৩৮৭ জন জুলাই যোদ্ধা ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছেন। এর আগে তারা ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণিতে ছিলেন। এছাড়া ‘গ’ শ্রেণিতে থাকা আরও ৪৭৪ জনকে ‘খ’ শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে।
পুনর্নির্ধারিত এই শ্রেণির তালিকা গত ১ ফেব্রুয়ারি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করে। পরে ৩ ফেব্রুয়ারি তালিকাটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় বলে আজ (৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আন্দোলনে অংশ নিয়ে আহত ব্যক্তিদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ‘জুলাই যোদ্ধা’র মর্যাদা দিয়েছে। আহতদের অবস্থার ভিত্তিতে তিনটি শ্রেণি নির্ধারণ করা হয়েছে। অতি গুরুতর আহতদের ‘ক’ শ্রেণি, গুরুতর আহতদের ‘খ’ শ্রেণি এবং সাধারণ আহতদের ‘গ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
সরকার কয়েক দফায় এই তিন শ্রেণির জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ করে। পরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তালিকাভুক্ত হওয়া এবং একাধিকবার নাম আসায় ১২৮ জন জুলাই যোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়।
আহতদের শ্রেণি অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে সরকার। অতি গুরুতর আহত ‘ক’ শ্রেণির জুলাই যোদ্ধারা এককালীন ৫ লাখ টাকা পেয়েছেন এবং প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। একটি অঙ্গহানি হয়েছে—এমন গুরুতর আহত ‘খ’ শ্রেণির জুলাই যোদ্ধারা এককালীন ৩ লাখ টাকা পেয়েছেন এবং প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন।
‘গ’ শ্রেণির আহত জুলাই যোদ্ধাদের এককালীন ১ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তারা প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন।