠুর ও নৃশংসভাবে হামলা চালিয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহত ছাত্রদেরও মারধর করেছে ছাত্রলীগ। এটা শুধু আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনই নয়, ফৌজদারি অপরাধও বটে।’
সংবাদ সম্মেলন শেষে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্রদল ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
আরও পড়ুন: চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের সমর্থন
ছাত্রদলের ২৬০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
৬৮৮ দিন আগে
সাধারণ শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের ওপর হামলার নিন্দা কাদেরের
কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই নিন্দা জানান।
ওবায়দুল কাদের বলেন,‘এই বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ রাজাকারদের পক্ষে কথা বলছে। এর পেছনে বিএনপি-জামায়াতের হাত আছে এটা স্পষ্ট।’
তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধকে টার্গেট করে যে কোনো আন্দোলনকে প্রতিহত করা হবে। ধৈর্য মানে নীরবতা নয় বলেও উল্লেখ করেন কাদের।
তিনি বলেন, ‘কোটা আন্দোলনের পেছনে ষড়যন্ত্রকারী চক্র রয়েছে। অতীতে বিএনপি রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেছে। তারা অগ্নিসন্ত্রাস করেছে। কিন্তু তাদের আন্দোলনে সাড়া মেলেনি। জনগণের শক্ত অবস্থানের কাছে তারা পরাজিত হয়েছে।’
আরও পড়ুন: কোটাবিরোধী আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, ‘তারেক রহমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছেন। তার দল বিএনপি প্রকাশ্যে এতে সমর্থন দিয়েছে। তারা একটি অরাজনৈতিক ইস্যুকে রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করছে। তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে কোটা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃত করছে। কোটা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িতদের প্রধানমন্ত্রী রাজাকার বলেননি।’
মন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলনে যোগ দিতে বাধ্য করছে। গতকাল বিনা উসকানিতে তারা সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে ছাত্রলীগের অন্তত ৫০০ নেতাকর্মী আহত ও দুই নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হন। অপপ্রচারের জন্য ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতার ভুয়া ছবি বিভিন্ন পেজে ছড়িয়ে পড়ছে।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, কোটা সংস্কারের বিষয়টি আদালতের বিষয়। আদালতের বাইরে বল প্রয়োগ বা অন্য কোনো উপায়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার উপায় বা সুযোগ নেই।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারের বক্তব্যেরও নিন্দা জানান ওবায়দুল কাদের। অন্য দেশের গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলার আগে আয়নায় নিজেদের দেখা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলনে বিএনপি-জামায়াতের ভূমিকা উন্মোচিত হয়েছে: ওবায়দুল কাদের
৬৮৮ দিন আগে
কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের ক্যাডারদের লেলিয়ে দেওয়ায় সরকারের নিন্দা ফখরুলের
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের 'ক্যাডার' ও পুলিশকে যারা লেলিয়ে দিয়েছে তারা মানবতা বিবর্জিত।
সোমবার(১৫ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাবিতে 'ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের' হামলায় ২৫০ শিক্ষার্থী আহত
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘যারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে মিলে শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংসভাবে হামলা চালায় তারা মানবতাবিরোধী ও অমানবিক। যারা দুর্নীতি ও সহিংসতায় লিপ্ত তারা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলন নিয়েও সন্দিহান।’
তিনি বলেন, লুটপাটের আদর্শে পরিচালিত সরকারের মাধ্যমে কখনো জনগণের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। ‘তাই সম্মিলিত কণ্ঠকে স্তব্ধ করতে তারা চরম বর্বরতার আশ্রয় নিয়েছে। কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ছাত্রলীগের ক্যাডারদের কাপুরুষোচিত হামলার ও ঘৃণ্য ঘটনার জন্য আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
বিএনপি মহাসচিব আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করেন।
তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের যৌক্তিক ও ন্যায্য দাবিতে রাজধানীসহ সারাদেশে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনে সরকার উদ্বিগ্ন ও মরিয়া হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন: চবি-ষোলশহরে কোটাবিরোধী ছাত্রদের উপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ, আহত ১০
তিনি আরও বলেন, ‘তাই আন্দোলন দমনের জন্য রাষ্ট্রশক্তিকে এখন নির্দয়ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এটাই আওয়ামী ফ্যাসিবাদের চিরাচরিত বৈশিষ্ট্য।’
তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান আওয়ামী সরকার কোটা ইস্যুতে প্রতিনিয়ত সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। ‘কারণ মানুষকে ধোঁকা দেওয়া আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য। অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ২০১৮ সালে কোটা বাতিল করে ভিন্ন পদ্ধতিতে তা পুনর্বহাল করেছেন।’
ফখরুল অভিযোগ করেন, সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিকে রক্তাক্ত করার মাধ্যমে দমন করার চেষ্টা করছে। ‘তাদের হাতে জনগণ, রাষ্ট্র, সমাজ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব কখনো নিরাপদ নয়।’
তিনি বলেন, ‘ক্ষমতাসীন আওয়ামী মহল ভয়ংকর দমন-পীড়নের মাধ্যমে দেশের জনগণকে চুপ করিয়ে দিতে চায়। সাধারণ ছাত্রদের চলমান আন্দোলন দমনের মনোভাব আওয়ামী সরকার যেমন গ্রহণ করেছে, তেমনি গণতন্ত্রপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলনের ওপর স্টিমরোলার চালাচ্ছে। তাই এ ধরনের পৈশাচিক কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্ত্রাসীদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।’
আরও পড়ুন: কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার নিন্দা বিএনপির
৬৮৯ দিন আগে
কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার নিন্দা বিএনপির
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, 'তারা (শিক্ষার্থীরা) তাদের দাবি নিয়ে সফলভাবে আন্দোলন করে যাচ্ছে। যারা আন্দোলন করছেন তাদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজন রয়েছে এবং সবাই ন্যায্য সমাধানের অপেক্ষায় আছেন।’
সরকারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শরিক গণঅধিকার পরিষদের একাংশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকার সমাধান খোঁজার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ সরকার সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ডুবাচ্ছে: আমীর খসরু
তিনি বলেন, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা ও তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
বিক্ষোভকারীদের রাজাকার স্লোগান সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে খসরু বলেন, শিক্ষার্থীরা বোঝাতে চেয়েছে তাদের অধিকার আদায় করতে গিয়ে তাদের রাজাকার হিসেবে দেখানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার ষড়যন্ত্রের কথা বলে, বিএনপির উসকানি দিয়ে এবং আন্দোলনকারীদের স্বাধীনতাবিরোধী ও রাজাকার হিসেবে চিহ্নিত করে শিক্ষার্থীদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছে।
বিএনপি নেতা অভিযোগ করেন, সরকার দীর্ঘদিন ধরে রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ও ষড়যন্ত্রের কথা বলে গোটা জাতিকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে।
তিনি বলেন, 'এসব বিষয়কে পুঁজি করার কোনো সুযোগ নেই। এটা নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এমনটাই বলছেন তারা। নতুন প্রজন্ম এই বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে এগুলোকে (রাজাকার ট্যাগ) পুঁজি করে কেউ মানুষের অধিকার কেড়ে নিতে পারবে না।’
খসরু বলেন, বর্তমান ফ্যাসিবাদী ও দখলদার সরকার দেশের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ নয় বলেই কোটা সংস্কার সমস্যার সমাধান করছে না।
আরও পড়ুন: চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের সমর্থন
বিএনপি মনে করে, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ একটি নির্বাচিত সরকার থাকলে খুব সহজেই এ সমস্যার ন্যায্য সমাধান পাওয়া যেত।
গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ফারুক হাসানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে খসরু ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর সঙ্গে বৈঠক করেন।
এছাড়া গত চার দিন ধরে ১২ দলীয় জোট, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, এনডিএ, গণফোরাম, বাংলাদেশ পিপলস পার্টি, এলডিপি এবং গণঅধিকার পরিষদের আরেকটি অংশের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে তাদের ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে ধাবিত করার অপচেষ্টা করছে সরকার: মির্জা আব্বাস
