খেলাধুলা
ফিফা বর্ষসেরার তালিকায় মেসি
কোপা আমেরিকা জয় এবং ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠে দারুণ সময় কাটালেও এ বছরের ব্যালন দ’রের ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন না লিওনেল মেসি। তবে বছরজুড়ে মেসির কাজের স্বীকৃতি দিতে ভোলেনি বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ২০২৪ সালে ফুটবলের বর্ষসেরার পুরস্কার ‘দ্য বেস্ট’-এর তালিকায় রয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
শুক্রবার ফিফার ওয়েবসাইটে ২০২৪ সালের দ্য বেস্টের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ১১ জনের ওই সংক্ষিপ্ত তালিকায় রয়েছে মেসির নাম।
মেসি ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন এবারের ব্যালন দ’র জয়ী রদ্রি। এছাড়া রিয়াল মাদ্রিদের ৬ খেলোয়াড় রয়েছেন এই তালিকায়- ভিনিসিউস জুনিয়র, জুড বেলিংহ্যাম, দানি কারভাহাল, ফেদেরিকো ভালভার্দে, টনি ক্রুস ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। এ ছাড়াও ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হালান্ড, বায়ের লেভারকুজেনের ফ্লোরিয়ান ভিয়ার্টস ও বার্সেলোনার বিস্ময়বালক লামিন ইয়ামালও জায়গা করে নিয়েছেন এই তালিকায়।
এ নিয়ে ফিফা ‘দ্য বেস্ট’ প্রচলনের পর থেকে এ পর্যন্ত ৯ বারই মনোনয়ন পেলেন মেসি। এর মধ্যে তিনি পুস্কারটি জিতেছেন তিনবার (২০১৯, ২০২২ ও ২০২৩ সালে)।
‘দ্য বেস্ট’ পুরুষ ফুটবলারের পাশাপাশি আরও ১০টি পুরস্কারের মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করেছে ফিফা। এর মধ্যে রয়েছে বর্ষসেরা নারী ফুটবলার, বর্ষসেরা কোচ, বর্ষসেরা গোলরক্ষক, বর্ষসেরা একাদশ ও বর্ষসেরা গোলের পুরস্কার। এছাড়া দেওয়া হবে ফিফা ফ্যান অ্যাওয়ার্ড।
পুরস্কারগুলোর প্রত্যেকটির জন্য ভোট দিতে পারেন ভক্ত-সমর্থকরা। সেরা খেলোয়াড়, সেরা কোচ ও সেরা গোলরক্ষক নির্বাচনে মোট ভোটের এক চতুর্থাংশ রাখা হয়েছে দর্শকদের জন্য, বাকি তিন ভাগ দেন ফিফার সদস্যদেশগুলোর অধিনায়ক, কোচ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা। সেরা গোল ও একাদশ নির্বাচনে ভক্তদের ভোটের হার অর্ধেক। ফিফার ওয়েবসাইটে আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভোট দেওয়া যাবে।
২০২৩ সালের ২১ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি বিভাগের সংক্ষিপ্ত মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করেছে ফিফা। ‘দ্য বেস্ট’-এর ১১ জনের মধ্যে ইউরোপেরে বাইরে থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন শুধু মেসিই।
আরও পড়ুন: হ্যাটট্রিক করে রোনালদোকে ছুঁলেন মেসি
তাকে মনোয়ন দেওয়ার ব্যাখ্যায় ফিফা বলেছে, বয়স ৩৭ হয়ে গেলেও ইন্টার মায়ামি ও আর্জেন্টিনা দলে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছেন মেসি। তার অনুপ্রেরণামূলক পারফরম্যান্সে ২০২৩ লিগস কাপের পর রেকর্ড সংখ্যক পয়েন্ট অর্জন করে ২০২৪ সালের সাপোর্টার্স শিল্ড জিতেছে মায়ামি। এছাড়া এ সময়ের মধ্যে তার নেতৃত্বে কোপা আমেরিকা জিতেছে আর্জেন্টিনা। এমনকি বিশ্বকাপ বাছাইয়ের লাতিন আমেরিকা অঞ্চলে জয় দিয়ে বছর শেষ করা আর্জেন্টিনা রয়েছে পয়েন্ট টেবিলের চূড়ায়, আর সর্বোচ্চ ৬ গোল নিয়ে সবার উপরে মেসি।
এক নজরে ‘দ্য বেস্ট’-এর সংক্ষিপ্ত তালিকা
সেরা পুরুষ ফুটবলার: জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড/রিয়াল মাদ্রিদ), দানিয়েল কারভাহাল (স্পেন/রিয়াল মাদ্রিদ), আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে/ম্যানচেস্টার সিটি), টনি ক্রুস (জার্মানি/রিয়াল মাদ্রিদ), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স/রিয়াল মাদ্রিদ), লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা/ইন্টার মায়ামি), রদ্রিগো এরনান্দেস (স্পেন/ম্যানচেস্টার সিটি), ফেদেরিকো ভালভার্দে (উরুগুয়ে/রিয়াল মাদ্রিদ), ভিনিসিউস জুনিয়র (ব্রাজিল/রিয়াল মাদ্রিদ), ফ্লোরিয়ান ভিয়ার্টস (জার্মানি/বায়ের লেভারকুজেন), লামিন ইয়ামাল (স্পেন/বার্সেলোনা)।
