প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
আ.লীগ নিষিদ্ধ কি না, সেটা নির্ধারিত হবে আদালতে: উপদেষ্টা জাহেদ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগ, দলটা নিষিদ্ধ হবে কি হবে না, সেটা নির্ধারিত হবে আদালতে, আইসিটিতে (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল)। তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল কি না, সেই বিচারের পর তা নির্ধারিত হবে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল রাস্তায় নেমেছে। দলটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ঘিরে ছয়টি জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনকে সরকার কতটুকু যুক্তিযুক্ত মনে করছে? এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, প্রথম কথা হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো আমি মনে করি তারা একটা সিম্বলিক কারণে আছে। কারণ হচ্ছে, একটা নিষিদ্ধ ঘোষিত দল, নিষিদ্ধ ঘোষিত আসলে কথাটা ঠিক না, আমরা টেকনিক্যালি যদি বলি, নাম যদি এভাবে বলি আওয়ামী লীগ, দলটা নিষিদ্ধ হবে কি হবে না, এই জিনিসটা একটু স্পষ্ট করে রাখা দরকার, সেটা নির্ধারিত হবে আদালতে, আইসিটিতে। তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল কি না, সেই বিচারের পর তা নির্ধারিত হবে।
তিনি বলেন, যেটা হয়েছে, ওই পর্যন্ত যেহেতু তারা বিচারাধীন থাকবে, সেই পর্যন্ত তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকবে ‘সন্ত্রাস দমন আইন, ২০০৯’-এর অধীনে। তাই তাদের কর্মসূচি নিষিদ্ধ। এই দলটা এখন যেকোনো কর্মসূচি নিয়ে যদি মাঠে নামতে চায়, সেটা তারা একটা আইন ভঙ্গকারী কাজ করছে। তাই সরকার সেখানে ব্যবস্থা নেবে এটাই স্বাভাবিক। রাজনৈতিক দলগুলোর আসলে ওখানে করার কিছু নেই, এটা তারা সিম্বলিক্যালি হয়তো মাঠে আছেন, যেহেতু তারা (আওয়ামী লীগ) বলছেন, তারা অনেক কিছু করে ফেলবেন।
সেনাবাহিনী মোতায়েন নিয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, এর মানে এই না যে অনেক কিছু তারা করে ফেলতে পারে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি না আওয়ামী লীগের সেই রকম নৈতিক সাহসও আছে। কিছু করতে হলে অন্তত একটা নৈতিক সাহস লাগে।
তিনি বলেন, আমরা একটা কথা বলি না, ‘চোরের মায়ের বড় গলা’, মানে আওয়ামী লীগের বড় গলা হতে আমাদের সবার মেমোরি (স্মৃতিশক্তি) শেষ হয়ে যেতে হবে। আমাদের সবার ডিমেনশিয়া (স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া রোগ) হবে, তারপর কোনোদিন আওয়ামী লীগ আমাদের সামনে বড় গলা করে কথা বলতে পারবে, এর আগে পারবে বলে আমার মনে হয় না। তাই, তাদের ওই নৈতিক সাহসও নেই। কিছু লুটপাটকারী, মাফিয়া, চোর-বাটপারের আসলে খুব বেশি নৈতিক সাহস থাকে না।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আমি একটু পেছনে যাই, একটু অপ্রাসঙ্গিক হলেও বলি— জুলাইয়ে এরকম বন্দুকের সামনে মানুষ দাঁড়াতে পেরেছিল, কারণ তার নৈতিক সাহসটা ছিল। ও ধান্দাবাজ লোক ছিল না, ও দেশকে ভালোবেসেছে, এ দেশের ভালো করতে চেয়েছে। এত গুলি, এত মৃত্যু, এরপরও মানুষ পরের দিন আবার গিয়ে দাঁড়িয়েছে। তো তাদের (আওয়ামী লীগ) দিয়ে আসলে তেমন কিছু হওয়ার কোনো কারণ নাই।
১২ দিন আগে
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আ.লীগ অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আগামীকাল মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (২২ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
আগামীকাল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ছয় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোনো নাশকতার আশঙ্কা আছে কি না জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়নি। কিন্তু বাহিনী হিসেবে এবং আমাদের সবসময় সতর্ক থাকতে হয়। কার্যক্রম নিষিদ্ধ যে মাফিয়া বাহিনী আওয়ামী লীগের কিছু অপতৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন ডিস্ট্রিক্টে (জেলা) আমরা দেখেছি, তারা মিছিল-মিটিং করার মতো কিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছে, দুয়েকটা জায়গায় এসব দেখেছি। তাতে করে আমাদের মনে হয়েছে, তারা হয়তো একটা অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করলেও করতে পারে। এই বিবেচনায় আমরা আমাদের সমস্ত বাহিনীগুলোকে সতর্ক থাকার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি, যা সবসময় থাকে।’
তিনি বলেন, তার বাইরে আমরা আজকে থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত আমাদের সেনা সদস্যদের আবার ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার আইন মোতাবেক ঢাকা মেট্রো, চট্টগ্রাম মেট্রো, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর মেট্রো এবং এর বাইরে দুটো জেলাতে আমরা (সেনাবাহিনী) ডেপ্লয় (মোতায়েন) করেছি, যাতে যেকোনো রকমের অপতৎপরতা চিহ্নিত করা যায়।
১৩ দিন আগে
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আ.লীগের গোলযোগ সৃষ্টির শক্তি নেই: ড. মাহবুব উল্লাহ
