রাজনীতি
দলকে সুসংগঠিত করুন, ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে জনগণের আস্থা অর্জন করুন: দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী
সব ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য সুসংগঠিত দল গঠনে কাজ করতে দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে প্রত্যেক নেতাকর্মীর কাছে আমি আহ্বান জানাই। সংগঠন শক্তিশালী হলে এবং জনগণের সমর্থন আদায় করতে পারলে সব ধরনের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা সম্ভব।’
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২১-২২ জুনের রাষ্ট্রীয় সফরসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ভারতের
রবিবার (২৩ জুন) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, অনেক দুঃখ-কষ্ট ও বারবার আঘাত উপেক্ষা করে কঠোর পরিশ্রম দিয়ে সংগঠনকে সমুন্নত রেখেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
জনগণই ক্ষমতার প্রধান উৎস উল্লেখ করে তাদের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে দলের লোকদের প্রতি আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছে বলেই জনগণ তার দলকে বারবার ভোট দিয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকায় আজকে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বিভিন্ন খাতে তার সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বাংলাদেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণ তার দলের প্রতি আস্থা রেখেছিল বলেই ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একাই ২৩৩টি আসন লাভ করে।
তিনি বলেন, ‘এরপর বাংলাদেশের মানুষকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এটি ছিল বাংলাদেশিদের এগিয়ে যাওয়ার পালা।’
২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সফলভাবে দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তর করেছেন বলে যুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
আওয়ামী লীগ দারিদ্র্যের হারও কমিয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, 'আমরা জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি বলেই আজকের বাংলাদেশ বিশ্বে মর্যাদা অর্জন করেছে।’
বিভিন্ন সেক্টর ও সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থানের চিত্র তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি ২০০৬ সালে বিএনপি শাসনের অবসান এবং আওয়ামী লীগের বর্তমান সরকারের মধ্যে তুলনা করেন।
তিনি বলেন, দারিদ্র্যের হার ২০০৬ সালের ৪১ শতাংশ থেকে বর্তমানে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশে এবং চরম দারিদ্র্যের হার ২৫ দশমিক ১ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ৬ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইনশা-আল্লাহ বাংলাদেশে কোনো হতদরিদ্র থাকবে না।’
অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও বক্তব্য রাখেন।
এর আগে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।
উদ্বোধনকালে পায়রা ও বেলুন ওড়ান শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের।
এসময় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আওয়ামী লীগের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিলের সঞ্চালনায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের নেতারা এবং বিদেশি কূটনীতিকরা।
আরও পড়ুন: ভারতে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে শনিবার রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জয়শঙ্করের সাক্ষাৎ, পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা
৭১১ দিন আগে
তিস্তা চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ফখরুল
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদ্য সমাপ্ত ভারত সফর নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের স্বার্থের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
রবিবার এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বর্তমান সরকারকে অবৈধ ও দখলদার আখ্যা দিয়ে তাদের সম্পদ বিক্রি করে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করার অভিযোগ তোলেন তিনি।
তিনি বলেন, 'জনগণের অনির্বাচিত তথাকথিত প্রধানমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে ১০টি চুক্তি সই করেছেন। আমরা লক্ষ্য করেছি, এগুলো মূলত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)।
ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, এর আগে বলা হয়েছিল যে ভারত আরও চুক্তি সই করবে এবং ভারতে প্রযুক্তিগত দল পাঠানো হবে। কিন্তু আমাদের সমস্যা সমাধানে কোনো চুক্তি সই হয়নি। আমরা তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা পাচ্ছি না, তবে এ বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি।
তিনি আরও বলেন, তিস্তা চুক্তি সইয়ের পরিবর্তে ভারত বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের তিস্তা নদী সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে অংশগ্রহণ এবং শিগগিরই এখানে একটি কারিগরি দল পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'আমাদের প্রশ্নটি স্ফটিকের মতো পরিষ্কার, যেহেতু আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা নদীর পানি সুষ্ঠু বণ্টনের দাবি জানাচ্ছি। আমরা ভারতের সঙ্গে প্রতিটি অভিন্ন নদী থেকে জলের ন্যায্য হিস্যা চাই। এটা আমাদের অধিকার, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।'
