বিয়ে
রংপুরে বিয়ের নাটক সাজিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার
রংপুরের কাউনিয়ায় ভুয়া বিয়ের নাটক সাজিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত পলাতক আসামি আজমাইন আব্দুল্লাহ উৎসকে (২৬) প্রায় দুই মাস পর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে তাকে ধর্ষণ আইনের ধারার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রংপুর আদালতে পাঠায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) হারাগাছ থানা পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হারাগাছ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার আজমাইন আব্দুল্লাহ উৎস কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌর এলাকার সারাই জাগরণ পাগড়া গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বরাত দিয়ে এসআই রুহুল আমীন জানান, অভিযুক্ত আজমাইন বিবাহিত। বিয়ের বিষয়টি গোপন করে তিনি ১৮ বছরের এক কলেজছাত্রীকে হারাগাছ থেকে রংপুরে কলেজে যাওয়া-আসার পথে প্রেমের প্রস্তাব দেন। মেয়েটি শুরুতে প্রথমে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তবে, পরবর্তী সময়ে আজমাইন ফেসবুক মেসেঞ্জার ও হোয়াটসআপে কথাকপনের মাধ্যমে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
গত বছরের ২ ডিসেম্বর আজমাইন মেয়েটিকে বিয়ের কথা বলে রংপুরে আদালতের পাশে লেকের পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে তিনি স্ট্যাম্পে সই নিয়ে মেয়েটিকে জানান যে তাদের দুইজনের বিয়ে হয়েছে। পরে ওইদিন হারাগাছ ধুমগড়া এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়িতে মেয়েটিকে নিয়ে স্ত্রী পরিচয়ে সারা রাত অবস্থান করেন আজমাইন। এরপর বিভিন্ন স্থানে মেয়েটিকে নিয়ে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে মেয়েটির বিয়ের কাবিননামার কাগজ দেখতে চাইলে বিভিন্ন টালবাহানা করতে থাকেন আসামি। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে গত ২৪ এপ্রিল ভুক্তভোগী সাক্ষীদের নিয়ে আজমাইনের বাড়িতে যান। সেখানে ভুক্তভোগীকে জানান যে তিনি বিবাহিত, মেয়েটিকে বিয়ে করতে পারবেন না। প্রতারণা করে মিথ্যা বিয়ের নাটক সাজিয়ে তার সঙ্গে যৌনমিলন করেছেন বলে মেয়েটিকে জানানো হয়। তখন ভুক্তভোগী তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রতিবাদ করেন। এ সময় আজমাইন তাকে টাকার বিনিময়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন এবং এ বিষয়ে তাকে বিরক্ত করলে গোপনে ধারণ করা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান বলেন, এ ব্যাপারে গত ৬ মে মেয়েটি বাদী হয়ে রংপুর আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে ১২ মে আজমাইন আব্দুল্লাহ উৎসের বিরুদ্ধে হারাগাছ থানায় ধর্ষণ মামলা হয়। মামলা হওয়ার পর আজমাইনকে গ্রেপ্তারে মাঠে নামে পুলিশ, কিন্তু তিনি গা ঢাকা দেন। প্রায় দুই মাস চেষ্টা চালিয়ে অবশেষে সোমবার র্যাব-১-এর সহায়তায় ঢাকার বিমানবন্দর থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে হারাগাছ থানায় নিয়ে এসে আজ (বুধবার) দুপুরে তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রংপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
২২ ঘণ্টা আগে
লগ্নভ্রষ্ট হওয়ার ভয়ে হাসপাতালের বেডেই বিয়ে!