শিক্ষাবিদ, সমাজচিন্তক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার শঙ্কা আছে, তবে তাদের এখন সেই শক্তি নেই। আগামী ২৩ তারিখে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ একত্রিত হয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারবে, এমন শক্তি তাদের এখনও হয় নাই।
রবিবার (২১ জুন) এফডিসিতে সহিংসতা বৃদ্ধিতে সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার নিয়ে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, সম্প্রতি উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে দিল্লির ইমিগ্রেশনে শিষ্টাচার-বহির্ভূত যে আচরণ করা হয়েছে, তা কেবল ব্যক্তিকে নয়, বাংলাদেশকে অবমাননার অপচেষ্টা। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগের বিষয়।
তিনি বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের উস্কানি ও অপপ্রচার এখনও অব্যাহত আছে। এ ব্যাপারে আমাদের সাবধান ও সচেতন থাকতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক শ্রেণির মানুষ এখন যে ভাষা ব্যবহার করে, তা অত্যন্ত নোংরা, নিকৃষ্ঠ ও অরুচিকর। সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ও উস্কানি প্রদানে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়বদ্ধতা আছে।
এ রাজনৈতিক বিশ্লেষক আরও বলেন, গুজব ও অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে পরাজিত শক্তি পুনরুত্থানের পথ খুঁজে পাবে। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে ডিজিটাল আসক্তি তৈরি হচ্ছে, তা অত্যন্ত ক্ষতিকর।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অপব্যবহার করে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ যাতে কোনো ধরনের অপতৎপরতা চালাতে না পারে, তার জন্য সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সচেতন থাকতে হবে।
তিনি বলেন, সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরির লক্ষ্যে এক শ্রেণির মানুষ মুহূর্তের মধ্যে বানোয়াট, মিথ্যা তথ্য ও গুজব ভাইরাল করে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর অপচেষ্টা করছে। ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতিতে আঘাত হেনে পোস্ট দিয়ে দাঙ্গা ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতা উসকে দেওয়ার অপচেষ্টা করে এরা। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে বিকৃত তথ্য, ছবি বা ভুয়া প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে রাজনৈতিক সংঘাত তৈরি করে। এই ধরনের হঠকারী পোস্টের কারণে আকস্মিক সংঘবদ্ধ পিটুনি বা ভাঙচুরের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে, রক্তপাত হচ্ছে, প্রাণহানিও ঘটছে।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অপতৎপরতা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে দীর্ঘদিনের সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি ভেঙে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। কিছু বিকৃত রুচির মানুষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ভুয়া ও আপত্তিকর ভিডিও কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে মানুষকে সম্মানহানি ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করছে। রাজনীতিবিদ, চাকুরিজীবি, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের ব্যাক্তিবর্গসহ কেউই এ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল আসক্তিতে ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। মাদকাশক্তির মতোই এই আসক্তি শিক্ষার্থীদের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে। সোশ্যাল মিডিয়া কোনো ক্ষতিকর মাধ্যম না হলেও এর অপব্যবহারই মূলত অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে তরুণদের। তাই ব্যক্তিগত, পারিবারিক সচেতনতা ও সাইবার নিয়ন্ত্রকদের নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সহিংসতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
‘সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহারের কারণে সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিরোধী দল তেজগাঁও কলেজের বিতার্কিকদের পরাজিত করে সরকারি দল প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি বিজয়ী হয়।
প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, সাংবাদিক মাছুদুর রহমান, সাংবাদিক মিরাজ মাহবুব ইফতি, সাংবাদিক মো. আতিকুর রহমান ও সাংবাদিক জাফর ইকবাল।
প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। ছায়া সংসদটি আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।
১৪ দিন আগে
বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
আজ ১ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।
১৯৭৮ সালের এই দিনে বিএনপি গঠন করেছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দিনটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো।
সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এরপর বেলা ১১টায় শেরেবাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে ফাতিহা পাঠ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এর আগে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ছয় দিনের কর্মসূচী ঘোষণা করে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে গতকাল রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আজ দেশব্যাপী জেলা ও মহানগরে আলোচনা সভা ও র্যালি হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালি বের করা হবে। ৩ সেপ্টেম্বর বুধবার উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে আলোচনা সভা ও র্যালি হবে। ৪ সেপ্টেম্বর চারা রোপণ, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্য শিবির পরিচালনাসহ বিভিন্ন গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হবে।
এরপর ৫ সেপ্টেম্বর সমসাময়িক প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে বিএনপির উদ্যোগে গোলটেবিল বৈঠক করা হবে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র ও পোস্টার প্রকাশ করা হবে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিএনপির সহযোগী সংগঠন ও তাদের সকল ইউনিটও যথাযথভাবে নিজস্ব কর্মসূচি পালন করবে।
৪৬ বছরের পথচলায় বিএনপি চারবার ক্ষমতায় ছিল এবং দুইবার বিরোধী পদের দায়িত্বে ছিল। ১/১১ রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে প্রায় ১৯ বছর ধরে বিএনপি ক্ষমতার বাইরে রয়েছে।
দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। পৃথক এক বাণীতে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অ্যাক্টিং চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক বার্তায় জনগণ, দলীয় নেতা-কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের বার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির
বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১৬ সদস্যের ‘জাতীয় উদ্যাপন’ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান আহ্বায়ক এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
৩০৭ দিন আগে
বন্যার কারণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করবে বিএনপি
দেশের পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার কারণে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে সীমিত পরিসরে ১ সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।
বুধবার (২৮ আগস্ট) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতে তাদের দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দেশের পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে ভয়াবহ বন্যায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সীমিত পরিসরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে গণতন্ত্রে উত্তরণের রোডম্যাপ নেই: ফখরুল
মির্জা ফখরুল বলেন, ভারত পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই বাঁধের গেট খুলে দেওয়ায় সৃষ্ট বন্যায় কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর এবং চট্টগ্রামের কিছু অংশের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
তিনি বলেন, 'আমরা আমাদের সাধ্যমতো বন্যার্তদের সহায়তা দিচ্ছি। আমরা একটি কেন্দ্রীয় ত্রাণ সেল গঠন করেছি। চাল, ডাল, তেল, ওষুধ, কাপড়, শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করছি। দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে আমাদের কেন্দ্রীয় নেতারা কয়েকদিন ধরে বন্যাকবলিত এলাকায় অবস্থান করছেন।’
এছাড়া বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের এক কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান ফখরুল।
তিনি বলেন, এর আগে ১ সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ছয় দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
তিনি বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ঘোষিত কর্মসূচি বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বরং এসব কর্মসূচির অর্থ আমরা আমাদের দলের ত্রাণ তহবিলে বরাদ্দ দেব, যা বন্যার্তদের সহায়তায় ব্যবহার করা হবে।’
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন, ফাতেহা পাঠ এবং রাজধানীতে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণসহ কিছু ঐতিহ্যবাহী কর্মসূচি পালন করা হবে।
একই দিন বিকালে বন্যার্ত মানুষ, সাম্প্রতিক ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনে যারা নিহত বা আহত হয়েছেন তাদের সুস্থতা ও রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে বলেও জানান ফখরুল।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ১৯ দফা কর্মসূচি নিয়ে জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠন করেন। বিএনপি কয়েক মেয়াদে দেশ শাসন করেছে।
আরও পড়ুন: জনগণ-ব্যবসায়ীরা নির্বাচিত সরকার ও গণতন্ত্র চান: ফখরুল
৬৭৬ দিন আগে
