ধর্মঘট
চট্টগ্রাম বন্দরের ধর্মঘট স্থগিত
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য চলমান ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে।
এনসিটি ডিপি ওর্য়াল্ডকে ইজারা দেওয়ার চুক্তি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কালে না হওয়ার ঘোষণা আসার পর লাগাতার ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম সমন্বয়ক মো. ইব্রাহীম খোকন এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরে আটক ৩ জনসহ আন্দোলনরত ১৭ শ্রমিক-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ১৫ জন নেতার সরকারি বাসা হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বিদেশি কোম্পানির কাছে এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলসহ চার দফা দাবিতে গতকাল (রবিবার) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছিল চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।
পরে গতকাল বিকেলের দিকে ঢাকার পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলনের পর আশার আলো জ্বলেছিল। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা নেই।
এমন প্রেক্ষাপটে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য অব্যাহত রাখার স্বার্থে এবং রমজান মাস ও জাতীয় নির্বাচনের কথা বিবেচনা করে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ প্রথমে ধর্মঘট থেকে সরে আসার বিষয়টি বিবেচনায় নিলেও পরবর্তী সময়ে কয়েকজন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার ও বিভিন্ন থানায় আন্দোলনকারীদের নামে জিডি হওয়াসহ কয়েকটি কারণে ধর্মঘট অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
সংবাদ সম্মেলনে আশিক চৌধুরী জানান, ‘রবিবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছ থেকে একটি চিঠি এসেছে। চিঠিতে ডিপি ওয়ার্ল্ড ইজারা চুক্তি নিয়ে চলমান দরকষাকষির (নেগোসিয়েশন) অগ্রগতির প্রশংসার পাশাপাশি এ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। ডিপি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, শেয়ার করা খসড়া কনসেশন চুক্তি তারা গ্রহণ করেছে এবং বিস্তারিত পর্যালোচনা করেছে। তবে তারা এটি আরও পুনর্মূল্যায়ন (রিভিউ) করার জন্য কিছু সময় চেয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের আনুষ্ঠানিক মেয়াদ রয়েছে আর দুই কার্যদিবস। ডিপি ওয়ার্ল্ড সময় নেওয়ার কারণে নেগোসিয়েশনটি বর্তমান সরকারের আমল পেরিয়ে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে গিয়ে আবারও কন্টিনিউ হতে পারে।’
৫ দিন আগে
ধর্মঘটে অচল চট্টগ্রাম বন্দর, চেয়ারম্যানকে অপসারণের দাবি ‘গুজব’
দুই দিন স্থগিত থাকার পর চট্টগ্রাম বন্দরে আজ (রবিবার) সকাল থেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। বন্দর ইয়ার্ডের পাশাপাশি এবার বহির্নোঙরেও কাজ বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর বন্দরের বিভিন্ন জেটিতে সব ধরনের পণ্য ও কনটেইনার ওঠানামা বন্ধ রয়েছে, থেমে আছে পণ্য ডেলিভারি কার্যক্রমও।
আজ (রবিবার) সকালে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির এক ভিডিওবার্তায় বন্দরের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানকে অপসারণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে শ্রমিক-কর্মচারীদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। তবে, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তাকে অপসারণের তথ্যটি সত্য নয়। তিনি এখনও সপদে বহাল রয়েছেন।
এদিকে, বন্দর চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান আজ দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বন্দর ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেন, বন্দরের কার্যক্রম সচল আছে।
