উচ্ছেদ অভিযান
মিরপুরে সংঘর্ষের পেছনে সমন্বয়ের অভাব থাকতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজধানীর মিরপুরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) হকার উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে হওয়া সংঘর্ষে দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব ছিল বলে মনে করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়ে সচিবালয়ে আয়োজিত একটি সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
পুলিশের সহায়তা নিয়ে সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ অভিযানে যাওয়ার বিষয়ে আগে থেকে কোনো গোয়েন্দা তথ্য ছিল কি না জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি এ ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তিনি যতটুকু জানতে পেরেছেন, তা থেকে তিনি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানতে পেরেছেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট এবং সিটি করপোরেশন বা রাজউকের কর্মকর্তারা পুলিশের সঙ্গে যথাযথভাবে যোগাযোগ করেননি। সেখানে সমন্বয়ের অভাব ছিল বলে তার কাছে মনে হয়েছে।
এর আগে ফুটপাত ও সড়ক অবৈধ দখলমুক্ত করার উদ্দেশ্যে সকাল ১০টার দিকে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৪ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। একপর্যায়ে হকারদের সঙ্গে সিটি করপোরেশনের কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সংঘর্ষ হয়।
এ সময় সিটি করপোরেশনের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয় এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া ঘটনার সংবাদ সংগ্রহের সময় হকারদের হাতে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী ও সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৫ দিন আগে
মিরপুরে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত, ডিএনসিসির গাড়িতে আগুন
রাজধানীর মিরপুর-১০-এ উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে হকার ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৪ পর্যন্ত ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে সকাল ১০টার দিকে হোপ মার্কেটের সামনের ফুটপাতে এ সংঘর্ষ হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএনসিসির এক কর্মকর্তা ইউএনবিকে জানান, সংঘর্ষের সময় ডিএনসিসির দুটি ময়লার ট্রাকে আগুন দেওয়া হয় এবং তিনটি বুলডোজার ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে।
হকাররা দাবি করেন, ডিএনসিসির কর্মীরা ফুটপাতের দোকান সরাতে শুরু করলে প্রথমে একটি বৈদ্যুতিক তার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনে কিছু পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হকাররা উচ্ছেদ অভিযানে জড়িতদের লক্ষ্য করে লাঠি ও ইট ছুড়তে থাকেন। পরে ডিএনসিসির দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন দেওয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে ঘটনার সংবাদ সংগ্রহের সময় বেশ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীও হামলার শিকার হয়েছেন। যমুনা টেলিভিশনের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এছাড়া সময় টিভির একজন প্রতিবেদক ও একজন ক্যামেরাপারসনকে মারধর করা হয়েছে।
সমকালের ফটোসাংবাদিক মাহবুব হোসেন নবীনও কয়েকজন হকারের হামলায় আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সংঘর্ষের কারণে মিরপুর-১০ এলাকার সড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার বলেন, সংঘর্ষে পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন। তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
৫ দিন আগে
ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আর ছাড় নয়: ডিএনসিসি প্রশাসক
অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ফুটপাতগুলো জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংস ও প্রতিরোধে ডিএনসিসির আয়োজনে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক অভিযোগ করেন, ব্যবসার উদ্দেশ্যে ফুটপাত দখল করে রাখা ব্যক্তিদের ডিএনসিসির পক্ষ থেকে আগে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা এর পরিপ্রেক্ষিতে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি।
সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘এখন আর নোটিশ নয়, যেখানেই ফুটপাত দখল করা হবে, সেখানেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলবে এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করে জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত পথচারীদের জন্য এবং নিরাপদে তা ব্যবহারের অধিকার জনগণের রয়েছে।