সেরা কোচ: শাবি আলোনসো (বায়ের লেভারকুজেন), কার্লো আনচেলত্তি (রিয়াল মাদ্রিদ), লুইস দে লা ফুয়েন্তে (স্পেন), পেপ গার্দিওলা (ম্যানচেস্টার সিটি), লিওনেল স্কালোনি (আর্জেন্টিনা)।
সেরা গোলরক্ষক: জানলুইজি দোন্নারুম্মা (ইতালি/পিএসজি), এদেরসন মোরায়েস (ব্রাজিল/ম্যানচেস্টার সিটি), আন্দ্রিই লুনিন (ইউক্রেন/রিয়াল মাদ্রিদ), মাইক মাইনিয়ঁ (ফ্রান্স/এসি মিলান), এমিলিয়ানো মার্তিনেস (আর্জেন্টিনা/অ্যাস্টন ভিলা), দাভিদ রায়া (স্পেন/আর্সেনাল), উনাই সিমোন (স্পেন/আথলেতিক বিলবাও)।
৪৬২ দিন আগে
কোচিংয়ে ফিরলেন ল্যাম্পার্ড, দল পেয়েছেন নিস্টলরয়ও
গত কয়েকদিন ধরে গুঞ্জন ছিল- ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় বিভাগের লিগ চ্যাম্পিয়নশিপের একটি ক্লাবের দায়িত্ব নিয়ে দেড় বছর পর কোচিংয়ে ফিরছেন ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড। এবার গুঞ্জন সত্যি করে এল অফিশিয়াল ঘোষণা। চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব কভেন্ট্রি সিটির প্রধান কোচের দায়িত্ব নিতে চলেছেন চেলসির কিংবদন্তি খেলোয়াড় ও সাবেক এই কোচ।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ল্যাম্পার্ডকে কোচিংয়ে দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানায় কভেন্ট্রি। আড়াই বছরের জন্য ৪৬ বছর বয়সী এই কোচের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ক্লাবটি।
এর ফলে কভেন্ট্রিতে মার্ক রবিনসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন ল্যাম্পার্ড। ক্লাবটিতে আট বছর দায়িত্ব পালনের পর চলতি মৌসুমে ১৪ ম্যাচের সাতটিই হেরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন রবিনসন। শেষ পর্যন্ত এই মাসের শুরুতে বরখাস্ত হন তিনি।
চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে ১৭ নম্বরে রয়েছে কভেন্ট্রি সিটি। অবনমন অঞ্চল থেকে ২ পয়েন্ট ওপরে থেকে দলটির দায়িত্ব গ্রহণ করতে হচ্ছে ল্যাম্পার্ডকে।
২০১৮ সালে ডার্বি কাউন্টির হয়ে কোচিংয়ে নাম লেখান ল্যাম্পার্ড। এরপর ২০১৯ সালে চেলসির কোচ হন তিনি। দুই বছর পর স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ থেকে বরখাস্ত হয়ে ২০২২ সালে প্রিমিয়ার লিগের আরেক ক্লাব এভারটনের বস হন তিনি। সেখানেও ক্যারিয়ার দীর্ঘ হয়নি কিংবদন্তি এই ফুটবলারের।
আরও পড়ুন: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নতুন কোচ আমোরিম
পরে ২০২৩ সালের এপ্রিলে গ্রাহাম পটারকে বরখাস্ত করে ল্যাম্পার্ডকে মৌসুমের বাকি সময়ের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় চেলসি। মৌসুম শেষে ২০২৩ সালের মে মাসে চেলসির দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকে কোচিংয়ের বাইরে ছিলেন তিনি। এবার নিজের কোচিং ক্যারিয়ারকে আলোর মুখ দেখাতে আরও একটি সুযোগ পেলেন ল্যাম্পার্ড।
লেস্টার সিটির দায়িত্বে নিস্টলরয়
এদিকে, প্রিমিয়ার লিগে লেস্টার সিটির প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অন্তর্বর্তী কোচ হিসেবে কিছুদিন আগে দায়িত্ব ছাড়া রুড ফন নিস্টলরয়।
এর ফলে ওয়েলশ কোচ স্টিভ কুপারের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন নিস্টলরয়। লেস্টার সিটির কোচ হিসেবে ১৫৭ দিন ছিলেন কুপার। গত শনিবার প্রিমিয়ার লিগে চেলসির কাছে ২-১ গোলে হারার পর তাকে ছাঁটাই করে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে ইউনাইটেডকে বের করতে ব্যর্থ হওয়ায় গত ২৭ অক্টোবর এরিক টেন হাগকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে তারই সহকারী নিস্টলরয়কে অন্তর্বর্তী কোচ বানায় ইউনাইটেড।
আরও পড়ুন: ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে ইউনাইটেডকে বের করতে পারবেন আমোরিম?