তিনি বলেন, ‘বন্দর সচল আছে। আমি ২ ঘণ্টা বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সবাই কাজে যাবেন। কেউ বাধা দেবেন না।’
তবে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ জানিয়েছে, সকাল থেকে বন্দরে কোনো ধরনের কার্যক্রম হচ্ছে না। কোনো শ্রমিক-কর্মচারী কাজে যোগ দেননি। এবারের কর্মসূচি কার্যকর হলে পুরো বন্দর অচল হয়ে পড়বে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার ভার আরব আমিরাতভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলসহ ৪ দফা দাবিতে ফের লাগাতার ধর্মঘট শুরু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। গতকাল (শনিবার) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়।
ওই সময় চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের দুই সমন্বয়ক হুমায়ুন কবীর ও ইব্রাহিম খোকন লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এরপর পরিষদের কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে চট্টগ্রাম শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)।
সূত্র জানিয়েছে, এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে ৩১ জানুয়ারি (শনিবার) থেকে ৮ ঘণ্টা করে তিন দিন এবং মঙ্গলবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতি পালন করে আসছিল বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার পরিবহন এবং জাহাজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে। তবে বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর বিকেলে লাগাতার কর্মবিরতি দুই দিনের জন্য স্থগিত করেন সংগঠনটির নেতারা। শ্রমিক নেতারা নৌ উপদেষ্টার সঙ্গে আলাপকালে এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া বাতিলের সুস্পষ্ট ঘোষণা এবং শ্রমিক–কর্মচারীদের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু দাবি না মানার কারণে আজ সকাল থেকে ফের ধর্মঘট শুরু হয়। নতুন করে বন্দর অচলের কর্মসূচিতে ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিসহ বন্দর ব্যবহারকারীদের মাঝে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের আন্দোলন স্থগিত করার পরপর আন্দোলনরত ১৫ জন কর্মচারীর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন জানায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানাতে অনুরোধ করা হয়। এ খবর জানতে পেরে আন্দোলনকারীরা ক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠেন।
উল্লেখ্য, দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দর দিয়ে সমুদ্রপথে পরিবাহিত আমদানি–রপ্তানি পণ্যের ৭৮ শতাংশ পরিবহন হয়। কনটেইনারজাত পণ্যের প্রায় পুরোটা পরিবহন হয় এই বন্দর দিয়ে। বন্দর বন্ধ হলে কন্টেনারে রপ্তানি প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। কনটেইনারে বোঝাই করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানিকৃত শিল্পের কাঁচামাল খালাসও বন্ধ হয়ে যায়।
৬ দিন আগে
কুমিল্লায় বাস ধর্মঘট, যাত্রীদের ভোগান্তি
দাবি আদায়ে নগরীর তিনটি বাস টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করছে কুমিল্লা বাস মালিক সমিতি। এতে কুমিল্লা নগরীসহ জেলার প্রায় ৪০টি সড়কে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে নগরীর জাঙ্গালিয়া, শাসনগাছা ও চকবাজার বাস টার্মিনাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। ফলে কুমিল্লা-ঢাকা, কুমিল্লা-চট্টগ্রাম, কুমিল্লা-সিলেট, কুমিল্লা-চাঁদপুরসহ অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সড়কগুলোতে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
