মনিটরিং
ইংরেজি মাধ্যমসহ সব প্রাথমিক বিদ্যালয় মনিটরিংয়ের আওতায় আসছে: ববি হাজ্জাজ
দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি মনিটরিং ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
তিনি বলেছেন, এতদিন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মনিটরিং ব্যবস্থা মূলত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কেন্দ্রিক ছিল। নতুন নীতিমালায় এ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগামী দিনে সরকারি বিদ্যালয়ের পাশাপাশি দেশের সব বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন ও ইংরেজি মাধ্যমের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেও সরকারি মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) চট্টগ্রামে পিটিআই অডিটোরিয়ামে প্রাথমিক শিক্ষা, চট্টগ্রাম বিভাগ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নয়, দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কার্যকর মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। মাঠপর্যায়ে বিদ্যালয় পরিদর্শনের মাধ্যমে বাস্তব চিত্র যাচাই করে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এ পর্যন্ত ২৫টি উপজেলার বিদ্যালয় পরিদর্শনে জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রতিবেদনের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের মৌলিক শিখন দক্ষতার (এফএলএন) হারে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া গেছে। এ ধরনের তথ্যের গরমিল দূর করে বাস্তবভিত্তিক তথ্যের ওপর শিক্ষা প্রশাসনকে পরিচালনা করতে হবে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, নতুন নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি উপজেলায় শূন্যপদে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে যাতে মাঠপর্যায়ে তদারকি ও জবাবদিহি আরও শক্তিশালী হয়।
তিনি জানান, আগামী বছর দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের মেধা, সৃজনশীলতা ও সাধারণ জ্ঞান বিকাশে জাতীয় পর্যায়ে বড় পরিসরে কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে যা টেলিভিশন শো হিসেবেও সম্প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও আনন্দময়, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানসম্মত করতে বিদ্যালয় পর্যায়ে শিখন, উপস্থিতি, পুষ্টি এবং শিক্ষার পরিবেশ সবকিছুর ওপর সমন্বিত নজরদারি নিশ্চিত করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাতটি বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
তিনি বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়কে কার্যকর ও নিয়মিত পরিচালিত হতে হবে, শিক্ষকের উপস্থিতি হতে হবে বাস্তব ও নিশ্চিত, শিক্ষার্থীর সংখ্যা সঠিকভাবে যাচাই করতে হবে এবং তারা কী শিখছে তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি সব ধরনের সুবিধা প্রকৃত শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নিরাপদ ও ব্যবহারযোগ্য রাখা এবং শিক্ষার্থী, অভিভাবক, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। এসব বিষয় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন ও জনগণের আস্থা অর্জনের ক্ষেত্রে ‘নন-নেগোশিয়েবল’।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা শুধু সরকারি বিদ্যালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একটি শিশুর প্রায় ১০ বছর বয়স পর্যন্ত যে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পাওয়ার কথা, সেটিই মূলত প্রাথমিক শিক্ষা। সেই শিক্ষা সরকারি, বেসরকারি কিংবা ইংরেজি মাধ্যম যেখানেই দেওয়া হোক না কেন, শিক্ষার মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।
তিনি বলেন, নতুন নীতিমালার আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মনিটরিং ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবকাঠামো, শ্রেণিকক্ষের আয়তন, খেলার জায়গা, শিক্ষার পরিবেশ, পাঠ্যবই ও কারিকুলাম অনুসরণ, শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণসহ শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইচ্ছেমতো অপর্যাপ্ত বা অনিরাপদ স্থানে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। বিদ্যালয়ের ভবন, শ্রেণিকক্ষ, খেলার জায়গা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী আছে কি না, তা মনিটরিং কর্মকর্তারা যাচাই করবেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ে অনুমোদিত কারিকুলাম ও মানসম্মত শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, সেটিও পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের একটি পরিষ্কার অঙ্গীকার অপ্রশিক্ষিত কোনো শিক্ষককে আমরা শ্রেণিকক্ষে দেখতে চাই না। সরকারি ও বেসরকারি সব ধরনের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষক নিয়োগের মান, প্রশিক্ষণ এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সক্ষমতা ভবিষ্যৎ মনিটরিং ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে।
