রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতির আইনি সুরক্ষা কেবল তার দায়িত্বকালীন সময়ের জন্য প্রযোজ্য: তথ্য উপদেষ্টা
রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক আইনি সুরক্ষা কেবল তিনি দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। দায়িত্ব শেষ হলে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না? এমন এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি কার্যক্রম শুরু করা যায় না। তবে এই সুরক্ষা কেবল তার দায়িত্বকালীন সময়ের জন্য প্রযোজ্য। তিনি দায়িত্ব ছাড়ার পর, দায়িত্ব গ্রহণের আগে বা পরে সংঘটিত কোনো অভিযোগ বা আইনগত বিষয়ে প্রয়োজন হলে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিনি বর্তমান বিদায়ী রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে এ মন্তব্য করছেন না, বরং এটি একটি সাধারণ সাংবিধানিক ব্যাখ্যা। এ বিষয়ে যে বিভ্রান্তি ছিল, তা দূর হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আদালতের স্বাধীনতা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, আদালত সরকার নয়, আদালত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ সব আদালতেই জনগণ ন্যায়বিচারের জন্য যেতে পারেন।
তিনি বলেন, কোনো কোনো মামলায় সরকার একটি পক্ষ হতে পারে, তবে আদালত স্বাধীনভাবেই সিদ্ধান্ত দেয়। আবার অনেক ক্ষেত্রেই সরকার কোনো মামলার পক্ষও থাকে না।
১ দিন আগে
পরবর্তী রাষ্ট্রপতির বিষয়ে দলের উচ্চপর্যায় সিদ্ধান্ত নেবে: রিজভী
পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সে বিষয়ে দলের উচ্চপর্যায় সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে রাষ্ট্রায়ত্ত ১২ প্রতিষ্ঠানের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানদের নিয়ে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, পদত্যাগকারী রাষ্ট্রপতির বিচারের দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যে অবস্থান নিয়েছে, সেটিও তাদের নিজ নিজ দলের সিদ্ধান্ত।
এ সময় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের বিভিন্ন পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
৪ দিন আগে
শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এর মধ্য দিয়ে ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হতে যাওয়া তার পাঁচ বছরের মেয়াদকালের নির্ধারিত সময়সীমার আগেই দায়িত্ব থেকে বিদায় নিলেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম জানান, শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী, দেশের নতুন রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকারই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
আজ (শুক্রবার) বিকেল ৪টা ২৬ মিনিটের দিকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির জন্য নির্ধারিত রাষ্ট্রীয় গাড়ি এবং স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) দুটি প্রোটোকল স্কর্ট জাতীয় সংসদ ভবনে পৌঁছায়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন শিগগিরই জাতীয় সংসদ ভবনে একটি সংবাদ সম্মেলন করবেন।
পদত্যাগপত্রে সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন যে তিনি গুরুতর অসুস্থ। তিনি লেখেন, ‘আমি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে।’
তিনি ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’ নামের এক জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই।
‘রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।’
দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসার প্রয়োজন—উল্লেখ করে সাহাবুদ্দিন জানান, ‘এমতাবস্থায় সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।’
সাহাবুদ্দিন বলেন, তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও সংবিধানের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য রেখে নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেই সময়ে দেশ এক গভীর সাংবিধানিক ও শাসনতান্ত্রিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের অভিপ্রায়ে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত কামনা করি। অতঃপর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শক্রমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করি।’
তিনি জানান, সেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করে। সেই নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে এবং রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। বর্তমানে সরকারি ও বিরোধী উভয় দলই সংসদে গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছে।
সাহাবুদ্দিন আরও জানান, তার সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।
রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরে চলা গুঞ্জন ও জল্পনার মধ্যে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন তার নির্ধারিত থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দুপুরে দেশে ফেরেন।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতির পদ খালি হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে। জাতীয় সংসদ বিলুপ্তি এবং অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলাকালেও সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদে বহাল ছিলেন।
আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু ছাত্র সংগঠন ও নেতৃত্ব বঙ্গভবন ঘেরাওসহ সাহাবুদ্দিনের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করলেও তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে সরানোর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
পরবর্তীতে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে এককভাবে সরকার গঠনের মতো প্রয়োজনীয় সংসদীয় আসন পায়। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরও সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অপসারণের কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
বর্তমানে রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হওয়ায় সাংবিধানিক নিয়ম মেনে খুব দ্রুতই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।
