রাজনীতি
আবু সাঈদদের আমানত জীবন দিয়ে হলেও রক্ষা করব: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শহিদ আবু সাঈদেরা জীবন দিয়ে দেশের যে আমানত আমাদের হাতে তুলে দিয়ে গেছেন, সেই আমানত রক্ষায় প্রয়োজনে আমরাও জীবন দিতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, ‘তাদের প্রত্যাশা ছিল একটি দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক স্বাধীন বাংলাদেশ গড়া। আমাদের নিজস্ব কোনো স্বপ্ন নেই, তাদের স্বপ্নই আমাদের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্যই আমরা ঐক্য গড়ে তুলেছি। সরকারে যেতে পারলে আবু সাঈদের সব স্বপ্নই আমরা পূরণ করব।’
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহিদ রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, দেশের এক ইঞ্চি জমির সম্মান কারও কাছে বন্ধক রাখা হবে না। যেভাবে আবু সাঈদেরা বুক পেতে দিয়েছিল, সেভাবেই বুক পেতে দিতে আমরা প্রস্তুত।
কবর জিয়ারত শেষে আবু সাঈদের বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান ডা. শফিকুর রহমান। তিনি আবু সাঈদের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, শহিদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জামায়াতে ইসলামী কাজ করে যাবে।
‘কঠিন সময়, দমন-পীড়ন কিংবা সংকট—কোনো পরিস্থিতিতেই জনগণকে ছেড়ে যায়নি জামায়াতে ইসলামী; ভবিষ্যতেও যাবে না’—এমন অঙ্গীকার ব্যক্ত করে জামায়াত আমির বলেন, জীবন চলে গেলেও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, কঠিন সঙ্কটেও আমরা আপনাদের ছেড়ে যাইনি, পালিয়ে যাইনি। পরিস্থিতি যেমনই হোক, জনগণের পাশেই থাকব।
আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে জামায়াত আমির তার সফরের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু করেন।
এরপর গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় সকাল ১০টায় আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেন তিনি।দুপুর ১২টায় বগুড়া শহর এবং দুপুর আড়াইটায় বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। এরপর সিরাজগঞ্জ শহরে বিকেল সাড়ে ৩টায় এবং উল্লাপাড়া উপজেলায় বিকেল ৪টায় নির্ধারিত জনসভায় অংশ নেবেন শফিকুর রহমান।
সিরাজগঞ্জের কর্মসূচি শেষে পাবনা জেলায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় একটি সমাবেশে যোগ দিয়ে সফরের দ্বিতীয় দিনের নির্বাচনি প্রচারণা শেষ করবেন তিনি।
১৩১ দিন আগে
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন যশোর কারাগারের ১২৯ বন্দি
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন ১২৯ জন কারাবন্দি।
প্রথমবারের মতো কারাগারে থাকা বন্দিরা এই ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ১২৯ জন বন্দি ইতোমধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহম্মেদ।
গত ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর এই নিবন্ধন শেষ হয়।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্র জানায়, প্রথমে বিষয়টি বন্দিদের জানানো হলে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকা অথবা অন্যান্য কারণে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারেননি অনেকে। আবার কেউ কেউ জামিনে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় আবেদন করতে চাননি।
কারা সূত্র আরও জানায়, পোস্টাল ব্যালট হাতে পাওয়ার পর বন্দিরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। বন্দিদের নিজ নিজ নির্বাচনি আসনে কোন কোন প্রার্থী ও প্রতীকে নির্বাচন করছেন, সে তথ্য বুকলেট আকারে সরবরাহ করা হবে। এতে তারা প্রার্থী ও প্রতীক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
নিবন্ধিত বন্দিদের জন্য যথাযথভাবে ভোট প্রদানের পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। নির্ধারিত সময়ে নিবন্ধিত ভোটারদের জন্য নির্বাচন কমিশন পৃথকভাবে খাম পাঠাবে। প্রতিটি প্যাকেটে থাকবে ভোট প্রদানের নিয়মাবলি, স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত স্থান এবং ব্যালট পেপার। বন্দিরা ব্যালট পেপারে ভোট দিয়ে খাম সিল করবেন।
