খেলাধুলা
দ্বিতীয়ার্ধের জমজমাট লড়াইয়ের পরও ফের পয়েন্ট খোয়াল রিয়াল মাাদ্রিদ
নতুন মৌসুমে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে গিয়েই বারবার নিজেদের হারিয়ে ফেলছে বর্তমান লা লিগা চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথম ম্যাচে মায়োর্কার মাঠ থেকে জয় আনতে ব্যর্থ হওয়া দলটি তৃতীয় ম্যাচেও একইরকমভাবে হতাশ হয়েছে।
বুধবার রাতে স্পেনের কানারি দ্বীপের গ্রান কানেরিয়া স্টেডিয়ামে তারকায় ঠাসা রিয়াল মাদ্রিদকে ১-১ গোলের ড্রয়ে রুখে দিয়েছে পুঁচকে লাস পালমাস।
ম্যাচজুড়ে বল দখলের লড়াইয়ে রিয়ালকে সমানে চ্যালেঞ্জ দিয়ে গেছে স্বাগতিকরা। তাছাড়া আক্রমণাত্মক রক্ষণ গড়ে চ্যাম্পিয়নদের আক্রমণগুলোও একের পর এক প্রতিহত করে গেছে তারা। শেষ মুহূর্তে গোল পেয়ে ম্যাচটি জিতে নেওয়ারও ভালো সম্ভাবনা জাগায় তারা, তবে ভাগ্য রিয়ালের পক্ষে থাকায় ১ পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে লুইস মিগেল কারিয়নের শিষ্যদের।
এদিন ম্যাচ শুরুর পর পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যায় লাস পালমাস। হঠাৎ আক্রমণে উঠে অরেলিয়েঁ চুয়ামেনিকে পরাস্ত করে আলবার্তো মলেইরোকে পাস দেন অলিভার ম্যাকবার্নি। পাস ধরে প্রথম শটেই লক্ষ্যভেদ করেন ২০ বছর বয়সী এই তরুণ উইঙ্গার।
গোল খেয়ে আক্রমণাত্মক ফুটবলে লাস পালমাসকে চেপে ধরার চেষ্টা করে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে সম্মিলিত প্রচেষ্টা, কাউন্টার প্রেসিং ও জমাট রক্ষণে রিয়ালের সেসব প্রচেষ্টা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে দিতে থাকে স্বাগতিকরা। শুধু তা-ই নয়, প্রতিপক্ষের পা থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে পজেশনাল ফুটবলে বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চেষ্টা করে লাস পালমাস, পাশাপাশি আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করে রিয়ালকেও অস্বস্তিতে রাখে তারা।
২৫তম মিনিটে প্রথম গোলে শট নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। ডি-বক্সের সামান্য বাইরে থেকে ফাউল আদায় করেন ভিনিসিউস। সেখান থেকে ফেদেরিকো ভালভার্সে দারুণ একটি ফ্রি কিক নিলেও অসাধারণ দক্ষতায় শটটি প্রতিহত করে ব্যবধান ধরে রাখেন লাস পালমাস গোলরক্ষক জ্যাসপার সিলিসেন।
২৮তম মিনিটে আক্রমণে উঠে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে শটে জোর না থাকায় সহজেই বলটি লুফে নেন সিলিসেন।
মিনিট দশেক পর বক্সের বেশ বাইরে থেকে দূরপাল্লার শট হানেন আন্টোনিও রুয়েডিগার, তবে বাঁ পাশের পোস্টঘেঁষে বল গোলের ঢোকার মুখে ঝাঁপিয়ে হাত প্রসারিত করে সেটি বাইরে বের করে দেন সিলিসেন।
আরও পড়ুন: এমবাপ্পে না পারলেও অভিষেকে গোল এন্দ্রিকের, জয়ে ফিরল রিয়াল
এরপর ৪১তম মিনিটে রিয়াল মাদ্রিদের আরও একটি পাল্টা আক্রমণ সঠিক সময়ে এগিয়ে এসে শেষ পর্যন্ত নিস্ফল করে দেন ৩৫ বছর বয়সী এই সাবেক বার্সা গোলরক্ষক।
প্রথমার্ধের ত্রিশ মিনিটের পর থেকে একের পর এক গেম ডেভেলপ করে সমতায় ফেরার চেষ্টায় ব্রতী হয় রিয়াল মাদ্রিদ। তবে জমাট রক্ষণ ও সিলিসেনের নৈপুণ্যে তাদের সব প্রচেষ্টা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই নিস্ক্রিয় হয়ে যায়। ফলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় লাস পালমাস।
প্রথমার্ধে রিয়ালের ছয়টি শটের তিনটি ছিল লক্ষ্যে, অন্যদিকে লাস পালমাস দুটি শটের একটি লক্ষ্যে রাখতে পারে, যেটি থেকে গোল আদায় করে তারা।