উল্লেখ্য বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রশাসনে সুশাসন, জবাবদিহি ও কার্যকর নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে নিজেই বিভাগে বিভাগে প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বদানের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশাসনিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের প্রস্তুত করাই এ প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য।
প্রাথমিক শিক্ষা, চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম এবং চট্টগ্রাম বিভাগের সকল জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারাসহ বিভাগের শিক্ষা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
চোরাই পথে গরু প্রবেশ ঠেকাতে মনিটরিং করা হচ্ছে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
কোরবানি উপলক্ষে সীমান্ত দিয়ে চোরাই পথে অবৈধভাবে কোনো গরু যেন দেশে ঢুকতে না পারে সে বিষয়ে কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান।
তিনি বলেন, কোরবানিকে সামনে রেখে কিছু দুষ্টু লোক আমাদের দেশীয় খামারিদের নিরুৎসাহিত করার জন্য চোরাইপথে গরু আনছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তবে এ ব্যাপারে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করা হবে বলেও জানান প্রাণিসম্পদমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: কোরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
রবিবার (২ জুন) রাজধানীর শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী একথা বলেন।
প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, দেশীয় খামারিদের ভাবনার কোনো কারণ নেই। ঈদ যাতে সবাই ভালোভাবে উদযাপন করতে পারে সে ব্যাপারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধানে থাকবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্ট্রেলিয়া থেকে ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় আনেন। এর মাধ্যমে গবাদিপশুর জাতের উন্নতি করে দুধ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
তিনি বলেন, দুধের উৎপাদন বাড়ালে দুধ খাওয়া বাড়বে এমনটি নয় বরং দুধ খাওয়ার প্রবণতা বাড়লেই দুধের উৎপাদন বাড়বে। কারণ চাহিদা বাড়লেই সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়টি সামনে আসে। দুধের উৎপাদন বাড়িয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
গ্রামে প্রান্তিক খামারিরা দামের অভাবে অনেক সময় দুধ উৎপাদনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দুধের দাম কম হলেও দুধ থেকে উৎপন্ন মিষ্টির দাম অনেক বেশি। দুগ্ধ শিল্পের সঙ্গে যারা জড়িত তারা অনেক সময় ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না বলে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ পাওয়া যায়। এছাড়া খামারিরা যাতে তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় সেরকম একটা ব্যবস্থা আমাদের তৈরি করতে হবে।
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেইরি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রিতে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেলে গভীরভাবে পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কে বি এম সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ নজরুল ইসলাম, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া, কোষাধ্যক্ষ ড. মো. নজরুল ইসলাম ও বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ।
আরও পড়ুন: খামারিরাই প্রাণিসম্পদ খাতের প্রকৃত সেলিব্রেটি: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
পশুর জন্য নিরাপদ উপায়ে প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর
৮০৮ দিন আগে
পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং জোরদারের নির্দেশ সরকারের
পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে যারা অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করছে তাদের আইনের আওতায় আনতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞায় রাতারাতি পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ২০০ টাকা ছাড়াল
