সীমান্ত
লালমনিরহাট সীমান্তবাসীর হুঁশিয়ারিতে পিছু হটল বিএসএফ
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল গ্রামবাসী ও বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (১২ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আমঝোল সীমান্তের ৯০৬/৮এস পিলার-সংলগ্ন এলাকায় পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ।
বিজিবি লালমনিরহাট ১৫ ব্যাটালিয়নের মিডিয়া সেল জানায়, উপজেলার আমঝোল সীমান্তের ৯০৬/৮এস পিলার-সংলগ্ন এলাকায় রাত ৯টার দিকে ১০-১২ জনকে বহন করা একটি গাড়ি সীমান্তে দাঁড়ায়। ওই গাড়িতে থাকা লোকদের সীমান্তের কাটাতারের বেড়ার গেট পার করে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেন বিএসএফ ৭৮ ব্যাটালিয়নের পাগলীমারী ক্যাম্পের সদস্যরা।
বিষয়টি বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিক হুঁশিয়ারি দিয়ে পুশইন রোধে মাইকিং করে গ্রামবাসী ও বিজিবি। কিছুক্ষণ এসব লোকদের শুন্যরেখায় বসিয়ে রাখলে গ্রামবাসী ও বিজিবির কঠোর প্রতিরোধের মুখে পুনরায় তাদের ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় বিএসএফ। এ ঘটনায় সীমান্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুশইন রোধে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বিজিবি।
বিজিবি ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, যেকোনো ধরনের পুশইন রোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে সকল ধরনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আতঙ্কিত না হয়ে বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে গ্রামবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
২ দিন আগে
সীমান্তে পুশ-ইন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, বাংলাদেশকে চাপে রাখতে নয়: তথ্য উপদেষ্টা
সীমান্তে ভারতের পুশ-ইনের বিষয়টি বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। এটি তারা বাংলাদেশকে চাপে রাখতে করছে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশ সীমান্তে পুশ-ইনের বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশে যেটা করার চেষ্টা করছে, আমরা নিশ্চয়ই পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন লক্ষ করেছি। সেখানে নির্বাচনে একটা ইস্যু ছিল এটা। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ব্যাপার, যেটার খানিকটা চাপ আমাদের ওপরে আসছে। আমি মনে করি না যে বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো একটা চাপ তৈরির জন্য ভারতীয় সরকার এটা করছে। পশ্চিমবঙ্গে যে নতুন সরকার নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের নির্বাচনের এক ধরনের প্রতিশ্রুতি ছিল এটা।’
তিনি বলেন, ‘তাদের (পশ্চিমবঙ্গ সরকার) একটা রাজনীতি আছে, সেটারই এক ধরনের বহিঃপ্রকাশ এটা। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশে নতুন যে সরকার আসছে তার সঙ্গে ভারতের সরকার বিভিন্ন পর্যায়ে যখন কথাবার্তা বলেছে, আমার নিজেরও কিছু কথাবার্তা হয়েছে, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ড. ইউনূস সরকারের সঙ্গে যে ধরনের পরিস্থিতি ছিল, সেটা থেকে তারা বেরিয়ে আসতে চান। সেটটা দুই দেশই চায়। সেজন্য আমি মনে করি যে সংকটটা প্রাথমিকভাবে দেখা যাচ্ছে, এটার একটা সমাধান দ্রুত হবে।’
জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এটা কোনোভাবেই তারা ইনটেনশনালি (ইচ্ছাকৃতভাবে) বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক বা বাংলাদেশকে চাপে রাখতে চাইছেন এরকম আমি মনে করি না।’
৬ দিন আগে
বিজিবির প্রতিরোধে দুই জেলার ৪ সীমান্ত পয়েন্ট থেকে ৬১ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত ও লালমনিরহাটের তিনটি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মোট ৬১ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে দুই দিন পর শূন্যরেখার কাছাকাছি থেকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়েছে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ। এ সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে ২৮ জন এবং লালমনিরহাটের তিনটি সীমান্ত পয়েন্টের শূন্যরেখা থেকে ৩৩ জনকে বিএসএফ সরিয়ে নেয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি সূত্র।
শনিবার (৬ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত থেকে ২৮ জনকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ ১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম।
তিনি জানান, বর্তমানে সীমান্ত থেকে প্রায় ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করা ওই ২৮ জনের কোনো উপস্থিতি বা চলাচল আর পরিলক্ষিত হচ্ছে না। আমাদের ধারণা, গতকাল (শুক্রবার) রাতের কোনো একসময় বিএসএফ তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়েছে।
এর আগে, গত বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তের ২০৩/৬-এস সীমান্ত পিলার এলাকা দিয়ে বিএসএফের ১২ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ২৮ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেন। এ সময় বাঙ্গাবাড়ি বিওপির বিজিবি টহলদল তাদের বাধা দিলে ওই ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান নেন।
