নিম্ন আদালত
অধস্তন আদালতে ৪০ লাখ ৪২ হাজার মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী
২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অধস্তন আদালতে ৪০ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪টি মামলা বিচারাধীন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ময়মনসিংহ-৬ আসনের বিরোধী দলের সদস্য মো. কামরুল হাসানের টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশের নিম্ন আদালতে মোট ৪ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪টি মামলা বিচারাধীন ছিল। মামলার এই বিশাল জট দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিরসনের জন্য সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি জানান, বিচারপ্রার্থী মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং দ্রুত, স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী বিচার নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। গৃহীত পদক্ষেপগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হলে সারা দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং জনগণ দ্রুত ন্যায়বিচার পাবে বলে সরকার আশাবাদী। এছাড়া মামলার জট কমানো ও ন্যায়বিচারের মান উন্নয়নে জনগণের যেকোনো সুপারিশও আইন মন্ত্রণালয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি আরও জানান, ‘দ্য কোড অব সিভিল প্রসিডিউর, ১৯০৮’-এ যুগোপযোগী সংশোধন আনা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘দ্য কোড অব সিভিল প্রসিডিউর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ সংসদে পাস হয়েছে। এতে এসএমএস ও ভয়েস কলের মাধ্যমে সমন জারির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে আরজি ও লিখিত জবাব দাখিল এবং সরাসরি জেরা করার বিধানও সংযোজন করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিক্রি জারির জন্য আলাদা মামলা না করে মূল মামলায় সরাসরি দরখাস্ত দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০-এর আওতায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, চিকিৎসক এবং আসামির দোষ স্বীকারোক্তি রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য অনলাইনে গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, মামলার জট নিরসনে এরই মধ্যে ৮৭১টি আদালত সৃষ্টি এবং ২৩২টি বিচারকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে, আরও ৩০৪টি বিচারকের পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলছে এবং ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগের কাজ চলমান রয়েছে। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে ৭০৮ জন বিচার বিভাগীয় কর্মচারী নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। আরও ৫৫৩ জন কর্মচারীর নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মন্ত্রী জানান, নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলাসহ আলোচিত মামলার তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম দ্রুত করতে সলিসিটরের সভাপতিত্বে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া আইনগত সহায়তা সেবা জোরদারে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ এবং বিনামূল্যে আইনি সহায়তার জন্য ‘১৬৬৯৯’ হটলাইন চালু করা হয়েছে।
তিনি জানান, অধস্তন ও উচ্চ আদালতের কজলিস্ট শতভাগ অনলাইনে আনা হয়েছে। ফলে মানুষ ঘরে বসেই মামলার তারিখ জানতে পারছে। এতে বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বেড়েছে এবং হয়রানি কমেছে।
মো. আসাদুজ্জামান জানান, বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনে আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১০টি জেলার ১০২টি ইউনিয়নে মুসলিম বিবাহ আইন অনুযায়ী অনলাইনে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন কার্যক্রম শিগগিরই চালু হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে বিয়ে ও তালাক-সংক্রান্ত জালিয়াতি রোধ এবং এ সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা হ্রাস পাবে।
৩ দিন আগে
নিম্ন আদালতে কালো কোট-গাউন পরার আবশ্যকতা নেই: সুপ্রিম কোর্ট
চলমান তাপপ্রবাহের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে সারা দেশের নিম্ন আদালতে মামলার শুনানির সময় বিচারক ও আইনজীবীদের কালো কোট ও গাউন পরার বাধ্যবাধকতা স্থগিত করা হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির আবেদনের প্রেক্ষাপটে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী শনিবার সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনা করে নিম্ন আদালতে মামলার শুনানিকালে পরিধেয় পোশাকের বিষয়ে এই সিদ্ধান্ত দেন।
আরও পড়ুন: পুনর্নির্বাচন দাবি সুপ্রিম কোর্ট বারের বিএনপিপন্থীদের
প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে শনিবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশব্যাপী চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের আলোচনাক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, অধস্তন দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালত, ট্রাইব্যুনালসমূহের বিচারক ও আইনজীবীরা ক্ষেত্রমত সাদা ফুলশার্ট বা সাদা শাড়ি/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড/কালো টাই পড়বেন। এক্ষেত্রে কালো কোট ও গাউন পড়ার আবশ্যকতা নেই। এ নির্দেশনা আগামী রবিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
এর আগে বিভিন্ন সময় আদালতে আইনজীবী ও বিচারকদের জন্য গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ভিন্ন ভিন্ন ড্রেসকোড নির্ধারণের জন্য প্রধান বিচারপতি বরাবর আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন আইনজীবী।
সে আবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত গরমে নিয়ম অনুযায়ী কালো কোট, গাউন, কলার, ব্যান্ড/টাই পড়ার কারণে প্রতিবছর বহু সংখ্যক আইনজীবী হিট স্ট্রোক করেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন।
এছাড়া, তীব্র গরম ও তাপপ্রবাহের কারণে কোট-গাউন পরে অনেক বয়জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আদালতে যেতে পারেন না।
অন্যদিকে, গত বৃহস্পতিবার আইনজীবীদের নির্ধারিত পোশাক পরে মুখ্য বিচারিক হাকিম (সিএমএম) আদালতে একটি মামলার শুনানি করে শফিউল আলম নামের এক আইনজীবী নিজ চেম্বারে যাওয়ার সময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
পরে তাকে ঢাকা ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তার সহকর্মীদের দাবি ‘হিট স্ট্রোকে’ আইনজীবী শফিউল আলমের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: ঘটনা তদন্তে বিএনপি সমর্থিত ১৪ প্রার্থীর রিট
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ৩ বিচারপতির নিয়োগ
১০৭২ দিন আগে
জেকেজির প্রতারণা: সাবরিনাকে নথি দিতে নিম্ন আদালতের প্রতি হাইকোর্টের নির্দেশ
করোনাভাইরাস পরীক্ষায় প্রতারণার অভিযোগে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা মামলার কার্যক্রম ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর করা আবেদন অনুযায়ী স্থগিত করেনি হাইকোর্ট। তবে তাকে এ মামলার প্রয়োজনীয় নথি দিতে নিম্ন আদালতের প্রতি নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।
২০৪৩ দিন আগে
নিম্ন আদালতের ১৩ বিচারক করোনা আক্রান্ত
সারা দেশে মঙ্গলবার পর্যন্ত অধস্তন আদালতের ১৩ বিচারক এবং ২৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
২১৩৩ দিন আগে
নিম্ন আদালতের ২ বিচারকের করোনা শনাক্ত: আইনমন্ত্রী
নিম্ন আদালতের দুই বিচারক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে শনিবার জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
২১৫৭ দিন আগে
নিম্ন আদালতের কার্যক্রম ছোট করার নির্দেশ
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে নিম্ন আদালতের কার্যক্রম কমিয়ে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
২২১৯ দিন আগে