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক থেকে এই নির্দেশনা আসেনি, এটি পৃথকভাবে জারি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, 'আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, মাঠ পর্যায়ে এখন নিবিড় পর্যবেক্ষণ চলছে। আজ কিছুটা হলেও বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। গতকাল যে প্রবণতা (পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি) ছিল, আজ তা নেই।’
শুক্রবার ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, 'সরকারের নির্দেশনা হচ্ছে মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করা। যারা এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত (মজুদ করে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন) তাদের উপর নজরদারি বাড়ানো এবং যারা অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করছে তাদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা। নির্দেশনা পাওয়ার পর আমাদের টিম মাঠে কাজ করছে।’
আরও পড়ুন: পেঁয়াজ মজুদকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক
বিনা কর্তনে চলছে ‘অ্যানিমেল’, আটকে আছে ‘কাঠগোলাপ’
৯৮১ দিন আগে
দ্রব্যমূল্য নিয়ে উদ্বিগ্ন মন্ত্রিসভা কমিটি, মনিটরিংয়ের নির্দেশ
দ্রব্যমূল্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
এ ব্যাপারে কমিটির সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, ব্যবস্থা নিতে সরকারি সংস্থাকে মনিটরিংয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১২তম সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।
আরও পড়ুন: সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে দ্রব্যমূল্য ও সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
মন্ত্রী বলেন, আমরা একটা ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছি; সেটা হলো দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সরকার কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যেগুলো সঠিকভাবে কার্যকর হয়নি।
তিনি আরও বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আমাদের সরকারি যেসব সংস্থা আছে, তারা যাতে মনিটরিং করে সে ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এটা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। যারা উৎপাদন করে, প্রান্তিক চাষি তারা কিন্তু এ মূল্য পায় না, পায় মধ্যস্বত্বভোগীরা। যারা এটা তৈরি করে তারা কিন্তু যে দাম পায় বাজারে আমরা যখন কিনি বা ভোক্তারা যখন কেনে সেখানে অনেক তারতম্য থাকে।
মন্ত্রী আরও বলেন, মজুতদারিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় তা আইনেই বলা আছে। আইন যথাযথ বাস্তবায়ন করে তাদের যেন আইনের আওতায় আনতে পারি।
আরও পড়ুন: নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ে সংসদে সমালোচনার মুখে বাণিজ্যমন্ত্রী
দ্রব্যমূল্য বাড়লেও অনেকের চেয়ে আমরা ভালো আছি: কাদের
১০৩৫ দিন আগে
অতিরিক্ত ভর্তি ফি: মনিটরিং কমিটির স্কুল, কলেজ পরিদর্শন শুরু
দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজে অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায় রোধে মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চারজন উপসচিবের নেতৃত্বে চারটি মনিটরিং কমিটির সদস্যবৃন্দ সরকারি-বেসরকারি স্কুল ও কলেজে ২০২৩ শিক্ষা বর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের ভর্তি নীতিমালা অনু্যায়ী ভর্তি, ভর্তি ফি, উন্নয়ন ফিসহ অন্যান্য ফি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ যথাযথভাবে গ্রহণ করছে কি না তা সরেজমিনে যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছেন।
আরও পড়ুন: দেশ-বিদেশের শ্রম বাজার মাথায় রেখে শিক্ষা কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
এছাড়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর গঠিত ১৬টি মনিটরিং কমিটি, ঢাকা মহানগর এলাকায় আটটি বিভাগীয় কমিটি, ৫৫টি জেলা মনিটরিং কমিটি ও উপজেলা মনিটরিং কমিটিও সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন খতিয়ে দেখতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন: জাবিতে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ
১৩৩৭ দিন আগে
উপ-নির্বাচনে সিসিটিভি মনিটরিংয়ের জন্য বাজেট নেই: ইসি
বাজেটের অভাবে বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য পাঁচটি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।
সোমবার নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান নির্বাচন কমিশনার।
তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর জন্য কোনো বাজেট নেই। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ দিয়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপন সম্ভব নয়। এডিপির টাকা প্রকল্পে ব্যয় করা যেতে পারে। সিসি ক্যামেরার জন্য রাজস্ব খাত থেকে অর্থ বরাদ্দ করতে হবে।’
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারীদের আর্থিক সাক্ষরতা বাড়াতে কাজ করছে বিএসইসি: অধ্যাপক শিবলী
তিনি আরও বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা কোনো সমাধান নয়।'
কমিশনার আলমগীর বলেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ ডিভাইসের কোনো প্রয়োজন দেখছে না। অনেক নির্বাচনে সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না, তারপরও কোনো ঘটনা ঘটেনি।
তিনি আরও বলেন, ‘পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হবে। এতে ভারসাম্য থাকবে। ফলে সিসি ক্যামেরার প্রয়োজন হবে না।’
কমিশনার আরও বলেন, নির্বাচনের জন্য প্রচুর সময় থাকায় কমিশন বৈঠক করে প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
বিএনপি এমপিদের পদত্যাগের পর শূন্য হয়ে যাওয়া পাঁচটি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন ২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
ঠাকুরগাঁও-৩, বগুড়া-৪, বগুড়া-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপনির্বাচন করবে ইসি।
ইসি সচিব বলেন, প্রার্থীরা ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৮ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করবেন এবং ১৫ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর বিএনপির সাতজন সংসদে সদস্যের (এমপি) মধ্যে পাঁচজন সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগকারী সংসদ সদস্যরা হলেন- ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের মো. জাহিদুর রহমান, বগুড়া-৪ আসনের মো. মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৬ আসনের গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের মো. আমিনুল ইসলাম এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে রুমিন ফারহানা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মো. হারুনুর রশিদ, যিনি এখন অস্ট্রেলিয়ায় আছেন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের অসুস্থ সংসদ সদস্য আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া স্পিকারের কাছে সশরীরে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেননি।
একই দিনে ইমেইলে পদত্যাগপত্র পাঠান সাত সংসদ সদস্য।
সংসদ সচিবালয় তাদের পদত্যাগের পর সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা করে গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া গণতান্ত্রিক চর্চা গড়ে উঠবে না: সিইসি
বিএনপির সংসদ সদস্যদের শূন্য আসন: ১৫ ডিসেম্বর উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে পারে ইসি
১৩৩৮ দিন আগে
অনলাইন মনিটরিংয়ের আওতায় আসবে খাদ্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম: খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, সহসাই অনলাইন মনিটরিংয়ের আওতায় আসবে খাদ্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম।
তিনি বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয় সততায় পিছিয়ে নেই, প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতায়ও পিছিয়ে থাকবে না। অনলাইন ফুড স্টক অ্যান্ড মার্কেট মনিটরিং সিস্টেম চালুর ফলে খাদ্যশস্য সংগ্রহ, চলাচল, বিতরণ ও সংরক্ষণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত হবে।
মঙ্গলবার ঢাকায় সিরডাপ আন্তর্জাতিক মিলনায়তনে ‘অনলাইন ফুড স্টক অ্যান্ড মার্কেট মনিটরিং সিস্টেম’ শীর্ষক কর্মশালায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: পরনির্ভরতা কমাতে কৃষি প্রণোদনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে: খাদ্যমন্ত্রী
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন,ডিজিটাল বাংলাদেশের কার্যকারিতা করোনাকালে প্রতীয়মান হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতি থাকায় জনসাধারণের কাছে সহজেই সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আপনাদের বলেছিলাম কাজের গুণগত মান ও সময়ক্ষেপণ যাতে না হয় সেদিকে সুদৃষ্টি রাখবেন। আপনারা সঠিক সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করবেন। কাজের গুণগত মানের সঙ্গে আমরা কোন আপস করবো না।