বিজিবির বাঙ্গাবাড়ি সূত্র জানায়, ওই ২৮ জনের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ৬ জন শিশু ছিল। পরবর্তীতে গত বৃহস্পতিবার সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে প্রথমে কোম্পানি কমান্ডার এবং পরে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিজিবি জানায়, বৈঠকের শুরুতে বিএসএফ পুশইনের বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ের আলোচনায় ঘটনাটি স্বীকার করে। বৈঠকে বিএসএফ জানায়, বিষয়টি তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে গতকাল সকাল পর্যন্ত এ বিষয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিজিবিকে জানানো হয়নি।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, বিজিবি সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সীমান্তে আমাদের নজরদারি ও সতর্ক অবস্থান অব্যাহত রয়েছে।
৯ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও সীমান্তের ওপারে বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি আটক
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে দুই বাংলাদেশি নাগরিক আটক হয়েছেন। ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় সীমান্তের ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে কাকরমনি ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের আটক করেন।
শনিবার (৬ জুন) সকালে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)-এর হাবিলদার (আইপি) মো. খায়রুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটকরা হলেন— হরিপুর উপজেলার ডাঙ্গীপাড়া গ্রামের মো. আলিমুল ইসলাম (৪৬) এবং কাদিরসুখা গ্রামের মো. করিম (৩৪)।
গত বৃহস্পতিবার রাতে হরিপুর বিওপির সীমান্তবর্তী দনগাঁও গ্রামের বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থিত কাকরমনি বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের আটক করেন বলে জানিয়েছে ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি।
বিজিবি সূত্র জানায়, আটকদের মধ্যে মো. করিম ভারতের একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তারা দুজনেই ভারত থেকে অবৈধ পথে বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় হরিপুর বিওপির (বর্ডার আউটপোস্ট) বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে কাকরমনি বিএসএফ ক্যাম্পের একটি টহল দল তাদের হাতেনাতে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত কমান্ডিং কর্মকর্তা মেজর আহসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে ও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
৯ দিন আগে
এবার চাঁপাই সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় শূন্য রেখায় ২৮ জন
সাতক্ষীরার পর এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে ২৮ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। পরে বাঙ্গাবড়ি বিজিবির সদস্যরা তাদের বাধা দেওয়ায় তারা সীমান্তের শুন্য রেখায় অবস্থান করছেন।
বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে তাদের ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে পাঠানো হয়। তবে বিজিবি সদস্যদের প্রতিরোধের মুখে তারা বাংলাদেশ ভূখণ্ডে আসতে পারেনি।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিজিবির ১৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি অধিনায়ক বলেন, পুশইন করা ২৮ জনের মধ্যে ১২ পুরুষ, ১০ নারী ও ৬ শিশু রয়েছে। রাতে বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তের ২০৩/৬-আর পিলারসংলগ্ন এলাকা দিয়ে তাদের বাংলাদেশের দিকে ঠেলে পাঠান ১২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা। খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা তাদের অবস্থান নিশ্চিত করেন এবং বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রবেশরোধে অবস্থান নেন। এ অবস্থায় ওই ২৮ জন সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। তাদের পুশব্যাক করা হবে বলে জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।
তিনি আরও জানান, এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তের ওপারে বিএসএফের চৌকিগুলোতে জনবল বাড়ানো হয়েছে বলে খবর পেয়েছেন। এপারে বিজিবিও টহল জোরদারসহ সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে।
১১ দিন আগে
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি আহত
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের বসন্তপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুই বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।
বুধবার (৩ জুন) রাতে সীমান্তসংলগ্ন কালিন্দী নদী এলাকায় এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— কালিগঞ্জ উপজেলার শীতলপুর গ্রামের গোলাম রাব্বানীর ছেলে মহিউদ্দিন (৪২) ও ফজর আলী সরদারের ছেলে মো. শাহীন (২৮)। আহতদের প্রথমে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা মেডিকেলের সার্জারি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক শরিফুল ইসলাম জানান, তাদের উভয়ের অস্ত্রপচার করতে হবে। এখন অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) আছি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে ওই দুই ব্যক্তি অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যান। পরে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে রাজমিস্ত্রি শ্রমিকের কাজ করতেন। গতকাল (মঙ্গলবার) গভীর রাতে তারা অবৈধভাবে দেশে ফেরার চেষ্টা করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বসন্তপুর সীমান্তসংলগ্ন বাঁশঝাড়িয়া এলাকা দিয়ে কালিন্দী নদী সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বিএসএফের সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে দুজনই হাতে ও পিঠে গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে ভোরে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এরপর সেখান থেকে সকালে তাদের মেডিকেলে নেওয়া হয়।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিলেন এবং একইভাবে বাংলাদেশে ফেরার সময় বিএসএফের গুলির শিকার হন। তবে সাতক্ষীরার বিজিবির দায়িত্বশীল সূত্র এ ঘটনার কোনো সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