জনগণই সব ক্ষমতার উৎস উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ডিএনসিসি সহযোগিতা করবে।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা কেউ প্রতিহত করতে চাইলে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে তা মোকাবিলা করব।’
এ সময় ডিএনসিসি প্রশাসক তিন মাসের মধ্যে নগরকে ডেঙ্গুমুক্ত এবং ফুটপাতকে অবৈধ দখলমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার অনুযায়ী তিন মাসের মধ্যে ঢাকা উত্তরকে ডেঙ্গুমুক্ত করতে আমরা প্রতিদিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।’
ডিএনসিসি তিন মাস ধরে ঢাকা উত্তরকে ডেঙ্গুমুক্ত করতে কাজ করছে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত আবাসিক ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং যেখানে লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নগরবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু সম্পর্কে নগরবাসীকে সচেতন করতে স্থানীয় প্রতিনিধি ও আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে খোলা চিঠি বিতরণ করা হবে।
বিশেষ পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধনের পর দোকানিদের নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার উৎসাহ দিতে মেট্রোরেলের নিচে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে বিশেষ ময়লার বিন স্থাপন করা হয়।
ডিএনসিসি প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি র্যালিও বের করা হয়। পরে মিরপুর-১০ ফলপট্টি এলাকায় অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এসব স্থাপনা আবার বসানো হলে পুনরায় উচ্ছেদ করা হবে বলেও জানান প্রশাসক।
এছাড়া মেট্রোরেলের পিলারে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর লাগানো পোস্টার ও লিফলেট নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিনি কর্মকর্তাদের আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মেট্রোরেলের পিলার থেকে সব অবৈধ পোস্টার অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন।
নগরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ডিএনসিসি প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
৯ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে লঞ্চঘাটে ৩২ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ
মুন্সীগঞ্জ শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছোটবড় অন্তত ৩২টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয় এবং একপর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
রবিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উচ্ছেদ করা স্থাপনাগুলোর মধ্যে খাবারের হোটেল, চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল।
বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটের প্রবেশমুখ ও আশপাশের সরকারি জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে এসব স্থাপনা গড়ে উঠেছিল। স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজশে জায়গা দখল করে স্থাপনাগুলো নির্মাণের অভিযোগও রয়েছে।
তবে উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, তাদের কোনো ধরনের আগাম নোটিশ না দিয়েই হঠাৎ করে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে অনেক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অভিযান চলাকালে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয় এবং একপর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
অভিযান প্রসঙ্গে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন বলেন, ‘আগে কী হয়েছে সেটা দেখার বিষয় নয়। অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সরকারের স্পষ্ট বার্তা রয়েছে। সরকারি জায়গা দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারজানা আক্তার বলেন, লঞ্চঘাটের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি আমাদের নজরে ছিল। বিআইডব্লিউটিএর উদ্যোগে পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সহযোগিতা করা হয়েছে। সরকারি জায়গা দখল করে কেউ যাতে পুনরায় স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় এর আগেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে আবার সেখানে অবৈধভাবে স্থাপনা গড়ে ওঠে। সেগুলো উচ্ছেদ করতেই এবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লঞ্চঘাটের জায়গা দখল করে ভবিষ্যতে যাতে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সে বিষয়ে নজরদারি করা হবে। উচ্ছেদে এক একর জমি দখলমুক্ত করা হয়, যার মূল্য শত কোটি টাকা।
৪৩ দিন আগে
চট্টগ্রামে হকার উচ্ছেদ অভিযান, পুনর্বাসনের দাবি হকারদের
চট্টগ্রামের নিউমার্কেট, স্টেশন রোড, ফলমণ্ডি এলাকার সড়ক ও ফুটপাত থেকে অবৈধ দোকানপাট ভেঙে দিয়ে হকারমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে সিটি কর্পোরেশন।
বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে সড়ক ও ফুটপাতে হকারদের বাঁশ, চৌকি, খাট, টেবিলসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
এদিকে চট্টগ্রাম ফুটপাত হকার সমিতির সভাপতি নুরুল আলম লেদু বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে ফুটপাতে ব্যবসা করে আসছি। আজ ৫ থেকে ৬ হাজার হকারের রুটি রুজিতে আঘাত এসেছে। পুনর্বাসনের দাবি আমাদের পক্ষ থেকে সবসময় ছিল। বেকারত্ব নিবারণে হকাররা ফুটপাতে শৃঙ্খলার সঙ্গে ব্যবসা করছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘মেয়র বলেছিলেন, হকারদের পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ করবেন না। আজ কথা রাখা হয়নি। রমজান আসছে, এ সময় এটা করা হলো। এটা কলঙ্কজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে। আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। অনতিবিলম্বে হকারদের সঙ্গে বসে পুনর্বাসনের দাবি জানাই।’
চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম জানান, সকাল থেকে উচ্ছেদ অভিযান চলেছে। বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য অভিযানে সহায়তা করেছেন। উচ্ছেদের পর এলাকাটি নজরদারিতে রাখা হবে, যাতে ফের দখল না হয়।
চসিক মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম জানান, অবৈধভাবে দোকানপাট, অননুমোদিত স্থাপনা গড়ে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ও যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। তাই অভিযান চালানো হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
৯৭০ দিন আগে
সীতাকুণ্ডে উচ্ছেদ অভিযানে হামলায় ইউএনও-ওসিসহ আহত ১০, আটক ৩
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ বসবাসকারীদের উচ্ছেদ অভিযান শেষ করে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হামলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম রফিকুল ইসলাম ও সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফায়েল আহমেদসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এসময় হামলাকারীরা একটি বেসরকারি টেলিভিশনের গাড়িসহ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে।
আহত কয়েকজনকে উদ্ধার করে নগরীর একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
হামলা ও আহতদের বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলাউদ্দিন বলেন, হার্ট ফাউন্ডেশনের জন্য বরাদ্দ দেওয়া একটি জায়গা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলদাররা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে আছেন। তাদের বেশ কয়েকবার নোটিশ করলেও কিন্তু তারা দখল ছাড়েননি।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে রেলগেটে ৩ পুলিশ সদস্য নিহত: গেটম্যানকে আসামি করে মামলা
তিনি আরও বলেন, ওই স্থান থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে ১০ একর জায়গা উদ্ধার করা হয়। কিন্তু বিকালের দিকে উচ্ছেদ শেষে ফেরার পথে অবৈধ দখলদারদের হামলায় গুরুতর আহত হন ইউএনও, ওসিসহ বেশ কয়েকজন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত তোফায়েল আহমেদ জানান, হামলার সময় রক্ষা পেতে পুলিশ ৪৬ রাউন্ড গুলি চালায়। হামলাকারী এক নারীরসহ সাতজনকে পুলিশ আটক করেছে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে পরিচালিত এই অভিযানকালে উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর মৌজার বি.এস ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত বি.এস ৩৬০ ও ৩৬১ দাগের পাহাড় শ্রেণির এই জমিতে থাকা শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে রেললাইনে থেমে যাওয়া গাড়িতে ট্রেনের ধাক্কায় ৩ পুলিশ সদস্য নিহত
সীতাকুণ্ডে প্রাইভেটকারকে কন্টেইনার লরির চাপা, অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেল ৫ যাত্রী
১১১৭ দিন আগে
আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনরুদ্ধারে ডিএসসিসি'র উচ্ছেদ অভিযান শুরু
আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল দখল করে গড়ে ওঠা বড় বড় দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
রবিবার থেকে বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনরুদ্ধারে ম্যাটাডোর পার্ক, পান্না ব্যাটারি কারখানা, চ্যানেলের জায়গায় গড়ে ওঠা একটি ১০তলা ভবনসহ ২৮টি অবৈধ স্থাপনার অবৈধ বর্ধিতাংশ উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে ডিএসসিসি।
দিনব্যাপী চলমান এই উচ্ছেদ কার্যক্রম রবিবার মতো সমাপ্ত হলেও সোমবার সকাল থেকে আবারও উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
আরও পড়ুন: হোটেল ও রেস্টুরেন্ট রাত ১০টার পর বন্ধ থাকবে: ডিএসসিসি
করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে রবিবার সকাল ১১টা থেকে কালুনগর স্লুইস গেইট হতে ম্যাটাডোর পার্ক পর্যন্ত এলাকায় এই অভিযান শুরু হয়।
অভিযান প্রসঙ্গে করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘বুড়িগঙ্গা আদি চ্যানেল দখল করে গড়ে ওঠা ভবন/প্রতিষ্ঠানসমূহের যে অংশ চ্যানেলের জায়গায় অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে ইতোমধ্যে তা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, রাজউক, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, গণপূর্ত অধিদপ্তর, বিআইডব্লিউটিএ, জেলা প্রশাসন, জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক চিহ্নিত করা হয়েছে। চিহ্নিত করা সেসব ভবনের অবৈধ বর্ধিতাংশ ভেঙে ফেলতে করপোরেশনের মেয়র মহোদয়ের নির্দেশনার আলোকে রবিবার থেকে আমরা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছি। অভিযান অব্যাহতভাবে পরিচালনা করা হবে। একইসঙ্গে উদ্ধারকৃত অংশে আদি চ্যানেল পুনরুদ্ধার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।’
করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
অভিযানকালে ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. নুরে আলম ও ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: গুলিস্তানে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান
২৪ বছর ধরে হোল্ডিং ট্যাক্স না দেয়ায় গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ডিএসসিসির অভিযান
১৪৫০ দিন আগে
গুলিস্তানে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান
পথচারীদের জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) রবিবার গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ হয়ে আহাদ পুলিশ বক্স পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।
ডিএসসিসির সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে সকাল ১১টায় থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়ে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলে।
অভিযানে অবৈধভাবে রাস্তা ও ফুটপাথ দখলের দায়ে ৯জনকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ডিএসসিসি জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন ২০০৯ এর ধারা ৯২ এর উপধারা ৭ ও ৮ এর অধীনে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযান
মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘পদ্মা সেতু দিয়ে যান চলাচল শুরুর পর থেকে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার দিয়ে যান চলাচলের পরিমাণ বেড়েছে। তাই মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার দিয়ে যান চলাচল ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় জনসাধারণের চলাফেরা নির্বিঘ্ন করতে মেয়র মহোদয়ের নির্দেশনার আলোকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ হয়ে সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্স এবং বঙ্গভবন ও মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারগামী ফ্লাইওভার থেকে গুলিস্তান চত্ত্বর এলাকাকে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এই রেড জোন থেকে সকল প্রকার হকার এবং রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা উচ্ছেদে রবিবার অভিযান পরিচালনা করা হয়।’
সম্পত্তি কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘গত তিন দিন এখানে টানা মাইকিং করা হয়েছে। আমরা এখানে কোনও হকার বসতে এবং কাউকে অবৈধভাবে দোকানপাট ও স্থাপনা নির্মাণ করতে দেবো না। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
তিনি জানান, রাস্তা ও পায়ে হাঁটার পথসমূহকে লাল, হলুদ ও সবুজ শ্রেণিতে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে এর আগে রবিবার সকালে করপোরেশনের সচিব আকরামুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক দপ্তর আদেশে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ডিএসসিসি প্রণীত মহাপরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বয় রেখে রাস্তা ও হাঁটার পথ যানবাহন ও জন চলাচলের জন্য নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা করবে।
অভিযানকালে করপোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. এনামুল হক ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ রতন উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডের দূর্গম পাহাড়ে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান
খুলনায় অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ অভিযান
১৪৮৫ দিন আগে
সলিমপুরে উচ্ছেদ অভিযান: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ ছিন্নমূল বাসিন্দাদের