সেখানে মাত্র ৪ ম্যাচ ডাগআউটে দাঁড়ানোর সুযোগ হয় নিস্টলরয়ের। তার মধ্যে তিনটি ম্যাচে জয় ও একটি ড্র করে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অপরাজিত সংক্ষিপ্ত এক অধ্যায় শেষ করেন তিনি।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, ইউনাইটেডের দায়িত্বে থাকাকালে গত ১০ নভেম্বর নিজের শেষ ম্যাচে লেস্টার সিটিকে ৩-০ গোলে হারায় নিস্টলরয়ের শিষ্যরা। এর দুই সপ্তাহ পরই সাবেক এই ডাচ স্ট্রাইকারকে কোচিংয়ের দায়িত্ব দিল ক্লাবটি।
এর আগে, স্বদেশি ক্লাব পিএসভি আইন্ডহোভেনের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করেছেন নিস্টলরয়। তার অধীনে ২০২২-২৩ মৌসুমে ডাচ কাপ জিতেছিল পিএসভি।
৪৬৩ দিন আগে
৪২ রানে অলআউট হয়ে শ্রীলঙ্কার লজ্জার রেকর্ড
প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৯১ রানে থামালেও মার্কো ইয়ানসেনের আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছাই হয়ে গেল শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইন আপ। আর এর ফলে দুটি লজ্জার রেকর্ড নিজেদের নাম লেখাল তারা।
ডারবানে সিরিজের প্রথম টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৩.৫ ওভারে ৪২ রানে গুটিয়ে গেছে শ্রীলঙ্কা।
নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে এটিই শ্রীলঙ্কার সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে কখনোই ৫০ রানের নিচে অলআউট হয়নি দলটি।
এর আগে টেস্টে লঙ্কানদের সর্বনিম্ন স্কোর ছিল ৭১। ১৯৯৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে গড়া এই লজ্জার রেকর্ডটি ম্লান হয়েছে আজ। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এটিই কোনো দলের সর্বনিম্ন ইনিংস। এর আগে, ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডকে ৪৫ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল প্রোটিয়ারা।
আরও পড়ুন: ভারতের বিষয়ে আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে পিসিবি
এদিন মাত্র ১৩.৫ ওভারেই শেষ হয় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। টেস্ট ক্রিকেটের দেড়শ বছরের ইতিহাসের এর চেয়ে ছোট ইনিংস রয়েছে আর মাত্র একটি। ১৯২৪ সালের জুনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ১২.৩ ওভারে গুটিয়ে গিয়ে টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে ক্ষণস্থায়ী ইনিংসের বিব্রতকর রেকর্ডটি গড়ে এই দক্ষিণ আফ্রিকাই। ওই ইনিংসে তারা তুলেছিল ৩০ রান। সেই ঘটনার ১০০ বছর পর ঘটল অমন আরেকটি অঘটন। টেস্ট ক্রিকেটে ১৫ ওভারের আগে কেবল এই দুটি ইনিংসই শেষ হয়েছে।
৪৬৩ দিন আগে
হেরে খাদের কিনারায় থাকা রিয়াল শিবিরে আরও দুঃসংবাদ
ফুটবলারদের ফর্মহীনতা, সমন্বয়ের অভাব ও চোটজর্জর দল নিয়ে ভোগান্তির মাঝেই গত রাতে লিভারপুলের কাছে হেরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে এই হারের রাতে মরার ওপর খাড়ার ঘা হিসেবে নেমে এসেছে আরও চোটের দুঃসংবাদ।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম পর্বের পঞ্চম রাউন্ডের ম্যাচে বুধবার রাতে লিভারপুলের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে ম্যাচজুড়ে বিবর্ণ থাকা রিয়াল মাদ্রিদ।
ম্যাচের ৫৬তম মিনিটে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন ক্লাবটির ফরাসি মিডফিল্ডার এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এক বিবৃতিতে রিয়াল মাদ্রিদ জানিয়েছে, অন্তত তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে এই প্রতিভাবান ফুটবলারকে।
হাঁটুর লিগামেন্টের চোট সেরে সেপ্টেম্বরে মাঠে ফিরেছিলেন কামাভিঙ্গা। দুই মাস খেলতে না খেলতেই ফের চোট নিয়ে মাঠের বাইরে চলে যেতে হলো তাকে।
