হামলা
ওসমানী হাসপাতালে ইন্টার্নদের কর্মবিরতি অব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে আসা রোগী ও তাদের স্বজনেরা।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে ইন্টার্নদের উপস্থিতি কম দেখা যায়। বহির্বিভাগে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক রোগী চিকিৎসক দেখা পাননি। জরুরি বিভাগে চিকিৎসা পেলেও স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় সেবা নিতে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ রোগীদের।
হাসপাতালে আসা কয়েকজন রোগীর স্বজন জানান, দূরদূরান্ত থেকে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেকেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে কষ্ট বেড়েছে।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু দাবি আদায়ে তারা এই কর্মবিরতিতে গেছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। তবে জরুরি রোগীদের সেবা ব্যাহত না করতে সীমিত পরিসরে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
হাসপাতাল প্রশাসন বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনও পূর্ণমাত্রায় সেবা স্বাভাবিক হয়নি।
এর আগে, শুক্রবার রাতে এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতা না হওয়ায় টানা কর্মবিরতিতে রয়েছেন হাসপাতালটির ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। ঘটনার পর তিনজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমাদের কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে। এটি আমরা প্রত্যাহার করিনি, কারণ হাসপাতাল প্রশাসন এখনও আমাদের এই আশ্বাস দিতে পারেনি যে তারা চিকিৎসকদের জন্য নিরাপত্তা বাড়াবে বা কী পরিমাণ ফোর্স (নিরাপত্তা বাহিনী) তারা আমাদের দেবে।’
তিনি বলেন, ‘আজকে আবারও প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। আশা করি, বৈঠকের পর একটি সিদ্ধান্ত আসলে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করবেন।’
এদিকে, শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে হাসপাতালে নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে সিলেট হাসপাতাল প্রশাসন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুল জাকির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘হাসপাতাল প্রশাসন থেকে তিনজনের নাম উল্লেখ করে জিডি করে গিয়েছেন। আটক হওয়া তিন আসামিকে আমরা ইতোমধ্যে ৫৪ ধারায় আদালতে সোর্পদ করেছি।’
অন্যদিকে, নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির বলেন, ‘হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ঘটনার পর থেকেই হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছে। আশা করছি, দ্রুত একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো যাবে।’
৮ দিন আগে
ওসমানী হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, প্রতিবাদে কর্মবিরতি
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্বরত এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। হামলার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) মধ্যরাতে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই কর্মবিরতি পালন করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গতকাল (শুক্রবার) রাত ১১টার দিকে সার্জারি বিভাগের ওই ওয়ার্ডে ভর্তি এক রোগীর স্বজনদের সঙ্গে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসকের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে ওই চিকিৎসকের ওপর হামলা চালান। এতে ওই চিকিৎসক হেনস্তার শিকার হন।
ঘটনার পরপরই হাসপাতালে থাকা অন্যান্য ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সেখানে পৌঁছে এক নারী ও ২ পুরুষকে আটক করেন এবং পরে তাদের পুলিশে দেন। পরবর্তী সময়ে রাত ১টার দিকে হামলার প্রতিবাদে কর্মবিরতির ঘোষণা দেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
আজ সকাল ১০টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হাসপাতালের পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ ছিল।এদিকে সেবা না পেয়ে অনেক রোগীকে অন্যত্র নিয়ে যেতে দেখা যায় তাদের স্বজনদের। তবে আরও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আজ সকাল থেকেই হাসপাতালে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। তারা দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি এবং চিকিৎসার পরিবেশ নিরাপদ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে শনিবার সকালে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনিরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি।
সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির জানান, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সেজন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশি নিরাপত্তা রয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ হাসপাতাল থেকে ৩ জনকে আটক করেছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে থানায় কেউ এখনও অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পাওয়ার পর আটকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৯ দিন আগে
ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত নারী-পুরুষ মিলিয়ে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সড়ইবাড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের শুরুর দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হয় পুলিশ। ফলে প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ আসার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে সেখানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আরও সংঘর্ষ এড়াতে এলাকাজুড়ে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, গত দুই দিনে দুই দফায় তালুকদার গ্রুপের লোকজন অন্যায়ভাবে খান গ্রুপের লোকজনকে মারধর, বসতঘর ভাঙচুর ও হামলা চালায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ সকালে শুরু হয় পাল্টা হামলা।