৫ দিন আগে
থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরলেন স্পিকার
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ শুক্রবার দেশে ফিরেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিনি দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামেন।
এর আগে, গত ১৯ জুলাই স্পিকার থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন।
পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী ২৬ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা থাকলেও, রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে তৈরি হওয়া গুঞ্জনের প্রেক্ষাপটে সফর সংক্ষিপ্ত করে তিনি আগেই দেশে ফেরেন।
৫ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে ‘গুজবে’ কান না দেওয়ার আহ্বান ফখরুলের
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে চলা ‘গুজবে’ কান না দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দুই দিনব্যাপী ‘বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সংক্রান্ত গুঞ্জন উড়িয়ে দেন। এ সময় তিনি বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। তবে বিএনপি সব সময় গণতান্ত্রিক ধারার প্রতি আস্থাশীল এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং তারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও গণজবাবদিহিতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
৫ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে বঙ্গভবনে সাক্ষাৎকালে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল হাসান দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতার জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। এ সময় তিনি নৌবাহিনীর সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে জানান।
রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিন সফল ও সুচারূভাবে দায়িত্ব পালন করায় বিদায়ী নৌপ্রধানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বাহিনীর উন্নয়নে নৌপ্রধানের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
রাষ্ট্রপতি এ সময় বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান আগামী ২৩ জুলাই নতুন নৌ-প্রধানের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।
৮ দিন আগে
জুলাই শহিদদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের চেতনাকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠে দল-মত-পথ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা, সাহস ও আত্মত্যাগের ফসল এবং শহিদদের আত্মদান রাষ্ট্রের শক্তির প্রকৃত উৎস হিসেবে জনগণের মর্যাদাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আজ ১৬ জুলাই, জুলাই শহিদ দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই বেদনাবিধুর দিনে আমি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল বীর শহিদদের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করি। তাদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।
তিনি বলেন, আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি আন্দোলনে আহত সেই সব সাহসী তরুণ-তরুণী, যুবপ্রজন্মকে যাদের অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করে আজও যন্ত্রণাময় জীবনযাপন করছেন। একই সঙ্গে গভীর সমবেদনা জানাই শহিদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি, যারা আপনজন হারানোর গভীর শোক বুকে ধারণ করেও অসীম ধৈর্য ও সাহসের পরিচয় দিয়ে চলেছেন। আমি জুলাই যোদ্ধা ও গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সকল দেশপ্রেমিক নাগরিকের ত্যাগ ও অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের বৈষম্য, দুর্নীতি, গুম-খুন, ভোটাধিকার হরণ এবং নিপীড়ন ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আপামর জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ।
তিনি বলেন, ১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদের প্রসারিত হাত ও গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাতবরণ; একই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজন তরুণের আত্মাহুতি আন্দোলনকে দেয় এক নতুন মোড়, দেয় তীব্র মাত্রা। এরপর আন্দোলনরত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আটক, জেল-জুলুম এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও আপামর জনতার রাজপথে নেমে সক্রিয় ও সুতীব্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সূচিত হয় গণঅভ্যুত্থান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, এই গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক আন্দোলন ও অর্জন নয়; এটি ছিল গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা, সাহস ও আত্মত্যাগের ফসল। জুলাই শহিদদের আত্মদান আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—রাষ্ট্রের শক্তির উৎস ও সর্বময় ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণের মৌলিক অধিকার, স্বার্থ, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্ব। জুলাই-এর চেতনা আমাদের একটি মানবিক, স্বৈরাচারমুক্ত, সমতাভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের প্রেরণা জোগায়।
রাষ্ট্রপতি বলেন, শহিদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মান-স্বীকৃতি, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এ কাজে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও মানবিক সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।
তিনি বলেন, আসুন, শহিদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ—একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক সৌহার্দ্যপূর্ণ রাষ্ট্র গঠনে দল-মত-পথ নির্বিশেষে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।
রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত ও শাশ্বত শান্তি কামনা করেছেন। জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেছেন তিনি।
১৩ দিন আগে