কারাগারের নির্ধারিত স্থানে বসেই তারা ভোট দেবেন। পরে ব্যালট পেপারের খাম ও স্বাক্ষরসহ কপিটি আরেকটি খামে ভরে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবেন। কারা কর্তৃপক্ষ সেগুলো পোস্ট অফিসে পাঠাবে এবং ডাক বিভাগ এক্সপ্রেস ব্যবস্থায় খামগুলো নির্বাচন কমিশনে পাঠাবে। এরপর নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার ভোটের সঙ্গে এগুলো যুক্ত করবে।
কারা সূত্র আরও জানায়, নিবন্ধিত বন্দিদের কেউ জামিনে মুক্তি পেলেও ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য তাকে কারাগারের ভেতরে নির্ধারিত বুথে উপস্থিত হয়ে ভোট দিতে হবে। ভোটপ্রদান শেষে তিনি পুনরায় কারাগার থেকে বের হবেন।
এ বিষয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহম্মেদ বলেন, নিবন্ধিত বন্দিদের ভোট প্রদানের জন্য কারা কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ বিষয়ে একটি টিমও গঠন করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে বন্দিদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আশেক হাসান বলেন, নির্বিঘ্নে ভোট প্রদানের জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। বন্দিরা যাতে সুষ্ঠুভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
১৩১ দিন আগে
বিএনপি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো কেউ নেই: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের উন্নয়ন একমাত্র ধানের শীষ করতে পারবে, আর কেউ করতে পারবে না। আমরা সেই জিয়ার সৈনিক, খালেদা জিয়ার সৈনিক। যাদের আপন ভেবে মানুষ কাঁদে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শোল্টোহরি বাজারে এক নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে তিনি এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন।
এ সময় সরকারে থাকাকালীন যে সকল উন্নয়ন করেছেন সেসব উন্নয়ন তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। বিএনপি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মত এখন আর কেউ নেই।
ভোটারদের সজাগ করে তিনি বলেন, ‘সামনের মাসে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে। একটা দল ভোট চাইতে আসছে আপনাদের কাছে। দাঁড়িপাল্লার কথা বলছে। তারা কখনো কি সরকারে গেছে? আপনাদের জন্য কোনো কাজ করেছে? করে নাই। আমরা কাজ করেছি। আমরা পরীক্ষিত দল। আপনাদের কাছে ভোট চেয়েছি। আপনারা ভোট দিয়েছেন। আমরা সরকারে গিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করেছি।’
বিএনপি মহাসচিব উপস্থিত ভোটারদের কাছে জানতে চান গত পনেরো বছরে আপনারা কি কেউ ভোট দিতে পেরেছেন? জবাবে ভোটাররা বলেন—পারিনি।
তিনি বলেন, ভোটের আগের রাতেই ভোট হয়ে গেছে। আবার কখনো ভোটটা নিয়ে চলে গেছে। এই ছিল গত পনেরো বছর। এখন একটা সুযোগ আসছে, আমাদের হাসিনা আপা চলে গেছে ভারতে। চলে গেছেন ভালো করছেন। কিন্তু যারা সমর্থন করতো তাদের বিপদে ফেলে গেছেন। আমরা বলছি যারা নিরপরাধ তাদের কেউ বিপদে পড়বেন না। আমরা আছি তাদের পাশে। যারা অন্যায় করেনি তাদের কোনো শাস্তি হতে দেব না।
তিনি আরও বলেন, আমি আমার এলাকার হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সকল ধর্মের মানুষ একসঙ্গে কাজ করি। আমাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করি। আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই। সবাইকে সমান নিরাপত্তা দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, কিছু লোক হিন্দু-মুসলিম ভাগ করতে চায়। কিন্তু আমাদের ভাগ করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা হিন্দু-মুসলিম একসঙ্গে বসবাস করি।
১৩২ দিন আগে
দেশ বিনির্মাণে ৩ শর্ত দিলেন জামায়াত আমির
জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তিন শর্তে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুল বড় মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ক্ষমতায় গেলে তিন শর্তে সবাইকে নিয়ে দেশ গড়বে জামায়াত। শর্তের মধ্যে রয়েছে দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান, স্বাধীন বিচার বিভাগ নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে থাকা। আর এক্ষেত্রে কোনো একক দল নয়, জনগণের প্রতিনিধিরা আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশ নেবে। এ সময় দুর্নীতি ও অপশাসনের কারণে উত্তরাঞ্চলের প্রকৃত উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ধুরন্ধররা উত্তরাঞ্চলের মানুষদের গরিব করে রেখেছে। দুর্নীতি ও দুঃশাসন না থাকলে উত্তরাঞ্চল কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী হতো। আগামীতে দেশ ইনসাফের ভিত্তিতে চললে কৃষক তার পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবে। সরকার গঠনের সুযোগ পেলে দেশের সবকটি জেলায় একটি করে মানসম্মত মেডিকেল কলেজ তৈরি করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এ সময় অসম্মানের ভাতা নয়, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান গড়ে তোলার কথাও বলেন জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, আমরা প্রতিটি ঘরকে এক একটা ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত করব। আর অনেকে বলেন বেকার ভাতা দেবেন, এটা অসম্মানের। আমরা বেকারদের জন্য ভাতা নয়, কর্মসংস্থান নিশ্চিত করব।
এ সময় জামায়াত আমির উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে বলেন, আপনারা বেকারভাতা চান— নাকি কর্মসংস্থান চান? সবাই হাত তুলে কর্মসংস্থান চান বলে সম্মতি দেন।
পরে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের ৩টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চান। সভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের জেলা আমির বেলালউদ্দিন আহমেদ। এর আগে, সূচি অনুযায়ী ঠাকুরগাঁও ছাড়াও পঞ্চগড় ও দিনাজপুরে সমাবেশ করেন জামায়াত আমির।
১৩২ দিন আগে
উত্তরবঙ্গকে কৃষি শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই : শফিকুর রহমান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের খাদ্য যোগানে উত্তরবঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার রাখলেও এ অঞ্চলকে ‘ইচ্ছে করে’ বঞ্চিত রাখা হয়েছে।
তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে উত্তরবঙ্গ গরিব নয়, গরিব করে রাখা হয়েছে; সেই বঞ্চনার সাক্ষী হতে এসেছি। সৎ মায়ের মতো উত্তরবঙ্গের সাথে আচরণ করা হয়েছে।’
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পঞ্চগড় জেলা চিনিকল মাঠে দশ দলীয় ঐক্যজোট আয়োজিত নির্বাচনি প্রচারণা সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা আগামী দিনে উত্তরবঙ্গে আর কোনো বেকার দেখতে চাই না। প্রত্যেক নাগরিককে দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে তৈরি করে গোটা উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানীতে রূপান্তর করতে চাই। বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করে শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে ফিরিয়ে আনা হবে।
তিনি বলেন, ‘উত্তরবঙ্গকে আগামীতে আমরা আর কাউকে পিছিয়ে রাখতে চাই না। আপনাদের সকলের হাতে মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে চাই। আমাদের প্রত্যেকটা যুবক-যুবতী, প্রত্যেকটা নাগরিককে আমরা দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে তৈরি করতে চাই।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘ভাই, আমাদের কাছে কোনো কার্ড নেই। আপনারা সবাই ভাইবোনেরা আমাদের কার্ড। আপনাদের বুকে আমরা একটা ভালোবাসার কার্ড চাই। আপনাদের সমর্থন, দোয়া ও ভালোবাসা দিয়ে আগামী দিনে বেকার এবং দায়–দয়ামুক্ত একটা বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাই। কারও দয়ার পাত্র হয়ে বাংলাদেশের কোনো এলাকার মানুষ বসবাস করবে, তা আমরা দেখতে চাই না।’
তিনি আরও বলেন, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় কেউ দয়া দেখাবে—এমন রাষ্ট্রব্যবস্থা আমরা চাই না, বরং যুবকদের হাতে শক্তি তুলে দিয়ে নারী-পুরুষ মিলেই দেশ গড়ার পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে।
উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এতদিন ‘টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া’ স্লোগান শোনা গেলেও বাস্তবে ভারসাম্য ছিল না।এবার ভারসাম্য রক্ষায় ‘তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ’ স্লোগানে কাজ করা হবে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মহান আল্লাহ উত্তরবঙ্গকে তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও করতোয়ার মতো চারটি বড় নদী দিয়েছেন, কিন্তু অব্যবস্থাপনা ও অবহেলায় আজ এসব নদী মরুভূমির মতো পড়ে আছে। যারা শুধু নির্বাচনের সময় মানুষের খোঁজ নেয়, পরে আর পাওয়া যায় না—তাদের সঙ্গে তৃণমূলের মানুষের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াতের আমির বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবার জন্য হন্যে হয়ে ছুটতে হয় রাজধানী ঢাকায়। এই সামর্থ্য সবার নেই, রাস্তায় অনেকের মৃত্যু হয়। এ অবস্থা আমরা আর দেখতে চাই না। আল্লাহ–তাআলা আমাদের দায়িত্ব দিলে ১৮ কোটি মানুষের ৬৪ জেলার কোথাও মেডিকেল কলেজবিহীন থাকবে না। পঞ্চগড়েও মেডিক্যাল কলেজ হবে, ইনশা আল্লাহ। মানসম্মত সেবা এখানেও নিশ্চিত করা হবে।’
তিনি বলেন, শহিদ পরিবার, জুলাইয়ের যোদ্ধা ও একাত্তরের বীরদের কাছে আমরা ঋণী। সরকার গঠনের সুযোগ পেলে সেই ঋণ পরিশোধের চেষ্টা করা হবে। আমরা দেশের মালিক হতে চাই না, আমরা সেবক হতে চাই।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা এই উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলাতে চাই। বুক ফুলিয়ে বলতে চাই, বদলে দেওয়ার জন্য পাঁচটি বছর সময় চাই, ইনশাআল্লাহ। আপনারা যখন আমাদেরকে ভালোবাসা দিচ্ছেন, তখনো পাশে এসে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা যদি কাজ করি, উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলে যাবে, ইনশাআল্লাহ।’
১৩২ দিন আগে
দেশের ভেতরে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে, সবাইকে সজাগ থাকতে হবে: তারেক রহমান
দেশের ভেতরের কোনো কোনো মহল ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা এদেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তারা যেভাবে ভোট ডাকাতি করেছিল, ঠিক একইভাবে সেই ষড়যন্ত্র আবার শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধ সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
সিলেটের সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে বিএনপির প্রথম নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই আহ্বান জানান।
সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের পর স্থানীয় জনসভায় ভাষণের মাধ্যমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রচারণা শুরু করেছে বিএনপি। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বহু মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে দেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে উপস্থিত লাখো জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, কিন্তু আমরা লক্ষ করছি, দেশের ভেতরের কোনো কোনো মহল ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। গত কয়েকদিনে পত্রপত্রিকা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসেছে—মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানো পোস্টাল ব্যালটগুলো কীভাবে ডাকাতি করা হয়েছে। যারা এদেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তারা যেভাবে আপনাদের ভোট ডাকাতি করেছিল, ঠিক একইভাবে সেই ষড়যন্ত্র আবার শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধ আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
তবে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশের মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে, জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে যেকোনো ষড়যন্ত্রকে তারা প্রতিহত করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, সবকিছুর মালিক আল্লাহ। অথচ নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দেব, ওই দেব বলছে। সেটা যদি তারা বলে, তাহলে শিরকি করা হচ্ছে। কাজেই আগেই আপনাদের ঠকাচ্ছে, নির্বাচনের পরে তাহলে আপনাদের কেমন ঠকানো ঠকাবে, বোঝেন এবার। তারা শুধু আপনাদের ঠকাচ্ছেই না, যারা মুসলমান তাদের শিরকি করাচ্ছে, নাউজুবিল্লাহ!
