ইয়াবা
৮৩২ পিস ইয়াবাসহ ২ মোটরসাইকেলআরোহী গ্রেপ্তার
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ৮৩২ পিস ইয়াবা ও নগদ আট হাজার ৯০ টাকাসহ দুই মোটরসাইকেলআরোহীকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
রবিবার (৪ অক্টোবর) এসআরবি-১৩ ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন সুন্দরগঞ্জ থানার পূর্ব হাতিয়া গ্রামের মমতাজ আলীর ছেলে সুজা মিয়া (৩২) ও কুড়িগ্রামের রৌমারী থানার নওদাপাড়া গ্রামের জবেদ আলীর ছেলে নুরুজ্জমান মিয়া (৪২)।
গতকাল (শনিবার) রাত ৯টার দিকে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বালারছিড়া মোড় এলাকায় চেকপোস্ট বসায় এসআরবি-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি দল।
এ সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তিকে তল্লাশি করে ৮৩২ পিস ইয়াবা ও নগদ আট হাজার ৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে মোটরসাইকেলটি জব্দ করে এসআরবি।
ইয়াবা ও মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সুন্দরগঞ্জ থানায় সোপর্দ করে মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
১ দিন আগে
বান্দরবানে ৪ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা জব্দ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চার লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রবিবার (৪ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার তুমব্রু সীমান্তে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) তুমব্রু বিওপির বিশেষ টহলদল এ অভিযান পরিচালনা করে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, গতকাল (শনিবার) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ টহলদল সীমান্ত থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে নয়াপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়।
ভোর সাড়ে ৪টার দিকে টহলদল অত্যাধুনিক থার্মাল ইমেজারের মাধ্যমে কয়েকজন ব্যক্তির সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত করে। বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করলে তারা মালামাল ফেলে মিয়ানমারে পালিয়ে যান। ফলে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরে বিজিবি টহলদল ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে লুঙ্গিতে মোড়ানো তিনটি ব্যাগ উদ্ধার করে। ব্যাগগুলো তল্লাশি করে মোট চার লাখ ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।
উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেটের বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে বিজিবি।
সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে বিজিবি বলেছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
১ দিন আগে
বাকৃবির গেস্ট হাউস থেকে ইয়াবাসহ আটক ৪
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গেস্ট হাউস থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী, বহিরাগতসহ চারজনকে ইয়াবাসহ আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও কয়েকটি ইয়াবা জব্দ করা হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলিম। এর আগে গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে গেস্ট হাউসের একটি কক্ষে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী লাবিব হাসান মিঠুন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের সামিউল আলিম, সামিউল ইবনে আশিকুর রহমান ও সয়াদ। তাদের চারজনকেই ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
প্রক্টর আবদুল আলিম জানান, বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট হাউসের একটি কক্ষে অবস্থান করছেন—এমন খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল টিম ও পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সেখানে যায়। এ সময় সেখানে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম পাওয়া যায়। পরে সেখান থেকে ইয়াবাও উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, তারা সেখানে যাওয়ার পর আটক ব্যক্তিরা কিছু ইয়াবা টয়লেটে ফ্লাশ করে নষ্ট করার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ বাথরুমে তল্লাশি চালিয়ে চার থেকে পাঁচটি ইয়াবা ও একটি কিট আলামত হিসেবে জব্দ করে।