আরও পড়ুন: হারের পর রিয়াল শিবিরে জোড়া ইনজুরির দুঃসংবাদ
কামাভিঙ্গার তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকার অর্থ হলো, লা লিগায় গেতাফে, আথলেতিক বিলবাও, জিরোনা ও রায়ো ভায়েকানো এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পরবর্তী ম্যাচে আতালান্তার বিপক্ষে তাকে পাচ্ছেন না কার্লো আনচেলত্তি।
এছাড়া অ্যানফিল্ড থেকে অস্বস্তি নিয়ে মাদ্রিদে ফিরেছেন রিয়ালের আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ তিন খেলোয়াড়- কিলিয়ান এমবাপ্পে, জুড বেলিংহ্যাম ও ব্রাহিম দিয়াস। তাদের মধ্যে কেউ চোটাক্রান্ত হয়েছেন কিনা, এ বিষয়ে শুক্রবার তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে বলেও ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দিয়ারিওর খবরে বলা হয়েছে, শনিবার গেতাফের বিপক্ষে বিশ্রাম পেতে পারেন এই তিন খেলোয়াড়। পরের ম্যাচে শক্তিশালী বিলবাওয়ের বিপক্ষে সবাইকে দলে পেতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
মৌসুমের শুরুতেই রিয়ালের রক্ষণে হানা দেয় চোট। এবার দলটির আক্রমণভাগও গ্রাস করতে চলেছে এই বিপদ।
চোটের কারণে লিভারপুল ম্যাচে স্কোয়াডে ছিলেন না আক্রমণভাগের মহাগুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ভিনিসিউস ও রদ্রিগো। অ্যানফিল্ডে ভিনির অনুপস্থিতি ভালোভাবেই টের পেয়েছে রিয়াল ও দলটির সমর্থকরা।
আরও পড়ুন: বের্নাবেউতে এবার রিয়ালকে গুঁড়িয়ে দিল মিলান
এছাড়া আরেক ফরাসি মিডফিল্ডার অরেলিয়েঁ চুয়ামেনিও চোট নিয়ে দলের বাইরে রয়েছেন। এর আগে, চোটের কারণে মৌসুমই শেষ হয়ে গেছে ডিফেন্ডার দানি কারভাহাল ও এদের মিলিতাওয়ের। ইনজুরিতে মাঠের বাইরে রয়েছেন ডেভিড আলাবাও।
৪৬৩ দিন আগে
তিন পেসার নিয়ে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের
নিজের ৫০তম টেস্টে অধিনায়কত্বের অভিষেক ম্যাচেই টস ভাগ্য গিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের পক্ষে। স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুরুতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
অ্যান্টিগার স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিকদের বিপক্ষে মাঠে নামছে মিরাজ অ্যান্ড কোং।
প্রথম টেস্টে ক্যারিবীয়দের চার পেসারের বিপরীতে দুজন স্পিনার ও তিনজন পেসার নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মিরাজের সঙ্গে স্পিনার হিসেবে একাদশে রয়েছেন তাইজুল ইসলাম। আর পেসার হিসেবে রয়েছেন তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ।
পাকিস্তানে দুই টেস্টের সিরিজে ঐতিহাসিক জয় পেলেও ভারত সফরে গিয়ে বিপরীত অভিজ্ঞতা হয় বাংলাদেশের। এরপর দেশে ফিরে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণের সামনে টিকতেই পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। ফলে একপ্রকার লড়াই ছাড়াই সিরিজ হারতে হয় টাইগারদের।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান চক্রে এটিই বাংলাদেশের শেষ সিরিজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিতে শেষটা নিশ্চিতভাবেই রাঙিয়ে রাখতে চাইবেন দেশের ক্রিকেটাররা।
আরও পড়ুন: মুরাদের হ্যাটট্রিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজে প্রস্তুতি শেষ করেছে বাংলাদেশ
অবশ্য কাজটা মোটেই সহজ হবে না বাংলাদেশের জন্য। চোটের কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে নেই অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও ব্যাটিংয়ে ভরসার নাম মুশফিকুর রহিম। এমন অবস্থায় জাকের আলী, শাহাদাত হোসেন দিপু ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের মতো তরুণদের ওপর ভরসা রাখতে হচ্ছে সফরকারীদের।