মন্ত্রী খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন,সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ডিজিটাল যুগে নিজেদের প্রযুক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সেই সঙ্গে সেবাদানের মানসিক প্রস্তুতিও থাকতে হবে।
আরও পড়ুন: বাজারে মোটা চালের দাম বাড়েনি: খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানম, বেক্সিমকো কম্পিউটার্রস লিমিটেডের সিনিয়র অ্যাডভাইজার সামিরা জুবেরি হিমিকা ও খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক হিসাব ও অর্থ মো. মাহমুদ হাসান।
১৬১৮ দিন আগে
এআই ক্যাটাগরিতে ১২টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতল অপো
‘কম্পিউটার ভিশন অ্যান্ড প্যাটার্ন রেকগনিশন কনফারেন্স (সিভিপিআর)-২০২১’ শীর্ষক ইভেন্টে অংশ নিয়ে সর্বমোট ১২টি পুরস্কার জিতেছে অপো। এর মধ্যে একটিতে প্রথম স্থান, সাতটিতে দ্বিতীয় স্থান এবং চারটিতে তৃতীয় স্থান দখল করে।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে অপো।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অপো উদ্ভাবিত উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ‘স্মার্ট হোম’ সেবা বিশেষ করে বাসায় শিশুদের কর্মকাণ্ড মনিটরিং করতে সক্ষম। এমনকি পাশের রুমে থাকা সন্তান যদি ডিভাইসে ক্ষতিকর কিছু করে থাকে তাহলে এআই প্রযুক্তি বাবা-মাকে সতর্ক করে দিবে। জীবনযাত্রাকে সহজ করে দেয় এমনই কিছু প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতেছে অপো।
আরও পড়ুন: অপো’র নতুন স্মার্টফোন রেনো৪ শিগগিরই দেশের বাজারে
অপোর ডিভাইসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) উন্নয়নে এসব পুরস্কার লাভ করে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি।
অপোর ইন্টেলিজেন্ট পারসেপশন অ্যান্ড ইন্টারেকশন ডিপার্টমেন্ট ও অপো রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর ইউএস রিসার্চ সেন্টার থেকে সিভিপিআর এর এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
আরও পড়ুন: দেশের বাজারে শিগগিরই আসছে অপো এফ১৭
অপোর ইন্টেলিজেন্ট পারসেপশন এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এরিক গুয়ো তাদের এই অর্জন সম্পর্কে বলেন, সিভিপিআর চ্যালেঞ্জে অংশ নিয়ে এ কৃতিত্ব অর্জন করায় আমরা সত্যিই আনন্দিত। আমরা যেসব চ্যালেঞ্জে জয়লাভ করি তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মাল্টি-এজেন্ট বিহেভিয়ার, এভিএ-কাইনেটিক্স এবং থ্রিডি ফেস রিকনস্ট্রাকশন ফ্রম মাল্টিপল টুডি ইমেজ।
এরিক বলেন, এসব প্রযুক্তি ম্যানুফ্যাকচারিং, হোম, অফিস, ফটোগ্রাফি, স্বাস্থ্য এবং মবিলিটি কাজে ব্যবহৃত হয়। কারণ অপো সবসময় উন্নতমানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে গ্রাহকদের অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
আরও পড়ুন: অপো এফ১৯: স্লিম ডিজাইনের এক বহুমুখী মিডরেঞ্জার
১১টি সম্মাননার মধ্যে অপো মাল্টি-এজেন্ট বিহেভিয়ার চ্যালেঞ্জ ক্যাটাগরিতে তিনটি পুরস্কার লাভ করে। এর মধ্যে লার্নিং নিউ বিহেভিয়ার ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান, ক্লাসিক্যাল ক্লাসিফিকেশন দ্বিতীয় স্থান এবং অ্যানোটেশন স্টাইল ট্রান্সফার বিভাগে তৃতীয় স্থান লাভ করে।
অপোকে যেসব কারণে পুরস্কার দেয়া হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে অপো উদ্ভাবিত নিজস্ব অ্যালগরিদম এক মিলিমিটারের মধ্যে ত্রুটিযুক্ত ত্রিমাত্রিক ফেসিয়াল আকার ঠিক করে ফেলতে পারে। অস্বচ্ছ ফেসিয়াল ফিচার, অতিরঞ্জিত প্রকাশভঙ্গি এমনকি গতিশীল ভিডিওতে নষ্ট হয়ে যাওয়া ইমেজ ডেটাসহ নানাবিধ সমস্যা সমাধানে এসব প্রযুক্তি সাহায্য করে। তাছাড়া অপো উদ্ভাবিত ফেসিয়াল ডিটেকশন অ্যালগরিদম প্রতি সেকেন্ডে ৩০ বার ৬৩৫টি প্রধান ফিচার চিহ্নিত করতে সক্ষম। এ প্রযুক্তি প্রোর্ট্রটে ভিডিও প্রযুক্তি সম্প্রসারণে সাহায্য করে।
অপোর এআই প্রযুক্তি স্থান ও সময়ানুসারে ‘হিউম্যান অ্যাকশন’ চিহ্নিত করতে পারে। সকারনেট চ্যালেঞ্জে অংশ নিয়ে অ্যাকশন স্পটিং অ্যান্ড রিপ্লাই গ্রাউন্ডিং উভয় ক্ষেত্রেই দ্বিতীয় স্থান দখল করে অপো।
১৮৭৮ দিন আগে
বাজার স্থিতিশীল রাখতে চুয়াডাঙ্গায় মনিটরিং, দাম বাড়ালেই ব্যবস্থা
চুয়াডাঙ্গায় নিত্যপণ্যের বাজার সহনীয় রাখতে শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে বাজার মনিটরিং শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।
২৩৪৩ দিন আগে