জানা গেছে, জাঙ্গালিয়া বাস টার্মিনাল থেকে কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কে আইদি পরিবহন চলাচল বন্ধের দাবিতে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। পরিবহন নেতাদের দাবি, কুমিল্লা নগরীর তিনটি বাস টার্মিনাল ব্যবহার করে প্রতিদিন কয়েক হাজার বাস ও মিনিবাস চলাচল করে। তবে যথাযথ রুট পারমিট ছাড়াই টার্মিনাল ব্যবহার করতে চাইছে আইদি পরিবহন।
তবে আইদি পরিবহনের চেয়ারম্যান মীর পারভেজ আলমের অভিযোগ, ২০২৩ সালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়েই কুমিল্লা-চাঁদপুর রুটে তাদের বাস চলাচল শুরু হয়। কিন্তু শুরু থেকেই কুমিল্লা বাস মালিক গ্রুপের একটি সিন্ডিকেট তাদের চলাচলে বাধা দিয়ে আসছে। এ কারণে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন বাসটিকে রুট পারমিট দেয়নি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে বাধ্য হয়ে জাঙ্গালিয়া বাস টার্মিনাল বাদ দিয়ে দুই কিলোমিটার দূরের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে বাস সার্ভিস চালু করা হয়। আইনি কোনো বাধা না থাকলেও এখনো কুমিল্লা জেলা প্রশাসন থেকে অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে, কুমিল্লা বাস মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আইদি পরিবহন চাঁদপুর জেলা প্রশাসন থেকে অনুমতি পেলেও কুমিল্লা থেকে রুট পারমিট নেয়নি। এরপরও তারা কুমিল্লার বাস টার্মিনাল ব্যবহার করতে চাচ্ছে। এর আগে একাধিকবার তাদের বাধা দেওয়া হলেও বিজয় দিবসের দিন হঠাৎ করে কিছু বাস টার্মিনালে আনা হয়। বুধবারও সেখান থেকে বাস চলাচল করেছে। বৃহস্পতিবার আবার বাস আনার চেষ্টা করলে সকাল থেকে নগরীর তিনটি টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
এদিকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় কর্মস্থলগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেককে বিকল্প যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
৫৮ দিন আগে
চলছে পেট্রোল পাম্প ধর্মঘট, বিপাকে রাজধানীবাসী
দশ দফা দাবিতে সারাদেশে চলছে আধাবেলা পেট্রোল পাম্প ধর্মঘট, বন্ধ ডিপো থেকে তেল উত্তোলন ও পরিবহন, বিপাকে পড়েছেন রাজধানীবাসী।
উত্তর বাড্ডার বাসিন্দা বাইক চালক জিয়া হোসেন সকালে স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য বের হলে দেখেন আশপাশের সব পেট্রোল পাম্প বন্ধ।
নিজের দুরবস্থার কথা জানিয়ে জিয়া বলেন, অনেকেই জানে না আজকে ধর্মঘট চলছে। বাইক ঢেলে ঢেলে নানা পাম্পে ঘুরেও তেল পাওয়া যায়নি।
রাইড শেয়ারের আরেক বাইক চালক মনসুর বলেন, "আমরা প্রতিদিন সকালে তেল নিয়ে কাজে বের হই। আজকে সকাল থেকে প্রতিটা পাম্প বন্ধ। বাইকে তেল না থাকায় বসে থাকতে হচ্ছে।"
প্রাইভেট গাড়ির ড্রাইভার নজরুল জানান, পাম্পে তেল থাকলেও বিক্রি বন্ধ রেখেছে কর্মচারীরা। জ্বালানি না থাকায় সড়কে গাড়ির চাপও তুলনামূলক কম।
আরও পড়ুন: ১০ দাবিতে নাটোরে তেল ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট চলছে
সরেজমিনে রাজধানীর মালিবাগ, রামপুরা, বাড্ডা, মধুবাগ, শাহজাহানপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায় বেশিরভাগ পাম্প বন্ধ।
রামপুরার হাজিপাড়া পেট্রোল পাম্পের কর্মচারী আকবর বলেন, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এ ধর্মঘট চলবে। এসময় তেল উত্তোলন এবং বিপণন বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংকলরি মালিক ঐক্য পরিষদের ডাকা এই ধর্মঘটের মূল দাবি তেল বিক্রির কমিশন ন্যূনতম ৭ শতাংশ করা এবং সড়ক জনপথ অধিদপ্তরের ইজারা মাশুল আগেরটাই বহাল রাখা।
