উপনির্বাচন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচনের ভোট গণনা চলছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল সংগ্রহ ও সমন্বয়ের পর আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনা শুরু হয়।
এর আগে সকাল ৮টা থেকে আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
সরেজমিনে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে দেখা গেছে। কোথাও কোনো ধরনের সহিংসতা হয়নি। বিভিন্ন বয়সী ভোটারদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।
নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভোটারদের পরিচয় যাচাই করে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
সকালে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৫২ শতাংশ ভোট পড়েছে। তবে বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর মোট ভোটের হার এখনও জানা যায়নি।
উপনির্বাচন ঘিরে ভোটকেন্দ্রগুলোতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। পুলিশের পাশাপাশি মাঠে দায়িত্ব পালন করেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।
ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের তিন উপজেলায় মোট ১৮৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি ও ভুল্লী উপজেলায় ৩৯টি কেন্দ্র।
এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৩ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ২১৯ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। এছাড়া পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ২৮৭ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২৪৯ জন ও নারী ৩৮ জন।
৭ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নির্বাচনি এলাকায় মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রয়েছে। রাত থেকে বন্ধ রয়েছে মোটরসাইকেল চলাচলও। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাইরেন বাজিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ, এসআরবি ও বিজিবির গাড়ি।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাইকিং, মিছিল, সভা-সমাবেশে মুখর নির্বাচনি এলাকায় এখন নীরবতা বিরাজ করছে। তবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের ক্রমিক নম্বর-সংবলিত চিরকুট বিতরণ করতে দেখা গেছে অনেককে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।
ঠাকুরগাঁও সদর, ভূল্লী ও রুহিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে রয়েছে ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা। মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৫, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।
উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন প্রার্থী। তারা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আব্দুল আলীম নিজামী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাড়তি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, কোনো পক্ষকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচনের ফলাফল যে পক্ষের অনুকূলে যাক না কেন, তা মেনে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব বলেও মনে করেন পুলিশ সুপার।
এদিকে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনি এলাকায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
ভোটাররা যাতে নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. সুরুজ মিয়া।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রচার কার্যক্রম শেষ হওয়ায় এখন ভোটের অপেক্ষায় প্রার্থী ও ভোটাররা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে চান ভোটাররা। সব প্রস্তুতি শেষে বৃহস্পতিবারের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল।
৮ দিন আগে
উপনির্বাচনের আগে ঠাকুরগাঁওয়ে ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ২১ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় ঠাকুরগাঁও বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. সুরুজ মিয়া সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
কর্নেল সুরুজ বলেন, গত ২৫ অক্টোবর থেকে নির্বাচনি এলাকায় বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তিনটি উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ২১ প্লাটুন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
বিজিবি সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ব্যবহার করা হচ্ছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা ও কে-৯ ডগ ইউনিট।
যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
বিজিবি সেক্টর কমান্ডার বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই বিজিবির প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে সব প্রার্থী যাতে সমান সুযোগ পান এবং স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনি প্রচার কার্যক্রম চালাতে পারেন, সে বিষয়েও কাজ করা হচ্ছে। এ জন্য প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রাখা হচ্ছে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায়ও নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। চোরাচালান, অবৈধ সীমান্ত পারাপার ও সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় জনগণ, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, প্রার্থী, প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছে বিজিবি।
১০ দিন আগে
উপনির্বাচন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বহিরাগতদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচনি পরিবেশ প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে বহিরাগতদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এ সময়ে নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার নন, এমন ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, নির্বাচন কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার ছাড়া অন্য কেউ নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না।
এ নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, উপনির্বাচন যেন প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সে জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনি এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৩ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭২ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফল আন্দোলনের মো. আব্দুল আলীম নিজামী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হয়। সেই শূন্য আসনেই আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৮টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম।
১০ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে কারচুপি হলে কঠোর প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি জামায়াতের
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করা হলে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। প্রয়োজনে এ আসনকে কেন্দ্র করে সরকার পতনের আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যজোট আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ভোটে কোনো ধরনের টালবাহানা বা কারচুপি করা হলে ভোটকেন্দ্র থেকে নির্বাচন অফিস পর্যন্ত ঘেরাও করা হবে। কোনো প্রিসাইডিং কর্মকর্তা অনিয়ম করলে তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
জনসভায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ক্ষুদ্রঋণ এবং ইমাম-খতিবদের ভাতা ও বেতন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ তোলেন জামায়াত নেতা।
তিনি বলেন, বিএনপির প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ঠাকুরগাঁওকে শূন্য করে ফেলা হবে। এ অঞ্চলকে বাঁচাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে।