তবে বল দখলের লড়াইয়ে একদমই পিছিয়ে ছিল না লাস পালমাস। রিয়ালের ৫২ শতাংশ সময় বলের ওপর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ৪৮ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে লা লিগা চ্যাম্পিয়নদের সমানে টক্কর দেয় তারা।
৬৪৪ দিন আগে
বিশ্বকাপ-ইউরো-নেশন্স লিগ জেতা একমাত্র ফটুবলার অবসরে
১৫ বছর, চারটি শিরোপা আর অসংখ্য অসাধারণ মুহূর্তের সাক্ষী হওয়ার পর অবশেষে স্পেনের জাতীয় দলকে বিদায় বলে দিলেন সেভিয়ার কিংবদন্তি ফুটবলার হেসুস নাভাস। চলতি মৌসুম শেষে ক্লাব ফুটবল থেকেও তিনি বিদায় নিতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
২০০৯ সালে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জাতীয় দলে অভিষিক্ত হন নাভাস। এরপর দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন এই ফুলব্যাক।
স্পেনের হয়ে তিনি পরের বছরই জেতেন বিশ্বকাপ, এরপর ২০১২ সালের ইউরো। সবশেষ ২০২৪ সালের ইউরো অভিযানের অংশ ছিলেন ৩৮ বছর বয়সী এই রাইট ব্যাক। টুর্নামেন্টে ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে খেলা ম্যাচটিই হয়ে থাকল রা রোহার জার্সিতে তার শেষ ম্যাচ। আর দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপ সেরার ট্রফি উঁচিয়ে ধরার পর বিদায় আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বললেন তিনি।
বিদায় বার্তায় কোচ, স্টাফ, সতীর্থ ও ভক্তদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন নাভাস। এছাড়া জাতীয় দলকে আরও এগিয়ে যেতে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ফুটবলার।
নাভাস বলেন, ‘আমি বহুবার এটি বলেছি, আবারও বলছি- দেশের হয়ে রক্ষণ সামলানোই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠতম অভিজ্ঞতা। স্পেনের হয়ে খেলার স্বপ্নপূরণের স্মৃতি যেমন আমার হৃদয়ে অটুট থাকবে, তেমনি অসংখ্য মানুষকে আনন্দ দিতে পেরেছি, এই গৌরবও আজীবন ধারণ করব।’
বিশ্বকাপ, ইউরো ও নেশন্স লিগ জয়ী বিশ্বের একমাত্র ফুটবলার নাভাস।
আরও পড়ুন: এবার বিদায় বলে দিলেন নয়ার
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন সুইস গোলরক্ষক জমের
৬৪৪ দিন আগে
বার্সেলোনার জন্য অপেক্ষা করে লিভারপুলে গেলেন কিয়েসা
ইউভেন্তুসে গত দুই মৌসুম একপ্রকার ব্রাত্য থাকার পর অবশেষে নিয়মিত খেলার সুযোগ করে নিলেন ইতালির তরুণ ফরোয়ার্ড ফেদেরিকো কিয়েসা। ইতালি থেকে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি।
মাত্র ১৫ মিলিয়ন (১২+৩) ইউরোরর বিনিময়ে প্রতিভাবান এই ফরোয়ার্ডকে দলে ভিড়েয়েছেন লিভারপুল কোচ আর্নে স্লট। চার বছরের জন্য অ্যানফিল্ডে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) দুই ক্লাবের পক্ষ থেকেই কিয়েসার দলবদলের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
২০২০ সালে ফিওরেন্তিনা থেকে ধারে তুরিনের ক্লাবটিতে নাম লেখান কিয়েসা। এরপর দুর্দান্ত পারফর্ম করে ইউভেন্তুসের শুরুর একাদশে নিজের জায়গা পাকাপাকি করে ফেলেন তিনি, স্থায়ী দলবদলের মাধ্যমে সঙ্গে তুরিনেই থেকে যান ২৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। শুধু তাই নয়, প্রথম মৌসুমে দারুণ পারফর্ম করে সেরি আর মৌসুম সেরা দলে জায়গা করে নেন তিনি।
আরও পড়ুন: চেলসি ছেড়ে নাপোলিতে লুকাকু
তবে ২০২২ সালে হাঁটুতে গুরুতর চোট পেয়ে দশ মাসের জন্য মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। এরপর মাঠে ফিরলেও নিজেকেই খুঁজে চলেছেন কিয়েসা। গত মৌসুমে ৩৭ ম্যাচে মাত্র ১০ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট করেন তিনি। এরপর নতুন মৌসুমে কোচ থিয়াতো মোত্তার অধীনে অনিশ্চিত হয়ে যায় তার মাঠে নামা। মৌসুমের প্রথম দুই ম্যাচে তাকে মাঠে নামাননি এই কোচ।