১২ দিন আগে
সিলেট সীমান্তে বিএসএফের গুলি, বিজিবির পাল্টা ফায়ার
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সোনারহাট সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলির জবাবে পাল্টা গুলিবর্ষণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত ও স্থিতিশীল রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার (১৮ মে) বিকেলে বিজিবির সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ সোনারহাট সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ গুলি ছোড়ে। এর পরপরই বিজিবি তাৎক্ষণিকভাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। বিজিবির দৃঢ় ও পেশাদার পদক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে যেকোনো উসকানিমূলক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বাহিনীটি।
এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম এবং সীমান্ত এলাকায় অননুমোদিত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক ও সচেতন করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
২৭ দিন আগে
তেল পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য পাচার প্রতিরোধকল্পে যশোরের বেনাপোল, শার্শা ও চৌগাছাসহ চুয়াডাঙ্গা সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে টহল, তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একইসঙ্গে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অতিরিক্ত জনবল মোতায়েনসহ টহল জোরদার করা হয়েছে।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী শনিবার (৭ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল (শুক্রবার) রাত থেকে যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বেনাপোল স্থলবন্দরসহ শার্শা ও চৌগাছা সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার রোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে সন্দেহভাজন যানবাহন ও মালামাল তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্তজুড়ে টহল কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিশেষ করে অতীতে যেসব সীমান্ত রুট দিয়ে ডিজেল ও পেট্রোল পাচারের চেষ্টা হয়েছে, সেসব এলাকায় অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া বেনাপোল স্থলবন্দর গেটে দেশীয় ও ভারতীয় ট্রাক মালামাল পরিবহনের সময় ভারতে প্রবেশের আগে আরও বেশি সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, যশোর সীমান্তবর্তী এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার রোধে বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সন্দেহজনক যেকোনো যান চলাচলের ওপর কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের জ্বালানি সম্পদের সুরক্ষায় সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি। পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে, চুয়াডাঙ্গা বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা দর্শনা আইসিপিসহ জেলার বিভিন্ন সীমান্তে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া দর্শনা আইসিপি গেটেও দেশীয় ও ভারতীয় পণ্য ভারতে প্রবেশের সময় বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি করা হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবল বৃদ্ধি, বিশেষ টহল, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং সন্দেহভাজন পরিবহনে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তপথে যাতে কোনোভাবেই জ্বালানি তেল পাচার হতে না পারে সে বিষয়ে বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
১০০ দিন আগে
আফগান সীমান্তে হামলায় ৭০ জঙ্গিকে হত্যার দাবি পাকিস্তানের
আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের বিমান হামলায় অন্তত ৭০ জঙ্গি নিহতের দাবি করেছে ইসলামাবাদ। এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে সংকটের মুখে পড়েছে।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় এ বিমান হামলা চালানো হয়।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী জানান, দেশের ভেতরে সাম্প্রতিক হামলার জন্য দায়ী পাকিস্তানি জঙ্গিদের আস্তানাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। তবে কাবুল এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
জিও নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তালাল চৌধুরী অন্তত ৭০ জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে জানান। তবে সে সময় তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। পরে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮০ জন হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
অপরদিকে, আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, পূর্ব আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিকা প্রদেশের বিভিন্ন বেসামরিক এলাকা লক্ষ্য করে পাকিস্তান হামলা চালিয়েছে। এতে একটি মাদরাসা ও একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা এ হামলাকে আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে।