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের পানি সমস্যা সমাধানে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তারা (সরকার) ভারতের আজ্ঞাবহ হয়ে পড়েছে।
সরকার ভারত ছাড়াও অন্য প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি আজ্ঞাবহ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে বলে অভিযোগ করেন ফখরুল।
তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে বুলেট আসছে, তারপরও তারা তার জবাব দিতে পারছে না। এই অপদার্থ আজ্ঞাবহ শাসন আমাদের বুকের ওপর ভারী হয়ে আছে।’
রবিবার (২৩ জুন) দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করে দেশব্যাপী দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি।
উল্লেখ্য, ভারতে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে শনিবার দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে শুক্রবার নয়াদিল্লি যান তিনি।
সফরের দ্বিতীয় দিনে, ঢাকা ও নয়াদিল্লি ১০টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে, যার মধ্যে সাতটি নতুন এবং তিনটি প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে আরও সংহত করতে পুনর্নবায়ন করা হয়েছে।
৭১১ দিন আগে
উন্নত চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুশয্যায় খালেদা: ফখরুল
বিদেশে প্রয়োজনীয় উন্নত চিকিৎসার অভাবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মৃত্যুশয্যায় রয়েছেন বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ইচ্ছাকৃতভাবে খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করেছেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, 'এটা আমাদের দুর্ভাগ্য যে, আমাদের নেতা খালেদা জিয়া কোনো (প্রয়োজনীয়) চিকিৎসা (বিদেশে) না পেয়ে মৃত্যুশয্যায় সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন।’
তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান 'জালিম ফ্যাসিবাদী' সরকারের প্রতিহিংসার কারণে বিএনপি চেয়ারপারসন দীর্ঘদিন কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন ফখরুল
ফখরুল বলেন, ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট মামলায় তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। তাকে বাড়িতে থাকতে দেওয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে তিনি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ ও বন্দি রয়েছেন।’
তিনি বলেন, পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু সেখানে তার কোনো চিকিৎসা করা হয়নি।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘তিনি বারবার অভিযোগ করলেও সরকার কর্ণপাত করেনি এবং চিকিৎসাসেবা দেয়নি। পরে যখন তাকে (কারা কর্তৃপক্ষ) হাসপাতালে পাঠায়, সেখানেও তার কোনো সুচিকিৎসা হয়নি।’
তিনি বলেন, সরকার খালেদা জিয়াকে গুলশানে তার বাসায় থাকার অনুমতি দিয়েছে এই শর্তে যে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না এবং অবশ্যই স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিতে হবে।
তিনি বলেন, 'এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ড বারবার বলে আসছে, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) অসুস্থতার চিকিৎসা বাংলাদেশে সম্ভব নয়। তার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য উন্নত দেশের একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি হাসপাতালে তার চিকিৎসা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার পরিবার, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিদেশি মিশন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বিদেশে বিশেষায়িত চিকিৎসা সুবিধায় তার চিকিৎসার অনুমোদনের জন্য সরকারের কাছে অব্যাহতভাবে আবেদন করেছে।
বিএনপি নেতা অভিযোগ করেন, 'কিন্তু শেখ হাসিনা তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়াকে হত্যা এবং রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য উন্নত চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছেন।’
দেশব্যাপী দলের কর্মসূচির অংশ হিসেবে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি।
এর আগে শনিবার রাতে দলের সব মহানগর ও জেলা ইউনিটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে রবিবার দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হবে।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে গুলশানের নিজ বাসভবন 'ফিরোজা'য় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে খালেদা জিয়াকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে একটি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা শুরু হয়।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।
২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বেশ কয়েকবার হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
২০২১ সালের নভেম্বরে খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস ধরা পড়ার পর থেকে তার চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে আসছিলেন।
গত বছরের ২৬ অক্টোবর খালেদা জিয়ার পেট ও বুকে পানি জমে যাওয়া এবং লিভারে রক্তক্ষরণ বন্ধে ট্রান্সজুগুলার ইন্ট্রাহেপ্যাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট (টিপস প্রসিডিউর) নামে পরিচিত হেপাটিক অপারেশন সম্পন্ন করেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
আরও পড়ুন: সেন্টমার্টিন পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের নীরব ভূমিকার সমালোচনা ফখরুলের