পাম্প সংযোগ সড়কের ইজারা নবায়নের সময় পে-অর্ডারকে নবায়ন হিসাবে গণ্য করা, বিএসটিআই কর্তৃক আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যাংক ক্যালিব্রেশন, ডিপ রড পরীক্ষণ ফি এবং নিবন্ধন প্রথা বাতিল, পরিবেশ অধিদপ্তর, বিইআরসি, কলকারখানা পরিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স গ্রহণের নিয়ম বাতিল, বিপণন কোম্পানি থেকে ডিলারশিপ ছাড়া সরাসরি তেল বিক্রি বন্ধ, অননুমোদিতভাবে ঘর বা খোলা স্থানে তেল বিক্রয় বন্ধ, ট্যাংকলরি চালকদের লাইসেন্স নবায়ন ও নতুন লাইসেন্স ইস্যুতে জটিলতা দূর করা এবং সব ট্যাংকলরির জন্য আন্তঃজেলা রুট পারমিট প্রদানের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এছাড়া যেখানে-সেখানে ট্যাংকলরি থামিয়ে কাগজপত্র পরীক্ষা না করে ডিপো গেইটে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং সব ট্যাংকলরির জন্য আন্তঃজেলা রুট পারমিট ইস্যু করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন মিলে গঠিত এ ঐক্য পরিষদ।
এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে সকালে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। বৈঠকের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছে ঐক্য পরিষদ নেতারা।
২৬৫ দিন আগে
১০ দাবিতে নাটোরে তেল ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট চলছে
কমিশন বৃদ্ধি, ট্যাংকলরি চালকদের লাইসেন্স নবায়ন সহজ করাসহ ১০ দফা দাবিতে ৮ ঘণ্টার ধর্মঘট শুরু করেছেন নাটোরের জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীরা।
রবিবার (২৫ মে) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এ ধর্মঘট চলবে বলে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী বিভাগীয় নেতা রফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে দাবি-দাওয়া নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা এবং তারা আশ্বাস দেওয়ার পরও সেগুলো পূরণ হয়নি।
এ কারণে আজ (রবিবার) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তেল বিক্রি, উত্তোলন ও পরিবহন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তাছাড়া, দাবি না মানা হলে কর্মসূচি আরও দীর্ঘ হতে পারে বলেও সতর্ক করেন রফিকুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: ফেব্রুয়ারিতে বাড়লেও মার্চে অপরিবর্তিত জ্বালানি তেলের দাম
জ্বালানি তেল বিক্রির কমিশন ৭ শতাংশ করাসহ তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো— সওজ অধিদপ্তরের ইজারা মাশুল পুনর্বহাল করা, পাম্পের সংযোগ সড়কের ইজারা নবায়নের সময় পে-অর্ডারকে নবায়ন বলে গণ্য করা, বিএসটিআই কর্তৃক আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যাংক ক্যালিব্রেশন, ডিপ রড পরীক্ষা ফিস ও নিবন্ধন প্রথা বাতিল করা, পেট্রোল পাম্পের ক্ষেত্রে পরিবেশ, বিইআরসি, কলকারখানা পরিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স গ্রহণ প্রথা বাতিল, বিপণন কোম্পানি থেকে ডিলারশিপ ছাড়া সরাসরি তেল বিক্রি বন্ধ, ট্যাংকলরি চালকদের লাইসেন্স নবায়ন এবং নতুন লাইসেন্স বাধা-বিপত্তি ছাড়াই ইস্যুকরা, সব ট্যাংকলরি জন্য আন্তঃজেলা রুট পারমিট ইস্যু করা এবং বিভিন্ন স্থানে অননুমোদিত ও অবৈধভাবে ঘরের মধ্যে, খোলা স্থানে যত্রতত্র মেশিন দিয়ে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ করা।
এর আগে, গত ১১ মে পরবর্তী ১২ দিনের মধ্যে এই দাবিগুলো পূরণ না হলে আজ (২৫ মে) থেকে প্রতীকী কর্মসূচি হিসেবে ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আট ঘণ্টা সারা দেশের সব পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংকলরি কর্মবিরতি পালনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল উত্তোলন, পরিবহন ও বিপণন বন্ধ রাখার হুঁশিয়ারি দেয় বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংকলরি মালিক ঐক্য পরিষদ।