৬৮৯ দিন আগে
কোটা আন্দোলনে বিএনপি-জামায়াতের ভূমিকা উন্মোচিত হয়েছে: ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রকৃত স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন,তারা পুরো ছাত্রসমাজকে সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে।
সোমবার (১৫ জুলাই) বিকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে কোনো জনদুর্ভোগ সরকার সহ্য করবে না। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, 'যে কোনো অশুভ শক্তিকে দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে।’আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করবেন না, কোটা সমাধান আদালতের মাধ্যমেই হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এই আন্দোলনে বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী দলগুলোর সম্পৃক্ততা ও প্রকাশ্য সমর্থন রয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, 'আমরা দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ করেছিলাম কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকারবিরোধী আন্দোলনের ছদ্মবেশ ধারণ করছে। গতকাল রাতে তাদের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী স্লোগানের মধ্য দিয়ে তা স্পষ্ট হয়েছে।’
মন্ত্রী আরও বলেন,বিচার বিভাগীয় বিবেচনাধীন বিষয়ে মতামত প্রকাশ আদালত অবমাননার শামিল। রাজাকার পরিচয় সম্পর্কিত স্লোগানকে জাতীয় মৌলিক মূল্যবোধের অবমাননা বলে নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে স্বঘোষিত রাজাকারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’
আরও পড়ুন: কোটাবিরোধী আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৬৮৯ দিন আগে
কোটাবিরোধী আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করে কোটাবিরোধী আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী, সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, ‘সরকার কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে দেবে না।'
সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, রবিবার রাতে কোটা আন্দোলন থেকে রাষ্ট্রবিরোধী শ্লোগান দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। সেই দেশে রাজাকারের পক্ষে শ্লোগান দেওয়া রাষ্ট্রবিরোধী। একইসঙ্গে সেখানে সরকারবিরোধী, প্রধানমন্ত্রীবিরোধী শ্লোগানও দেওয়া হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে, কোটা আন্দোলনে রাজনৈতিক অপশক্তি ঢুকেছে, বিএনপি-জামাতসহ যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারা ঢুকেছে এবং তাদের পরিকল্পিত (প্ল্যান্টেড) কিছু মানুষ এর নেতৃত্ব দিচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'তাদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ শ্লোগান ও বক্তব্যে এটা প্রমাণিত যে এটা কোটাবিরোধী আন্দোলন নয়, এটিকে রাষ্ট্রবিরোধী, সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছু নেতা, বিএনপি-জামায়াত ও অন্যরা সেখানে ইন্ধন দিচ্ছে।'
ড. হাছান এ বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আদালতে বিচারাধীন কোনো বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। আদালত বিষয়টি নিষ্পত্তির পর যেভাবে নির্দেশনা দেবে সরকারকে সেভাবে কাজ করতে হবে। আপনারাসহ যারা আইন, সংবিধান জানেন, তারা সবাই এটি বোঝেন। অথচ তারপরও এই আন্দোলন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের সরকার অনেক শক্তিশালী সরকার। কোনো রাজনৈতিক অপশক্তিকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সেন্টিমেন্টকে নিয়ে খেলা করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেওয়া হবে না।'
এর আগে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসেফ ঈসা আল দুহাইলান মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এ বিষয়ে মন্ত্রী হাছান সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে সৌদি আরবের সঙ্গে আমাদের ফরেন অফিস কনসালটেশনের অগ্রগতি, চাকুরি নিয়ে সৌদি আরব যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদেরকে প্রতারণা থেকে রক্ষায় বাংলাদেশ-সৌদি আরবের যৌথ টাস্কফোর্স, সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের নিজ নামে ব্যবসা নিবন্ধন, চট্টগ্রামের মিরের সরাইয়ে ৩০০ একর জমিতে সৌদি বিনিয়োগসহ দেশের অর্থনৈতিক খাতে সৌদি সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
৬৮৯ দিন আগে