বাংলাদেশ একাদশ: মাহমুদুল হাসান জয়, জাকির হাসান, মুমিনুল হক, শাহাদাত হোসেন দিপু, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), জাকের আলী অনিক, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ: ক্রেইগ ব্রেথওয়েট (অধিনায়ক), মিকাইল লুই, আলিক আথানেজ, কেসি কার্টি, জশুয়া ডা সিলভা, জাস্টিন গ্রিভস, কাভেম হজ, আলজারি জোসেফ, শামার জোসেফ, কেমার কোচ, জেইডেন সিলস।
৪৬৯ দিন আগে
নেশন্স লিগের শেষ আটের ড্র: কে কাকে পেল, কী সমীকরণ
গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ হয়েছে আগেই, এবার নেশন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের ড্র এবং ফাইনালের পথ স্পষ্ট করে দিল উয়েফা।
শুক্রবার নেশন্স লিগের চলতি মৌসুমের ‘রোড টু ফাইনাল’ নির্ধারণ করে কোয়ার্টার ফাইনালের ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সম্প্রতি দারুণ ছন্দে থাকা নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হবে স্পেন। এছাড়া ফ্রান্স ক্রোয়েশিয়ার, জার্মানি ইতালির এবং ডেনমার্কের মুখোমুখি হবে পর্তুগাল।
দুই লেগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ২০ মার্চ। এর তিন দিন পর দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ শেষে সেমি ফাইনালের চার দল নিশ্চিত হবে। এরপর আগামী ৪ ও ৫ জুন সেমি ফাইনাল এবং ৮ জুন ফাইনালের পর শিরোপা উঁচিয়ে ধরবে বিজয়ী দল।
চ্যাম্পিয়ন স্পেনের সামনে নেদারল্যান্ডস
শিরোপা ধরে রাখতে এবারও কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে স্পেনের। কোয়ার্টারে এবার তাদের প্রতিপক্ষ রোনাল্ড কুমানের নেদারল্যান্ডস।
ডাচদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই কুমানের অধীনে দারুণ পারফর্ম করে চলেছে দলটি। সবশেষ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের সেমি ফাইনালে উঠেছিল ডাচরা। তার আগে গত বিশ্বকাপে কোয়ার্টারে উঠে দুর্দান্ত পারফর্ম করেও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাছে হারে তারা।
চলতি মৌসুমে নেশন্স লিগেও দারুণ ছন্দে রয়েছে নেদারল্যান্ডস। হাঙ্গেরি ও জার্মানির মতো দলগুলোর সঙ্গে এক গ্রুপে পড়ে প্রথম ম্যাচেই জার্মানির কাছে হেরে বসে ডাচরা। তবে তারপর অপরাজিত থেকে গ্রুপ রানার্স-আপ হয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে কুমানের শিষ্যরা।
ফলে সম্প্রতি দুর্দান্ত ছন্দে থাকলেও ডাচ বাধা পেরোনো সহজ হবে না ইউরো ও নেশন্স লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন স্পেনের।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ-ইউরো-নেশন্স লিগ জেতা একমাত্র ফটুবলার অবসরে
এছাড়া চোটের কারণে বারবার স্কোয়াডে পরিবর্তন এনে দল সাজাতে হচ্ছে লুইস দেলা ফুয়েন্তের। চোট নিয়ে ইতোমধ্যে চলতি মৌসুমের জন্য ছিটকে গেছেন দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় দানি কারভাহাল ও রদ্রি।
তবে তরুণ এবং ফর্মে থাকা স্পেনের যেকোনো ফুটবলারকে জাতীয় দলে ডাক দিয়ে বারবার ফল নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসতে দেখা গেছে স্পেন বসকে। ফলে এই দুই দলের লড়াইটা দর্শকের জন্য হবে দর্শনীয়।
ফিরছে ২০১৮ বিশ্বকাপের ফাইনাল
শেষ আটের ড্রয়ে এবার মুখোমুখি হতে চলেছে ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্স। এর ফলে ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে, তা-ও একবার নয়, দুবার।
ফ্রান্সের কাছে সেবার ৪-২ গোলে হেরে ক্রোয়েশিয়ার স্বর্ণযুগের খেলোয়াড়দের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল। প্রায় পাঁচ বছর পর এবার সেই হারের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ এসেছে ক্রোয়াটদের সামনে।