৭১১ দিন আগে
দেশব্যাপী নানা আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে আ. লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
দেশব্যাপী নানা আয়োজনে ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে দেশের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
রবিবার সকালে দিনটি উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করেন।
আরও পড়ুন: আ. লীগের হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এর আগে বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
ভোরে কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
বিকাল ৩টায় ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া বিকালে রবীন্দ্র সরোবরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং হাতিরঝিলে নৌকা বাইচ ও সাইকেল র্যালি অনুষ্ঠিত হবে।
আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের একটি প্রতিনিধি দল আজ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানাবেন।
১৯৪৯ সালের এই দিনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। যা পরবর্তীকালে স্বাধীনতা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার মধ্যে দিয়ে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে রূপান্তরিত হয়।
আরও পড়ুন: সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী
৭১১ দিন আগে
গ্রামাঞ্চলে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে আশঙ্কা সংসদ সদস্যের
অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের কারণে নতুন প্রজন্ম পঙ্গু হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ও ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।
শনিবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
সরকার রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অ্যাপ তৈরি করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে মোবাইল টাওয়ার নিষ্ক্রিয় করতে পারে কি না, সে বিষয়ে পরামর্শ দেন কুমিল্লা-৭ আসনের এই সংসদ সদস্য।
তিনি বলেন, ‘মোবাইল টাওয়ার ফ্রিল্যান্সিং ছাড়া অন্য কোনো কাজে বা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বিকল্প পথ হিসেবে কেন ব্যবহার করা হয় না- সেটিও আমাদের খতিয়ে দেখা উচিত।’
আরও পড়ুন: ৫ সদস্যের জাতীয় সংসদের প্যানেল সভাপতি মনোনীত
তা না হলে ১০ বছর বয়স থেকে শুরু করে তার রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, সবাই কানে কম কথা শোনার অভিযোগ করছেন বলে জানান প্রাণ গোপাল দত্ত।
তিনি আরও বলেন, মানুষ অভিযোগ করছে যে তারা শুনতে পারছে না, তারা পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে পারছে না। তাই এমন কিছু উদ্ভাবন করা উচিত যাতে আমাদের তরুণ প্রজন্ম রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত এই প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকে।
এই সংসদ সদস্য বলেন, স্বাস্থ্য খাত সবচেয়ে ব্যয়বহুল খাত যেখানে পরীক্ষা, গবেষণা, চিকিৎসা সরঞ্জামের খরচ আকাশচুম্বী।
নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের উদ্ধৃতি দিয়ে দত্ত বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা সরকারি খাতের হাতে থাকা উচিত।
তিনি বলেন, 'এখন এটা (শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা) সারা বিশ্বে পণ্যে পরিণত হয়েছে। সেক্ষেত্রে টাকা থাকলে চিকিৎসা হবে, টাকা না থাকলে চিকিৎসা পাবেন না। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের দেখাশোনা করার কেউ নেই।’
চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নে চিকিৎসকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষণা, আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব করেন তিনি।
আরও পড়ুন: নিরাপদ খাদ্যে বিশেষ নজরদারির আহ্বান সংসদীয় কমিটির
৭১২ দিন আগে
খালেদার দ্রুত সুস্থতা কামনায় রবিবার সারাদেশে দোয়া মাহফিল করার ঘোষণা বিএনপির
কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে আগামী রবিবার ঢাকাসহ সারাদেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করবে বিএনপি।
শনিবার(২২ জুন) সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। আমাদের দলের নেতাকর্মীরা সবাই এখন খুবই দুঃখিত। আমরা সবসময় তার সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে মহানগর ও জেলা বিএনপি দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করবে।
বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।
রিজভী বলেন, কর্মসূচিতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতারা অংশ নেবেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি অভিযোগ করেন, খালেদা জিয়ার প্রতি সরকার অমানবিক আচরণ করছে।
আরও পড়ুন: গভীর রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি
রিজভী বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে না দিয়ে বর্তমান সরকার বিএনপি প্রধানের মানবাধিকার হরণ করছে।
তিনি বলেন, দেশে যদি আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকবে এমন একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সরকার থাকত, তাহলে এমনটি হতো না।