গেস্ট হাউসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী অধ্যাপক ড. অনিরুদ্ধ সরকার বলেন, মিঠুনের নামে বুক করা ৬ নম্বর কক্ষে লোকজনের অস্বাভাবিক যাতায়াত এবং তাদের মোটরসাইকেল রাখা ও সন্দেহজনক চলাফেরা লক্ষ্য করে অন্য কর্মীরা তাকে বিষয়টি জানান। পরে তিনি বিষয়টি সহকারী প্রক্টরকে জানান। এরপর প্রক্টরের সঙ্গে পরামর্শ করে সহকারী প্রক্টর প্রক্টরিয়াল ভিজিল্যান্স টিম নিয়ে ওই কক্ষে যান।
এ সময় কক্ষে মিঠুনসহ চারজনকে দেখতে পান তারা। তাদের মধ্যে একজন শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) মেকানিক। বাকি দুজনের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।
কক্ষটিতে তীব্র গন্ধ ছিল এবং সেখানে থাকা ব্যক্তিদের আচরণ অস্বাভাবিক মনে হচ্ছিল বলেও জানান তিনি।
কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুব বলেন, আটক চারজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তাদের বিরুদ্ধে ঠিক কোন ধারায় মামলা হবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
৫ দিন আগে
ইয়াবা সেবন দেখে ফেলা ও বাধা দেওয়ায় শিক্ষক পরিবারের চারজনকে খুন: পুলিশ
রাতের নীরবতা ভেঙে ছাদে শব্দ। শব্দ শুনে দেখতে গিয়েছিলেন সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী। ছাদে গিয়ে দেখলেন, পরিচিত দুই তরুণ ইয়াবা সেবন করছে। বাধা দিয়েছিলেন তিনি। এরপর মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একে একে নিভে যায় একটি পরিবারের চারটি প্রাণপ্রদীপ।
পুলিশ বলছে, নিজেদের পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ১২ বছরের শিশুসন্তানকে হত্যা করে দুই তরুণ। পরে লুটের নাটক সাজিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ওরফে ভোলা, মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী আগামী (২৫) এবং জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রিয়ম চক্রবর্তী আয়ুশকে হত্যার ঘটনায় দুই তরুণকে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। আজ রবিবার ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন: মাছুয়াপাড়ার মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯)। তারা সম্পর্কে মামাতো ভাই। মুগ্ধ নগরের সিটি বাজারে মাছের দোকানে কাজ করেন, আর সিদ্ধার্থ পিকে পাল জুয়েলার্সে প্রায় আট বছর ধরে স্বর্ণের কারিগর হিসেবে কাজ করছেন।
রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১টার দিকে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাশের একটি ভবনের ওপর দিয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ওঠেন মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ শুনে ছাদে যান গণপতি। তাদের বাধা দিলে গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
গণপতির চিৎকার শুনে স্ত্রী প্রীতিলতা ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করলে সিঁড়িতেই তাকে হত্যা করা হয়। এরপর মেয়েকে এবং সর্বশেষ ১২ বছরের শিশু প্রিয়মকে হত্যা করা হয়।
পুলিশ কমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রিয়ম আসামিদের চিনত। সিদ্ধার্থের ছোট ভাই অপূর্বের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ছিল। পরিচয় ফাঁস হওয়ার আশঙ্কায় তাকেও হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানায়, হত্যার পরও ওই বাড়িতেই ছিলেন দুজন। তারা গোসল করেন, খেজুর খান এবং ইয়াবা সেবন করেন। পরে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় রাস্তাঘাট ফাঁকা হলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। যাওয়ার আগে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে ডাকাতির ঘটনা বলে তদন্তকে ভিন্ন দিকে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
পুলিশ কমিশনার আরও জানান, ঘরে পাওয়া একটি স্বর্ণের চুড়ি আগুনে পরীক্ষা করার আলামত থেকেই তদন্তে নতুন সূত্র মেলে। পরে সিদ্ধার্থের স্বর্ণের কাজে অভিজ্ঞতার বিষয়টি সামনে আসে। লুট করা স্বর্ণালংকার তাদের দেখানো মতে একটি পরিত্যক্ত জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এছাড়া বাড়ির দুটি মোবাইল ফোন ডিটারজেন্ট মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়েছিল। পুলিশের ধারণা, আলামত নষ্ট করতেই এমনটি করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা সেবনের আলামত, খেজুরের বিচি ও কামড় দেওয়া শসাও উদ্ধার করা হয়েছে। খেজুরের বিচি ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, ‘হত্যার আগে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ নগরের একটি বাসায় ইয়াবা সেবন করেছিল। পরে মাছুয়াপাড়ায় এসে আবার ইয়াবা সেবন করে। পুলিশ ইয়াবা সরবরাহকারী হিসেবে খুশি ওরফে প্রশান্তর নামও পেয়েছে। তদন্তে বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে।’
এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। পুলিশ বলছে, দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
৪৩ দিন আগে
যশোরে যুবক খুন, পকেটে পাওয়া গেল ৬১ পিস ইয়াবা
যশোরে তানভীর (২২) নামে এক যুবক ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে শহরের বেজপাড়া আনসার ক্যাম্পের পেছনে ঘটে এ ঘটনা।
নিহত তানভীর শহরের শংকরপুর হাজারিগেট এলাকার মিন্টু মিয়ার ছেলে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বেজপাড়া আনসার ক্যাম্প এলাকার মুদি ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম রিপন জানান, তানভীর ক্যাম্পের পেছনের দিক থেকে দৌড়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে পড়ে যান। পরে কয়েকজন নারী তাকে দেখতে পেয়ে রিকশায় তুলে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতালে তাকে দেখতে যায়। সেখানে গিয়ে তল্লাশি করে তানভীরের পকেট থেকে ৬১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।
থানা সূত্রে আরও জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শংকরপুর বেলের মাঠ এলাকায় যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে পাঁচটি বোমা ও একটি চাকুসহ নাঈম ও সাজু নামে দুই যুবককে আটক করে। সে সময় তানভীর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
আটক দুই যুবকের ভাষ্যমতে, উদ্ধার হওয়া বোমাগুলো তানভীরের ছিল। পালিয়ে তিনি বেজপাড়া আনসার ক্যাম্পের পেছনে অবস্থান নিলে সেখানেই তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, রাত সোয়া ১২টার দিকে কে বা কারা তাকে ছুরিকাঘাত করেছে, তা এখনো জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
৩০২ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে ২ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
সিরাজগঞ্জে প্রায় দুই হাজার ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সলঙ্গা থানার ধোপাকান্দি এলাকায় ন্যাশনাল ফুড ভিলেজ হাইওয়ে হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে এ অভিযান চালায় র্যাব-১২।
গ্রেপ্তাররা হলেন— পাবনা জেলা সদরের রাধানগর গ্রামের মো. আমিনুল ইসলাম রনি (৪৫), দোহারপাড়া গ্রামের মো. রাশেদ রানা (৪২) ও সুজানগর উপজেলার ভবানিপুর গ্রামের মো. আব্দুল মজিদ মন্ডল (৪৮)।
র্যাব-১২-এর মিডিয়া অফিসার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: মেহেরপুরে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ গ্রেপ্তার ১
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গতকাল (রোববার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ধোপাকান্দি এলাকার ন্যাশনাল ফুড ভিলেজ হাইওয়ে হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯৭৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ নগদ ২০ হাজার ২২০ টাকা ও চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তার আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার জেলা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে সলঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
৩৯৯ দিন আগে
মাটিরাঙ্গায় ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক
খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গায় তিনি মাদক কারবারিকে আটক করেছে সেনাবাহিনীর ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি'র মাটিরাঙ্গা জোন।
শুক্রবার (৩০ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড নতুন পাড়া ইসলামপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন, মাটিরাঙ্গা পৌরসভাধীন ২ নম্বর ওয়ার্ড নতুন পাড়া ১০ নম্বর ইসলামপুর এলাকার মৃত কামাল হোসেনের ছেলে মো. শাহিন, একই এলাকার মো. সুরুজ মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম ও মো. ইব্রাহিমের ছেলে মো. শাহজাহান। এসময় তাদের কাছ থেকে ২২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
মাটিরাঙ্গা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম আধহাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আটক মাদক কারবারিদের মাটিরাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
৪৯২ দিন আগে
সিলেট সীমান্তে ৯৩৮০ ইয়াবা জব্দ, আটক ১
বুধবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বিয়ানীবাজার উপজেলার গহেলাপুর প্রথম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটক আসলাম হোসেন উপজেলার দুবাগ এলাকার গজুকাটা গ্রামের বাসিন্দা।