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য ফল ও মিষ্টান্ন পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার (২৩ জুন) বিকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর গজনবী রোডের যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন কেন্দ্রে (মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ার-১) প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার প্রোটোকল অফিসার-২ মো. আবু জাফর রাজু এবং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এবিএম সরওয়ার-ই-আলম সরকার যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে উপহারগুলো তুলে দেন।
প্রতিটি রাষ্ট্রীয় দিবস ও উৎসব- যেমন স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, ঈদ ও বাংলা নববর্ষের দিনের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তাদের স্মরণ করে উপহার পাঠানোয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন তারা।
এছাড়াও স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মত্যাগ এবং দূরদর্শী নেতৃত্ব শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তারা।
মুক্তিযোদ্ধারা ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাঙালিদের মুক্তিসংগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ভূমিকা তুলে ধরেন।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অদম্য সাহসিকতা, অস্ত্র ও বিস্ফোরক দিয়ে অপারেশন করার প্রশিক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন তারা।
যুদ্ধ ময়দানে হারানো সহযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ করে তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন মুক্তিযোদ্ধারা।
তারা বলেন, দেশের আপামর জনসাধারণ জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিসংগ্রামের দিকনির্দেশনা পেয়েছিল এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে অস্ত্র হাতে নিয়ে পাকিস্তানিদের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করার প্রত্যয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।
এ সময় জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ কন্যার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থা প্রকাশ করেন মুক্তিযোদ্ধারা।
স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং তাদের সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে পুনর্বাসনের জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন তারা।
দেশের অপ্রতিরোধ্য উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকলে দেশের প্রান্তিক মানুষের কল্যাণ হয় এবং মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার ভালো থাকে।
মুক্তিযোদ্ধাদের বর্ধিত হারে ভাতা প্রদান, চিকিৎসা ও আবাসনের সুব্যবস্থা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ একদিন জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এবং আত্মমর্যাদাশীল ‘সোনার বাংলাদেশ’ অর্থাৎ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলে আশা প্রকাশ করেন মুক্তিযোদ্ধারা।
৭৪২ দিন আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন শুরু হয়।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বিজনেস স্টাডিজ প্রাঙ্গণ থেকে সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চ পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নুরুল আলম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৪ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সম্প্রতি বিজ্ঞানী ও গবেষক হিসেবে আন্তর্জাতিক তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরুর সময় যে সব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেগুলো পূরণে বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অতুলনীয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করে জাতিকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
আরও পড়ুন: ৫০ বছরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
সকাল ১১টায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী কেন্দ্রের(টিএসসি) উদ্যোগে ক্যাফেটেরিয়া এলাকায় রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি পালিত হয়।
এছাড়া ছাত্র কল্যাণ ও কাউন্সেলিং সেন্টারের উদ্যোগে শারীরিক শিক্ষা অফিসের পেছনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া এলাকায় পিঠা মেলা, সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং লোকসংগীত উৎসব 'শিল্পী শফি মণ্ডলের একক কনসার্ট' অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
১৯৭১ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চারটি বিভাগ, ২১ জন শিক্ষক ও ১৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। পরে ১২ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