তবে কিয়েসা যে পরিকল্পনায় নেই, তার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন মোত্তা। সে সময় থেকেই নতুন গন্তব্য খুঁজতে থাকে তার এজেন্ট। এক পর্যায়ে বার্সেলোনায় এই ফরোয়ার্ডকে অফার করা হয়। নিকো উইলিয়ামসকে দলে টানতে না পারায় স্বল্প খরচে এই ফরোয়ার্ডকে দলে টানার ভালো সম্ভাবনাও তৈরি হয় কাতালুনিয়ার ক্লাবটির। ব্লাউগ্রানার হয়ে খেলতে অপেক্ষাও করেছিলেন তিনি। তবে আর্থিক জটিলতার সমাধান করতে না পারায় অপেক্ষার প্রহর আর লম্বা করতে চাননি তিনি। লিভারপুলের প্রস্তাবেই রাজি হয়ে যান।
ইউভেন্তুসের জার্সিতে ১৩১ ম্যাচে ৩২ গোল করা কিয়েসা ইতালির জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ৫১ ম্যাচ খেলেছেন, গোল করেছেন ৭টি। ২০২০ সালে ইতালির ইউরো জয়ে বড় অবদান ছিল এই তরুণের।
আরও পড়ুন: লা লিগায় ফিরলেন হামেস রদ্রিগেস
৬৪৪ দিন আগে
চেলসি ছেড়ে নাপোলিতে লুকাকু
চেলসিতে অনেক টানাপোড়েন শেষে অবশেষে ইতালিতে পাড়ি জমালেন বেলিজিয়ামের ৩১ বছর বয়সী স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু্। ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর, ৩০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে তাকে দলে ভিড়িয়েছে নাপোলি।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) লুকাকুকে দিয়েগো আরমান্দো মারাদোনা স্টেডিয়ামে নে যাওয়ার কথা ঘোষণা করে নাপোলি।
মূলত লুকাকুর সাবেক গুরু আন্তোনিও কন্তে নাপোলির ডাগআউটের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাকে পাওয়ার ইচ্ছাপোষণ করে আসছিলেন। এবার সেই স্বপ্ন সত্যি হলো।
কন্তের কোচিংয়ে ক্যারিয়ারে ফর্মের চূড়ায় চড়েন লুকাকু। ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এসি মিলানে তার তত্ত্বাবধায়নে খেলেন এই বেলজিয়ান। ২০২০-২১ মৌসুমে ২৪ গোল করে এসি মিলানকে স্কুদেত্তো জেতাতেও বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। এরপরই তার দিকে নজর দেয় চেলসি।
আরও পড়ুন: ম্যানচেস্টার সিটি ছেড়ে সৌদি প্রো লিগে কান্সেলো
২০২১ সালের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ১১৫ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে তাকে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে নিয়ে যায় লন্ডনের ক্লাবটি। তবে ইনজুরি-ফর্মহীনতাসহ নানা কারণে ২০২২ সালের মের পর আর চেলসির হয়ে খেলার সুযোগ পাননি তিনি। এর মাঝে গত দুই মৌসুম ইতালির ইন্তার মিলান ও রোমায় ধারে খেলেন এই ফরোয়ার্ড।
এর আগে, ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত চেলসিতে খেলেন লুকাকু। তবে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে তার দ্বিতীয় অধ্যায় মোটেও ভালো কাটেনি।
গুঞ্জন রয়েছে, নাপোলির স্ট্রাইকার ভিক্তর অশিমিয়েনকে বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করছে ক্লাবটি। এ উদ্দেশ্যে সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল-আহলির সঙ্গে আলোচনাও করছে তারা। এখন লুকাকু নাপোলিতে যোগ দেওয়ায় সেই সম্ভাবনার আগুনে আরও একটু ঘি ঢালা হলো।
আরও পড়ুন: চেলসি থেকে আতলেতিকো মাদ্রিদে গ্যালাগার
৬৪৪ দিন আগে
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন ফরমেট: যা জানা প্রয়োজন
নতুন মৌসুমে নতুন আঙ্গিকে শুরু হতে চলেছে ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের অভিজাতদের লড়াই উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে নতুন মৌসুমের গ্রুপপর্বের ড্র। এর আগে চলুন জেনে নেই, নতুন আঙ্গিকের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ আসরের খুঁটিনাটি।