বিজিবি জানায়, বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের (৫২ বিজিবি) গজুকাটা বিওপি কমান্ডারের নেতৃত্বে বিয়ানীবাজার থানার গহেলাপুর প্রথম ব্রিজ (জামালের বাড়ীর সামনে) অভিযান চালিয়ে ৫ জন যাত্রীবহনকারী অটোরিকশা থামিয়ে তল্লাশি করে। এ সময় পালানোর চেষ্টা করলে আসলাম হোসেনকে আটক করে বিজিবি। পরে আটক ব্যক্তির পকেট ও সিএনজিতে তল্লাশি করে ৮১টি পলিথিনের প্যাকেট থেকে ৯ হাজার ৩৮০ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৩০ লাখ টাকা।
এদিকে বিজিবির উপস্থিতির টের পেয়ে আরও ৪ জন ব্যক্তি পালিয়ে যায়। তারা হলেন— দুবাগ এলাকার গজুকাটা গ্রামের মো. আলম হোসেন, মো. আব্দুস সামাদ, আব্দুস সালাম ও আব্দুর রাজ্জাক বটলা।
আরও পড়ুন: কক্সবাজার বিমানবন্দরে দুই বোন আটক, পাকস্থলীতে মিলল ইয়াবা
পলাতক আসামি আব্দুস সামাদ এবং আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে ভারতের গুপ্তচর হয়ে বিএসএফের কাছে তথ্য পাচার করার অভিযোগ রয়েছে বলে জানান বিজিবি।
বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের (৫২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় মাদকের প্রবাহ রোধে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আমাদের নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ করা হচ্ছে ও ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।’
৫৫৮ দিন আগে
কক্সবাজার বিমানবন্দরে দুই বোন আটক, পাকস্থলীতে মিলল ইয়াবা
পেটের ভেতর ইয়াবা নিয়ে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে দুই বোনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। ওই দুই নারীর পেট থেকে পরে ২ হাজার করে মোট ৪ হাজার ইয়াবা বের করা হয়েছে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যমতে ঢাকায় আটক হন এক বোনের স্বামী।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে এ অভিযান চালানো হয়। পরে দুই নারীর তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে আকতার হোসেন নামের আরেকজনকে আটক করা হয় বলে জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এ কে এম দিদারুল আলম।
আটকরা হলেন— টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ঝিমংখালী এলাকার আবুল বশরের ছেলে আকতার হোসেন (৩২), তার স্ত্রী উম্মে জামিলা (২৫) ও শ্যালিকা উম্মে হাবিবা (২০)।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৩০০ পিস ভারতীয় ইয়াবা জব্দ, গ্রেপ্তার ২
তিনি বলেন, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে গোপন তথ্য ছিল যে, টেকনাফ থেকে ইয়াবার একটি চালান বিমানযোগে ঢাকায় যাচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা জামিলা ও হাবিবাকে আটক করে। পরে তাদের একটি প্যাথলজি সেন্টারের ল্যাবে নিয়ে এক্সরে করানো হয়। তাতে তাদের পাকস্থলীতে ইয়াবা থাকার তথ্যের সত্যতা মেলে।’
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘আটক দুই বোনকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এনে বিশেষ প্রক্রিয়ায় ইয়াবা বের করার কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুর ২টা পর্যন্ত ১ হাজার ৭০০টির বেশি ইয়াবা বের করা হয়। বাকি ইয়াবাগুলোও বের করার প্রক্রিয়া চলছে।
দুজনে ২ হাজার করে মোট ৪ হাজার ইয়াবা নিয়ে তারা ঢাকায় যাচ্ছিলেন বলে জানান দিদারুল আলম।
তিনি আরও বলেন, ‘আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে কক্সবাজার সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
৬০০ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭ হাজার ৯৩৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭ হাজার ৯৩৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র্যাব। এ ঘটনায় কেউ আটক হয়নি।
রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে র্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, শনিবার রাতে জেলার সদর উপজেলার চাদলাই গোপাপাড়া এলাকা থেকে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল শনিবার রাত ১০টার দিকে চাদলাই গোপাপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়। এসময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়। তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭ হাজার ৯৩৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে র্যাব সদস্যরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
আরও পড়ুন: সোনারগাঁওয়ে ২৩৮৯২ ইয়াবা জব্দ, যুবক গ্রেপ্তার
৭৫০ দিন আগে