এরই ধারাবাহিকতায় নাটোরে আজ ধর্মঘট শুরু হয়েছে।
২৬৫ দিন আগে
ভোলায় দ্বিতীয় দিনের মতো বাস-সিএনজি ধর্মঘট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা
যাত্রী ওঠানো নিয়ে দ্বন্দ্ব-মারামারির জেরে ভোলায় দ্বিতীয় দিনের মতো বাস ও সিএনজি ধর্মঘট চলছে। এতে সোমবার (৫ মে) জেলার অভ্যন্তরীণ পাঁচটি রুটে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে ভোগান্ততিতে পড়েছেন দূর-দুরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা। কয়েকগুণ বেশি ভাড়া দিয়ে বিকল্প যানে পৌঁছাতে হচ্ছে গন্তব্যে।রবিবার (৪ মে) বিকাল ৫টায় ভোলার চরফ্যাসন সড়কের বাংলা বাজার জয়নগর স্কুল এলাকায় যানজট সৃষ্টি ও যাত্রী উঠানো নিয়ে বাস-সিএনজি শ্রমিকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, সিএনজি চালকরা একত্রিত হয়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে বাস আটকে রেখেছে। ১৬ বাস শ্রমিককে পিটিয়ে আহত করেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার সন্ধ্যা থেকে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, ‘একই সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে ৫টি স্পটে সিএনজি চালকরা বাসশ্রমিকের গায়ে হাত দিয়েছেন। এতে ১৬ বাস শ্রমিক আহত হয়েছেন। ৫টি বাস আটকে রেখেছেন ও ৩টি ভাঙচুর করা হয়েছে। এ কারণে তারা ধর্মঘট ডেকেছেন।’
আরও পড়ুন: সাড়ে তিন ঘণ্টা পর ঢাকার পথে বনলতা এক্সপ্রেস
বিপরতীতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক সমিতির সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, ‘বাস শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকার পরে তাদের যাত্রী টানা বন্ধ করার জন্য বাসস্ট্যান্ডের মধ্যে ৪টি সিএনজি নিয়ে ৩টি ভাংচুর ও একটিতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। একটি সিএনজিতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। পরে ক্ষুব্ধ চালকরা লালমোহনে দুটি বাস আটকে রাখে। কিন্তু ভাঙচুর করেননি।’
২৮৫ দিন আগে
বরিশালের সাথে ৫ জেলার বাস চলাচল বন্ধ
বরিশালের সাথে ৫ জেলার ১৯ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে বাস শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, বাস এবং টার্মিনাল ভাংচুরের প্রতিবাদে এই ধর্মঘট ডেকেছেন রুপাতলী বাস টার্মিনালের শ্রমিকরা।
ফলে বরিশালের সাথে বরগুনা, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী এবং কুয়াকাটার বাস চলাচল করছে না।
মঙ্গলবার ঝালকাঠি মালিক সমিতির বাসে হাফ ভাড়া দেওয়া নিয়ে হেলপারের সাথে বাকবিতন্ডা হয় বরিশাল বিএম কলেজের এক ছাত্রীর। পরে কলেজ শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছিত করার করার অভিযোগে সন্ধ্যায় রুপাতলী বাস টার্মিনালে গিয়ে শ্রমিকদের সাথে সংঘর্ষে জড়ায় বরিশাল বিএম কলেজের একদল শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন: কর্মবিরতি প্রত্যাহার, দেশে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
এসময় পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের অফিসসহ বেশ কয়েকটি বাস ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে শিক্ষার্থীরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে ও হামলাকারীদের বিচার দাবিতে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে শ্রমিকরা।
৩৮১ দিন আগে
ময়মনসিংহে অটোরিকশা চালকদের ধর্মঘট, দুর্ভোগে যাত্রীরা
ময়মনসিংহে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট পালন করছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী ও যাত্রীরা।