বর্তমানে ৬টি অনুষদ ও ৪টি ইনস্টিটিউটের অধীনে ৩৬টি বিভাগে ৭ শতাধিক শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।
আরও পড়ুন: বাঁশখালীতে শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
৯০৫ দিন আগে
কালের কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ডিআরইউর শুভেচ্ছা
দৈনিক কালের কণ্ঠের ১৫ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র (ডিআরইউ) সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ এবং সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন।
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কালের কণ্ঠ পরিবারকে এ শুভেচ্ছা জানান।
আরও পড়ুন: সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিপজ্জনক ধারা নিয়ে ডিআরইউ’র উদ্বেগ
নেতারা বলেন, দৈনিক কালের কণ্ঠ মুক্ত ও স্বাধীন সংবাদ চর্চার মাধ্যমে দেশ ও জাতির সেবা করে যাচ্ছে।
নেতারা আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত সাংবাদিকরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ধারা আগামীতেও অব্যাহত রাখবেন।
আরও পড়ুন: ডিআরইউ নির্বাচন: সভাপতি শুভ, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন
৯০৭ দিন আগে
মঙ্গলবার দুদকের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
দুর্নীতি দমন, নিয়ন্ত্রণ, উত্তম চর্চার বিকাশ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্নীতি প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে দুদক আইন ২০০৪- এর মাধ্যমে ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) প্রতিষ্ঠিত হয়।
কমিশনের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে কমিশন দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।
এছাড়াও, সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের প্রধানগণ জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যগণের সঙ্গে আলোচনা সভার আয়োজন করবেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচিতে দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্, কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক, কমিশনার (অনুসন্ধান) মোছা. আছিয়া খাতুন, সচিব মো. মাহবুব হোসেন, মহাপরিচালকগণসহ কমিশনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশগ্রহণ করবেন।
আরও পড়ুন: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা জোরদার করুন: দুদকের প্রতি রাষ্ট্রপতি
খণ্ডিত নয়, পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে: দুদকের চেয়ারম্যান
৯৫৮ দিন আগে
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বিমান বাহিনী (বিএএফ) তাদের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এই দিনে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। সে কারণে প্রতিবছর এই দিনটি ‘বিমান বাহিনী দিবস’ হিসেবে পালিত হয়।
ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে ভারত সরকারের দেওয়া একটি অটার বিমান, একটি ডাকোটা বিমান এবং একটি অ্যালুয়েট হেলিকপ্টার দিয়ে ‘কিলো ফ্লাইট’ নামে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী যাত্রা শুরু করে।
সেসময় ইউনিটটিতে বাঙালি পাইলট, প্রযুক্তিগত বাণিজ্যের এয়ারম্যান এবং বেসামরিক বিমানচালক সহ ৫৭ জন সদস্য ছিল।
আন্তঃসেবা জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ উপলক্ষে সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আতশবাজির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সরকারি সফরে ইউএই’র উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বিমান বাহিনী প্রধান
অনুষ্ঠানে ‘কিলো ফ্লাইট’ শীর্ষক ডকুমেন্টারি, বিমান বাহিনীর বিবর্তনে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর অবদান, বিমান বাহিনীর বর্তমান উন্নয়ন এবং বাফওয়া’র উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান, আমন্ত্রিত ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, এয়ারম্যান, এমওডিসি (এয়ার), বেসামরিক নাগরিক এবং ঢাকা এলাকার সকল বিএএফ সদস্যদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, বিমানবাহিনীর সকল ক্ষেত্রের সদস্যদের উচিত মুক্তিযুদ্ধ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা এবং দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা।
এর আগে বর্ষপূর্তি উদযাপনের অংশ হিসেবে বিএএফ ঢাকায় বিভিন্ন বিমানের ফ্লাইপাস্টের আয়োজন করে। এছাড়া দেশ ও বিমানবাহিনীর মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিমানবাহিনীর ঘাঁটি, ইউনিট ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত ব্যানএয়ার কন্টিনজেন্টসমূহে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: ঢাকা বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ফাঁকি দিয়ে বিমানে শিশু: ১০ কর্মকর্তা বরখাস্ত
বিমানের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট বাংলাদেশ-জাপান বাণিজ্য ও সম্পর্ক জোরদার করবে: বিসিসিআইজে সভাপতি
১০১১ দিন আগে