রাজনীতি
বিকেলে তারেক রহমানের সংবাদ সম্মেলন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর আজ (শনিবার) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আসবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে বিকেল ৩টায় সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।
যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ দেড় দশকের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর সপরিবারে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফিরে রাজনৈতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গেলেও কোনো সংবাদ সম্মেলন করেননি তিনি।
নির্বাচনে ঘোষিত ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি এককভাবে পেয়েছে ২০৯টি আসন। তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে জয়ী হয়েছেন।
২০ দিন আগে
গণভোট ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইসঙ্গে গণভোটের ফলাফলের গেজেটও প্রকাশ করা হয়।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এই গেজেট দুটি ইস্যু করেন।
গেজেটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নামের পাশাপাশি তাদের পিতা বা স্বামীর নাম, মাতার নাম এবং ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছে। এখন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫’-এর ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনে নির্বাচন আগেই স্থগিত করা হয়েছিল।
গতকাল (শুক্রবার) ইসি ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনের ফলাফল স্থগিত রাখে।
নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। এছাড়া যে দুইটি আসনের (চট্টগ্রাম-২ ও ৪) ফলাফল স্থগিত আছে, সেখানেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। বিএনপির জোটসঙ্গীদের মধ্যে বিজেপি (আন্দালিব রহমান পার্থ), গণঅধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলন ৩টি আসনে জয়ী হয়েছে।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী জিতেছে ৬৮টি আসনে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের অন্য শরিকরা ৯টি আসনে জয় পেয়েছে, যার মধ্যে এনসিপি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি এবং খেলাফত মজলিস ১টি আসন পেয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি আসনে জয়লাভ করেছেন।
নির্বাচন কমিশনের পৃথক গেজেট অনুযায়ী, গণভোটে ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন ভোটার সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। অপরদিকে, ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন ভোটার ‘না’ ভোট দিয়েছেন। গণভোটে বাতিল হওয়া ব্যালটের সংখ্যাও ছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭টি।
সংবিধান অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান। তবে দ্বাদশ সংসদের স্পিকারের অনুপস্থিতি বা পদত্যাগের কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) অথবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত কোনো ব্যক্তি এই শপথ পাঠ করাবেন।
সংবিধানের ১৪৮ (২) (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে যদি স্পিকার শপথ পাঠ করাতে না পারেন, তবে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সেই শপথ পাঠ করাবেন।
২০ দিন আগে
তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অভিনন্দন বার্তায় তারেক রহমানের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের এই সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনার প্রজ্ঞা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনকল্যাণমুখী চেতনার আলোকে আপনি দেশকে একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আমি স্মরণ করছি আপনার পিতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্রদর্শন এবং আপনার মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের কথা। তাদের আদর্শ ও মহান কর্ম আপনার আগামী দিনের চলার পথকে আলোকিত করবে বলে আমি একান্তভাবে আশা করি।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ আজ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক রূপান্তর, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, জলবায়ু সহনশীলতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ—এসব ক্ষেত্রে সুসমন্বিত মেধা, মননশীলতা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ অপরিহার্য। আশা করি, আপনার নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় হবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি আরও বলেন, একইসঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার মূল্যবান সহযোগিতা ও গঠনমূলক ভূমিকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পরিবর্তনের এই সংবেদনশীল সময়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা, সহনশীলতা প্রদর্শন এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ক্ষেত্রে আপনার ইতিবাচক অবস্থান জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আপনার সকল উদ্যোগ সফল হোক, এই কামনা করি। মহান আল্লাহ্ আপনাকে দেশ ও জাতির সেবায় প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও দৃঢ়তা দান করুন।
২০ দিন আগে
সংসদ সদস্যরা কী কী সুবিধা পান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নতুন সংসদ গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ২৯৭ জন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। গেজেট প্রকাশ ও শপথ গ্রহণ ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
