কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও সদর উপজেলায় বজ্রাঘাতে দুজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে বাড়ির পাশে বিলের ধারে বসে থাকা অবস্থায় বজ্রাঘাতে আরোজ আলী (৩০) নামের একজন মারা যান। তিনি ওই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, দুপুর ১২টার পর থেকে দৌলতপুরের আকাশে কালো মেঘ জমতে শুরু করে। একপর্যায়ে মুষলধারে বৃষ্টির সঙ্গে মেঘের প্রচণ্ড গর্জন শুরু হয়। ওই সময় আরোজ আলী বাড়ির পাশে বিলের ধারে বসে ছিলেন। আকস্মিক বজ্রাঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন।
বজ্রপাতের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন জানান, এদিন দুপুর ২টার দিকে আরোজ আলী নামের ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে উল্লেখ করে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি বজ্রাঘাতেই মারা গেছেন।
অন্যদিকে বেলা আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকোলা মাঠে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রাঘাতে একজন নিহত ও দুজন গুরুতর আহত হন।
তাদের দ্রুত উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন মো. রওশন আলী নুশু (৪৫) মারা যান।
নিহত রওশন দহকোলা কারিগরপাড়ার মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে।
আহত কারিগরপাড়ার মৃত হারেজ আলীর ছেলে সমেজ আলী ও জোতপাড়ার মৃত ছলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিল বর্তমানে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন বজ্রাঘাতে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।