এতদিন ধরে ৩২ দল আটটি গ্রুপে ভাগ হয়ে গ্রুপপর্ব খেলার রীতি থাকলেও ২০২৪-২৫ মৌসুমে এই ধারায় পরিবর্তন আসতে চলেছে। নতুন মৌসুম থেকে ৩৬ দল নিয়ে শুরু হবে ক্লাব ফুটবলে ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লড়াই।
মোনাকোর গ্রিমালদি ফোরামে বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন ফরমেটের গ্রুপপর্বের ড্র অনুষ্ঠিত হবে। উয়েফা ডটকমে সরাসরি দেখা যাবে এই আসরের ড্রয়ের অনুষ্ঠান।
গ্রুপপর্বে এসেছে আমূল পরিবর্তন
২০০৩ সাল থেকে গ্রুপপর্বে হোম ও অ্যাওয়ে ম্যাচ হিসেবে প্রতিটি দল তিন প্রতিপক্ষের সঙ্গে ছয়টি করে ম্যাচ খেলত। এর মধ্যে থেকে টেবিলের শীর্ষ দুই দল শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিত। এছাড়া তৃতীয় দল ইউরোপা লিগের প্লে-অফ খেলার সুযোগ পেত, আর তলানির দল সরাসরি বাদ পড়ত।
তবে নতুন মৌসুমে প্রতিটি প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এসব সুবিধা থাকছে না।
৩৬টি দলের প্রত্যেকে গ্রুপপর্বে আটটি করে ম্যাচ খেলবে। ফলে গত মৌসুমেও গ্রুপপর্বে যেখানে মোট ৯৬টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতো, এই মৌসুম থেকে তা বেড়ে দাঁড়াবে ১৪৪ ম্যাচ। তবে এবারের প্রতিটি ম্যাচই হবে নকআউট, অর্থাৎ এক প্রতিপক্ষের সঙ্গে একবার করেই খেলার সুযোগ পাবে ক্লাবগুলো।
গ্রুপপর্বের সবগুলো ম্যাচ শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ ৮ দল সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিত করবে, এর পরের ১৬ দল থেকে দুই লেগের প্লে-অফ পর্ব খেলে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেবে বাকি ৮ দল। এছাড়া শেষ ১২ দল গ্রুপপর্ব থেকে সরাসরি বাদ পড়বে। তারা আর ইউরোপা লিগে খেলার সুযোগ পাবে না।
প্লে-অফ পর্বে ৯-১৬তম দলগুলো ঘরের মাঠে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ খেলার সুবিধা পাবে।
নতুন ফরমেটের শেষ ষোলো থেকে ফাইনাল পর্যন্ত অবশ্য আগের নিয়মেই অনুষ্ঠিত হবে। তবে দলের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং ফরমেটে পরিবর্তন আনায় টুর্নামেন্টের মোট ম্যাচ সংখ্যা ১২৫ থেকে বেড়ে ১৮৯-এ দাাঁড়াবে। আবার ছয় ম্যাচের পরিবর্তে একেকটি দল এবার কমপক্ষে আটটি করে ম্যাচ খেলবে, আর ফাইনালিস্ট দুই দলের খেলা মোট ম্যাচের সংখ্যা দাঁড়াবে ১৭টি।
অতিরিক্ত চার ক্লাব যেভাবে বাছাই হবে
ইউরোপের যে দুই দেশের ক্লাবগুলো গত মৌসুমে উয়েফার সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সম্মিলিতিভাবে সবচেয়ে ভালো পারফর্ম করেছে, সেই দুই দেশ থেকে অতিরিক্ত একটি করে দল পরের মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে নেবে।
এই হিসাবে ইতালির সেরি-আ এবং জার্মানির বুন্দেসলিগার পয়েন্ট টেবিলের পঞ্চম দল যথাক্রমে বোলোনিয়া ও বরুশিয়া ডর্টমুন্ড এবারের আসরে সুযোগ পাচ্ছে।
গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলে ডর্টমুন্ড। এছাড়া লেভারকুজেন খেলে ইউরোপা লিগের ফাইনাল। ফলে লিগ টেবিলের পঞ্চম দল হয়েও এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা পেয়েছে ডর্টমুন্ড। অন্যদিকে, গত আসরের ইউরোপা লিগের শিরোপা জেতে ইতালির ক্লাব আতালান্তা। কিন্তু তারা প্রথম চার দল হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সরাসরি জায়গা করে নেওয়ায় পঞ্চম দল হয়েও বোলোনিয়ার কপাল খুলেছে।
তৃতীয় দল আসবে ইউরোপের সেরা পাঁচ ঘরোয়া লিগের পঞ্চম লিগ থেকে। সেই হিসেবে ফ্রান্সের লিগ-১ থেকে দুটি দল সুযোগ পেলেও এবার তৃতীয় দল হিসেবে সরাসরি জায়গা পেয়েছে ব্রেস্ত।
