টিকা
ইউনিসেফের মাধ্যমে ৪১২.৭১ কোটি টাকার টিকা কিনবে বাংলাদেশ
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) মাধ্যমে ৪১২ কোটি ৭১ লাখ টাকার টিকা ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
বুধবার (১০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিজিপি) বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ইউনিসেফের মাধ্যমে সরাসরি এই টিকা কেনার জন্য একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে কমিটির অনুমোদন চেয়েছে।
ক্রয় কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এটি অনুমোদনের সুপারিশ করেছে। মূলত টিকা সরবরাহের জন্য ইউনিসেফ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ক্রয় সংস্থা হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, টিকা দিয়ে প্রতিরোধ করা যায়—এমন সব মারাত্মক রোগ থেকে শিশুদের পাশাপাশি অন্যান্য লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করতে ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় এই ভ্যাকসিনগুলো ব্যবহার করা হবে।
এই ক্রয়ের ফলে পুরো অর্থবছরজুড়ে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৯ দিন আগে
হামের টিকা ইস্যুতে তদন্ত কমিটি তথ্য উপদেষ্টার হাতে, এখন শিশুদের জীবন রক্ষাই অগ্রাধিকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হামের টিকা না দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জড়িত নয় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, বর্তমানে সরকারের প্রধান লক্ষ্য শিশুদের জীবন রক্ষা এবং টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করা।
শনিবার (২৩ মে) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি রেড ক্রিসেন্ট ও রেডক্রসের দেওয়া হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসাসংক্রান্ত মেডিকেল যন্ত্রপাতি গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান হামের টিকা না দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে দেশি-বিদেশি সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানানোর পর এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য উপদেষ্টা তদন্ত কমিটি করলে বিষয়টি তার হাতে, আমি এর মধ্যে নেই।’
তিনি বলেন, ‘পশ্চাৎ নিয়ে আমি খুব একটা কথা বলি না। কোন সময় এটা আমার নেচারে নেই। সমালোচনা আমি খুব করতে চাই না, তবে খুব ভদ্র শালীনতার সঙ্গে আপনাদেরকে বলেছি বিগত সরকারের ব্যর্থতা আমাদেরকে ঘাটতির মুখে ফেলে দিয়েছিল টিকার ব্যাপারে। তারা নেয়নি, রিট হয়েছে এটাও জানেন। তারা প্রাইভেট থেকে কিনতে চেয়েছিল এটাও আপনারা জানেন। যাই হোক এগুলো অতীত কথা। আমরা নিয়েছি, এটিই হলো বর্তমান কথা।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিচার করার চাইতে আমাদের বুকের বাচ্চাদেরকে বাঁচানোর জন্য এখন সবাই চেষ্টা করছে। এটাতে থাকি, আগে এটা মিট আপ করি, তারপরে আমরা বলব।’
টিকাদান কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ শিশুকে টিকা দেওয়া। তবে ২০ মে পর্যন্ত ১ কোটি ৮৪ লাখ ৩১ হাজার ১৪৯ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ১০২ শতাংশ।
তিনি বলেন, ‘পরিসংখ্যান পৃথিবীর সব দেশে কিছু ভুল হয়। এটা একটা চলমান চেষ্টা আমাদের। টিকাদান কর্মসূচি চলবে।’
তদন্ত কমিটি গঠন সরকারের মধ্যে সমন্বয়হীনতার ইঙ্গিত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমি মোটেও মনে করি না সমন্বয়হীনতা। তথ্য উপদেষ্টা আর এটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আই অ্যাম নট পার্ট অব দ্যাট।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব ক্রাইসিস মিট আপ করা। আর তথ্য উপদেষ্টা যদি ওইটা ইনকোয়ারি কমিটি করে, এটা উনার হাতে। আমি ওইটার অংশ না।’
২৭ দিন আগে
টিকা নিয়ে অব্যবস্থাপনা: সংকট কাটলে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, টিকা ব্যবস্থাপনায় কোনো ভুল বা অব্যবস্থাপনা হয়ে থাকলে তা তদন্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে সংকট কাটার পর কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে দোষী ব্যক্তি নির্ধারণের চেয়ে এই মুহূর্তে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাকেই সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ মে) সরকারি ভ্যাকসিনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, তদন্ত করব না, সেটা বলিনি। এখন আমরা সংকটকাল অতিক্রম করছি। এই ক্রাইসিসটা (সংকট) শেষ হলেই আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেব।
তিনি বলেন, টিকা নিয়ে কী ভুল করেছে, সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে। আমরা এটাই চেষ্টা করছি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে হামের চিকিৎসা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আক্রান্তদের জন্য আইসোলেশন, আইসিইউ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং চিকিৎসকেরাও সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন হামের পরেই অনেকের নিউমোনিয়া হয়ে যায়। ভেন্টিলেশনই এই রোগের শেষ চিকিৎসা। আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে সেই ভেন্টিলেশন দিয়েছি। আমাদের হাতে আজকে এই মুহূর্ত পর্যন্ত আমেরিকা থেকে আরও ১০টি ভেন্টিলেটর দান করেছে একজন বেসরকারি ফার্মাসিটিউক্যালস উদ্যেক্তা। আমরা সেগুলো আজকে বণ্টন করব।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমাদের হামের চিকিৎসা চলছে, আইসোলেশন চলছে, আইসিইউ আছে, চিকিৎসকরাও সচেষ্ট আছেন, আমরাও চেষ্টা করছি। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন।
তিনি বলেন, আজকে চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাক চীন সরকারের এনড্রোসমেন্টসহ ৭৬ হাজার ৬১৬ ভায়াল বা ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজের সমপরিমাণ ভ্যাকসিন হাতে পেয়েছি। আমাদের হাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। আমরা পোলিও ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করব। এটাতে কোনো অসুবিধা হবে না। আমরা অ্যান্টি র্যাবিস টিকাও দেওয়া শুরু করেছি। একটা রোগীও এই ভ্যাকসিন এর বাইরে থাকব না। প্রতিটা ভ্যাকসিন এখন চলছে।
ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ভিটামিন এ ক্যাপসুলটা একটু কম আছে। জুন নাগাদ আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলও পেয়ে যাব। পূর্বনির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দিব। এই সেক্টরে কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, যেসব শিশু এখনো টিকার আওতায় আসেনি, তাদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে এবং নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
৩৭ দিন আগে
চার সপ্তাহের মধ্যে হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, হাম প্রতিরোধে যাদের টিকা দেওয়া হয়েছে, তাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে চার সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপর দেশে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
সোমবার (১১ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘চার বছর পরপর হামের টিকা দেওয়ার কথা ছিল। ২০২০ সালের পর এর ধারাবাহিকতা না থাকায় হাম বর্তমান পরিস্থিতি ধারণ করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারের হাতে হামের কোনো ভ্যাকসিন ছিল না। অল্প সময়ের মধ্যে টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে রোগীর সংখ্যা কমেছে।’
আজ (সোমবার) হঠাৎ করে বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সকাল ১০টায় বরিশাল সদর হাসপাতাল পরিদর্শনকালে প্রথমেই তিনি টিকিট কাউন্টারে যান। সেখানে এক কর্মীকে অনুপস্থিত পেয়ে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন তিনি। পরে তিনি চিকিৎসকদের হাজিরা খাতা পরিদর্শন করেন। এ সময় রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
৩৯ দিন আগে
হাম নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে: বিসিসি প্রশাসক
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) প্রশাসক বিলকিস আকতার জাহান শিরিন। তিনি বলেছেন, বরিশালে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত সকল শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে।
রবিবার (১২ এপ্রিল) নগরীর মল্লিকা কিন্ডারগার্টেনে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিসিসি প্রশাসক বলেন, দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আমাদের এখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ টিকা রয়েছে। বর্তমান সরকার হাম প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
দেশের চারটি সিটি করপোরেশনে টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বরিশাল ও নারায়ণগঞ্জ এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। কর্মসূচি বাস্তবায়নে ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় ইতোমধ্যে টিকাদান কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের এই টিকা দেওয়া হবে। আগামী ১০ মে পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় কমিউনিটি পর্যায়ে ৩৩ হাজার ৬০০ জন এবং প্রি-স্কুল পর্যায়ে ৮ হাজার ৬০০ জনসহ মোট ৪২ হাজার ২১০ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ১০টি টিম মাঠপর্যায়ে কাজ করবে।
টিকাদান অনুষ্ঠানে বরিশালের সিভিল সার্জন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৬৮ দিন আগে
করোনার টিকা কেনায় অনিয়মের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনা মহামারির সময় টিকা কেনাকাটায় অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সংসদে ফেনী-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় জয়নাল আবদিন জানতে চান, কোভিড মহামারির সময় সরকার টিকাসহ বিভিন্ন করোনা সরঞ্জাম আমদানি ও কেনাকাটায় কত টাকা বরাদ্দ ও ব্যয় করেছে এবং টিকা আমদানিতে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে কি না।
জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। যদি কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে তা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোভিড-১৯ টিকা সংগ্রহের বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি।
মন্ত্রী জানান, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে এ পর্যন্ত করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় টিকাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম আমদানি আর কেনাকাটার জন্য ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে টিকা কিনতে ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা। সিরিঞ্জ কেনায় ব্যয় হয়েছে ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। টিকা ও সিরিঞ্জ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দিতে খরচ হয়েছে আরও ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫৪ টাকা। সিরিঞ্জ পরিবহন খাতে ব্যয় হয়েছে ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮০ টাকা।
নওগাঁ-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সরকারি দলের সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী প্রায় ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং সারা দেশে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি ৪৮তম বিসিএসের মাধ্যমে ২ হাজার ৯৮৪ জন সহকারী সার্জন এবং ২৭৯ জন ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪৪তম বিসিএসের মাধ্যমে ৯৮ জন সহকারী সার্জন (এমবিবিএস) এবং ২২ জন ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ পেয়েছেন। এর আগে, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৬২ জন সহকারী সার্জন (এমবিবিএস ডাক্তার) নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
৭৩ দিন আগে
হাম প্রতিরোধে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেছেন, হাম প্রতিরোধে দ্রুততার সঙ্গে টিকার সরবরাহ নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে সরকার কাজ করছে। যেখানে ঘাটতি রয়েছে সেখানে দায়িত্ব নিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলার ভাওয়াল মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সকল শিশুদের টিকা নিশ্চিত করতে পারলে আমরা নিরাপদ হব। আমাদের দেশের শিশুরা সুস্থ ও নিরাপদ থাকবে।
তিনি বলেন, হাম প্রতিরোধে দ্রুততার সঙ্গে টিকার সরবরাহ নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে সরকার কাজ করছে, যেখানে ঘাটতি রয়েছে সেখানে দায়িত্ব নিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। টিকার কোনোরকম ঘাটতি হবে না। টিকাদান কর্মসূচিতে বিশ্বের কয়েকটি স্বাস্থ্য সংস্থা সহযোগিতা করছে। জনগণের সম্পৃক্ততার জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা প্রশাসক নুরুল করীম ভুইয়া, সিভিল সার্জন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা ও ইউনিসেফের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা সিভিল সার্জন সূত্র জানায়, গাজীপুরে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে বিভিন্ন টিকাদানকেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে ২৮ হাজার টিকা প্রদান করা হবে, যা চলবে আগামী ১৫ দিন। এই কার্যক্রমে জেলার সদর, টঙ্গী, কোনাবাড়ি, কাশিমপুর, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, কালিগঞ্জ ও পুবাইলের বিভিন্ন এলাকায় টিকাদান কর্মসূচি চলবে।
গাজীপুরসহ ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় একযোগে এ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় গাজীপুরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী টিকাদানকেন্দ্র। ইতোমধ্যে অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে।
৭৫ দিন আগে
রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে শিশুদের হামের টিকা কার্যক্রম
আগামী রবিবার (৫ এপ্রিল) থেকে জরুরি ভিত্তিতে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের হামের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে গ্যাভির (ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক জোট গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ) কাছ থেকে ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ হামের ভ্যাকসিন নিয়ে দেওয়া হবে। এটা ধার নেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে এটা তাদের দিয়ে দেওয়া হবে।
এ কর্মসূচি পরিচালনায় আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্য মন্ত্রী।
তিনি বলেন, আমরা আগামী রবিবার থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করব। এ উলক্ষ্যে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে আমরা মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সমস্ত ছুটি আমরা প্রত্যাহার করে নিলাম। এখন কোনো ছুটি থাকবে না। ভ্যাকসিন যারা দেবেন, তারা সবাই স্থানীয় কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে তারা থাকবে মাঠে থাকবেন এবং কাজ করবেন।
বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিরিঞ্জ সংগ্রহ করে যেসব উপজেলায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত, সেগুলোসহ প্রত্যেকটা উপজেলায় এসব টিকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আগামী দুইদিনের ভেতরে ভ্যাকসিন ও সিরিঞ্জ আমরা গ্রামাঞ্চলে পাঠিয়ে দেব। রবিবার সকাল থেকে আমরা নিজেরা বিভিন্ন জায়গায় এটার উদ্বোধন করব ইনশআল্লাহ।
হাম মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত বলেন, যত ভয়াবহভাবে হাম আমাদের আক্রমণ করেছে, আমরা তার তার চেয়ে দ্রুতগতিতে ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করেছি। কিছু প্রাণহানি হয়েছে, তারপরও বলব—এটা আমাদের অনেকটা সার্থকতা।
তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন জায়গায় সঠিকভাবে ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছি। অতি তড়িৎ গতিতে বেসরকারি খাত থেকে ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করেছি, বাচ্চারা যাতে অক্সিজেনের অভাবে মারা না যায়।
মন্ত্রী জানান, হামের সঙ্গে নিউমোনিয়া আক্রান্তদের মৃত্যুহার বেশি। নিউমোনিয়া আক্রান্ত হলে ফুসফুসের ভেতর শ্লেষ্মা হয়। যার ফলে ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায় যা রোগীকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়।
হামের প্রাদুর্ভাব ও এর আনুষঙ্গিক নিউমোনিয়াজনিত শিশুমৃত্যু রোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আইসিডিডিআরবি যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি আরও জানান, আইসিডিডিআরবির পক্ষ থেকে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ভাবনী ও সাশ্রয়ী ‘বাবল সিপ্যাপ’ প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যা শিশুদের শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।
সম্প্রতি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হামের সংক্রমণ বাড়ছে। হাম নিয়ে হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
ঢাকা ও রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় হাম আক্রান্ত হয়ে এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
৭৯ দিন আগে
৮০টি কেন্দ্রে টিকা নিতে পারবেন হজযাত্রীরা
হজযাত্রীদের টিকাদান কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। সারা দেশে মোট ৮০টি কেন্দ্রে টিকা নিতে পারবেন চলতি বছরের হজযাত্রীরা।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হজযাত্রীরা মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা গ্রহণ করবেন। এ লক্ষ্যে হজযাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রের (৮০টি) তালিকা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হলো।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, টিকা দেওয়ার তারিখ পরবর্তী সময়ে হজযাত্রীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে মন্ত্রণালয়। এছাড়া টিকা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও হজ পোর্টাল (www.hajj.gov.bd) থেকে ই-হেলথ প্রোফাইল প্রিন্ট করে সঙ্গে নিতে হবে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
টিকাকেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে- ঢাকা জেলা ছাড়া অন্যান্য জেলার সিভিল সার্জন অফিস। বাকি কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল ও বাংলাদেশ সচিবালয় ক্লিনিক।
ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোর মধ্যে আছে গাজীপুর টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল, গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বগুড়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল ও দিনাজপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতাল।
হজ বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য হজ কল সেন্টারের ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
১৫২ দিন আগে
করোনার নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্টের টিকা নেই, পুরনো মজুদ ৩২ লাখ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে সম্প্রতি সংক্রমিত করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের কোনো টিকা নেই। তবে আগের মজুদ করা ৩২ লাখ টিকা আছে যার মেয়াদ কয়েক মাস।
গত এক মাসে নতুন করে দেশে করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিসংখ্যান বলছে, মে মাসে ১ হাজার ৪০৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৩৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।
সে হিসাবে শনাক্তের হার ৯ দশমিক ৫১ শতাংশ, যা ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের মে মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। কোভিড-১৯ পজিটিভ নমুনার সিকুয়েন্সিং তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বাংলাদেশে আগে থেকে বিদ্যমান ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট XFG এবং XFC শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই সাব ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ হার অন্য ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় বেশি। চলতি বছর জানুয়ারি থেকে জুন অবধি মোট ৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, যার সবকটি জুন মাসের প্রথম ১৭ দিনে। নতুন করে মহাখালীর বিশেষায়িত কোভিড হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন আক্রন্তরা, বাড়ছে পরীক্ষার চাপ।
আরও পড়ুন: দেশে আরও ২৮ জন করোনায় আক্রান্ত
নতুন করে আবার করোনা সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে টিকা নিয়ে। আদৌ পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা মজুদ আছে কিনা, থাকলেও তার কার্যকারিতা কতখানি—এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নতুন সাব ভ্যারিয়েন্টের এখনো কোনো টিকা আনা হয়নি দেশে, এমনকি কোনো টিকা কমিটিও গঠন হয়নি এখন পর্যন্ত।
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ (সিডিসি) বিভাগের লাইন ডিরেক্টর হালিমুর রশিদ বলেন, ‘সব মিলিয়ে ৩২ লাখের মতো টিকা আছে। ২০২৪-২৫ সালের ইউএস-সিডিসির গাইডলাইন-মাফিক যেসব টিকা আছে, সেগুলো ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের জন্য প্রযোজ্য। এ ছাড়া বাংলাদেশের আগের টিকাও ব্যবহার করা যাবে।’
নতুন সাব ভ্যারিয়েন্টের জন্য আলাদা করে কোনো টিকা আনা হয়েছে কিনা—জানতে চাইলে রশিদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নতুন সাব ভ্যারিয়েন্টের টিকা আসেনি, তবে টিকা আনার কাজ চলছে। শিগগিরই টিকা কমিটি গঠন করে এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
সংক্রমণ বাড়লেও দেশের মানুষের টিকা দেওয়ার কোনো আগ্রহ নেই উল্লেখ করে রশিদ বলেন, ‘টিকা নিয়া নানা ধরনের গুজব চালু আছে যার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। মানুষ নির্দিষ্ট কেন্দ্রে গেলেই টিকা দিতে পারবে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে মার্চ—প্রথম তিন মাসে মাত্র ৪৩ জন করোনার টিকা নিয়েছেন। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৭, দ্বিতীয় ডোজ ৫, বুস্টার ডোজ ১৬ এবং চতুর্থ ডোজ নিয়েছেন ১৫ জন।
আরও পড়ুন: করোনায় আরও দুই মৃত্যু, শনাক্ত ১৮
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যারা আগে কখনো কোভিডের টিকা নেননি, তাদের মধ্যেই টিকা নেওয়ার প্রবণতা সবচেয়ে কম।
তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, আতঙ্কিত হয়ে সবার টিকা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। নির্দিষ্ট শ্রেণির কিছু মানুষ আপাতত টিকা নিলেই চলবে।
৩৬৫ দিন আগে