বিএনপির সমালোচনা করে গোলাম পরওয়ার বলেন, দলটির দিন ফুরিয়ে আসছে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিএনপিকে লাল কার্ড দেখাতে হবে। চাঁদাবাজি ও দখলদারির রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আগামী ২৯ তারিখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে তাদের দলের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৭১ সাল নিয়ে বিএনপি জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। তার দাবি, বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর পরিবারের সদস্যরাও সে সময় অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
এছাড়া বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে দলটির বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ তোলেন তিনি এবং নেতাকর্মীদের আচরণ নিয়েও কটাক্ষ করেন।
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও মাওলানা আবদুল হালিম।
১২ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিনগুণ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য থাকবে। তাই এই উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে মনে করে কমিশন।
সভায় সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন কমিশনার।
পাশাপাশি নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং দায়িত্ব পালনকারী বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
২২ দিন আগে
শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনে উপনির্বাচন ১২ নভেম্বর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে শূন্য হওয়া একটি সংরক্ষিত নারী আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আগামী ১২ নভেম্বর আসনটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে সোমবার (১২ অক্টোবর) এ উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৬ অক্টোবর নির্বাচন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ২৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১ নভেম্বর। এরপর ১২ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
বিএনপির মনোনয়নে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। আইন অনুযায়ী, শূন্য হওয়া এ আসনে শুধু বিএনপিই প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারবে।
এ নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে শুধু বিএনপি জোটের সংসদ সদস্যরা ভোট দিতে পারবেন। তবে সংরক্ষিত নারী আসনে সাধারণত একজনই প্রার্থী থাকেন, ফলে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয় না।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার মিরপুরে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে মিষ্টির বিরুদ্ধে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ১ অক্টোবর সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।
২৪ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে পাঁচ দলের ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পাঁচটি রাজনৈতিক দলের ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়নপত্রগুলো বৈধ ঘোষণা করেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ্ মাসুদ, ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. আব্দুল আলীম নিজামী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বলেন, পাঁচটি রাজনৈতিক দলের ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন এবং তারা সবাই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। আজ (মঙ্গলবার) তফসিল অনুযায়ী যাচাই-বাছাইয়ের তারিখ ছিল।
এ সময় তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকটি দলের প্রার্থী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সবার প্রতি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ আগামী ৭ অক্টোবর। এরপর ৮ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন তৎকালীন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে তিনি ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
৩৭ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে এখন পর্যন্ত ছয়জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া আসনটির উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন তার ছোট ভাই ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন। এছাড়া বিএনপির পক্ষ থেকে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদও মনোনয়ন দাখিল করেছেন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন মির্জা ফয়সল আমিন। এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে দুপুর দেড়টার দিকে মনোনয়ন দাখিল করেন ওবায়দুল্লাহ মাসুদ। এ সময় তার সঙ্গে বিএনপির কয়েকজন কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
পয়গাম আলী জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে দুজন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। সব কিছু ঠিক থাকলে প্রার্থী হিসাবে মির্জা ফয়সল আমিনই চূড়ান্ত হবেন।
মনোনয়ন দাখিল করা বাকি চার প্রার্থী হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আব্দুল আলীম নিজামি ও বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির হোসেন মোহাম্মদ ওমর ফারুক।
কামরুল ইসলাম বলন, ‘ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সবার সহযোগিতা কামনা করছি। সবাই মিলে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন সম্পন্ন করতে চাই।’
মনোনয়নপত্র দাখিলের পর মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ভোটারা আমাকেই নির্বাচিত করবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কাজ করতে চান। নির্বাচনে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
অন্যদিকে ওবায়দুল্লাহ মাসুদ বলেন, ‘বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল। সেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেতে তিনজন আবেদন করেছিলেন। পরে দল থেকে দুজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তাদের একজন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন ও অন্যজন আমি।’
জামায়াতের দেলোয়ার হোসেন জানান, গ্রামে তিনি ভোটারদের ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন। বর্তমানে বিএনপির কার্যকলাপ মানুষ ভালো চোখে দেখছে না। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের উচ্চমূল্য, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, দুর্নীতি, চুরি, ডাকাতি দেখে ভোটাররা আর বিএনপিকে ভোট দেবে না। তাই জয়লাভের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। জামায়াতে ইসলামের কর্মীরা আগে থেকেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত আপিল করা যাবে। আপিল নিষ্পত্তি হবে ৬ অক্টোবর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৮ অক্টোবর। এরপর ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
আসনটি ঠাকুরগাঁও সদর, নব গঠিত রুহিয়া ও ভূল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত। আর এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন।
এর আগে চলতি বছরের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দেলোয়ার হোসেন। ওই নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী দেলোয়ার হোসেন পেয়েছিলেন ১ লাখ ৪১ হাজার ১৭ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল ৯৭ হাজার ৮১৯।
৩৮ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সলের মনোনয়ন দাখিল
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এ সময় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র জমা শেষে মির্জা ফয়সল আমিন জানান, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কাজ করতে চান। সেই সঙ্গে নির্বাচনে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা ঘিরে প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।
এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফয়সল আমিনের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. নূর-এ-শাহাদাত স্বজন।
এদিকে গতকাল (শনিবার) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে দেলাওয়ার হোসেন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
৩৯ দিন আগে