মানিকগঞ্জে হাসপাতালের বেডে এক ব্যতিক্রমী বিয়ে হয়েছে। বর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে চিকিৎসাধীন। এদিকে লগ্ন শেষ হয়ে যাচ্ছে। উপায়ান্তর না পেয়ে হাসপাতালের বেডেই আয়োজন করা হয় বিয়ের।
ফলে বর অভিজিৎ সাহা ও কনে অমৃতা সরকারের পরস্পরের প্রতি অটল বিশ্বাস ও ভালোবাসার সাক্ষী হলো হাসপাতালের চার দেওয়াল।
চমকপ্রদ ও বিরল এই বিয়ে হয় মানিকগঞ্জ শহরের আফরোজা বেগম জেনারেল হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে হাসপাতালের অস্থায়ীভাবে খালি রাখা একটি অংশে এই বিশেষ বিয়ের আয়োজন করা হয়।
জানা গেছে, মানিকগঞ্জ শহরের চাঁন মিয়া লেনের বাসিন্দা অরবিন্দ সাহার বড় ছেলে অভিজিৎ সাহার বিয়ের তারিখ আগে থেকেই ঠিক ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনটির আগেই ঘটে যায় অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা। ঢাকা থেকে ফেরার পথে ধামরাইয়ে দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হন বর। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অসুবিধা সত্ত্বেও দুই পরিবারের সম্মতি ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে বিশেষ কক্ষে সম্পন্ন হয় এ ব্যতিক্রমী বিয়ের আয়োজন।
বরের বাবা অরবিন্দ সাহা জানান, আমরা ভাবতেই পারিনি হাসপাতালে এমন আনন্দ হবে। যেহেতু আগে থেকেই বিয়ের দিনক্ষণ ঠিকঠাক ছিল, এ জন্য তারিখ পরিবর্তন না করে নির্ধারিত তারিখেই বিয়ের পাক্কা আয়োজন সেরে নিলাম।
তবে হিন্দু বাঙালি বিয়ের অনুষ্ঠানে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আচার হল সাত পাকে বাঁধা। বিয়ের দিন ছাদনাতলায় বর এলে কনেকে পিঁড়িতে বসিয়ে নিয়ে আসা হয়। কনের মুখ পান পাতা দিয়ে ঢাকা থাকে। বরের চারপাশে কনেকে ঘোরানো হয় সাতবার। এ ক্ষেত্রে অভিজিৎ সাহা পিঁড়িতে নয়, হাসপাতাল বেডে শুয়েই সাতপাঁক উপভোগ করলেন।
৩২৮ দিন আগে
বিয়ের ১৪ দিন পর বজ্রপাতে যুবক নিহত
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় বিয়ের ১৪ দিন পর বজ্রপাতে রুম্মান মিয়া লিমন (২২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ মে) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের তাজনগর এলাকার কৃষি মাঠে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
রুম্মান মিয়া লিমন তাজনগর পশ্চিমপাড়া গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে। জানা গেছে, তিনি ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর পাঠাগার সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
আরও পড়ুন: রৌমারী সীমান্তে বজ্রপাতে বিজিবি সদস্য নিহত
স্থানীয়রা জানায়, ১৪ দিন আগে লিমন বিয়ে করেন। সেই নববধূ রেখে মঙ্গলবার সকালের দিকে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে জমিতে ফসল সংগ্রহ করতে যায়। এরই মধ্যে মেঘাচ্ছন্ন আকাশে বৃষ্টি শুরু হলে মাঠের একটি সেচ মেশিন ঘরে আশ্রয় নেয়। সেখানে বজ্রাপাতে লিমন নিহত হন।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইদিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোকলেছুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নতুন বধূ রেখে রুম্মান মিয়া লিমনের মৃত্যু খুবই হৃদয়বিদারক।’
৪৩৬ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ের ৮ দিনের মাথায় স্বামীকে খুন, স্ত্রী আটক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের ৮ দিনের মাথায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (১৬ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার পৌর এলাকার মসজিদ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত ব্যক্তির নাম হাসান মিয়া (২৮)। তার বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। তিনি নববধূ জান্নাত আক্তারকে (২৩) নিয়ে আখাউড়া মসজিদ পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। জান্নাতের বাড়ি আখাউড়া উপজেলার শান্তিনগরের।
ঘটনার পর অভিযুক্ত জান্নাত আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী হত্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং হত্যার পেছনে দুটি কারণ জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জে দুর্ঘটনার ৩ দিন পরেও উদ্ধার হয়নি লঞ্চ-বাল্কহেড