খালেদা জিয়া রাত সাড়ে ৩টার দিকে গুলশানে নিজ বাসভবন 'ফিরোজা'য় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তাকে দ্রুত সিসিইউতে ভর্তি করা হয়, যেখানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু করা হয়।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান অবস্থা ও চিকিৎসা নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং কিডনি, ফুসফুস, হার্ট এবং চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।
২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বারবার হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
২০২১ সালের নভেম্বরে খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস ধরা পড়ার পর থেকে তার চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে আসছিলেন।
গত বছরের ২৬ অক্টোবর খালেদা জিয়ার পেট ও বুকে পানি জমে যাওয়া ও লিভারে রক্তক্ষরণ বন্ধে ট্রান্সজুগুলার ইন্ট্রাহেপ্যাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট (টিআইপিএস পদ্ধতি) নামে পরিচিত হেপাটিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন ফখরুল
৭১২ দিন আগে
খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।
শনিবার (২২ জুন) এভারকেয়ার হাসপাতালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এ সময় খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীকে দোয়া করার আহ্বান জানান।
দুপুর দেড়টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে খালেদা জিয়ার অবস্থা নিয়ে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
আরও পড়ুন: হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া
শনিবার ভোরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন। খালেদা জিয়ার আশঙ্কাজনক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসক ও নার্স ছাড়া সিসিইউতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ফখরুল বলেন, 'আমি দুপুর দেড়টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাই ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) দেখতে। তিনি সিসিইউতে আছেন। তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং চিকিৎসকরা তার কক্ষে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছেন।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানতে তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। ‘চিকিৎসকদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি, তার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।’
তিনি বলেন, তার চিকিৎসার পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের জন্য মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা সন্ধ্যায় আরেকটি বৈঠক করবেন।
তিনি জনগণের কাছে দোয়া চেয়েছেন জানিয়ে ফখরুল বলেন, 'ম্যাডামের দ্রুত আরোগ্যের জন্য সবাইকে দোয়া করার আহ্বান জানাচ্ছি। আল্লাহ তাকে সুস্থতা দান করুন।’
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, মির্জা ফখরুল হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, 'ম্যাডাম সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। চিকিৎসা চলছে।’
খালেদা জিয়া রাত সাড়ে ৩টার দিকে গুলশানে নিজ বাসভবন 'ফিরোজা'য় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: গভীর রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি
তাকে দ্রুত সিসিইউতে ভর্তি করা হয়, যেখানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু করা হয়।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান অবস্থা ও চিকিৎসা নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন।
গত ১ মে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যান খালেদা জিয়া। ওই সময় চিকিৎসকরা তাকে সিসিইউতে দুই দিন চিকিৎসা দেন।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং কিডনি, ফুসফুস, হার্ট এবং চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।
২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বারবার হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
২০২১ সালের নভেম্বরে খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস ধরা পড়ার পর থেকে তার চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে আসছিলেন।
গত বছরের ২৬ অক্টোবর খালেদা জিয়ার পেট ও বুকে পানি জমে যাওয়া ও লিভারে রক্তক্ষরণ বন্ধে ট্রান্সজুগুলার ইন্ট্রাহেপ্যাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট (টিআইপিএস পদ্ধতি) নামে পরিচিত হেপাটিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
আরও পড়ুন: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন নেতারা
৭১২ দিন আগে
গভীর রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে শুক্রবার দিবাগত রাতে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘চিকিৎসকের পরামর্শে ম্যাডামকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
তিনি বলেন, রাত ৩টা ৫ মিনিটে বিএনপি চেয়ারপারসনকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সাড়ে ৩টার দিকে তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করা হয়।
আরও পড়ুন: হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া
গত ১ মে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যান খালেদা জিয়া। ওই সময় চিকিৎসকরা তাকে সিসিইউতে রেখে ২ তার চিকিৎসা করেন।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগের সঙ্গে লড়াই করছেন।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়াকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর
৭১২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী দিল্লি থেকে এবার কী নিয়ে আসেন তা দেখার অপেক্ষায় মানুষ: ফারুক
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, এবার দিল্লি থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কী নিয়ে আসেন তা দেখার জন্য দেশবাসী অপেক্ষা করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এই সরকারের সঙ্গে জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে ও উপজেলা নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে বাংলাদেশের জনগণ প্রমাণ করেছে যে তারা তারেক রহমানের পক্ষে আছে।’
শুক্রবার (২১ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী নাগরিক পরিষদ আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে এসব কথা বলেন এই বিএনপি নেতা।
আরও পড়ুন: আ.লীগ সরকার জনবান্ধব নয়, ব্যবসায়ীবান্ধব : বিএনপি নেতা ফারুক
বাংলাদেশের মাটিতে ভারত সরকারের রেলপথ নির্মাণের প্রতিবাদে এই সমাবেশ আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের এই সদস্য বলেন, আবারও ভারত যাচ্ছেন 'ডামি' নির্বাচনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী হওয়া শেখ হাসিনা।
ফারুক বলেন, ‘দেখা যাক এবার তিনি কী নিয়ে আসেন। কিন্তু তিনি যদি খালি হাতে ফিরে আসেন, জনগণ তাকে ক্ষমা করবে না। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে উঠবে।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ২ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার ভারতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সংসদের সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ফারুক বলেন, বন্ধু হিসেবে ভারত বাংলাদেশের সবকিছু কেড়ে নিতে পারে না এবং অভিন্ন নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ গরিব হতে পারে, কিন্তু আমাদের আত্মসম্মান অনেক বেশি। কাজেই আমি আপনাদের (ভারত) জানাতে চাই যে, বাংলাদেশের সঙ্গে অভিন্ন নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা দিতেই হবে।’
পণ্য পরিবহনের জন্য ভারত যদি বাংলাদেশের ওপর দিয়ে রেলপথ নির্মাণ করে তাহলে দেশের জনগণ তা কখনোই মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন জয়নুল আবদিন ফারুক।
দিল্লির আগ্রাসন বাংলাদেশিরা মেনে নেবে না বলেও জানান তিনি। ফারুক বলেন, ‘আসুন সব ভেদাভেদ ভুলে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যোগ দিই।’
রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি, অর্থনীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার জন্য সরকারের সমালোচনা করেন ফারুক। তিনি বলেন, ‘এই সরকার লুটেরা ও দুর্নীতিবাজদের সরকার।’
আকস্মিক বন্যায় সিলেট অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে উল্লেখ করে ফারুক অভিযোগ করেন, সরকার একজন ব্যক্তিকে খুশি করার জন্য কিশোরগঞ্জ হাওর এলাকায় মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক নির্মাণ করেছে, যা আজ বন্যা ও অসংখ্য মানুষের পানিবন্দি হওয়ার কারণ।
আরও পড়ুন: সরকারের সহায়তায় দেশ ছেড়েছেন বেনজীর: ফারুক
বারবার একতরফা নির্বাচন করে নিজেদের অস্তিত্ব বিপন্ন করছে আওয়ামী লীগ: ফারুক
৭১৩ দিন আগে
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি-গ্রামে লোডশেডিংয়ের সরকারের নীতির সমালোচনা বিএনপির
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের গণবিরোধী নীতির কারণে ইউটিলিটি সার্ভিসসহ সব পণ্যের দাম বেড়েছে।
বুধবার (১৯ জুন) এক বিক্ষোভের বক্তব্যে তিনি তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে গ্রামাঞ্চলে জনদুর্ভোগের জন্য সরকারের সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, ‘সরকারের গণবিরোধী নীতির কারণে জ্বালানি, পানি ও বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। সব জিনিসপত্রের দামও অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।’
তিনি বলেন, যারা ঈদুল আজহা উদযাপন করতে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হন।
রিজভী আরও বলেন, ‘সরবরাহ কম থাকায় গ্রামাঞ্চলের মানুষ আইপিএস থেকে ব্যাকআপ বিদ্যুতও পান না। প্রতি দুই-তিন ঘণ্টা পর পর ১৫ থেকে ২০ মিনিটের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।’
ঈদের সময় ঢাকায় গ্যাসের ঘাটতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। যার ফলে মানুষ রান্নাবান্না ঠিকমতো করতে না পারে।
রিজভী আরও বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে কোরবানির পশুর মাংস নষ্ট হয়ে গেছে। ‘লোডশেডিংয়ের কারণে ফ্রিজ কাজ করছিল না, গ্যাস সংকটের কারণে চুলা জ্বালানো যাচ্ছিল না।’
কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ করেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আরও পড়ুন: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন নেতারা
'তথাকথিত' উন্নয়নের নামে কিছু ব্যক্তিকে লুটপাটের সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রিজভী।
তিনি দাবি করেন, একটি গোষ্ঠী সাধারণ গরিব মানুষের জমি ও সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই বলে থাকেন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় না দিতে, কিন্তু তার সরকার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশ ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বেনজীর পরিবার দেশের ভিতরে-বিদেশে কত টাকার মালিক হয়েছেন তা আমরা জানি না।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের রেল যোগাযোগ পরিকল্পনা নিয়ে বিএনপির উদ্বেগ
৭১৫ দিন আগে