এই সময়ে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় আসে—সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কী কী সুবিধা পান।
প্রচলিত আইন অনুযায়ী, একজন সংসদ সদস্য শুধু একটি নির্ধারিত মাসিক বেতনই নন, বরং বিভিন্ন ধরনের ভাতা, আর্থিক সহায়তা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করেন। এসব সুবিধা নির্ধারিত রয়েছে ‘সংসদ সদস্য (পারিশ্রমিক ও ভাতা) আদেশ, ১৯৭৩’ এবং পরবর্তী সংশোধনীগুলোতে।
প্রথমেই রয়েছে মাসিক বেতন ও নিয়মিত ভাতা। একজন সংসদ সদস্যের মূল বেতন ৫৫ হাজার টাকা। এর সঙ্গে নির্বাচনী এলাকা পরিচালনার জন্য ১২ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা দেওয়া হয়। আপ্যায়ন ভাতা হিসেবে মাসে ৫ হাজার টাকা এবং পরিবহন বাবদ ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এই পরিবহন ভাতার মধ্যে জ্বালানি, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ এবং চালকের বেতন অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়া অফিস পরিচালনার খরচ হিসেবে মাসিক ১৫ হাজার টাকা, লন্ড্রি ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং বিবিধ খরচের জন্য ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। অর্থাৎ বেতনের বাইরে সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খরচের জন্য আলাদা ভাতা নির্ধারিত আছে।
যানবাহনের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা শুল্ক, ভ্যাট ও করমুক্তভাবে একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানির সুযোগ পান। দায়িত্বকাল পাঁচ বছর পূর্ণ হলে একই সুবিধায় আবারও নতুন একটি গাড়ি আমদানির সুযোগ রয়েছে।
ভ্রমণ সংক্রান্ত সুবিধাও রয়েছে। বিমান, রেল বা নৌপথে যাতায়াত করলে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়ার দেড় গুণ পর্যন্ত ভাতা পাওয়া যায়। সড়কপথে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিলোমিটারপ্রতি নির্ধারিত ভাতা দেওয়া হয়। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণের জন্য বছরে এক লাখ ২০ হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতা বা বিকল্প হিসেবে ট্রাভেল পাসের সুবিধা রয়েছে।
দায়িত্বস্থলে অবস্থান করলে সংসদ সদস্যরা প্রতিদিন ৭৫০ টাকা দৈনিক ভাতা এবং ৭৫ টাকা যাতায়াত ভাতা পান। সংসদ অধিবেশন বা সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থিত থাকলে দৈনিক ভাতা ৮০০ টাকা এবং যাতায়াত ভাতা ২০০ টাকা প্রাপ্য হয়।
চিকিৎসার ক্ষেত্রেও সুবিধা রয়েছে। সংসদ সদস্য ও তার পরিবারের সদস্যরা সরকারি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের সমমানের চিকিৎসা সুবিধা পান। এছাড়া মাসিক ৭০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা দেওয়া হয়।
দায়িত্ব পালনের সময় দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার সরকারি বীমা সুবিধা প্রযোজ্য। পাশাপাশি বছরে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত একটি ঐচ্ছিক অনুদান তহবিল ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।
টেলিযোগাযোগ সুবিধার অংশ হিসেবে সংসদ সদস্যদের বাসভবনে সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগ দেওয়া হয়। মাসিক টেলিফোন ভাড়া ও কল খরচ বাবদ ৭ হাজার ৮০০ টাকা বরাদ্দ থাকে।
সবশেষে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—সংসদ সদস্যরা যে ভাতাগুলো পান, সেগুলো আয়করমুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
সব মিলিয়ে দেখা যায়, সংসদ সদস্যদের বেতন ছাড়াও দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে বিভিন্ন খাতে রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্ধারিত একাধিক আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে।
২০ দিন আগে
বরগুনা-১-এ হাতপাখা ও বরগুনা-২-এ ধানের শীষের বিজয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা।
বরগুনা-১ (বরগুনা সদর-আমতলী-তালতলী) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ ৪ হাজার ১৪৬ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচনে পোস্টালসহ সব কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ১৯১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৯১টির ফলাফলই প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ৪০ হাজার ২৯১টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩৬ হাজার ১৪৫টি ভোট। হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলিউল্লাহ ৪ হাজার ১৪৬টি ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী নিয়ে গঠিত বরগুনা ১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৯ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৯ হাজার ৯৭ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৬০ হাজার ৩৫১ জন। এ আসনে ৩৭ হাজার ৯৬০ জন নতুন ভোটার হয়েছেন। এছাড়াও বরগুনা ১ আসনে ৬ হাজার ২৯৮ জন পোস্টাল ভোটার রয়েছেন।
এদিকে বরগুনা-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নূরুল ইসলাম মনি।
নির্বাচনে পোস্টালসহ সব কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ১২৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১২৩টির ফলাফলই প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম মনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯০ হাজার ৬৪৩টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা: সুলতান আহম্মেদ পেয়েছেন ৮৫,২৪৭ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নুরুল ইসলাম মনি ৫ হাজার ৩৯৬ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