উল্লেখ্য, উয়েফার প্রতিযোগিতায় পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে ইংল্যান্ড, স্পেন, ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যে থেকে পঞ্চম দল নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।
এছাড়া চতুর্থ ক্লাবটি আসবে র্যাঙ্কিংয়ের নিচের সারির দেশগুলোর সেরা ক্লাবগুলোর মধ্যে প্লে-অফ পর্ব থেকে। গত আসর পর্যন্ত চারটি দেশের চার ক্লাব প্রতিযোগিতা করলেও এই মৌসুম থেকে পাঁচটি ক্লাবের মধ্যে হবে শেষ জায়গাটি পাওয়ার লড়াই।
যেভাবে হবে ড্র
আগের মৌসুমের মতো ৩৬টি ক্লাবকে চারটি পাত্রে ভাগ করে ড্র অনুষ্ঠিত হবে। তবে এখানেও আছে পরিবর্তন।
আগে লিগের পয়েন্ট টেবিলের চার দলকে চারটি পাত্রে রাখলেও এবার উয়েফার প্রতিযোগিতায় গত পাঁচ মৌসুমে সবচেয়ে সেরা ৯টি ক্লাবকে প্রথম পাত্রে এবং পরবর্তী পাত্রগুলোতেও একই বিবেচনায় রাখা হবে ক্লাবগুলোকে।
এই হিসাবে এবারের ড্রয়ের প্রথম পাত্রে সম্প্রতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলা দলগুলোও ছাড়াও রয়েছে বার্সেলোনা ও লাইপসিগ।
প্রথম পাত্র থেকে একটি দলের নাম ঘোষণার পর কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে দ্বৈবচয়ন পদ্ধতিতে চারটি পাত্র থেকেই দুটি করে মোট আট প্রতিপক্ষের নাম স্ক্রিনে ভেসে উঠবে। এই দুই দলের একটির সঙ্গে হোম এবং অন্যটির সঙ্গে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে নির্ধারিত দলটি।
কোন পাত্রে কারা রয়েছে
এবারের ড্রয়ে কোন কোন ক্লাব কোন পাত্রে রয়েছে, চলুন দেখে নেই-
পাত্র-১: রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার সিটি, বায়ার্ন মিউনিখ, প্যারিস সেন্ত জার্মেই, লিভারপুল, ইন্টার মিলান, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, আরবি লাইপসিগ ও বার্সেলোনা।
পাত্র-২: বায়ের লেভারকুজেন, আতলেতিকো মাদ্রিদ, আতালান্টা, ইউভেন্তুস, বেনফিকা, আর্সেনাল, ক্লাব ব্রুজ, শাখতার দোনেৎস্ক ও এসি মিলান।
পাত্র-৩: ফেয়েনুর্দ, স্পোর্টিং লিসবন, পিএসভি আইন্দোহভেন, ডায়নামো জাগরেব, জালসবুর্গ, লিল, ক্রভেনা জাভেজদা, ইয়াং বয়েজ ও সেল্টিক।
পাত্র-৪: স্লোভান ব্রাতিস্লাভা, মোনাকো, স্পার্তা প্রাহা, অ্যাস্টন ভিলা, বোলোনিয়া, জিরোনা, স্টুটগার্ট, স্ট্রাম গ্রাজ ও ব্রেস্ত।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সময়সূচি
গ্রুপপর্ব
ম্যাচ ডে ১: ১৭-১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
ম্যাচ ডে ২: ১-২ অক্টোবর, ২০২৪
ম্যাচ ডে ৩: ২২-২৩ অক্টোবর, ২০২৪
ম্যাচ ডে ৪: ৫-৬ নভেম্বর, ২০২৪
ম্যাচ ডে ৫: ২৬-২৭ নভেম্বর, ২০২৪
ম্যাচ ডে ৬: ১০-১১ ডিসেম্বর, ২০২৪
ম্যাচ ডে ৭: ২১-২২ ডিসেম্বর, ২০২৪
ম্যাচ ডে ৮: ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫
নকআউট পর্ব
নকআউট প্লে-অফ: ১১-১২ এবং ১৮-১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
শেষ ষোলো: ৪-৫ এবং ১১-১২ মার্চ, ২০২৫
কোয়ার্টার ফাইনাল: ৮-৯ এবং ১৫-১৬ এপ্রিল, ২০২৫
সেমিফাইনাল: ২৯-৩০ এপ্রিল এবং ৬-৭ মে, ২০২৫
ফাইনাল: ৩১ মে, ২০২৫
ইউরোপা লিগ ও কনফারেন্স লিগের ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার পর শনিবার (৩১ আগস্ট) প্রতিটি ক্লাবের খেলার সময়সূচি ঘোষণা করবে উয়েফা।
বিলিয়ন ইউরোর প্রাইজমানি
নতুন এই ফরমেট করার পেছনে আর্থিক অঙ্কটা যে বড় একটি কারণ, উয়েফা কর্মকর্তারাই সেটি নিশ্চিত করেছেন। গত মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন দল ১৩৫ মিলিয়ন ইউরো আর্থিক পুরস্কার পেলেও এবারের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১৫০ মিলিয়ন ইউরো।
টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলো প্রাথমিকভাবে ১৮.৬ মিলিয়ন ইউরো করে পাবে। এরপর প্রতিটি ম্যাচ জিতলে আরও ২.১ মিলিয়ন ইউরো করে বাড়বে এই অঙ্ক। তবে ড্র করলে অর্থের পরিমাণ হবে এক-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ ৭ লাখ ইউরো।
এছাড়া নকআউট পর্বে নাম লেখানো দলগুলোর প্রত্যেকে ১১ মিলিয়ন ইউরো করে বোনাস পাবে। সব মিলিয়ে বিলিয়ন ইউরোর টুর্নামেন্ট হতে চলেছে নতুন আঙ্গিকের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ।
৬৪৪ দিন আগে
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নদের সংবর্ধনা দেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
স্বাগতিক নেপালকে ৪-১ গোলে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপাজয়ী ফুটবলারদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তার সরকারি বাসভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
রিজওয়ানা হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের খেলার অঙ্গন থেকে দুইটা ভালো খবর এসেছে। একটা হচ্ছে সাফ অনূর্ধ্ব ২০ চ্যাম্পিয়ন ২০২৪, এটাতো বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আজকে উপদেষ্টা পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত যে, আমরা তাদের জন্য একটা সংবর্ধনার আয়োজন করব।’
আরও পড়ুন: সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ: নেপালকে হারিয়ে প্রথম শিরোপা জিতল বাংলাদেশ
তিনি বলেন, ‘আরেকটি হলো- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল পাকিস্তানকে হারিয়েছে। আমরা মনে করছি খেলোয়াড়দের মধ্যে এই যে একটা উদ্যোম এসেছে, এটাকে ধরে রাখার জন্য তাদের অভিনন্দন জানানো দরকার। সেজন্য আমাদের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে সকল খেলোয়াড়, কোচ এবং বোর্ডকে অভিনন্দন জানিয়েছি।’
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। এছাড়া রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে ১০ উইকেটের স্মরণীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম জয়।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের মাটিতে ঐতিহাসিক জয় টাইগারদের
৬৪৪ দিন আগে
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ: নেপালকে হারিয়ে প্রথম শিরোপা জিতল বাংলাদেশ
স্বাগতিক নেপালকে উড়িয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। এর ফলে বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।
নেপালের কাঠমান্ডুর ললিতপুরের আনফা কমপ্লেক্সে বুধবার (২৮ আগস্ট) স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয় পেয়েছে মারুফুল হকের দল।
ফাইনাল ম্যাচে জোড়া গোল করেন মিরাজুল ইসলাম। এছাড়া রাব্বি হোসেন রাহুল ও পিয়াস আহমেদ নোভা একটি করে গোল করেন।
চার গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়েছেন মিরাজুল ইসলাম।
শ্রীলঙ্কাকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপপর্ব শুরুর পর নেপালের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে হেরে গ্রুপ রানার্স-আপ হয়েছিল বাংলাদেশ। এবার ফাইনালে সেই নেপালকে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিয়েছে বাংলাদেশ।
সাফের বয়সভিত্তিক অন্য সব প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলেও অনূর্ধ্ব-২০ এর ট্রফিটি এতদিন অধরা ছিল বাংলাদেশের। শেষ পর্যন্ত এই শিরোপাটি ছুঁয়ে সাফ অঞ্চলে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল বাংলাদেশের যুবারা।
৬৪৫ দিন আগে
দ্বিতীয় টেস্ট স্কোয়াডে শক্তি বাড়াল পাকিস্তান
দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে ১০ উইকেটের ব্যবধানে হেরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তাই দ্বিতীয় টেস্টের আগে স্কোয়াড শক্তিশালী করছে তারা।
রাওয়ালপিন্ডিতেই দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে শুক্রবার (৩০ আগস্ট)। তার আগেই এই ম্যাচের জন্য দলে ডাক পেয়েছেন লেগ স্পিনার আবরার আহমেদ, পেস অলরাউন্ডার আমির জামাল ও ব্যাটার কামরান গুলাম। এছাড়া ছুটিতে যাওয়া শাহিন শাহ আফ্রিদিকেও স্কোয়াডে ফেরানো হয়েছে।
বুধবার (২৮ আগস্ট) দ্বিতীয় টেস্টের জন্য পাকিস্তানের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। এতে এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। তবে এই তিন খেলোয়াড়কে যুক্ত করা হলেও প্রথম টেস্টের স্কোয়াড থেকে কাউকে বাদ দেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের মাটিতে ঐতিহাসিক জয় টাইগারদের
শুরু থেকেই পাকিস্তান স্কোয়াডে ছিলেন আবরার ও কামরান। তবে প্রথম টেস্টের আগে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য তাদের ছেড়ে দেয় পিসিবি। আর আমির জামাল বাদ পড়েন ইনজুরির কারণে। তাবে ফেরানো হলেও দ্বিতীয় টেস্টে তার খেলা নির্ভর করছে ফিটনেসের ওপর।
এছাড়া, প্রথম টেস্ট চলাকালে বাবা হন শাহিন আফ্রিদি। গুঞ্জন ছিল দ্বিতীয় টেস্টে তিনি না-ও খেলতে পারেন। তবে দশ উইকেটে হারের পর বদলে গেছে পরিস্থিতি। তাই প্রথম টেস্ট শেষে ছুটিতে গেলেও মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় তিনি আবার দলে ফিরে এসেছেন।
প্রথম টেস্ট একাদশে কোনো স্পিনার না রেখেই সর্বাত্মক পেস আক্রমণ নিয়ে মাঠে নামে পাকিস্তান। তবে এই সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হয়েছে তাদের। অন্যদিকে, বাংলাদেশ তিন পেসার নিয়ে খেললেও দ্বিতীয় ইনিংসে চমক দেখায় স্পিনাররা। তাই দ্বিতীয় টেস্টের জন্য আবরারকে ফিরিয়েছে পাকিস্তান।
রাওয়ালপিন্ডিতে এই লেগ স্পিনারের রেকর্ডও দারুণ। ঘরোয়া ক্রিকেটে এই মাঠে পাঁচটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে ১৭ দশমিক ২৫ গড়ে মোট ৪০টি উইকেট শিকার করেছেন তিনি।
পাকিস্তান স্কোয়াড: শান মাসুদ (অধিনায়ক), সৌদ শাকিল (সহ-অধিনায়ক), আমির জামাল (ফিটনেস সাপেক্ষে), আবরার আহমেদ, আব্দুল্লাহ শফিক, বাবর আজম, কামরান গুলাম, খুররাম শাহজাদ, মির হামজা, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ হুরাইরা, মোহাম্মদ রিজওয়ান, নাসিম শাহ, সাইম আইয়ুব, সালমান আলী আগা, সরফরাজ আহমেদ, শাহিন শাহ আফ্রিদি।
আরও পড়ুন: ক্রিকেট ইতিহাসের সফলতম বাঁহাতি স্পিনার এখন সাকিব
৬৪৫ দিন আগে
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে মালান
৩৬ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন ইংলিশ ব্যাটার ডাওইড মালান।
বুধবার (২৮ আগস্ট) অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট ও ঘরোয়া ক্রিকেটে তাকে দেখা যাবে।
অবসরের ঘোষণা দিয়ে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া একটি অসাধারণ যাত্রা শেষ হলো। ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই খেলতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ।’
‘ইংল্যান্ডের বিভিন্ন দলের কোচ ও কর্মীরা, যারা আমাকে সহযোগিতা ও সমর্থন করেছেন এবং এই সাত বছরে পাওয়া আমার সব ইংল্যান্ড সতীর্থ- সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’
আরও পড়ুন: সব ধরনের ক্রিকেট থেকে শিখর ধাওয়ানের বিদায়
ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই সেঞ্চুরি করা মাত্র দুই ইংলিশ ব্যাটারদের মধ্যে মালান একজন। তিনি ছাড়া এই কীর্তি আছে কেবল জস বাটলারের। এছাড়া টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম হাজার রানের রেকর্ডও তার। মাত্র ২৪ ম্যাচে এক হাজার রান সংগ্রহ করেন তিনি।
ইংল্যান্ডের হয়ে তিনি ২২টি টেস্ট ৩০টি ওয়ানডে ও ৬২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। এর মধ্যে ২২ টেস্টের ৩৯ ইনিংস খেলে ১ সেঞ্চুরি ও ৯ ফিফটিতে তার সংগ্রহ ১ হাজার ৭৪ রান। ওয়ানডে ক্রিকেটে ৩০ ইনিংসে ৬ সেঞ্চুরি ও ৭ ফিফটিতে ৫৫.৭৬ গড়ে তিনি করেন ১ হাজার ৪৫০ রান। আর টি-টোয়েন্টির ৬০ ইনিংসে ১ সেঞ্চুরি ও ১৬ ফিফটিতে মালানের সংগ্রহ ১ হাজার ৮৯২ রান।
২০২০ সালে তিনি টি-টোয়েন্টির ব্যাটার র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান দখল করেন। এরপর ২০২২ সালে ইংল্যান্ডের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতেন মালান।
৬৪৫ দিন আগে
ম্যানচেস্টার সিটি ছেড়ে সৌদি প্রো লিগে কান্সেলো
ম্যানচেস্টার সিটির ফুটবলার হয়েও একপ্রকার যাযাবরের মতো জীবন কাটাচ্ছিলেন জোইয়াও কান্সেলো। অবশেষে ইউরোপীয় ফুটবল ছেড়ে নতুন ঠিকানা খুঁজে নিলেন ৩০ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ ফুলব্যাক। সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল-হিলালে যোগ দিয়েছেন তিনি।
দলবদলের মৌসুমে বার্সেলোনাসহ বেশকিছু ইউরোপীয় ক্লাব তার ওপর নজর রাখছে বলে গুঞ্জন ছিল। তবে শেষমেষ আল-হিলালেই থিতু হয়েছেন এই ফুটবলার।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) তাকে দলে টানার ঘোষণা দিয়েছে আল-হিলাল।
সূত্রের বরাত দিয়ে ইএসপিএনের জানিয়েছে, কান্সেলোকে দলে পেতে সিটিকে ২৫ মিলিয়ন ইউরো দিয়েছে আল-হিলাল। তিন বছরের চুক্তিতে ক্লাবটিতে নাম লিখিয়েছেন কান্সেলো, যেখানে প্রতি বছর প্রায় ১৮ মিলিয়ন ইউরো উপার্জন করবেন এই ফুটবলার।
আরও পড়ুন: বার্সেলোনা থেকে আবারও সিটিতে গুন্ডোগান
সিটি বস পেপ গার্দিওলার সঙ্গে মতানৈক্যের কারণে ২০২২-২৩ মৌসুমের দ্বিতীয়ার্ধ বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ধারে খেলেন কান্সেলো। এরপর ২০২৩-২৪ মৌসুমের পুরোটাই তিনি কাটিয়েছেন বার্সেলোনায়।
কাতালুনিয়ায় তার ধারে খেলার সময় শেষে ফের ম্যানচেস্টারে ফেরেন তিনি। এরপর গার্দিওলা জানিয়েছিলেন, ক্লাবের প্রয়োজনে দলে ডাক পেতে পারেন তিনি। কিন্তু প্রিমিয়ার লিগের প্রথম দুই ম্যাচে তাকে মাঠে নামানো হয়নি। এরপর আল-হিলালের সঙ্গে তার চুক্তিবদ্ধ হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এলো।
২০১৮-১৯ মৌসুমে ইউভেন্তুসের সেরি-আ জয়ে মৌসুমজুড়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন কান্সেলো। এরপর ২০১৯ সালের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ৬০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে তাকে দলে টানে সিটি। ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিয়েও দারুণ পারফর্ম করেন তিনি। সিটির হয়ে টানা তিনটি প্রিমিয়ার লিগ জেতার পর দলে তার জায়গা নড়বড়ে হয়ে যায়। এ কারণেই কোচের ওপর প্রকাশ্যে ক্ষোভ ঝাড়েন তিনি, যার ফলে ক্লাব ছাড়াটা তার জন্য ছিল একপ্রকার সময়ের ব্যাপার মাত্র।
আরও পড়ুন: অবশেষে ‘ঠিকানা’ খুঁজে পেলেন ফেলিক্স
ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে ১৫৪ ম্যাচ খেলে ৯ গোল করেছেন এই উইংব্যাক, জিতেছেন তিনটি প্রিমিয়ার লিগ, এফএ কাপ ও লিগ কাপের শিরোপা।
আল-হিলালে তিনি নেইমার, ম্যালকম, নিজ দেশের রুবেন নেভেস, সেনেগালের কালিদু কুলিবালি ও মরোক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনোর মতো তারকাদের সঙ্গে খেলবেন।
৬৪৫ দিন আগে