তিনি বলেন, কেউ কেউ বলে—অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি, এবার একে দেখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় অনেকের ভূমিকা আমরা দেখেছি। যাদের ভূমিকার কারণে এদেশের লাখ লাখ ভাইয়েরা শহিদ হয়েছে, এদেশের লাখ লাখ মা-বোনেরা সম্মানহানি হয়েছেন। কাজেই তাদের তো বাংলাদেশের মানুষ দেখেই নিয়েছে। এই কুফরি, হঠকারিতা ও মিথ্যার বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
১৩৩ দিন আগে
সিলেটে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা শুরু, সমাবেশস্থলে তারেক রহমান
এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিএনপির। সিলেট থেকে বরাবরের মতো এবারও প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছে দলটি। এ উপলক্ষে আলিয়া মাদরাসা মাঠের জনসভায় দুপুর সাড়ে ১২টায় উপস্থিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা শুরু হয়েছে। সেখানে বিএনপির স্থানীয় নেতারা বক্তব্য শুরু করেছেন।
সিলেট জেলা ও মহানগর এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে এ জনসভার আয়োজন করেছে। এতে সভাপতিত্ব করছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি বক্তব্য দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বেলা ১১ টার দিকে সভাস্থলে পৌঁছান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
জনসভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি এহসান। এ সময় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ধানের শীষ নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি (এষ) বলেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো। আমাদের স্বপ্ন ছিল দলের চেয়ারম্যানকে নিয়ে সিলেটে জনসভা করা। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এখন নতুন করে স্বপ্ন দেখার সময় এসেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করে নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।’
মঞ্চে আছেন বিএনপি সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, সিলেট–২ আসনের তাহসিনা রুশদীর প্রমুখ। এ ছাড়া সুনামগঞ্জের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার সংসদ সদস্য প্রার্থীরা আছেন। এ ছাড়া সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।
সকালে গ্র্যান্ড সিলেট হোটেলে ‘দ্য প্ল্যান: ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এতে সিলেটের ১৯টি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অরাজনৈতিক শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
জনসভায় যোগ দিতে গতকাল (বুধবার) রাত ৮টার দিকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আকাশপথে সিলেটে আসেন। পরে তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। পাশাপাশি তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ কবরস্থানে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর কবরও জিয়ারত করেন।
এরপর তিনি নগরের উপকণ্ঠে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বিরাইমপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে উপস্থিত নেতা-কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি। শ্বশুরবাড়িতে কিছু সময় অবস্থান করে সিলেট বিমানবন্দর–সংলগ্ন হোটেলে ফেরেন তিনি।
উল্লেখ্য, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমান এবং সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও প্রতিবার নির্বাচনের আগে মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি সিলেটে প্রথম নির্বাচনি জনসভা করতেন।
১৩৩ দিন আগে
চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে বিএনপি: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। পরিবারের প্রধান নারীকে এ কার্ড দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সিলেটের একটি পাঁচ তারকা হোটেলের কনফারেন্স রুমে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এই কার্ডের সুবিধাদি প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে মাসিক ভিত্তিক একটি পরিবারকে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া দেওয়া হবে খাদ্যসামগ্রী।
তিনি আরও বলেছেন, বিদেশ গমনেচ্ছুদের জন্য বহুমাত্রিক দক্ষতা বাড়াতে কারিগরি শিক্ষা আধুনিকায়ন করা হবে। বিভিন্ন দেশের ভাষা শিক্ষায়ও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
‘দ্য প্ল্যান, ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে তরুণদের কথা শুনেন তারেক রহমান। তরুণদের উদ্দেশে নিজেও দিকনির্দেশনা দেন।