বরগুনা-২ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৭৪৪। মোট পোস্টাল ভোটার ছিলেন ৫ হাজার ৪ জন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করেন।
২১ দিন আগে
২৯৭ আসনের ফল প্রকাশ: বিএনপি জোট ২০৯, জামায়াত জোট ৭৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটার পর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এই ফলাফল ঘোষণা করেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসন পেয়েছে।
ইসি সচিব ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনের ফল ঘোষণা করে জানান, ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনের ফলাফলে বিএনপি ২০৯টি আসন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এককভাবে পেয়েছে ৬৮টি আসন।
এছাড়া জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটের সঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি আসন। আরেক জোটসঙ্গী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি আসন, খেলাফত মজলিস পেয়েছে একটি আসন।
এর বাইরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে একটি আসন। বিএনপির জোটসঙ্গী গণঅধিকার পরিষদ পেয়েছে একটি আসন। আন্দালিব রহমান পার্থর বিজেপি পেয়েছে একটি আসন এবং জোনায়েদ সাকির গণসংহতি আন্দোলন পেয়েছে একটি আসন।
২১ দিন আগে
ঝিনাইদহে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় আহত ১৩
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে হামলা, পাল্টা হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পৃথক ৩টি ঘটনায় অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি কার্যালয়। মহেশপুরে প্রেসক্লাব ভাঙচুর করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত ঝিনাইদহ সদর ও কালীগঞ্জ উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নীমতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাজার রোডে অবস্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এ সময় খোকন, ইভন ও জবেদ আলী নামে ৩ বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে আহত করা হয়। আহত জবেদ আলী কালীগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একই সময়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডঙ্গা ইউনিয়নের ভিটশ্বর গ্রামে ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের সঙ্গে কাপ-পিরিচ প্রতীকের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এতে আকরাম হোসেন, ফজলুর রহমান, ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলাম ও জাফর উদ্দীন আহত হন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অপরদিকে একই ইউনিয়নের খড়াশুনি গ্রামে কাপ-পিরিচ প্রতীকের সমর্থক কওসার বিশ্বাসের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। কালীগঞ্জের পারখিদ্দা গ্রামে সেচ্ছাসেবক দলের কর্মী রাসেলকে মারধর করেছে স্থানীয় মাজেদের লোকজন। অনেকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা বাজারের খালকুলা গ্রামে ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ধানের শীষের সমর্থক রবিউল শেখ এবং কাপ-পিরিচ প্রতীকের সমর্থক মোশারেফ শেখ ও ইব্রাহিম শেখ আহত হন। স্থানীয়রা তাদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুযারি) রাত ৯টার দিকে ঝিনাইদহের মহেশপুরে দুর্বৃত্তরা প্রেসক্লাব মহেশপুর কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের পাশেই অবস্থিত প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ অভিযোগ করেন, স্থানীয় প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে না। বিভিন্ন উপজেলায় তার সমর্থকদের মারধর করা হলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচন পরবর্তী এ সহিংসতায় কালীগঞ্জ উপজেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যবেক্ষণে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
২১ দিন আগে
ঠাকুরগাঁওয়ের ৩টি আসনেই বিএনপির জয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁওয়ের ৩টি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুযারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত শান্তিপুর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল পরিমাণ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ১৭ ভোট। এ ছাড়াও আরেক প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৫১ ভোট।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১১ হাজার ৬২৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৩ ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭১ জন। মোট কেন্দ্র ছিল ১৮৫টি। ভোটে অংশগ্রহণ করেছে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০৪ জন। ভোটের প্রদানের হার ৭৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আব্দুস সালাম ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল হাকিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ৪৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৭৫ হাজার ২৩২ ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১৬ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১০৪টি। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৭১১ টি। ভোট দেওয়ার হার ৭৩ দশমিক ৪ শতাংশ।
ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. জাহিদুর রহমান জাহিদ ১ লাখ ৩২ হাজার ৭৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর মো. মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৯১ হাজার ৯৩৪ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭০১ ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৭৯ হাজার ৪২৬ জন। মোট কেন্দ্র ১২৮টি। ভোট দিয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৮৩৪ জন। ভোট পড়েছে ৭২ দশমিক ১৪ শতাংশ।