অবশ্য ভালো পারফর্ম করলেও ক্রোয়েশিয়ার সেই দল এখন আর নেই। বিশ্বকাপ স্কোয়াডের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই অবসরে চলে গেছেন। তবে এখনও লুকা মদ্রিচ, মার্সেলো ব্রোজোভিচের মতো অভিজ্ঞরা দলটিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সেইসঙ্গে আন্দ্রেই ক্রামারিচ, মাতেও কোভাচিচ, ইয়োস্কো গেভারদিওলের মতো প্রতিভাবান তরুণ ফুটবলার থাকায় গ্রুপ পর্বের চ্যালেঞ্জ উতরে এসেছে জ্লাতকো দালিচের দল।
অপরদিকে, দুর্দান্ত সব খেলোয়াড় থাকলেও ফর্মহীনতা, চোট ও সমন্বয়ের অভাবে ইউরোর পর থেকেই ধুঁকতে দেখা গেছে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যদের। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে ইতালির কাছে হারের পর সবশেষ পাঁচ ম্যাচ জিতলেও দলের বড় তারকারা নিজেদের নামের প্রতি এখনও সুবিচার করতে পারেননি। ফলে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ভালো কিছু করতে মুখিয়ে থাকবেন কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলের মতো তারকারা।
গ্রুপের পঞ্চম রাউন্ডের ম্যাচে ইসরায়েলের কাছে ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র করলেও শেষ ম্যাচে ইতালিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে তাদেরই টপকে গ্রুপ সেরা হয়ে কোয়ার্টারে উঠেছে ফ্রান্স।
শেষ চার ম্যাচেই দলের সঙ্গে ছিলেন না এমবাপে। চোটে আক্রান্ত না হলে কোয়ার্টার ফাইনালে তাকে দলে ফেরাতে পারেন দেশম। ফলে কৌশল দিয়েই দুর্দান্ত এই দলটিকে মাত করতে হবে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়ার।
৪৬৯ দিন আগে
ঢাকায় পৌঁছেছে আয়ারল্যান্ড নারী ক্রিকেট দল
বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে শুক্রবার সকালে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে আয়ারল্যান্ড জাতীয় নারী ক্রিকেট দল।
এই সফরে আয়ারল্যান্ড দলের নেতৃত্ব পেয়েছেন গ্যাবি লুইস। পুর্ণাঙ্গ অধিনায়ক হিসেবে এটিই তার প্রথম সফর। এছাড়া দলের বাকি ক্রিকেটাররাও বেশ তরুণ।
আগামী ২৭ নভেম্বর শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ। বাকি দুই ম্যাচ হবে ৩০ নভেম্বর ও ২ ডিসেম্বর। ওয়ানডে ফরম্যাটের সবগুলোই হবে মিরপুর স্টেডিয়ামে। প্রতিটি ম্যাচই শুরু হবে সকাল ১০ টায়।
ওয়ানডে সিরিজ শেষ করে দুই দল চলে যাবে সিলেটে। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে হবে তিন ম্যাচ টি–টোয়েন্টি সিরিজ। আগামী ৫, ৭ ও ৯ ডিসেম্বর মাঠে গড়াবে ম্যাচগুলো।
এই সিরিজের আগে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ছয়টি ওয়ানডে খেলে তিনটিতে জিতেছে বাংলাদেশ। দুটি ম্যাচ ফলাফল ছাড়াই শেষ হয় এবং হেরেছে একটিতে।
বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াড: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), মুর্শিদা খাতুন, ফারজানা হক পিংকি, শারমিন আক্তার সুপ্তা, সোবহানা মোস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, রিতু মনি, রাবেয়া খান, ফাহিমা খাতুন, মারুফা আক্তার, জাহানারা আলম, সুলতানা খাতুন, তাজ নেহার, সানজিদা আক্তার মেঘলা।
আয়ারল্যান্ড ওয়ানডে স্কোয়াড: গ্যাবি লুইস (অধিনায়ক), আভা ক্যানিং, ক্রিস্টিয়ানা রিয়ালি, লরা দিলানি, সারাহ ফোর্বস, এমি হান্টার, আরলেনে কেলি, এইমি মাগুইরি, সারা মারে, লিহ পল, অরলা প্রেনডারজাস্ট, রেয়মন্ড হোয়ে, ফ্রেয়া সারজেন্ট, অ্যালিস টেকটর।
৪৬৯ দিন আগে
মুরাদের হ্যাটট্রিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজে প্রস্তুতি শেষ করেছে বাংলাদেশ
টেস্ট সিরিজকে সামনে রেখে ওয়েস্ট ইন্ডিজে সফররত বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নিজেদের প্রস্তুতি ভালোভাবেই শেষ করেছে।
অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিলেক্ট একাদশের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের বোলাররা।
জাতীয় দলের হয়ে দুটি টি-টোয়েন্টি খেলা মুরাদ দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে ম্যাচটি ড্র করে নজর কেড়েছেন।
টস জিতে ৭ উইকেটে ২৫৩ রানে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। মুমিনুল হক, লিটন দাস, জাকির আলী অনিক, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনসহ বেশ কয়েকজন ব্যাটসম্যান মাঝমাঠে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
মুমিনুল ৫৮ বলে ৩১ রান করেন, লিটন মাঠ ছাড়ার আগে ৫৩ বলে ৩১ রান করেন। জাকির ১১০ বলে ৪৮ ও অঙ্কন ৮৭ বলে ৪১ রান করেন।
বৃষ্টি ও বাংলাদেশের তীক্ষ্ণ বোলিং ব্যাট হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিলেক্ট একাদশের সুযোগকে সীমিত করে দেয়।
স্বাগতিকরা ২৭.৪ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৮৭ রান তুলতে সক্ষম হয়।
আরও পড়ুন: ভারতের বিষয়ে আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে পিসিবি
২৮তম ওভারে পরপর দুই বলে ড্যানিয়েল বেকফোর্ড, নাভিয়ান বিদাইড ও চেইম হোল্ডারকে আউট করে হ্যাটট্রিক করেন হাসান মুরাদ। ১.৪ ওভার, ১ রান ও ৩ উইকেট নিয়ে বোলিং শেষ করেন মুরাদ।
পেসাররাও ভালো অবদান রেখেছেন। তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদ ২টি করে উইকেট নেন, তাসকিন ৫ ওভারে ২১ রান দেন এবং হাসান মাহমুদ ৬ ওভারে দেন মাত্র ১৫ রান।
২২ নভেম্বর অ্যান্টিগার নর্থ সাউন্ডের স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট এবং ৩০ নভেম্বর থেকে জ্যামাইকার কিংস্টনের সাবিনা পার্কে দ্বিতীয় টেস্ট।
টেস্ট সিরিজ শেষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দুই দল।
আরও পড়ুন: টেস্ট ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে অবসরে ইমরুল কায়েস
৪৭১ দিন আগে
নেইমারের পাঁচটি ব্যালন দ’র জেতা উচিত ছিল: বুফন
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রতিপক্ষের সবচেয়ে কঠিন ফুটবলার হিসেবে মেসি, রোনালদো নয়, বরং নেইমারকে বেছে নিয়েছেন ইতালি ও ইউভেন্তুসের কিংবদন্তি গোলরক্ষক জানলুইজি বুফন। ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলারের অন্তত পাঁচটি ব্যাল দ’র জেতা উচিৎ ছিল বলে মনে করেন তিনি।
২৮ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ার শেষে ২০২৩ সালে গ্লাভস খুলে রাখার সিদ্ধান্ত নেন বুফন। বর্তমানে ইতালি জাতীয় দলের টিম অপারেশন ম্যানেজারের ভূমিকায় রয়েছেন সাবেক এই ফুটবলার।
সম্প্রতি মিলানভিত্তিক ইতালির জাতীয় দৈনিক করিয়েরে দেল্লা সেরাকে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বুফন। সেখানে নিজের আত্মজীবনী উপস্থাপন করেন তিনি। এ সময় ক্যারিয়ারের অসংখ্য বিষয় নিয়ে কথা বলেন ৪৬ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি।
কেন গোলরক্ষক হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘গোলরক্ষক হওয়ার মাঝে একটা আকর্ষণ আছে। ব্যাথা পেয়েও তা থেকে আনন্দ খুঁজে নেওয়া, ব্যাপারটি একেবারেই ব্যতিক্রম।’
‘কিশোর বয়সে আমি যখন খেলা শুরু করেছি, তখনও (ফুটবলের) পরিস্থিতি ৭০-এর দশকের মতো- পিচগুলো সিমেন্টের মতো শক্ত। ক্ষতবিক্ষত হাত, পেছনে কালশিটে পড়ে যাওয়া এবং কতবার রক্তাক্ত হয়েছে- এসব দিয়ে তখনকার গোলরক্ষকদের বিচার করা হতো।’
আরও পড়ুন: এবার ‘লিটল ম্যাজিশিয়ান’ ইনিয়েস্তার বিদায়
১৯৯৫ সালে পার্মার জার্সি গায়ে চড়িয়ে পেশাদার ফুটবলে নাম লেখান বুফন। ছয় বছরে পার্মাকে বেশ কয়েকটি শিরোপা জেতাতে ভূমিকা রাখেন তিনি। এর মধ্যে ১৯৯৯ সালে ক্লাবটির হয়ে উয়েফা কাপ, কোপা ইতালিয়া ও ইতালিয়ান সুপার কাপ জেতেন এই গোলরক্ষক। পার্মায় থাকাকালেই নিজের প্রতিভা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেন তিনি। এরপর ২০০১ সালে তৎকালীন রেকর্ড ট্রান্সফার ফি-তে নাম লেখান ইউভেন্তুসে।