শনিবার (১৭ মে) ভোরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে শনিবার দুপর ১২টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমিউদ্দিন বলেন, ‘গত ৯ মে হাসান ও জান্নাতের বিয়ে হয়। তবে, অন্য আরেকটি ছেলের সঙ্গে জান্নাতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।’
ওসি বলেন, ‘বিয়ে পর স্বামী বারবার ওই নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ হতে চাইতেন, কিন্তু এ ব্যাপারে জান্নাতের আপত্তি ছিল। ঘটনার রাতেও তিনি এ বিষয়ে স্বামী হাসানকে আপত্তি জানান। তবে স্বামী জোরাজুরি করার পর কৌশলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বালিশচাপা দিয়ে তাকে হত্যা করেন জান্নাত।’
৪৩৯ দিন আগে
বিয়ে করলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন
বিয়ে করেছেন জনপ্রিয় বাংলাদেশি অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। দীর্ঘদিনের প্রেমিক পরিচালক আদনান আল রাজীবের সঙ্গে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি আকদের পর ঢাকার অদূরে একটি রিসোর্টে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হবে আজ।
সোমবার (২৪ ফেব্রয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে দেড় সপ্তাহ পর তিনি ভক্তদের এই সুখবর জানান।
ওই পোস্টে স্মৃতিচারণ করে মেহজাবীন লিখেছেন, ২০১২ সালের ৯ এপ্রিল প্রথমবার রাজীবের সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল। সেদিন তাদের ১৫ মিনিটের সংক্ষিপ্ত কথোপকথন তাদের পরস্পরের মনে জায়গা করে নিয়েছিল। বছরের পর বছর তাদের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়েছে। অবশেষে ১৩ বছর পরে বিয়ের মাধ্যমে পরিণতি পেয়েছে তাদের সম্পর্ক।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘১৩ বছর পর আমরা একসঙ্গে, উপভোগ করছি আমাদের উচ্চাকাঙক্ষা, প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করেছি।’
অভিনেত্রী সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবনের জন্য সবার কাছে আশীর্বাদ ও দোয়া চেয়েছেন।
জানা গেছে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে মেহজাবীন ও আদনানের আকদ সম্পন্ন হয়।
গতকাল রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার অদূরে একটি রিসোর্টে তাদের গায়ে-হলুদ অনুষ্ঠান হয়েছে। একই রিসোর্টে আজ হচ্ছে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। তবে অভিনেত্রী বিয়ের অনুষ্ঠানে গোপনীয়তা বজায় রাখতে চেয়েছেন। তিনি নিজেই ছবি পোস্ট করবেন বলেও জানান।
আরও পড়ুন: এবার বিয়ের খবর দিলেন পড়শী
দীর্ঘদিন ধরেই রাজীবের সঙ্গে মেহজাবীনের প্রেমের গুঞ্জন চলছিল। তারা বিয়ে সেরেছেন এমন কথাও ভাসছিল শোবিজ অঙ্গনে। তবে এটি নিয়ে কখনো প্রকাশ্যে কিছু বলেননি এই দম্পতি। অবশেষে গুঞ্জন সত্যি হলো তাদের আনুষ্ঠানিক বিয়ের মধ্য দিয়ে।
বিনোদন জগতের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ মেহজাবিন। টেলিভিশন নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয় জয় করেছেন এই অভিনেত্রী। মেহজাবিনের স্বামী আদনান আল রাজীব একজন পরিচালক।
এই দম্পতির বিয়ের খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সহকর্মী ও ভক্তরা তাদের সুখী ও প্রেমময় দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন।
৫২১ দিন আগে
জানা গেল সারজিসের স্ত্রীর পরিচয়
জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা সারজিস আলম বিয়ে করেছেন।
নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস দেন স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।
পোস্টের সঙ্গে একটি ছবিও যুক্ত করেন ক্রীড়া উপদেষ্টা, যেখানে বিয়ের সাজে সজ্জিত সারজিস আলমের সঙ্গে তিনি, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এবং উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের পাশাপাশি রয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহসহ আরও অনেকে।
ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘নবজীবনে পদার্পণে অভিনন্দন সার্জিস ভাই। বিবাহিত জীবন সুখের হোক।’
এর ৮ মিনিট পর একই ধরনের আরেকটি ছবি পোস্ট করে হাসানাত আব্দুল্লাহ লেখেন, ‘অভিনন্দন, বন্ধু, সারজিস! আজীবন একসঙ্গে ভালোবাসা ও সুন্দর মুহূর্তের মধ্যে থাকো—এই কামনা করি।’