জানা যায়, সম্প্রতি যানজট কমানোর জন্য শহরের নির্দিষ্ট ছয়টি সড়কে অটো চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসন।
সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল থেকেই অটোরিকশা চালকদের এই ধর্মঘট চলছে।
জেলা অটোরিকশাচালক ও মালিক সমিতি এই ধর্মঘটের ডাক দেয়। এর ফলে অটোরিকশা না থাকায় অনেক রিকশাচালক দ্বিগুণ ভাড়া নিচ্ছেন।
এছাড়া ধর্মঘটের কারণে সকাল থেকে স্কুল-কলেজ ও অফিসগামী যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। অনেককে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
আরও পড়ুন: সিলেটে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার
এদিকে জনদুর্ভোগ এড়াতে নগরীতে পুলিশ ভ্যান দিয়ে বিনা ভাড়ায় স্কুল-কলেজ ও যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে সহযোগিতা করতে দেখা গেছে।
সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী (ভারপ্রাপ্ত) সুমনা আল মজীদ বলেন, ‘সকলের মতামত নিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার রুট নির্ধারন করা
হয়েছে। আশাকরি উদ্ভুত পরিস্থিতির সমাধান খুব দ্রুতই হবে।’
৩৮৩ দিন আগে
তৃতীয় দিনের ধর্মঘটে বেনাপোলে বাস বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
তৃতীয় দিনের মতো বেনাপোলে পরিবহন ধর্মঘটে ভোগান্তিতে পড়েছেন পাসপোর্টধারী যাত্রীরা। কোনো সমঝোতা না হওয়ায় ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াতকারীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অনেকে অতিরিক্ত খরচ করে বাড়ি ফিরছেন।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো শনিবার (২৩ নভেম্বর) রাত থেকে অনির্দিষ্টকালের এই ধর্মঘটের ডাক দেয়। এছাড়া জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বাস মালিকদের আলোচনা সভা হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
স্থানীয় প্রশাসন বলছে, তারা কেন যে ধর্মঘট ডেকেছে সে বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কোনো কথা বলেনি।
পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা জানান, প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর সকল পরিবহনের বাসগুলো পৌরসভার নির্দেশনা মতো চলছিল। ঢাকা থেকে রাতে ছেড়ে আসা বাসগুলো যাত্রীদের বেনাপোল চেকপোস্টে নামিয়ে দিয়ে পৌর বাস টার্মিনালে চলে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে শুক্রবার রাত তিনটার দিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দূরপাল্লার বাসগুলো যাত্রীদের জোরপূর্বক পৌর টার্মিনালে নামিয়ে দেয়। এ সময় যাত্রীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন এবং নানা ধরনের হয়রানি শিকার হন। পরে তাদের লোকাল বাসে করে চেকপোস্টে পাঠান টার্মিনালের থাকা পৌরসভার লোকজন।
প্রশাসনের এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে পরিবহন মালিক সমিতি তিনদিন ধরে পরিবহন ও দূরপাল্লার বাস বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান তারা।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম বন্দরে ফের ধর্মঘটে শ্রমিকরা, পণ্য পরিবহন বন্ধ
এদিকে রবিবার (২৪ নভেম্বর) সকালে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দুই পক্ষই তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকায় কোনো সমঝোতা হয়নি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যানজট নিরসনে নৌপরিবহন উপদেষ্টার নির্দেশে এটা করা হয়েছে। উপদেষ্টার নির্দেশ ব্যতিত আমাদের পক্ষে কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। পৌর টার্মিনাল থেকেই যাত্রী ওঠাতে এবং নামাতে হবে।