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পাহাড়ি এলাকা জঙ্গল সলিমপুরে অবৈধভাবে বসবাসকারী ছিন্নমূলের হাজার হাজার নারী পুরুষ ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে। এতে করে মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ এবং উভয় দিকে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা এবং গত ১৭ দিন যাবৎ বিদ্যুৎ ও পানির লাইন বিচ্ছিন্ন থাকার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে তারা।
আরও পড়ুন: সড়ক দুর্ঘটনার জেরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৩৫ কিমি দীর্ঘ যানজট
মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট বাংলাবাজার এলাকায় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে এ অবরোধ দিয়েছে তারা।
ঘটনাস্থলে সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, ছিন্নমূলের বাসিন্দারা তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে মহাসড়কে অবস্থান করার কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। আমরা তাদের শান্তভাবে বুঝিয়ে অবরোধ তোলার চেষ্টা করছি।
জানা গেছে, এর আগে ছিন্নমূলের বাসিন্দার বায়োজিদ ফৌজদারহাট সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ সেখান থেকে তাদের সরিয়ে দেয়। পরে তারা মহাসড়ক অবরোধ করেছে।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম শহর সীতাকুণ্ডের মধ্যবর্তী এলাকা সীতাকুণ্ডের পাহাড় ঘেরা জঙ্গল সলিমপুরে সরকারি পাহাড় দখল করে যুগ যুগ ধরে বসবাস করে আসছে ছিন্নমূলের হাজার মানুষ। কতিপয় রাজনৈতিক আশ্রয়ে জায়গা ক্রয়বিক্রয় করে আসছে বিশাল সিণ্ডিকেট। এলাকাটি দিনদিন অপরাধ বেড়েই চলছে। সম্প্রতি সরকার উক্ত এলাকায় বসতি স্থাপনকারী ১৫ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসন এবং সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানায়।
সরকারি এসব পরিকল্পনায় আছে সলিমপুরে থাকা খাস জমিতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার হস্তান্তর, স্পোর্টস ভিলেজ, ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আইকনিক মসজিদ, ইকো পার্কসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এসব করার পরিকল্পনার কথা জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান। এ লক্ষ্যে সেখানে গত একমাস যাবত উচ্ছেদ অভিযান চলছে এবং অবৈধ পানি বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রাইভেটকার উল্টে দম্পতিসহ নিহত ৩
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ
১৫০৪ দিন আগে
সীতাকুণ্ডের দূর্গম পাহাড়ে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান
জেলার সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরস্থ দূর্গম পাহাড়ি এলাকা আলীনগরে অবৈধ বসবাসকারীদের উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর সহযোগিতায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে আলীনগরে পাহাড় কেটে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করা হয়। এসময় বিপুল সংখ্যক ঘর বাড়ি, দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয় বুলডোজার দিয়ে। শত শত বসবাসকারী ছিন্নমূল বাসিন্দাদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের।
অভিযানে পুলিশ, র্যাব, আনসারসহ কয়েকশ’ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ছিল।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে একজন নিহত
অভিযানকালে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সরকার সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর নিয়ে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে আজকের এ উচ্ছেদ অভিযান। আলীনগরকে দীর্ঘদিন যাবত অপরাধের স্বর্গরাজ্য বানিয়ে রেখেছিল। সরকার যেহেতু মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তাই আলীনগরকে সাজাতে এখানে যত অবৈধ বসবাসরত আছে তাদেরকে আগামী এক মাসের মধ্যে আলীনগর ছাড়তে হবে। একমাসের মধ্যে পাহাড় কেটে বসবাস করা অবৈধদের সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করা হবে। তবে যারা মূলত ছিন্নমূল মানুষ এখানে বসবাস করছেন তাদের লিস্ট তৈরির কাজ চলছে। তাদেরকে এখানে পুনর্বাসন করা হবে। এর বাইরে কোন অবৈধ থাকতে পারেনা।
উচ্ছেদ অভিযানকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাজমুল আহসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল এ) মাসুদ কামাল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশরাফুল আলম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নু এমং মারমা, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এস এম আল মামুন, হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এহসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (সীতাকুণ্ড সার্কেল) আশরাফুল করিম, সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ১১
১৫২৫ দিন আগে