আফগান সরকারের মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, হামলায় নারী ও শিশুসহ বহু মানুষ হতাহত হয়েছে। তবে পাকিস্তানের ৭০ জন জঙ্গি নিহতের দাবি সঠিক নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
নানগারহার প্রদেশে আফগান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পরিচালক মাওলভি ফজল রহমান ফাইয়াজ জানান, এ বিমান হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
পুনরায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের সতর্কবার্তা
রবিবার রাতে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি জানান, আফগান সীমান্তে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জনগণকে রক্ষার জন্য সাম্প্রতিক এ অভিযান চালানো হয়েছে। কাবুলকে বারবার সতর্ক করার পরও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে জারদারি সতর্ক করে বলেছিলেন, তালেবান নেতৃত্বধীন সরকার এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছে যা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার আগের সময়ের মতো বা তার চেয়েও খারাপ।
এক বিবৃতিতে জারদারি জানান, পাকিস্তান কেবল সীমান্তবর্তী আস্তানায় হামলা চালিয়ে সংযম দেখিয়েছে। তবে পাকিস্তানের ভেতরে হামলার জন্য দায়ীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন। পাকিস্তানি নাগরিকদের নিরাপত্তা হলো সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এতে কোনো আপস নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি ।
এ ঘটনার পর পাকিস্তানের হামলার প্রতিবাদে কাবুলে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা জানায়, দেশের ভূখণ্ড রক্ষা করা ইসলামিক আমিরাতের শরিয়াভিত্তিক দায়িত্ব এবং এ ধরনের হামলার পরিণতির দায় পাকিস্তানকেই নিতে হবে।
রবিবার নানগারহারে বিমান হামলার ধ্বংসস্তূপ সরাতে দেখা যায় স্থানীয়দের। সে সময় নিহতদের দাফনের প্রস্তুতিও চলছিল।
স্থানীয় নেতা হাবিব উল্লাহ অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) জানান, নিহতরা জঙ্গি ছিল না। তারা দরিদ্র সাধারণ মানুষ ছিল। যারা নিহত হয়েছে তারা তালেবান, সামরিক বাহিনীর সদস্য বা সাবেক সরকারের কেউ নয়। তারা গ্রামে সাধারণ জীবনযাপন করত।
এর আগে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এক্স পোস্টে জানিয়েছেন, পাকিস্তানি তালেবান (টিটিপি) ও তাদের সহযোগী সংগঠনের ৭টি আস্তানায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাছাই করে অভিযান চালানো হয়েছে। এ অভিযানে ইসলামিক স্টেটের একটি সহযোগী সংগঠনকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অঞ্চলজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পাকিস্তান সব সময় চেষ্টা করেছে, তবে পাকিস্তানি নাগরিকদের নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হবে।
১১২ দিন আগে
সীমান্ত নিরাপদ রেখে সারা দেশে ৩৭ হাজার বিজিবি মোতায়েন: মহাপরিচালক
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) একটি পেশাদার, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাহিনী হিসেবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে অর্পিত সকল দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় তিনি বলেন, ‘ভোটাররা যেন নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও শঙ্কামুক্ত পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বিজিবি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবে।’
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে বিজিবির মহাপরিচালক চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় সফর করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় সিভিল প্রশাসন, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভায় অংশ নেন।
বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলামের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সভায় বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ রেখেই সারা দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টি উপজেলায় ৩৭ হাজারেরও বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদাসহ সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবে।’
তিনি জানান, সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে ঝুঁকি বিবেচনায় বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ), র্যাপিড অ্যাকশন টিম (আরএটি), বিশেষায়িত ক-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিট, ড্রোন এবং বডি-অন ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
সমন্বয় সভা শেষে বিজিবির মহাপরিচালক দামুড়হুদা আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজে স্থাপিত নির্বাচনি বেইজক্যাম্পে দায়িত্বরত বিজিবির সকল পর্যায়ের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সভায় বিজিবি সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, যশোর রিজিয়ন কমান্ডার, কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার, চুয়াডাঙ্গা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও র্যাবসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা এবং কুষ্টিয়া সেক্টরের অধীন সকল ব্যাটালিয়নের অধিনায়করা উপস্থিত ছিলেন।
১২৫ দিন আগে