অপরদিকে পরিবহন মালিক সমিতি থেকে বলা হয়েছে, আগের নিয়মে বাস চলাচল করতে হবে। তা না হলে তারা বাস চলাচল বন্ধ রাখবেন।
পরিবহন মালিক সমিতির এক নেতা বলেন, কয়েকদিন আগে শার্শা ইউএনও ও সুধী সমাজের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। সেখানে যানজট নিরসনে নতুন পৌর বাস টার্মিনাল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী আমরা এই টার্মিনাল ব্যবহার করছি। তবে, যাত্রী হয়রানি ও নিরাপত্তার জন্য শেষ রাতের দূরপাল্লার পরিবহনগুলো যেন সীমান্ত ঘেঁষা পুরোনো টার্মিনালটি ব্যবহার করতে পারে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
যশোরের শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজীব হাসান বলেন, কী কারণে তারা (পরিবহন মালিক-শ্রমিক) ধর্মঘট ডেকেছে, আমরা সে বিষয়ে অবগত নই। তাদের কোনো কিছু বলার থাকলে বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করতে পারে।
বেনাপোল পরিবহন সমিতির সভাপতি বাবলুর রহমান বাবু বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর কোনো সমঝোতা হয়নি। যাত্রীদের নিরাপত্তাসহ হয়রানির হাত থেকে রক্ষার জন্য আমরা আমাদের সিদ্ধান্তে অনঢ় রয়েছি।
আরও পড়ুন: ফুটবলাররা ধর্মঘটে নামতে বেশি দেরি নেই: ঠাঁসা সূচি প্রসঙ্গে রদ্রি
৪৪৬ দিন আগে
ধর্মঘটে বেনাপোলে বাস বন্ধ, ভোগান্তিতে পাসপোর্ট যাত্রীরা
টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বেনাপোলে পরিবহন ধর্মঘট চলছে। এতে ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াতকারী পাসপোর্ট যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো শনিবার দিবাগত রাতে এই ধর্মঘটের ডাক দেয়।
যাত্রীদের দ্রুত ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের কাজ শেষ করে ভারত যাতায়াতে সুবিধার জন্য বেনাপোল চেকপোস্টে ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে পরিবহন টার্মিনাল নির্মাণ করে সরকার। তবে হঠাৎ করেই চেকপোস্ট টার্মিনালে ভারতগামী যাত্রীদের না নামিয়ে দুই কিলোমিটার দূরে কাগজপুকুর পৌর বাস টার্মিনালে নামানোর সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।
বেনাপোল চেকপোস্টের যানজট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে চেকেপাস্ট টার্মিনালেই যাত্রী নামানোর দাবিতে শনিবার দিবাগত রাত থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো।
এর ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। পরিবহন বন্ধ থাকায় আশপাশে আত্মীয়-স্বজন থাকলে সেখানে অবস্থান নিয়েছেন যাত্রীদের অনেকে। অনেকে আবার বেনাপোল থেকে ইজিবাইক ও লোকাল বাসে করে যশোর যাচ্ছেন। সেখান থেকে বাসে বা ট্রেনে করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যেতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-যশোর-বেনাপোল রুটে ২ ডিসেম্বর থেকে চলবে ট্রেন
এ ব্যাপারে পরিবহন সমিতির সভাপতি বাবলুর রহমান বাবু বলেন, চেকপোস্টের যানজট নিরসনে কয়েকদিন আগে স্থানীয় সুধী সমাজের উপস্থিতিতে যশোর জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আমাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ঢাকা থেকে রাতে ছেড়ে আসা বাসগুলো চেকপোস্টে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে পৌর বাস টার্মিনালে চলে যাবে।
সেভাবেই সবকিছু চলছিল জানিয়ে তিনি বলেন, কিন্তু হঠাৎ করে শুক্রবার রাত তিনটার দিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দূরপাল্লার বাসগুলো যাত্রীদের জোরপূর্বক পৌর টার্মিনালে নামিয়ে দেয়। এ সময় যাত্রীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন এবং নানা ধরনের হয়রানি শিকার হন। পরে তাদের লোকাল বাসে করে চেকপোস্টে পাঠান টার্মিনালের থাকা পৌরসভার লোকজন।
৪৪৭ দিন আগে