তবে পুলিশের সঠিক তৎপরতা থাকলে ঘটনা এতদূর গড়াত না বলে দাবি তাদের। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েও পুলিশের নীরব ভূমিকার কারণে পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সংঘর্ষে এক পক্ষের নেতৃত্ব দেওয়া কবির মাতুব্বর জানান, গত পরশুদিন (রবিবার) তার পক্ষের লোকজনকে মারধর, বসতঘরে হামলা ও লুটপাট চালায় প্রতিপক্ষ তালুকদারের লোকজন। তার জের ধরে আজকে (মঙ্গলবার) এ সংঘর্ষ হয়।
প্রতিপক্ষের হাবিবুর রহমান তালুকদারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে, তার পক্ষের শওকত হাওলাদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দীর্ঘদিনের বিরোধ নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আজও তার জেরেই সংঘর্ষ হয়েছে। এতে তাদের পক্ষের প্রায় ১২ জন আহত হয়েছেন।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, হাবিবুর রহমান তালুকদার ও কবির খান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে। গত ২ দিন আগে কবির খানের পক্ষের লোক শহীদ খানকে গ্রামের রাস্তার ওপরে বেদম মারধর করে। তারপর গত দুই দিনে এই নিয়ে দুই দফায় কবির খানের পক্ষের লোকজনের বসতঘর ভাঙচুর, লুটপাট চালানো হয়। সেসব ঘটনার জের ধরেই আজ (মঙ্গলবার) সকালে দেশীয় অস্ত্র, ঢাল-সড়কি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান দুই পক্ষের লোকজন।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় আহতদের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। তবে সকাল ১০টার পর থেকে সেখানকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
১৩ দিন আগে
সুনামগঞ্জের হাঁসের খামারে লুট, হামলায় মালিকসহ আহত ৩
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে হাওরে একটি হাঁসের খামারে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাধা দিতে গেলে খামারের মালিকসহ তিনজনের ওপর হামলা করা হয়েছে।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের হাতিরঘাটা হাওরে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—খামারের মালিক শিপন মিয়া (৩৫), তার ভাই হৃদয় মিয়া (২০) এবং খামারের কর্মচারী সাকিব মিয়া (২৪)। তারা উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের লামাগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় আজ (সোমবার) সকালে আহত শিপন মিয়া তাহিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগপত্রে উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের পানিয়াখালি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (৫০), জমসেদ মিয়া (৩৬), তামজিদ মিয়া (৩০), মুনছুর মিয়া (৩২), আকিক মিয়া (৩৪), ছয়ফুল মিয়া (৩২) ও সামরান মিয়ার (৩৪) নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, রবিবার বিকেল ৩টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিপনের হাঁসের খামারে হামলা চালান। এ সময় খামারের কর্মচারী সাকিবকে মারধর করে বেঁধে রেখে প্রায় ৬৫০টি দেশি হাঁস লুট করে নিয়ে যান হামলাকারীরা, যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা। এর পাশাপাশি ৫টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লুটপাটের সময় বাধা দিতে গেলে শিপন ও হৃদয়কে দা, রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেন অভিযুক্তরা।
ঘটনার পর আহতদের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে হৃদয়ের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে জেলার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৪ দিন আগে
জকসুর শিবির-সমর্থিত প্যানেলের ওপর ছাত্রদলের হামলা চেষ্টার অভিযোগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের ওপর হামলার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রদলের দিকে উঠেছে এই অভিযোগের আঙুল।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন শিবির-সমর্থিত প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে রিয়াজ উল ইসলাম বলেন, ইংরেজি বিভাগে ছাত্রদল তাদের প্যানেল পরিচিতি দিচ্ছিল। এটা আচরণবিধির লঙ্ঘন বলে আমাদের প্রার্থীরা অবহিত করেন, তখন ছাত্রদল আমাদের প্রার্থীদের ওপর মারার জন্য চড়াও হয়ে এগিয়ে আসে।
তিনি বলেন, দর্শন বিভাগে আমাদের এজেন্টের সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটেছে। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কিত। নির্বাচন কমিশন ছাত্রদলের প্রতি পক্ষপাত করছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে রাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, ছাত্রদলের ভাইয়েরা প্রথম থেকে প্রধান ফটকে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। আমাদের যে ভাইয়েরা স্লিপ দিচ্ছিলেন, তাদের হেনস্তা করা হয়েছে। নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করা হয়। পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে নারী শিক্ষার্থীদের থেকে শিবিরের স্লিপ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ছাত্রদল তাদের প্যানেল পরিচিতি অন্যান্য বিভাগের মতো দর্শন বিভাগে দিতে থাকে। আমাদের এজেন্ট বাধা দিলে কেন্দ্রের ভেতরেই তাকে মারতে আসে।
২০ দিন আগে
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় আরও ৯ জন গ্রেপ্তার
জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরও ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার (গণমাধ্যম ও জনসংযোগ) তালেবুর রহমান মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল (সোমবার) পর্যন্ত হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত হিসেবে ৩১ জনকে শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে ১৯ জনকে গতকাল গ্রেপ্তার করার কথা পুলিশ জানায়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১৩ জন লুটপাট এবং ৪ জন হামলার সঙ্গে জড়িত বলে জানায় পুলিশ। বাকিদের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। আজ আরও ৯ জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়।
গত বৃহস্পতিবার রাতে এক দল দুর্বৃত্ত হামলা চালায় প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে। দীর্ঘ সময় ধরে এই হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় তারা। আগুন নেভাতে আসা ফায়ার সার্ভিসের গাড়িকেও বাধা দেয় তারা। ওই রাতে ছায়ানট ভবনেও হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
গত রবিবার রাতে প্রথম আলো এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় মামলা করেছে। সন্ত্রাসবিরোধী আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, হত্যাচেষ্টাসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলাটি করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতনামা ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়।
৩৪ দিন আগে
প্রথম আলো-ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৯
সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার এবং দুটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অন্তত ৯ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত তাদের গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সাতজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন— মো. কাশেম ফারুক, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, ফয়সাল আহমেদ প্রান্ত, মো. সোহেল রানা এবং মো. শফিকুল ইসলাম।
এছাড়া পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এদিকে, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রবিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতোমধ্যে ৩১ জনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনের নিকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টাকারীদের মধ্যে তিনজনকে ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার কাশেম ফারুক বগুড়ার আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার সাবেক ছাত্র এবং ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা। মো. সাইদুর রহমান ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার নোয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা।
প্রেস উইং জানিয়েছে, শেরপুর জেলার বাসিন্দা গ্রেপ্তার রাকিব হোসেন প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে ভিডিও ফুটেজে শনাক্ত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের ছবি তুলে তার আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা হয়। তিনি তার ফেসবুক আইডি থেকে উসকানিমূলক পোস্টও করেন।
ঢাকার তেজগাঁওয়ের কুনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. নাইমকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় এ ঘটনায় লুট হওয়া ৫০ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাইম স্বীকার করেছেন যে তিনি মোট ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা লুট করেছেন। লুট করা টাকা দিয়ে তিনি মোহাম্মদপুর থেকে একটি টিভি ও একটি ফ্রিজ কিনেছিলেন, যা ইতোমধ্যে জব্দ করা হয়েছে।
ঢাকার কারওয়ান বাজার রেললাইন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. সোহেল রানার বিরুদ্ধে মাদকসহ অন্যান্য আইনে ঢাকার বিভিন্ন থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। একই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতীতে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্যান্যদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
৩৫ দিন আগে
প্রথম আলো, ডেইলি স্টার কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াবের তীব্র নিন্দা
দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার-এর কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ ও সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) যৌথ বিবৃতিতে সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর ও নোয়াবের সভাপতি এ.কে. আজাদ এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি শুধু গণমাধ্যম নয়, আমাদের সমাজ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপরও আক্রমণ। হামলায় প্রতিষ্ঠান দুটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সংবাদকর্মীদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। মব ভায়োলেন্স প্রতিরোধে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এটি আরও একটি ভয়াবহ উদাহরণ। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান ও দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামকে ফোন করে নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। তবে হামলার দায় ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় সরকারকেই নিতে হবে।
সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব দ্রুত হামলাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছে। তারা পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে একাত্মতা প্রকাশের জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
৩৮ দিন আগে
সিলেটে বিজিবি সদস্যদের ওপর মাদক কারবারিদের হামলা
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে মাদক কারবারিদের হামলার মুখে পড়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়ে সে সময় বিজিবি সদস্যরা ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়েছে।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান।
তিনি জানান, বিজিবি মামলা দায়ের করেছে। মামলায় ছয় থেকে সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৬ থেকে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোরে উপজেলার উত্তর রনিখাই ইউনিয়নের চার রাস্তার মোড় ট্রলির লাইন এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
বিজিবি সূত্র জানায়, মাদক পাচারের সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় টহলে যান বিজিবি সদস্যরা। এ সময় বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলে ধাওয়া দিলে চালক মোটরসাইকেলটি ফেলে পালিয়ে যান। পরে সেখানে পড়ে থাকা ১৬৭ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির দাবি, তার অল্প সময়ের মধ্যেই ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে অতর্কিত হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একপর্যায়ে চার রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। এরপর হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।
বিজিবি-৪৮ সিলেট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হক বলেন, মাদক কারবারিদের ধরতে গিয়ে বিজিবি সদস্যরা হামলার শিকার হন। আত্মরক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৩ থেকে ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
৪৩ দিন আগে
উত্তাল ভাঙ্গা: থানাসহ চারটি সরকারি দপ্তরে হামলা-ভাঙচুর, আহত অনেকে
সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ফরিদপুরের ভাঙ্গা। বিক্ষোভ রুপ নিয়েছে সহিংসতায়। থানা, উপজেলা পরিষদ, হাইওয়ে থানা, পৌরসভায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়েছেন বিক্ষুব্ধরা। আগুন দেওয়া হয়েছে মোটরসাইকেলে। এসব ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক আহত হয়েছেন।
সোমবার ( ১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টা থেকে ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা। পরে কয়েক হাজার বিক্ষুব্ধ জনতা ভাঙ্গা গোলচত্বরে অবস্থান নেন।
এর আগে, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে গোলচত্বরের ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেন তারা। এ সময় সেখানে অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে পুলিশকে বিক্ষুব্ধদের কাউকে বাধা দিতে দেখা যায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিক্ষোকারীদের সঙ্গে দুপুর ১ টার দিকে বিভিন্ন এলাকার কয়েক হাজার জনতা লাঠিশোটা, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিল নিয়ে যোগ দেন। পরক্ষণেই দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়।
এ সময় ১০ থেকে ১২ জন আর্মড পুলিশের সদস্য দৌড়ে পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মসজিদে আশ্রয় নেন। উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেলে রক্তাক্ত অবস্থায় দৌড়াতে দেখা যায় পুলিশ সদস্যদের। পরে কিছু সময় ঘিরে রাখেন উত্তেজিত জনতা। একপর্যায়ে মাদ্রাসা ও মসজিদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়ে পুলিশ সদস্যদের রক্ষা করেন।
আরও পড়ুন: আসন পুনর্বিন্যাস: ফরিদপুরে টানা পঞ্চম দিনের মতো অবরোধ, সমন্বয়ক আটক
এরপর সেখান থেকে বিক্ষুব্ধরা থানার দিকে চলে যান। থানায় থাকা গাড়ি ও থানা ভাংচুর করেন। ভেতরে আটকা পড়েন পুলিশ সদস্যরা। পরে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন সেখানে থাকা মোটরসাইকেলে। পরে হাইওয়ে অফিস ও পৌরসভা কার্যালয়ে ভাংচুর চালানো হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মাইটিভির ভাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি সরোয়ার হোসেন।
এদিন সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা মাঠে অবস্থান নিলে সকাল সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। পরে বেলা সাড়ে ১১ টায় হঠাৎ করেই সেখানে জড়ো হোন বিভিন্ন এলাকার মানুষ।
জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্যা বলেন, ‘আমরা বিক্ষুব্ধদের শান্ত করার চেষ্টা করছি এবং নির্বাচন কমিশনে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের বলা হয়েছে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে। আমরা দ্রুত প্রতিবেদন দিলে আশা করি দুয়েকদিনের মধ্যে সমাধান হবে।’
ফরিদপুর-৪ আসনের অন্তর্ভুক্ত ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদি ইউনিয়নকে পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে নির্বাচন কমিশন ৪ সেপ্টেম্বর গেজেট প্রকাশ করার পর থেকেই এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
এর প্রতিবাদে গত শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুটি মহাসড়কসহ (ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল) এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ শুরু করেন স্থানীয়রা। ওইদিন সন্ধ্যায় স্থানীয় প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নিয়ে তিনদিনের আল্টিমেটাম দেন বিক্ষুব্ধরা।
কিন্তু দাবি পূরণ না হওয়ায় মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনদিন সকাল-সন্ধ্যা অবরোধ করা হয়। এতে তীব্র ভোগান্তিতে পড়েন দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মানুষ। এরপর শনিবার তিন দিনের সকাল সন্ধ্যা অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়।
পরে ঘোষণাকারী সর্বদলীয় ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক ও আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ম.ম. সিদ্দিক মিয়াকে আটক করে ডিবি পুলিশ। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের অপরাধে গতকাল রোববার রাতে ৯০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে পুলিশ।
১৩৩ দিন আগে