২১ দিন আগে
পাবনায় ৫ আসনের তিনটিতে জামায়াত, দুটিতে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনায় ৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৩টি আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও ২টি আসনে বিএনপি প্রার্থী জয়লাভ করেছে। পাবনা-১, ৩ ও ৪ আসনে জামায়াত এবং পাবনা-২ ও পাবনা-৫ আসনে জিতেছে বিএনপি।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পাবনা জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা বেসরকারিভাবে ৫টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, পাবনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ব্যারিষ্টার নাজিবুর রহমান মোমেন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামসুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২৪৫ ভোট। নাজিবুর রহমান মোমেন ২৫ হাজার ৭২৯ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
পাবনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী একেএম সেলিম রেজা হাবিব ২ লাখ ১৫ হাজার ৪০৬ ভোটে পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হেসাব উদ্দিন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ২৪২ ভোট। ১ লাখ ৩৮ হাজার ১৬৪ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন সেলিম রেজা হাবিব।
পাবনা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মাদ আলী আছগর। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট। মুহাম্মাদ আলী আছগর ৩ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন ।
পাবনা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবু তালেব মন্ডল ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৯২ ভোট। ৩ হাজার ৬৮৩ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন আবু তালেব মন্ডল ।
পাবনা-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ১৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৮৬ ভোট। ১৭ হাজার ৯৮৩ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন শিমুল বিশ্বাস।
২১ দিন আগে
দিনাজপুরের ছয়টি আসনের ৫টিতে ধানের শীষ, একটিতে স্বতন্ত্রের জয়
দিনাজপুরের ৬টি নির্বাচনি আসনের মধ্যে ৫টি আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক। আর একটি আসনে বিএনপির বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় পেয়েছেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ- কাহারোল) আসনে বিএনপি প্রার্থী মনজুরুল হক ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৮১ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ছাত্র শিবিরের সাবেক নেতা মতিউর রহমান।
দিনাজপুর-২ (বিরল- বোচাগঞ্জ) আসনে ধানের শীষে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ কে এম আফজালুল আলম দাঁড়িপাল্লায় পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৮৮৭ ভোট।
দিনাজপুর সদর-৩ আসনের বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ১ লাখ ৪০ হাজার ৬০৮ ভোট পেয়ে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। এর আগে তিনি দিনাজপুর পৌরসভায় পরপর তিনবার মেয়র ছিলেন। এর মধ্যে আওয়ামী সরকার আমলে তৎকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের হুইপ ইকবালুর রহিমের বিপরীতে এমপি পদে নির্বাচন করেছিলেন। তবে জয় মিলেনি তার। জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা অ্যাডভোকেট মাঈনুল আলম ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৩৯ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন।
দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর - খানসামা) আসনে বিএনপির ধানের শীষে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক এমপি আক্তারুজ্জামান মিয়া। বেসরকারিভাবে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চিরিরবন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জামায়াতে ইসলামীর আফতাব উদ্দিন মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৬ ভোট।
দিনাজপুর ৫ (পাবর্তীপুর-ফুলবাড়ী) আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী এ জেড এম রেজোয়ানুল হক। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ২৪ হাজার ৪৮৪। এর আগে বিএনপির হয়ে ৬ বার এমপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন প্রবীণ এ বিএনপি নেতা। তবে ত্রয়োদশ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল তারেক রহমানের আইনজীবি ব্যারিষ্টার এ কে এম কামরুজ্জামানকে। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে লন্ডন থেকে উড়ে এসেছিলেন তিনি। ধানের শীষ মার্কায় ৯৮ হাজার ৫৪৪ ভোট পেয়ে তিনি তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। নিকটতম দ্বিতীয় অবস্থানে ১১ দলীয় জোট প্রার্থী এনসিপির ডা. আব্দুল আহাদ পেয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ১৯৫ ভোট।
দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট) আসনে বিএনপির ধানের শীষে ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন ২ লাখ ৫ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। পাশাপাশি দলের চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে খ্যাতি পরিচিতি রয়েছে তার। জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ারুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লায় ১ লাখ ৯০ হাজার ৭০৩ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন।
২১ দিন আগে