রাষ্ট্রপতি
নারীর নিরাপত্তা ও সহিংসতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
নারীর প্রতি সহিংসতা, অনলাইনে চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিংয়ের মতো নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রবিবার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস,২০২৬’ উদযাপন ও ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নারী ও কন্যারা যেন অবহেলা, নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার না হন; তারা যেন সমান সুযোগ ও মর্যাদা পান। আমরা এমন একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারবে, স্বাবলম্বী হবে এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাবে; আর প্রতিটি কন্যাশিশু স্বপ্ন দেখার ও তা বাস্তবায়নের সমান সুযোগ পাবে।
তিনি আরও বলেন, নারী নির্যাতন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অতীতেও আমরা দেখেছি, সরকার আন্তরিক হলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়।
বক্তব্যের শুরুতেই ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনসহ এ পর্যন্ত গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সকল আন্দোলন ও সংগ্রামে শহিদদের মহান আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, অতীতে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কঠোর আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে অ্যাসিড সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছিল। ২০০২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার অ্যাসিড নিক্ষেপ ও অ্যাসিড ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন এবং দ্রুত বিচার ও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে অ্যাসিড সন্ত্রাস প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সেই দৃষ্টান্ত অনুসরণ কার্যকর হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।
বর্তমানে সামাজিক হয়রানির পাশাপাশি অনলাইনে নারীর চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিং নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, নারীর নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করে একটি বাসযোগ্য ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নারী-পুরুষ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। সমাজ ও অর্থনীতির প্রায় সব ক্ষেত্রেই তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্পে নিয়োজিত লাখ লাখ নারী দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকা শক্তি। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, প্রশাসন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, গণমাধ্যম এবং ক্রীড়াসহ নানা ক্ষেত্রে নারীরা সাফল্যের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারীবিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয়, যা পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার সময় বর্তমান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তরিত হয়।
১ দিন আগে
উদ্ভাবনী চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে পাটজাত পণ্য বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশের পাটজাত পণ্য স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পাট দিবস ২০২৬ এবং ৯ দিনব্যাপী পাট ও বহুমুখী পাটপণ্যের মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, সৃজনশীল তরুণ প্রজন্মের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে—স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে মেড ইন বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং প্রচার করে এবং বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পাট খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করার। বাংলাদেশের পাটজাত পণ্য বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিন।
পরিবেশবান্ধব পণ্যের ক্রমবর্ধমান বিশ্বব্যাপী চাহিদাকে কাজে লাগাতে তিনি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের পাট খাতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বৈচিত্র্য আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উদ্যোক্তা, কৃষক, গবেষক এবং ব্যবসায়ীসহ পাট খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি সোনালী আঁশ পাটকে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, পাট কেবল একটি কৃষি ফসল নয়, এটি একটি শিল্প ও রপ্তানি পণ্য। সর্বোপরি, এটি একটি প্রাকৃতিক এবং পরিবেশবান্ধব আঁশ।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন যে, এক সময় বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যাপক চাহিদা ছিল। জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ এবং প্লাস্টিক ও পলিথিনের ক্ষতিকারক প্রভাবের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিবেশবান্ধব পণ্য হিসেবে পাটের গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেন, বিশ্ব এখন টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব পণ্যের দিকে ঝুঁকছে, যা বাংলাদেশের পাট ও পাটভিত্তিক শিল্পের জন্য সুযোগের একটি নতুন জানালা খুলে দিয়েছে।
সরকারের উন্নয়ন এজেন্ডা তুলে ধরে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, খাতভিত্তিক অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি জানান, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার রুগ্ন ও বন্ধ পাটকল এবং অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে।
রাষ্ট্রপতি পাট খাতের আধুনিকায়ন, গবেষণা সম্প্রসারণ, উচ্চফলনশীল পাটের জাত উদ্ভাবন এবং পাটের বহুমুখী ব্যবহার উৎসাহিত করার লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সরকার ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে, যার ফলে ১১ লক্ষাধিক কৃষক উপকৃত হয়েছেন এবং পাট চাষসহ কৃষি খাতে নতুন গতিশীলতা তৈরি হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি আরও জানান, আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু করবে সরকার।
তিনি পাট চাষিদের উন্নত ও উচ্চফলনশীল চাষ পদ্ধতি গ্রহণ এবং মানসম্পন্ন আঁশ উৎপাদনের দিকে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের বিশ্ববাজারের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক, উদ্ভাবনী এবং সাশ্রয়ী পাটজাত পণ্য তৈরির পরামর্শ দেন। সাধারণ মানুষকে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিন ব্যাগ বর্জন করে সাশ্রয়ী পাটের ব্যাগ ও অন্যান্য পরিবেশবান্ধব পণ্য ব্যবহারের অনুরোধ জানান রাষ্ট্রপতি।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ভার্চুয়ালি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৯ দিনব্যাপী পাট ও বহুমুখী পাটপণ্য মেলার উদ্বোধন করেন। দিবসটি উপলক্ষে ১২টি ক্যাটাগরিতে মোট ১৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, সচিব বিলকিস জাহান রিমি, পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. নূরুল বাসির এবং বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএমএ) সভাপতি আবুল হোসেন বক্তব্য রাখেন।
৩ দিন আগে
পিলখানায় শহিদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে প্রথমে রাষ্ট্রপতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় পিলখানা ট্র্যাজেডিতে সব শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পাশাপাশি শহিদ সেনা কর্মকর্তাদের আত্মার শান্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এম নজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের নামে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। বার্ষিক দরবার চলাকালে শুরু হওয়া এ বিদ্রোহ দ্রুত রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী তাণ্ডবে। মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা এবং নারী-শিশুসহ মোট ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়।
১২ দিন আগে
বিডিআর বিদ্রোহে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি
বিডিআর (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) বিদ্রোহে শহিদদের কবরে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পন করে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
এ বিষয়ে আজ (সোমবার) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রটোকল উইং থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সেনা শহিদ দিবস উপলক্ষে সকাল ১০টায় রাষ্ট্রপতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
বিডিআর সদস্যদের আত্মত্যাগের প্রতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে শ্রদ্ধা জানাতে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
১৩ দিন আগে
দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান, শপথ নিলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরাও
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ শুরু হয়। তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ত্রয়োদশ সংসদ নেতা তারেক রহমান। শপথ শেষে করমর্দনের মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি। এ সময় উপস্থিত সবাই হাততালি দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান।
শপথ গ্রহণের পর শপথপত্রে স্বাক্ষর করে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত আসন গ্রহণ করেন তারেক রহমান।
এরপর মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি। ত্রয়োদশ সংসদের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান, আবদুল আওয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মো. আমিনুর রশিদ আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দিপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ ও শপথপত্রে স্বাক্ষর শেষ হওয়ার পর আসে প্রতিমন্ত্রীদের পালা। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম শপথ নেন।
২০ দিন আগে
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সংবিধান অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের রাষ্ট্রপতি শপথ পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব রয়েছেন আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগ পাওয়া মো. সাহাবুদ্দিন। নতুন মন্ত্রিসভার শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন জানতে চাইলে সাংবাদিকদের শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।’ নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের জন্য কমবেশি এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে বলেও এ সময় জানান তিনি।
মন্ত্রিসভার সদস্য কতজন হবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেটা নির্ভর করে যিনি সংসদ নেতা, যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার ওপর; এটা তার ইচ্ছা। উনি কতজনকে মন্ত্রী হিসেবে এখন দেখতে চান বা পরে দেখতে চান।’
মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ ১৭ তারিখ না ১৮ তারিখ, কোন দিন ধরে কাজ করছেন—প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা তো বলতে পারছি না। বললাম তো, যদি আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয় বা ইঙ্গিতও দেওয়া হয় যে অমুক তারিখে অমুক সময়ে হবে, আমরা সেই মোতাবেক কাজ করব। সেটা কালকে হলেও কালকে কাজ করতে হবে। দুই দিন পরে হলে দুই দিন পরের জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। জানার পরে সেটা বলতে পারব, তার আগে কোনো তারিখ না।
২৩ দিন আগে
খালেদা জিয়ার আপসহীন ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে: রাষ্ট্রপতি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক বার্তায় রাষ্ট্রপতি এ শোক জ্ঞাপন করেন।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার আপসহীন ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির মুহূর্তে আমি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ ও অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দেশবাসীকে মরহুমার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে তার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার আহ্বান জানাচ্ছি।
রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়া আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভোগা দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে দেওয়া বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
৬৯ দিন আগে
বঙ্গভবনে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন রাষ্ট্রপতি
খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিনে খ্রিষ্টান ধর্মের বিশিষ্ট ব্যক্তি, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বঙ্গভবনে তিনি এই শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বলে বঙ্গভবনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি দেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ বিশ্ববাসীর প্রতি বড়দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানান। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে এ দেশের মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চিরকাল অটুট ও অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান জানান তিনি।
৭৪ দিন আগে
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্বেগ প্রকাশ
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেনের গণমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেছেন, গণতন্ত্র উত্তরণের এই সন্ধিক্ষণে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। মহান আল্লাহর নিকট তার সুস্থতা এবং একই সঙ্গে দেশবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া প্রার্থনা করি।
এর আগে, গতকাল (শুক্রবার) বিএনপি চেয়ারপারসনের সংকটাপন্ন অবস্থার খবর শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনিও বেগম জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, তিনি নিয়মিতভাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন। বিএনপি চেয়ারপারসের চিকিৎসায় সরকার সবধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে গত ২৩ নভেম্বর রাতে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা করে খালেদা জিয়ার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে। আগে থেকেই থাকা হৃদরোগের সঙ্গে এই সংক্রমণ ফুসফুস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। বর্তমানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা সিসিইউতে তার চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে, মায়ের অসুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও।
১০০ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের কাছে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামিক প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বঙ্গভবনে আয়োজিত এক সৌহার্দপূর্ণ অনুষ্ঠানে তিনি তার পরিচয়পত্র পেশ করেন।
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতি এবং বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে পাকিস্তানের নেতৃত্ব ও জনগণের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানান।
তিনি বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক অভিন্ন ইতিহাস, অভিন্ন বিশ্বাস এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনের উপর গভীরভাবে প্রোথিত। পাকিস্তান পারস্পরিক স্বার্থের ক্ষেত্রে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার বন্ধন আরও জোরদার করতে আগ্রহী বলে জোর দেন এই কূটনীতিক।
পড়ুন: প্রধান বিচারপতির সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সাক্ষাৎ
হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাকে নিয়োগ পাওয়ার জন্য অভিনন্দন জানান এবং কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনে পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দেন। তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনে হাইকমিশনারের সফলতা কামনা করেন।
২০২ দিন আগে