রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেকে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।
রবিবার (২৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে সংগঠনটির চেয়ারপারসন বিচারপতি এম এ মতিন ও প্রধান নির্বাহী ড. বদিউল আলম মজুমদার এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, গতকাল শনিবার রংপুর মহানগরের কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া গ্রামের একটি ভবন থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে হত্যার আলামত স্পষ্ট।
‘এই নৃশংস ও মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদের ভাষা আমাদের জানা নেই’ উল্লেখ করে সুজন নেতারা বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী একটি দলের নেতৃত্বে ছয় মাসের বেশি সময় আগে সরকার গঠিত হলেও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে অবনতি ঘটেছিল, তা থেকে উত্তরণের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, হত্যা, ধর্ষণ ও নিপীড়নের মতো অপরাধ প্রতিনিয়তই ঘটছে যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
সুজনের পক্ষ থেকে সপরিবারে গণপতি চক্রবর্তীর হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের শনাক্ত করে অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি রাষ্ট্রের নাগরিকদের জীবন ও সম্পদ রক্ষাসহ সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানের মূল দায়িত্ব সরকারের। সরকার এ দায়িত্ব এড়াতে পারে না।
সুজনের নেতারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ প্রশাসনকে হত্যাকাণ্ডটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।