স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেছেন, হাম প্রতিরোধে দ্রুততার সঙ্গে টিকার সরবরাহ নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে সরকার কাজ করছে। যেখানে ঘাটতি রয়েছে সেখানে দায়িত্ব নিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলার ভাওয়াল মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সকল শিশুদের টিকা নিশ্চিত করতে পারলে আমরা নিরাপদ হব। আমাদের দেশের শিশুরা সুস্থ ও নিরাপদ থাকবে।
তিনি বলেন, হাম প্রতিরোধে দ্রুততার সঙ্গে টিকার সরবরাহ নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে সরকার কাজ করছে, যেখানে ঘাটতি রয়েছে সেখানে দায়িত্ব নিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। টিকার কোনোরকম ঘাটতি হবে না। টিকাদান কর্মসূচিতে বিশ্বের কয়েকটি স্বাস্থ্য সংস্থা সহযোগিতা করছে। জনগণের সম্পৃক্ততার জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা প্রশাসক নুরুল করীম ভুইয়া, সিভিল সার্জন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা ও ইউনিসেফের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা সিভিল সার্জন সূত্র জানায়, গাজীপুরে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে বিভিন্ন টিকাদানকেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে ২৮ হাজার টিকা প্রদান করা হবে, যা চলবে আগামী ১৫ দিন। এই কার্যক্রমে জেলার সদর, টঙ্গী, কোনাবাড়ি, কাশিমপুর, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, কালিগঞ্জ ও পুবাইলের বিভিন্ন এলাকায় টিকাদান কর্মসূচি চলবে।
গাজীপুরসহ ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় একযোগে এ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় গাজীপুরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী টিকাদানকেন্দ্র। ইতোমধ্যে অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে।