রাষ্ট্রপতি
ঈদুল আজহায় ত্যাগ, সাম্য ও সহমর্মিতার মূল্যবোধ ধারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ত্যাগ, সাম্য, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ঈদুল আজহা শুধু মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসবই নয়, এটি হিংসা-বিদ্বেষ, অহংকার ও মনের পশুত্বকে কুরবানি করার এক চিরন্তন ও সর্বজনীন আহ্বান।
তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ, ইসলামের সাম্য, সম্প্রীতি ও ত্যাগের অনুপম মহিমায় আমরা আজ পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করছি। ঈদের শিক্ষা আমাদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, আত্মত্যাগ, সৌহার্দ্য ও সামাজিক সংহতি সুদৃঢ় করতে উদ্বুদ্ধ করে।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, কুরবানির ঈদ সমাজের অসচ্ছল মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির গতিসঞ্চারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।
তিনি বলেন, আজকের এই পবিত্র দিনে আমি সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা কুরবানির আনন্দ, বঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষ, এতিম, অভাবগ্রস্ত আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে ভাগাভাগি করে নিন। তাদের ন্যায্য হক আদায়ে এগিয়ে আসুন এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করুন।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে কুরবানির বর্জ্য দ্রুত ও যথাযথভাবে অপসারণ এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সবাই সচেতন থাকুন।
তিনি আরও বলেন, বিভেদ নয়, ঐক্য; হিংসা নয় সহমর্মিতা; স্বার্থপরতা নয়, ন্যায়পরায়ণতা; বৈষম্য নয়, সাম্য—পবিত্র ঈদুল আজহার এই মহান আদর্শ ও মূল্যবোধ হৃদয়ে ধারণ করে আসুন, আমরা একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহার মহিমান্বিত বার্তা মানবতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করুক। আমাদের সবার জীবনে বয়ে আনুক প্রশান্তি, সৌহার্দ্য ও সমৃদ্ধি—এই প্রার্থনা করি। মহান আল্লাহ তা’আলা আমাদের সকলের কুরবানি কবুল করুন।
এর আগে, আজ সকালে জাতীয় ঈদগাহে দেশের প্রধান ঈদ জামাতে অংশ নিয়ে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তার সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ঈদগাহে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষ নামাজে অংশ নেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাতে হাত তোলেন।
২ দিন আগে
ঈদের প্রধান জামাতে ফিলিস্তিন-ইরানের নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য দোয়া
ঢাকার সুপ্রিম কোর্ট-সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহসহ দেশ-জাতির কল্যাণ, সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং বিশ্বের শান্তি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়েছে। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ও ইরানের নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য দোয়া করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজের পর খুতবা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা আবদুল মালেক।
জামাতে নামাজ আদায় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ঢাকাস্থ বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিক, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিশিষ্ট নাগরিকসহ সর্বস্তরের মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।
জামাত শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহসহ দেশ ও জাতির কল্যাণ, সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ও ইরানের নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য দোয়া করা হয়।
পাশাপাশি সম্প্রতি বিশ্ব ও বাংলাদেশজুড়ে মহামারি হামের ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতদের জন্য দোয়া করা হয়। এছাড়া মোনাজাতে সবার গুনাহ মাফ ও মৃতব্যক্তির কবরের আজাব মাফ চাওয়া হয়েছে। বিশ্বশান্তির জন্য দোয়া করা হয়।
এর আগে, জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতের খুতবায় ‘মনের পশুকে জবাই’ করার আহ্বান জানিয়ে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা আবদুল মালেক।
এবার জাতীয় ঈদগাহের ১২১টি কাতারে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করার ব্যবস্থা করা হয়। নারীদের জন্য রাখা হয় আলাদা প্রবেশপথ, ওজুখানা ও নামাজের বিশেষ ব্যবস্থা। এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আলাদা কাতার রাখা হয়েছিল। অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ২৫০ জন পুরুষ ও ৮০ জন নারীর নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল।
সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ ও ৩ হাজার ৫০০ নারীর জন্য জায়গা রাখা হয়েছিল। নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ ও নামাজের জায়গার ব্যবস্থা করা হয়।
২ দিন আগে
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। এতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া বিরাজ করলে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (২৫ মে) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে এসব তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নগরবাসীর জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও আনন্দময় ঈদ উদযাপন নিশ্চিত করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে ১২১টি কাতারে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।’
আবদুস সালাম বলেন, ‘পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ, অযুখানা এবং নামাজের জায়গার ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া মুসল্লিদের প্রবেশের জন্য মোট চারটি ও বের হওয়ার জন্য মোট সাতটি গেটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’
৫ দিন আগে
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আজ সোমবার দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০২ সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর এ্যালিসন জে ক্রস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চিকিৎসকদের পরামর্শে ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতি গত ৯ মে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
গত ১২ মে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. স্টিফেন হোলির তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতির এনজিওগ্রাম করা হয়। এ সময় হৃদযন্ত্রে গুরুতর ব্লক ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করে সফলভাবে একটি স্টেন্ট স্থাপন করা হয়।
বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক রয়েছে বলে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে এক বার্তায় জানানো হয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে তার কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়।
যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালেও রাষ্ট্রপতি নিয়মিত দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো গুরুত্বপূর্ণ সামারি ও নথি তিনি ডিজিটালি অনুমোদন ও স্বাক্ষর করেন।
এছাড়া সফরকালে লন্ডনের হোটেল হিলটনে সুদানের প্রধানমন্ত্রী ড. কামিল ইদ্রিসের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির একটি অনানুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
১২ দিন আগে
চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য গেলেন রাষ্ট্রপতি
ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ শনিবার সকালে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শনিবার (৯ মে) সকাল পৌনে ৮টায় রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০১ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান।
রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্য, তার চিকিৎসক, স্টাফ নার্স ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী হয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে মো. সাহাবুদ্দিনের কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ফলো-আপ হিসেবে যুক্তরাজ্যের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে রাষ্ট্রপতির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে।
চিকিৎসা শেষে আগামী ১৮ মে রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
২১ দিন আগে
কর্মস্থলে নারীদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সমতা নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
নারী শ্রমিকদের মর্যাদা, নিরাপত্তা, সমান মজুরি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা একটি নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব বলে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সকলকে এ বিষয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং সমান কাজে সমান মজুরি নিশ্চিত করে একটি মানবিক কর্মসংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন। আমি আশা করি, সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডার শ্রম খাতে সরকারের উদ্যোগ ও নির্দেশনা বাস্তবায়নে এবং সেগুলোর কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।
বিশ্বের সকল শ্রমিকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি মে দিবসকে শ্রম অধিকারের জন্য ত্যাগ, সংহতি ও সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, শ্রমিকদের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ রক্ষায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। নিরাপদ ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।
১৮৮৬ সালে শিকাগোতে আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে শ্রমিক আন্দোলনে নিহতদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তাদের সেই সংগ্রাম বিশ্বব্যাপী মেহনতি মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করেছিল। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, শ্রম অধিকার আন্দোলন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত, আহত ও নির্যাতিত শ্রমিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
দেশের উন্নয়নে শ্রমিকদের অবদানের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের অবদান অপরিসীম। শ্রমিকেরাই দেশের উন্নয়নের মূল কারিগর। দেশের শিল্পকলকারখানা, কৃষি, পরিবহন, গৃহকর্ম ও নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে তাদের নিরলস পরিশ্রম আমাদের সমাজ, অর্থনীতি, সভ্যতা ও উন্নয়নকে বেগবান ও সমৃদ্ধ করছে।
তিনি আরও বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো বিশাল রেমিট্যান্স এবং তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিকদের শ্রম ও ঘামের বিনিময়ে অর্জিত আয় আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতির প্রাণশক্তি।
শ্রমিক কল্যাণে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত ত্রিপক্ষীয় শ্রমনীতি ও সংস্কার শ্রমকল্যাণের ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। ১৯৭৬ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার। এ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এই উদ্যোগই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের নতুন যুগের সূচনা করে।
মো. সাহাবুদ্দিন আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ‘শ্রম আইন ২০০৬’ প্রণয়ন ও শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাসহ শ্রমিকের অধিকার, কর্মসংস্থান ও কল্যাণের ভিতকে আরও বিস্তৃত করেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার দেশের শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ, ন্যায্য অধিকার রক্ষা, শারীরিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য এবং নিরাপদ ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
তিনি জানান, সরকার প্রতিশ্রুতি অনুসারে শ্রমিকদের কল্যাণে ঘোষিত কর্মপরিকল্পনার সব কটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যে সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ চিনিকল, রেশম ও পাটকলসহ শিল্পকলকারখানা চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ছয় মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ছয়টি পাটকল চালু করার চিন্তাভাবনা রয়েছে।
সুষ্ঠু শিল্প সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, শ্রমিক ও মালিকের পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ কর্মপরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকসই শিল্প উন্নয়ন ও সুরক্ষিত কর্মসংস্থান দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শ্রম খাতে শিল্প সম্পর্ক বজায় রাখা এবং শ্রমিক-মালিকের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রমকে উৎসাহ দিতে এই সরকার সচেষ্ট।
আইনি সংস্কারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শ্রমিকদের অধিকার ও সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করতে আন্তর্জাতিক শ্রম মানদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন-২০২৬’ পাস করা হয়েছে। শ্রম মান উন্নয়নে বাংলাদেশ এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৯টি কনভেনশন এবং একটি প্রটোকল অনুসমর্থন করেছে।
সম্প্রতি মিরপুরের রূপনগরে একটি কেমিক্যাল গুদামে আগুনে ১৩ জন শ্রমিকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। কর্মস্থলে দুর্ঘটনা রোধে কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সমন্বিত পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি। শিল্প-কারখানার নিরাপত্তা ত্রুটি দূর করতে শ্রম মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন, বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ-সহ সংশ্লিষ্ট সকল সংগঠনকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ বছরের মে দিবসের প্রতিপাদ্য— ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’—এর কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতীয় সমৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনে শ্রমিকের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন উপস্থিত ছিলেন।
২৯ দিন আগে
সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের ধারক-বাহক হিসেবে নববর্ষ উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম: রাষ্ট্রপতি
আগামীকাল পহেলা বৈশাখ, বাংলা ১৪৩৩ সনের প্রথম দিন। নববর্ষের উৎসব নিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্য, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং আত্মপরিচয়ের ধারক ও বাহক হিসেবে এ উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তিনি এ কথা বলেছেন।
দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, পহেলা বৈশাখের এই শুভক্ষণে বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানাই। এই উৎসবমুখর দিনে প্রিয় দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে জানাই নববর্ষের উষ্ণ শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন।
তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের প্রাণের সর্বজনীন উৎসব। এটি আমাদের ঐক্য, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ অতিক্রম করে পহেলা বৈশাখ আমাদের সবার জন্য হয়ে ওঠে এক আনন্দ ও মিলনের দিন। আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্য, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং আত্মপরিচয়ের ধারক ও বাহক হিসেবে এ উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। বৈশাখের আগমনে আমাদের জীবনে জাগে নতুন প্রত্যাশা, নব প্রতিশ্রুতি ও অসীম সম্ভাবনার স্বপ্ন। অতীতের গ্লানি, বেদনা ও ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে আমরা এগিয়ে চলি নব উদ্যমে ও নব প্রত্যয়ে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের নতুন পথচলা শুরু হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বেশ কিছু জনকল্যাণমুখী ও দূরদর্শী কর্মসূচি চালু করেছে। কৃষিনির্ভর এ দেশের প্রেক্ষাপটে মুঘল আমলে ফসলি সনের প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে যে বাংলা সনের যাত্রা শুরু, সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির সূচনা এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এ উদ্যোগ কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় আজ আমরা নানাবিধ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এ প্রেক্ষাপটে আমাদের আরো সংযমী, ধৈর্যশীল ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সক্ষম হব—এই প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।
তিনি বলেন, নববর্ষের এই উৎসব ও আনন্দমুখর মুহূর্তে আন্তরিক প্রত্যাশা—সকল অশুভ ও অসুন্দর দূরীভূত হোক; সত্য ও সুন্দরের গৌরবগাথা প্রতিধ্বনিত হোক সর্বত্র। বিদায়ী বছরের সকল দুঃখ-বেদনা মুছে যাক; নতুন বছর ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।
তিনি আরও বলেন, এই আনন্দঘন দিনে আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই আসুন, আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করি; ভেদাভেদ ভুলে গড়ে তুলি একটি অসাম্প্রদায়িক, ঐক্যবদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ। আবারও সবাইকে জানাই ‘শুভ নববর্ষ’।
৪৭ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব ও সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ
মো. সাহাবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব এবং এ এফ এম মাহফুজুর রহমান খানকে সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা, কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তাদের এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
উপ-প্রেস সচিব গ্রেড-৫ বেতন স্কেলে ও সহকারী প্রেস সচিব গ্রেড-৬ বেতন স্কেলে এই নিয়োগ পেয়েছেন। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
৫২ দিন আগে
পাবনা সফর শেষে আগামীকাল ঢাকায় ফিরবেন রাষ্ট্রপতি
চার দিনের সরকারি সফর শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার নিজ জেলা পাবনা থেকে ঢাকায় ফিরবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টায় পাবনা ক্যাডেট কলেজ থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তার।
সফরকালে রাষ্ট্রপতি গতকাল (রবিবার) সকাল ১১টা ১০ মিনিটে আরিফপুর সদর কবরস্থানে গিয়ে তার বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন। পরে সন্ধ্যা ৭টায় তিনি পাবনা প্রেসক্লাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
এছাড়া আজ তিনি ভবানীপুর মসজিদ পরিদর্শন করেন এবং সন্ধ্যায় জুবিলী ট্যাংক এলাকায় নিজের বাসভবনে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে তার।
গত ২৮ মার্চ চার দিনের সফরে পাবনা যান রাষ্ট্রপতি। সেদিন দুপুরে বঙ্গভবন থেকে হেলিকপ্টারে রওনা হয়ে পাবনার শহিদ অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে অবতরণ করেন তিনি। সেখানে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
এ সময় পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশিদ, রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. শাহজাহান, পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা, পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আঁখিনূর ইসলাম রেমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
স্টেডিয়াম থেকে পাবনা সার্কিট হাউসে গিয়ে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি।
৬১ দিন আগে
স্পিকারের স্ত্রীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক
জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২৮ মার্চ) পৃথক শোকবার্তায় তারা শোক প্রকাশ করেন।
শোকবার্তায় স্পিকার ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান এবং মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে মরহুমা দিলারা হাফিজের অসামান্য অবদানের কথা জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ রাখবে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার শোকবার্তায় বলেন, মরহুমা দিলারা হাফিজ একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবী ছিলেন। তার মৃত্যুতে জাতি একজন সজ্জন শিক্ষাবিদকে হারাল।
তিনিও মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
দিলারা হাফিজ সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ (শনিবার) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৯ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি স্বামী, এক ছেলে, এক মেয়ে ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ দেশে আনা হবে। তিনি জানান, আগামী ৩০ মার্চ বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তার প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের কেন্দ্রীয় মসজিদে জোহরের নামাজের পর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
কর্মজীবনে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন দিলারা হাফিজ। তিনি ইডেন মহিলা কলেজ ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তী সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।
৬৩ দিন আগে