বিয়ের খবরে সারজিস আলমকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাচ্ছেন নেটিজেনরাও। অনেকে নববধূর পরিচয় জানতে চান। তবে সারজিসসহ অন্য সমন্বয়কদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সন্ধ্যায় সফল হতে পারেনি ইউএনবি।
অবশেষে ইউএনবির বরগুনা প্রতিনিধি সারজিসের স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
আরও পড়ুন: সামাজিকমাধ্যমে সারজিস আলমের বিয়ের খবর
জানা গেছে, সার্জিসের স্ত্রী একজন কোরানের হাফেজা। সবসময় পর্দা করে চলেন তিনি। তাই তার নাম প্রকাশে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।
সারজিসের শশুরের নাম ব্যারিস্টার লুৎফর রহমান। তার বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নে লাকুরতলা গ্রামে। পেশার তাগিদে ব্যারিস্টার লুৎফর রহমান স্ত্রী, মেয়ে ও দুই ছেলেকে নিয়ে রাজধানীর বাসাবোর শাহজাহানপুর এলাকায় বসবাস করেন।
লুৎফর রহমানের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গাজিপুরের রাজিন্দ্র রিসোর্টে শুক্রবার আসরের নামাজের পর পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিষয়টি মিডিয়া থেকে দূরে রাখতে বর্তমানে পরিবারসহ ওই রিসোর্টেই অবস্থান করছেন তারা।
ব্যারিস্টার লুৎফর রহমানের তিনটি সন্তানের মধ্যে সার্জিস আলমের স্ত্রী সবার বড়।
সারজিস আলম ১৯৯৮ সালের ২ জুলাই পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আকতারুজ্জামান সাজু ও মা বাকেরা বেগম। দুই ভাইয়ের মধ্যে সারজিস বড়, ছোট ভাইয়ের নাম শাহাদাত হোসেন সাকিব।
সারজিস আলম ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তিনি ডাকসু নির্বাচনে অমর একুশে হল সংসদের প্যানেল থেকে সদস্য পদে জয়লাভ করেছিলেন।
ছাত্রজীবনের নানা পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিতার্কিক হিসেবেও প্রতিনিধিত্ব করেছেন সারজিস। গত বছরের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা ছিলেন তিনি।
৫৪৪ দিন আগে
সামাজিকমাধ্যমে সারজিস আলমের বিয়ের খবর
জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা সারজিস আলম বিয়ে করেছেন—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এমন খবর ছড়িয়েছে। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহও পৃথক পোস্টে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।
পোস্টের সঙ্গে একটি ছবিও যুক্ত করেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা, যেখানে বিয়ের সাজে সজ্জিত সারজিস আলমের সঙ্গে তিনি, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এবং উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের পাশাপাশি রয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহসহ আরও অনেকে।
ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘নবজীবনে পদার্পণে অভিনন্দন সার্জিস ভাই। বিবাহিত জীবন সুখের হোক।’
এর ৮ মিনিট পর একই ধরনের আরেকটি ছবি পোস্ট করে হাসানাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন, ‘অভিনন্দন, বন্ধু, সারজিস! আজীবন একসঙ্গে ভালোবাসা ও সুন্দর মুহূর্তের মধ্যে থাকো—এই কামনা করি।’
সারজিস আলম ১৯৯৮ সালের ২ জুলাই পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আকতারুজ্জামান সাজু ও মা বাকেরা বেগম। দুই ভাইয়ের মধ্যে সারজিস বড়, ছোট ভাইয়ের নাম শাহাদাত হোসেন সাকিব।
সারজিস আলম ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তিনি ডাকসু নির্বাচনে অমর একুশে হল সংসদের প্যানেল থেকে সদস্য পদে জয়লাভ করেছিলেন।
ছাত্রজীবনের নানা পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিতার্কিক হিসেবেও প্রতিনিধিত্ব করেছেন সারজিস। গত বছরের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা ছিলেন তিনি।
এদিকে, বিয়ের খবরে সারজিস আলমকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাচ্ছেন নেটিজেনরাও। অনেকে নববধূর পরিচয় জানতে চেয়েছেন।
তবে সারজিসসহ অন্য সমন্বয়কদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সফল হতে পারেনি ইউএনবি।
৫৪৪ দিন আগে
এবার বিয়ের খবর দিলেন পড়শী
এবার বিয়ের খবর দিলেন সঙ্গীত তারকা ও অভিনেত্রী সাবরিনা এহসান পড়শী। রবিবার (১২ জানুয়ারি) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন তথ্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘ভেবেছিলাম সুখবরটা অনুষ্ঠানের সময় দারুণ সব ছবিসহ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করবো! তবে এর আগেই যেহেতু অনেক সাংবাদিক ভাই-বোন জানতে চাচ্ছেন এবং ফোন করছেন, তাই আপনাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এখনই বিষয়টি শেয়ার করছি।’