প্রযুক্তিনির্ভর ও চতুর্মাত্রিক সশস্ত্র বাহিনী গঠনে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি
পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
তিনি বলেছেন, এসব নীতি ও উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দক্ষ, আধুনিক ও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে পিজিআরের কর্মসক্ষমতা ও দক্ষতাও বৃদ্ধি পাবে।
রবিবার (৫ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, রাষ্ট্রপতি, সরকারপ্রধান এবং দেশি-বিদেশি অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের মর্যাদার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও নিশ্ছিদ্র করতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় বজায় রাখা জরুরি।
তিনি বলেন, ’আমি জানি, আপনারা সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছেন। আমি আশা করি, এই সমঝোতা ও সমন্বয় আপনারা আগামীতে আরও জোরদার করবেন।’
পিজিআর সদস্যদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে জনগণের স্বাভাবিক যোগাযোগ ও সুসম্পর্ক যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও বিশেষভাবে সচেতন থাকতে হবে।
নতুন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতার ওপর জোর
পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে সাইবার হামলা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ঝুঁকি এবং হাইব্রিড নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বৃদ্ধি, গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ, কার্যকর কৌশল গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে নিরাপত্তার ধারণা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রচলিত নিরাপত্তা ঝুঁকির পাশাপাশি নতুন ধরনের হুমকি সৃষ্টি হয়েছে। ‘এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বৃদ্ধি, গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ, কার্যকর কৌশল গ্রহণ এবং সার্বক্ষণিক প্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই।’
রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উৎকর্ষের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট ভবিষ্যতে নিজেদের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করবে এবং পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা কৌশলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবে।
২৪ দিন আগে
সাংবাদিকতার সর্বোচ্চ মান ও পেশাদারত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
আইন সাংবাদিকতায় সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, নৈতিক মান, সততা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রেখে কাজ করার জন্য এই বিটে কাজ করা সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বুধবার (১ জুলাই) বঙ্গভবনে ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি হাসান জাবেদ ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিশনের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
আইন সাংবাদিকতা বিচারব্যবস্থা ও জনগণের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ল’ রিপোর্টার্সগণ আদালতের কার্যক্রম ও গুরুত্বপূর্ণ রায় সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভুল সংবাদ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া সহজ ভাষায় জনগণকে আইন বিষয়ে সচেতন করতে তারা তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
তিনি বলেন, সংবিধানের প্রাধান্য, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। বর্তমান সরকার সংবিধানের আলোকে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ইতোমধ্যে বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণেও বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বিচার বিভাগ, আইনজীবী, আইনবিষয়ক সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি আরও সহজ ও ত্বরান্বিত হবে।
তিনি আইন সাংবাদিকদের প্রতি আদালতের মর্যাদা ও বিচারাধীন বিষয়ের সংবেদনশীলতা অক্ষুণ্ণ রেখে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান। একইসঙ্গে অপতথ্য, ভ্রান্ত তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যাচারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাংবাদিকদের আরও সচেতন ও সতর্ক থাকতে বলেন রাষ্ট্রপ্রধান।
এর আগে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের রজতজয়ন্তী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত বিশেষ স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব খান মো. নূরুল আমীন, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম ও রাষ্ট্রপতির সহকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
২৮ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির নিকট ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি সুসজ্জিত দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরিচয়পত্র পেশের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রপতি নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে, তার কর্মকাল বাংলাদেশ-ভারত পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়, ফলপ্রসূ ও জনকল্যাণমুখী করতে সহায়ক হবে।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে গঠিত নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার অংশগ্রহণের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা এবং জনগণের কল্যাণকে সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে সম্মানজনক ও ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্ব বজায় রাখতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ প্রসঙ্গে হাইকমিশনার বলেন, আমাদের দুইটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান, আর এটাই স্বাভাবিক।
রাষ্ট্রপতি এ সময় দুদেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সীমান্ত সমস্যাসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক উদ্যোগের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
৩৪ দিন আগে