এতে উপস্থিত তরুণরা সকলেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সাধারণ শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। এই মতবিনিময় পর্ব শেষে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান।
১৩৩ দিন আগে
আজ সিলেট থেকে ভোটের প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান
মর্যাদার সিলেট-১ আসন থেকে বরাবরের ন্যায় এবারও নির্বাচনি জনসভা করতে যাচ্ছে বিএনপি। ইতোমধ্যে নির্বাচনি জনসভাকে ঘিরে সিলেটের ঐতিহাসিক সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে জড়ো হতে শুরু করেছেন দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় আলিয়া মাদরাসা মাঠে সিলেটবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে জনসভাকে কেন্দ্র করে আলিয়ার মাঠে জড়ো হতে থাকেন দলটির নেতা-কর্মীরা। অনেকেই সিলেটের দূর-দূরান্ত থেকে এসে বুধবার রাতেই মাঠে অবস্থান নিতে দেখা যায়। তারেক রহমানের আগমনে সিলেট বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উৎসবের আমেজ।
আজ সিলেট থেকে জনসভার মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান।
এর আগে, বুধবার রাত ৮টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সেখান থেকে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে দিবাগত রাত ১টার দিকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বিরাইমপুরে তার শ্বশুরবাড়িতে যান।
বিরামপুরে তারেক রহমান হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।
এ সময় তারেক রহমান বলেন, ‘ড. জুবাইদা যেমন আপনাদের সন্তান, আমিও আপনাদের সন্তান। আমার দাবি রয়ে গেল যাতে ১২ তারিখে এই এলাকা থেকে ধানের শীষ বিজয়ী হয়। আপনাদের কাছ থেকে এই জবান নিয়ে গেলাম।’
জানা যায়, মঠের পূর্ব পাশে নির্মাণাধীন মঞ্চের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। মঞ্চের সামনে প্রায় ৩০ ফুট এলাকাজুড়ে বাঁশের খুঁটি দিয়ে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। ব্যারিকেডের ভেতরের উত্তর অংশে জুলাইয়ের শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের বসার জন্য আলাদা জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। সমাবেশস্থল থেকে সিলেট বিভাগে ১৯টি আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন তারেক রহমান।
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) বেলা সাড়ে ১১টায় আলিয়া মাদরাসা মাঠের জনসভায় বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান। ওই সমাবেশে সিলেট জেলার ছয়টি এবং সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনে দল ও জোট মনোনীত প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।
১৩৩ দিন আগে
রাজশাহীতে জাপা প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ, নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণা এনসিপি নেতার
রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ চলাকালে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী আফজাল হোসেনের অংশগ্রহণের সময় প্রতিবাদ জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা।
প্রতীক বরাদ্দের সময় আফজাল হোসেনের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে হাতে উঁচু করে বক্তব্য দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জেলা এনসিপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম সাজু।
এ সময় মাইক নিয়ে নাহিদুল ইসলাম সাজু বলেন, গত ১৭ বছর ধরে আমরা দেখেছি আওয়ামী লীগ কীভাবে খুনি ও দোষীদের সহযোগিতা করেছে। যারা তাদের সহযোগিতা করেছে, তাদের যদি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়, তাহলে আমরা ডিসি অফিস ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি দেব। জাতীয় পার্টি বা আওয়ামী লীগের দোসরদের প্রতীক বরাদ্দ দিলে রাজশাহীতে কোনো জাতীয় নির্বাচন হবে না। আমরা অবশ্যই এর প্রতিবাদ করব।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার তার অভিযোগ গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করার পরামর্শ দেন। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন যে নির্দেশনা দেবে, আইন মেনে সেই অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
পরবর্তীতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী প্রতীক গ্রহণ করেন। এ সময় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সভাকক্ষে কিছু সময়ের জন্য হৈচৈ সৃষ্টি হয়।
পরে নাহিদুল ইসলাম সাজু সাংবাদিকদের জানান, তারা লিখিত অভিযোগ জমা দেবেন এবং নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তা প্রতিহত করার কর্মসূচি নেবেন।
১৩৪ দিন আগে