‘আমার জীবনসঙ্গীর নাম নীলয়। আজ থেকে ১৫ বছর আগে ‘ক্ষুদে গানরাজ’ প্রতিযোগিতায় আমাদের পরিচয় হয়। তবে প্রেম বলতে যা বোঝায়, আমাদের মধ্যে তেমন কোনও সম্পর্ক ছিল না। ‘জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে’ আল্লাহর হাতে, আর সেই ভাগ্যচক্রেই আমরা একে অপরের জীবনে এসেছি—এটি পুরোপুরি পারিবারিক সিদ্ধান্তে,’ যোগ করেন তিনি।
পড়শী বলেন, ‘গত বছর ৪ মার্চ , ২০২৪ এ যুক্তরাষ্ট্র থেকে মাত্র কিছু দিনের জন্য দেশে এসেছিল হামিম নীলয়। তখনই দুই পরিবারের সম্মতিতে আকদ্ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। যেহেতু আমরা দুইজন পৃথিবীর দুই প্রান্তে আছি এবং দুই পরিবারের আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসা ও প্রত্যাশার কথা ভেবে আমরা চেয়েছি সুন্দর সময়ে একটি অনুষ্ঠান করে বিষয়টি সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করতে। তবে সুখবরটি আগেই ছড়িয়ে পড়ায় আমি কিছুটা বিব্রত, তবে আনন্দিতও।’
আরও পড়ুন: অবশেষে বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করলেন তাহসান
‘সব ঠিক থাকলে খুব শীঘ্রই নীলয় দেশে আসার কথা রয়েছে। তখন দুই পরিবারের আলোচনার ভিত্তিতে আমাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিক আয়োজন হবে। ততদিন পর্যন্ত দোয়া, আশীর্বাদ ও ভালোবাসায় আমাকে রাখবেন,’ যোগ করেন এই সঙ্গীত তারকা।
চ্যানেল আইয়ের রিয়েলিটি শো ‘ক্ষুদে গানরাজ’ দিয়ে পরিচিতি পান সাবরিনা পড়শী। এরপর গানে গানে পেরিয়ে গেছে ১৬ বছর। গানে তার ব্যস্ততা বেড়েছে। স্টেজ শো করছেন। নিয়মিত প্রকাশ করছেন নতুন গান। এর মধ্যে জানা গেল, বিয়ের কাজটি সেরে নিয়েছেন পড়শী।
৫৬৩ দিন আগে
আম্বানিপুত্রের বিয়ের চূড়ান্ত আয়োজন: অভিন্ন ঐতিহ্যে দেশি-বিদেশি তারকা ও বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিরা
ভারতীয় ঐতিহ্যের সব রঙ, দেশ-বিদেশের জনপ্রিয় তারকা আর বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব। অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের রাজকীয় বিয়ের চূড়ান্ত আয়োজনে এগুলোর সবই থাকা চাই। শত হলেও এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানির কনিষ্ঠ পুত্রের বিয়ে বলে কথা। বর ও কনের চার হাত এক করার লক্ষ্যে গত ৩ জুলাই থেকে যেন তারই মহড়া চলছে। উৎসবের মধ্যমণি অনন্ত-রাধিকা হলেও এখানে এমন সব তারকা ও ব্যক্তিদের একত্রিত করা হয়েছে, যা শুধুমাত্র আম্বানিদের পক্ষেই করা সম্ভব। চলুন, সেই পরিচিত মুখগুলোর পাশাপাশি চোখ ধাঁধানো এই আয়োজনের বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
৭৪৫ দিন আগে
নোবেলের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়নি: আরশি
গায়ক মইনুল আহসান নোবেলকে নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। মাঝে কয়েকদিন আলোচনার বাইরে থাকার পর আবারও সংবাদের শিরোনামে তিনি।
সম্প্রতি নোবেলের আলোচনায় আসার কারণ ফেসবুকে তার রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস। সেখানে জানা যায় ফারজান আরশি নামের একজনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। তবে এটি অস্বীকার করছেন আরশি।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে জানান তিনি।
পোস্টটিতে তিনি বলেন, ‘নোবেলের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়নি বা কোনো রকমের সম্পর্ক নেই।’
আরও পড়ুন: মুচলেকা দিয়ে জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী নোবেল
তিনি আরও বলেন, ‘আমি যদি নিজের ইচ্ছায় নোবেলের কাছে যেতাম, অবশ্যই আমার হাসবেন্ডের সঙ্গের সব ছবি, ভিডিও ডিলিট করেই যেতাম।’
আরশি বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত নাদিম আহমেদের স্ত্রী।
গণমাধ্যমের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘অনেক বিষয় আছে যা আপনারা জানেন না। আমি একটু সুস্থ হয়ে নেই, আজকে লাইভে এসে সব ক্লিয়ার করব।’
তিনি উল্টাপাল্টা সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন।
আরও পড়ুন: সংগীতশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার
ফেসবুক পোস্ট সরানোর কারণ জানালেন তিশা
৯৮০ দিন আগে