ওল্ড লেডিদের জার্সিতেই টানা ১৮ বছর কাটিয়ে এবং অসংখ্য রেকর্ডের পাশে নিজের নাম লিখিয়ে কিংবদন্তির তকমা অর্জন করেন বুফন। ২০১৮ সালে ইউভেন্তুস থেকে বিদায় নিয়ে এক বছর পিএসজিতে কাটান তিনি। তবে পরের বছরই ফেরেন তুরিনে। আরও দুই বছর সাদা-কালো জার্সিতে খেলে শৈশবের ক্লাব পার্মায় ফেরেন ২০০৬ বিশ্বকাপ জয়ী এই গোলরক্ষক। ২০২৩ সালে সেখান থেকেই অবসরে যান তিনি।
তবে শেষবার ইউভেন্তুস ছাড়ার পর বার্সেলোনায় ভেড়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
‘বার্সা আমাকে ডেকেছিল তাদের রিজার্ভ গোলরক্ষক হওয়ার জন্য। (ক্রিস্তিয়ানো) রোনালদোর সঙ্গে খেলেছি, মেসির সঙ্গেও খেলার সুযোগ তখন এসেছিল; তবে শেষমেষ পার্মায়ই ফিরে গেলাম। যেখানে শুরু হয়েছিল, সেখান থেকেই (ক্যারিয়ার) শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’
৪৭২ দিন আগে
টেস্ট ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে অবসরে ইমরুল কায়েস
টেস্ট ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক ওপেনার ইমরুল কায়েস। সোমবার(১৮ নভেম্বর) এই ঘোষণা দেন তিনি।
টেস্ট ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ১৭ বছরের পেশাদার ক্যারিয়ারের আবেগময় সমাপ্তি টানার ঘোষণা দিয়েছেন ইমরুল।
তবে কিছুদিন আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘোষণা দিয়েছিলেন ইমরুল।
তিনি বলেন, ‘আমি আমার ক্যারিয়ার নিয়ে একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি। ১৬ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানবো। এটা আমার জীবনের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং ও আবেগঘন মুহূর্ত।’
আরও পড়ুন: বিপিএলের সূচি প্রকাশ
ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ৩৯ টেস্ট খেলে তিনটি সেঞ্চুরি ও চারটি ফিফটি করা ইমরুল তার কৃতজ্ঞতা ও গর্ব প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘২০০৬ সালে যখন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয়, কখনো ভাবিনি বাংলাদেশের হয়ে ৩৯টি টেস্ট ম্যাচ খেলব। একটা টেস্ট হোক বা পঞ্চাশে, দেশের প্রতিনিধিত্ব করা অনেক বড় সম্মানের। আমি আমার সেরাটা দিয়ে দলের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা করেছি, হয় ব্যাট হাতে নিয়ে কিংবা কিপার হিসেবে।’
ইমরুলের টেস্ট ক্যারিয়ারে বেশ কয়েকটি মাইলফলক রয়েছে, যার মধ্যে ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে খুলনা টেস্টে তামিম ইকবালের সঙ্গে রেকর্ড ৩১২ রানের উদ্বোধনী জুটি রয়েছে।
তিনি বলেন, দেড়শ’র ওই ইনিংসটি আমার কাছে চিরকাল বিশেষ স্মৃতি হয়ে থাকবে।
নিজের অবদানে গর্ববোধ করলেও ইমরুল কিছু অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে ক্যারিয়ারে বড় কোনো ট্রফি জিততে না পারা।
তিনি বলেন, ‘সাকিব আল হাসান, তামিম, মাশরাফি, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ভাইয়ের মতো কিংবদন্তিদের সঙ্গে দীর্ঘদিন খেললেও আমরা বাংলাদেশের জন্য উল্লেখযোগ্য কোনো ট্রফি জিততে পারিনি। এশিয়া কাপ বা নিদাহাস ট্রফির মতো কিছু জিততে পারলে আমার ক্যারিয়ার আরও পরিপূর্ণ হতো।’
ইমরুল আরও বলেন, ‘ওই জয়ের পর যে উদযাপন করা হয়েছিল, তা ছিল অবিস্মরণীয়। সেই রাতে ভক্তদের কাছ থেকে আমরা যে ভালবাসা এবং সমর্থন পেয়েছিলাম তা এখনও আমাকে শিহরিত করে। এটা প্রমাণ করে আমাদের দেশে ক্রিকেটকে কতটা গভীরভাবে ভালোবাসে।’
আরও পড়ুন: ভারতের বিষয়ে আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে পিসিবি
৪৭৩ দিন আগে